WSIS 2014 ॥ বাংলাদেশি প্রোজেক্ট বর্ষসেরা

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১০ জুন , ২০১৪ সময় ০৯:২২ অপরাহ্ণ

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মনোনয়ন পাওয়া প্রায় ১৫০টি প্রকল্পকে পেছনে ফেলে আইসিটি সেক্টরের সবচেয়ে সম্মাজনক ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি (ডাব্লিউএসআইএস)’ পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশ। এক্সেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) এর ‘সার্ভিস অ্যাট সিটিজেন ডোরস্টেপস’ নামের প্রজেক্টটি এবার বর্ষসেরা হিসেবে নির্বাচিত হয়েছে। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায় এ পুরস্কার গ্রহণ করবেন প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। পুরস্কার প্রদান এবং সম্মেলন নিয়ে ৩ দিনব্যাপি আয়োজন শেষ হবে আগামী ১৩ জুন।

এদিকে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ডাব্লিউএসআইএস পুরস্কার গ্রহণ করতে যাওয়ার আগে সোমবার মধ্যরাতে প্রতিমন্ত্রী পলক এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, “আজ জেনেভায় আইটিইউ সম্মেলন থেকে একটি সুখবর দিতে পারবো বলে আশা করছি, সবার দোয়া কামনা করি।” তাঁর সাথে সফরসঙ্গী রয়েছেন এটুআই এর প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ার এবং বাংলাদেশের ইউএনডিপি’র সহকারি পরিচালক কে এম মোরশেদ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ডব্লিউএসআইএস কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশকে চিঠি দিয়ে এ বিজয়ী হবার সংবাদ জানিয়ে পুরস্কার গ্রহণ করতে মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী সমপর্যায়ের প্রতিনিধি পাঠাতে অনুরোধ করে। এটুআই এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের নাম প্রস্তাব করে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে নির্বাচন করেন।

WSIS

ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটির ভোট পর্ব বাংলাদেশ থেকে এ বছর পাঁচটি প্রকল্প-উদ্যোগ ডব্লিউএসআইএস প্রকল্প পুরস্কারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে মনোনীত হয়েছিল। এই উদ্যোগ ৫টি জমা দিয়েছিল যথাক্রমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব আইসিটি ইন ডেভেলপমেন্ট (বিআইআইডি), শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও গ্রামীণ কমিউনিকেশনস।

মোট ১৮ টি বিভাগের মধ্যে ৬ থেকে ১১ নম্বর বিভাগে প্রাথমিক মনোনয়ন পায় ‘সার্ভিস অ্যাট সিটিজেনস ডোরস্টেপস’, ‘অনলাইন মাইক্রো স্মল ও মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ (এমএসএমই) সাপোর্ট সার্ভিস’, ‘আইসিটি ফর এডুকেশন ইন সেকেন্ডারি অ্যান্ড হায়ার সেকেন্ডারি লেভেল প্রজেক্ট’, ‘ভারচুয়াল ব্লাড ডাটা ব্যাংক’, ‘ই-কৃষক’, ‘ইনকাম জেনারেশন প্রজেক্ট ফর ফারমার্স ইউজিং আইসিটি’। প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন পাওয়া প্রকল্পগুলোকে চূড়ান্ত পর্বে নির্বাচিত করতে ইমেইলের মাধ্যমে ভোট নেয়া হয়। ভোট গ্রহণের শেষ সময় ছিল ১৭ এপ্রিল।

প্রসঙ্গত, ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি (ডব্লিউএসআইএস) প্রকল্প পুরস্কার তথ্য-প্রযুক্তি ক্ষেত্রে উদ্যোগ ও বাস্তবায়নের বড় ধরনের স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষের জীবনে পরিবর্তন আনার জন্য ওয়ার্ল্ড সামিট ফর ইনফরমেশন সোসাইটি কাজ করে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী সৃজনশীল উদ্ভাবনগুলো ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ কাজ করছে প্রতিষ্ঠানটি। ডব্লিউএসআইএসির এই প্রতিযোগিতায় সরকারি, বেসরকারি, সাধারণ নাগরিক, আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প জমা দেওয়ার সুযোগ থাকে। ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটির অংশীদাররা এতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান।


আরোও সংবাদ