নবদিগন্তের হাতছানি সন্দ্বীপের প্রথম মেরিন ড্রাইভ সড়ক

চট্টগ্রম অফিস প্রকাশ:| বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর , ২০১৭ সময় ১১:৩১ পূর্বাহ্ণ

অবশেষে আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে সন্দ্বীপের প্রথম দৃষ্টিনন্দন মেরিন ড্রাইভ সড়ক। এতে করে অবহেলিত জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নবদিগন্তের সূচনা হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের ধারণা এতে করে ঐ অঞ্চলের যোগাযোগ সমস্যা কিছুটা হলেও লাগব হবে। সমুদ্র বেষ্টিত এই মেরিন ড্রাইভ সড়কটি ঘিরে গড়ে উঠবে ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। সন্দ্বীপ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের বেড়িবাঁধের উপর এ সড়কটির পাক করণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইস গেইট সংলগ্ন বেড়িবাঁধ থেকে নিচের দিকের সড়কটির কাজ শেষ হলেই যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে দ্বীপের প্রথম এই মেরিন ড্রাইভ সড়কটি।

প্রথম ধাপে রহমতপুর স্টীমার ঘাট থেকে দুই হাজার ৭৫০ ফুট দৈর্ঘ্য আর ১১ ফুট প্রস্ত এই অংশের কাজ শেষ হয়। যার নির্মাণ ব্যয় ৮০ লক্ষ টাকা। জানাগেছে এটি পর্যায়ক্রমে এটি হরিশপুর ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ পর্যন্ত করা হবে। সড়কটি চালু হলে ট্রলার থেকে ট্রাকের মাধ্যমে পণ্য পরিবহণ সহজ ও পরিবহণ খরচ কম হবে বলে মনে করেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।

সড়কটির পৌরসভার সাঁওতাল খালের সাথে সংযুক্ত বিধায় চট্টগ্রামের চাক্তায় থেকে সব ধরনের মালামাল এখান দিয়ে আসে। ফলে পুরো সন্দ্বীপের ব্যবসায় বাণিজ্যের উপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। অন্যদিকে বিস্তীর্ণ জায়গা–জমি ও ফসল রক্ষা পাবে সাগরের ভাঙন থেকে।

স্থানীয় পৌরসভার বেড়িবাঁধ এলাকার বাসিন্দা মোঃ মোস্তাক কে বলেন, বর্ষাকালে বেড়ীবাঁধ দিয়ে হাট বাজারে যেতে কষ্ট হয়। সড়কটি চালু হলে আমাদের যোগাযোগ সহজতর হবে।

ব্যবসায়ী নেতা এবিএস লিটন বলেন , সন্দ্বীপের ব্যবসায়ীদের বেশিরভাগ মালামাল এখান দিয়ে আনা হয়। মেয়রের আন্তরিকতায় সড়কটি চালু হলে আমাদের পরিবহন খরচ অনেকটা কমে যাবে।

পৌর মেয়র জাফর উল্ল্যাহ টিটু বলেন, মেরিন ড্রাইভটি একদিকে সাগরের তীরে বেড়িবাঁধ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। অন্যদিকে জায়গা–জমি ও ফসল রক্ষা পাবে সাগরের ভাঙন থেকে। একই সঙ্গে চিত্ত বিনোনোদনের জন্য এবং পর্যটকদের কাছে দৃষ্টিনন্দন করতে সড়কের পাশে সোনালু, শিশু, নিম ও নানা প্রজাতির ফলজ গাছ লাগানো হবে। নির্মাণকাজ শেষ হলে ভবিষ্যতে সড়কটির সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য আরো কাজ করবেন বলে জানান।


আরোও সংবাদ