বাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকুন

চট্টগ্রম অফিস প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২১ সেপ্টেম্বর , ২০১৭ সময় ০৯:১৪ অপরাহ্ণ

পূজায় বাজি-পটকা না ফোটানোর অনুরোধ সিএমপি কমিশনারের

আসছে দুর্গাপূজায় বাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থেকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পালনের জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার ইকবাল বাহার।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিএমপি সদর দপ্তরে চট্টগ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পূজার নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।

সিএমপি কমিশনার বলেন, “ধর্মীয় বিধিবিধান পালন করতে গিয়ে কোনো কিছুতে যেন ঘাটতি না হয়, সেজন্য আপনারা সজাগ থাকবেন। নিরাপত্তা দিয়ে সেগুলো করানো হবে।”

বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে পটকা ও বাজি ফোটানো থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মণ্ডপের আশপাশে কাউকে কোনো পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসতে না দিতেও পূজা কমিটির নেতাদের অনুরোধ করেন সিএমপি কমিশনার।

তিনি জানান, সারা দেশে গতবছরের তুলনায় এবছর ৬৮২টি বেশি পূজামণ্ডপ হচ্ছে। আর চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ২৩৩টি মণ্ডপের মধ্যে এবছর দুইটি নতুন মণ্ডপ হচ্ছে।

নগরীর পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিন হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন জানিয়ে ইকবাল বাহার বলেন, পুলিশের ৯০০ ও আনসারের এক হাজার ৫৫৮ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

এর বাইরে ১৬টি থানা থেকে ৫৬টি মোবাইল টিমের বাইরে অতিরিক্ত আরও ১২টি ও ১৭টি করে মোবাইল টিম করা হয়েছে। পূজার শেষদিন পর্যন্ত তারা নিয়োজিত থাকবে।

পূজায় পুলিশের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে দেওয়া নির্দেশনা পালনের অনুরোধ জানিয়ে তিনি প্রতিটি মণ্ডপে পূজা কমিটির পক্ষ থেকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের কথা বলেন।

পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য নির্ধারিত পোশাক অথবা আর্ম বেল্ট করার পরামর্শ দিয়ে ইকবাল বাহার বলেন, “যদি কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহ হয় তাহলে পুলিশ নয়, স্বেচ্ছাসেবকরা পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের তল্লাশি করবেন।”

এছাড়া সম্ভব হলে পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে নিরাপত্তার স্বার্থে বোরকা পড়া কাউকে মণ্ডপে প্রবেশ করতে না দেওয়ারও পরামর্শ দেন নগর পুলিশ প্রধান ইকবাল বাহার।

তিনি বলেন, “পূজা মণ্ডপে বোরকা পড়ে কেউ যেতে চায় না। যদি কেউ যায় তাহলে তাকে অ্যালাউ করা হবে না। ধর্মীয়ভাবে যিনি নিজেকে ঢেকে রাখেন, আমার বিশ্বাস তিনি প্রতিমা দর্শনে যাবেন না। যদি কেউ যান, তিনি অন্য কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে, অন্য কারণে বোরকা ব্যবহার করতে পারেন।”

এদিকে বিজয়া দশমীতে কোনো মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন না দিলে সেটা পুলিশকে জানিয়ে রাখার কথা বলেন তিনি।

নগরীতে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতসহ নয়টি স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়ে নগর পুলিশ প্রধান ইকবাল বাহার এককভাবে কেউ বিসর্জনে না গিয়ে কয়েকটি মণ্ডপ মিলে একসাথে বিসর্জনে যাওয়া অনুরোধ করেন।

মতবিনিময় সভায় সিএমপি কমিশনার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যার কথাও জেনে নেন।

সভায় চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) দেবদাস ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, বিভিন্ন জোনের উপ-কমিশনার ও থানার ওসি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর, জন্মাষ্ঠমী উদযাপন পরিষদ এবং বিভিন্ন থানার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসছে দুর্গাপূজায় বাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থেকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পালনের জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার ইকবাল বাহার।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিএমপি সদর দপ্তরে চট্টগ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পূজার নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।

সিএমপি কমিশনার বলেন, “ধর্মীয় বিধিবিধান পালন করতে গিয়ে কোনো কিছুতে যেন ঘাটতি না হয়, সেজন্য আপনারা সজাগ থাকবেন। নিরাপত্তা দিয়ে সেগুলো করানো হবে।”

বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে পটকা ও বাজি ফোটানো থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মণ্ডপের আশপাশে কাউকে কোনো পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসতে না দিতেও পূজা কমিটির নেতাদের অনুরোধ করেন সিএমপি কমিশনার।

তিনি জানান, সারা দেশে গতবছরের তুলনায় এবছর ৬৮২টি বেশি পূজামণ্ডপ হচ্ছে। আর চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ২৩৩টি মণ্ডপের মধ্যে এবছর দুইটি নতুন মণ্ডপ হচ্ছে।

নগরীর পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিন হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন জানিয়ে ইকবাল বাহার বলেন, পুলিশের ৯০০ ও আনসারের এক হাজার ৫৫৮ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

এর বাইরে ১৬টি থানা থেকে ৫৬টি মোবাইল টিমের বাইরে অতিরিক্ত আরও ১২টি ও ১৭টি করে মোবাইল টিম করা হয়েছে। পূজার শেষদিন পর্যন্ত তারা নিয়োজিত থাকবে।

পূজায় পুলিশের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে দেওয়া নির্দেশনা পালনের অনুরোধ জানিয়ে তিনি প্রতিটি মণ্ডপে পূজা কমিটির পক্ষ থেকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের কথা বলেন।

পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য নির্ধারিত পোশাক অথবা আর্ম বেল্ট করার পরামর্শ দিয়ে ইকবাল বাহার বলেন, “যদি কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহ হয় তাহলে পুলিশ নয়, স্বেচ্ছাসেবকরা পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের তল্লাশি করবেন।”

এছাড়া সম্ভব হলে পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে নিরাপত্তার স্বার্থে বোরকা পড়া কাউকে মণ্ডপে প্রবেশ করতে না দেওয়ারও পরামর্শ দেন নগর পুলিশ প্রধান ইকবাল বাহার।

তিনি বলেন, “পূজা মণ্ডপে বোরকা পড়ে কেউ যেতে চায় না। যদি কেউ যায় তাহলে তাকে অ্যালাউ করা হবে না। ধর্মীয়ভাবে যিনি নিজেকে ঢেকে রাখেন, আমার বিশ্বাস তিনি প্রতিমা দর্শনে যাবেন না। যদি কেউ যান, তিনি অন্য কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে, অন্য কারণে বোরকা ব্যবহার করতে পারেন।”

এদিকে বিজয়া দশমীতে কোনো মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন না দিলে সেটা পুলিশকে জানিয়ে রাখার কথা বলেন তিনি।

নগরীতে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতসহ নয়টি স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়ে নগর পুলিশ প্রধান ইকবাল বাহার এককভাবে কেউ বিসর্জনে না গিয়ে কয়েকটি মণ্ডপ মিলে একসাথে বিসর্জনে যাওয়া অনুরোধ করেন।

মতবিনিময় সভায় সিএমপি কমিশনার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যার কথাও জেনে নেন।

সভায় চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) দেবদাস ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, বিভিন্ন জোনের উপ-কমিশনার ও থানার ওসি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর, জন্মাষ্ঠমী উদযাপন পরিষদ এবং বিভিন্ন থানার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


আরোও সংবাদ