মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন আইন অনুমোদন

চট্টগ্রম অফিস প্রকাশ:| সোমবার, ১৭ জুলাই , ২০১৭ সময় ০৩:৩৫ অপরাহ্ণ

সরকারের অনুমতি ছাড়া মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে না কোনো হাসপাতাল। একই সঙ্গে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজনে নিকট আত্মীয়ের পরিচয়ে মিথ্যা তথ্য দিলে জেল ও জরিমানার বিধান রেখে ‘মানবদেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন (সংশোধন) আইন, ২০১৭’র খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদের সভাকক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নিয়মতি বৈঠকে এ আইনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত আশরাফ শামীম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘সংশোধিত আইনে কিছু সংজ্ঞা পরিমার্জিত ও পুনর্গঠিত হয়েছে এবং আইনে কিছু বিষয় সংযোজিতও হয়েছে।’

আশরাফ শামীম বলেন, ‘কোনো হাসপাতাল সরকারের অনুমতি ছাড়া মানবদেহে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংযোজন করতে পারবে না। তবে সরকারি হাসপাতালে যেখানে বিশেষায়িত ইউনিট আছে সেখানে এ ধরণের অনুমতির প্রয়োজন নেই।’

আর নিকট আত্মীয় বলতে বাবা-মা, ভাই-বোন, স্বামী-স্ত্রী, চাচা-চাচি, মা-মামি, ফুফা-ফুফো, দাদা-দাদি, নাতি-নাতনী এবং আপন চাচাতো, মামাতো, ফুফাতো, খালাতো ভাই বা বোনকে বুঝানো হয়েছে। শরীরে অঙ্গ-প্রতঙ্গ সংযোজনের ক্ষেত্রে এসব নিকট আত্মীয়ের পরিচয়ে মিথ্যা তথ্য দিলে দুই বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

এছাড়া আইনের অন্যান্য যে কোনো বিধি লঙ্ঘন করলে ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রা হয়।

উল্লেখ্য, আগের আইনে নিকট আত্মীয় বলতে পুত্র-কন্যা, পিতা-মাতা, ভাই-বোন, ও রক্তের সম্পর্কের আপন চাচা, ফুফু, মামা, খালা ও স্বামী-স্ত্রী বুঝানো হতো। নতুন আইনে নিকট আত্মীয়ের সংজ্ঞা সম্প্রসারণ করা হয়েছে।