খামার ভিত্তিক বায়োগ্যাস প্রকল্পের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে

চট্টগ্রম অফিস প্রকাশ:| সোমবার, ১৭ জুলাই , ২০১৭ সময় ০২:০২ পূর্বাহ্ণ

পটিয়া উপজেলায় গরুর খামার ভিত্তিক বায়োগ্যাস প্রকল্পের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে। গরুর খামারকে ঘিরে উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামে গড়ে ওঠেছে বাণিজ্যিকভিত্তিতে বায়োগ্যাস প্রকল্প। খামারের গবাদি পশুর ফেলে দেয়া বর্জ্যকে কাজে লাগিয়ে বায়োগ্যাস প্রকল্প করা হচ্ছে। জ্বালানি হিসেবে এ গ্যাস ব্যবহার করায় এর চাহিদাও বাড়ছে। স্বল্প মূল্যের জ্বালানি হিসেবে এ গ্যাস পেয়ে এলাকার লোকজন যেমন উপকৃত হচ্ছেÑ তেমনি গরুর খামারীরাও আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

এ ছাড়া বায়োগ্যাস প্রকল্পে ব্যবহার শেষে গরুর বর্জ্য জৈব সারে রূপ নেয়। তা ভালো সার হিসেবে বিক্রি করা যায়। সবমিলে দুধ দিয়ে পুষ্টি, বায়োগ্যাস দিয়ে জ্বালানি ও জমির উর্বরতার জন্য সারের চাহিদা মিটিয়ে গ্রামীণ জীবনচিত্র পাল্টে দিচ্ছে খামার ভিত্তিক বায়োগ্যাগ প্রকল্প। পটিয়া উপজেলায় বর্তমানে অন্তত সাড়ে তিনশ’ গরুর খামারে বায়োগ্যাস প্রকল্প রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশ বায়োগ্যাস ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের নির্বাহী সদস্য প্রকৌশলী মাহফুজুর রহমান মাসুম বলেন,‘চট্টগ্রামের কয়েকটি অঞ্চলে বায়োগ্যাসের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। সচেতনতা বাড়াতে পারলে বায়োগ্যাস প্রকল্পকে ঘিরে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব।’

এ প্রসঙ্গে খামার ভিত্তিক বায়োগ্যাস প্রকল্পের উদ্যোক্তা পটিয়ার জুলধা গ্রামের হাজি মো. ইব্রাহিম বলেন, ‘একদিন টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠান দেখে গরুর গোবর দিয়ে বায়োগ্যাস প্রকল্প তৈরি করার নিয়ম জানতে পারি। সেই থেকে এ প্রকল্প করার কথা মাথায় আসে। আমার গরুর খামারে প্রায় আড়াই লাখ খরচ করে বায়োগ্যাস প্রকল্প করি। প্রথমে নিজের ঘরের রান্নার কাজে এই গ্যাস ব্যবহার করি। পরে আশপাশের ২৫টি পরিবারে গ্যাসের সংযোগ দিয়েছি। তা থেকে প্রতি মাসে বাড়তি ১০-১২ হাজার টাকা আয় হচ্ছে। এ ছাড়া প্রকল্পে ব্যবহার করা গোবর থেকে যে জৈব সার উৎপন্ন হয়Ñ তা বিক্রি করে মাসে ৭-৮ হাজার টাকা পাওয়া যায়।’


আরোও সংবাদ