শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / আমাদের চট্টগ্রাম / উদ্ধার করা হবে ৩৬টি খাল
উদ্ধার করা হবে ৩৬টি খাল

উদ্ধার করা হবে ৩৬টি খাল

জলাবদ্ধতা নিরসনে চাক্তাই থেকে কালুরঘাট পর্যন্ত দুই হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের পর এবার আসছে ৬ হাজার কোটি টাকার মেগা প্রকল্প। আর এ প্রকল্পের আওতায় আরএস শিট অনুযায়ী উদ্ধার করা হবে ৩৬টি খাল।
উভয়পাড়ের অবৈধ স’াপনা উচ্ছেদ করে এসব খাল পুনরুদ্ধার, পুনঃখনন ও খালের মুখে রেগুলেটর বসানোর মাধ্যমে জোয়ার-ভাটার পানি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। খনন করা হবে নতুন খালও।
নতুন এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ) এবং প্রকল্প শেষে তা রক্ষণাবেক্ষণ করবে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।
জলাবদ্ধতা নিরসনে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের বিষয়ে সিডিএ থেকে ডিপিপি (বিস্তারিত প্রকল্প প্রস্তাবনা) তৈরি করে মন্ত্রণালয় ও প্ল্যানিং কমিশনের পর গতকাল একনেক সভায় তা অনুমোদন পেলেও এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হননি সিডিএ’র কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা।
তবে বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে জানা যায়, গতকাল প্ল্যানিং কমিশনের সভায় সিডিএ’র চেয়ারম্যান আবদুচ ছালাম, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী শামসুদ্দোহা এবং চট্টগ্রাম ওয়াসা, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংস’ার প্রতিনিধিরা উপসি’ত ছিলেন।
জানা যায়, প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের আওতায় মহানগরীর ৩৬টি খালকে আরএস শিট অনুযায়ী আগের অবস’ায় ফিরিয়ে আনা হবে। আর তা করতে খাল দখল করে গড়ে ওঠা সকল অবৈধ স’াপনা উচ্ছেদ করা হবে। উচ্ছেদ কার্যক্রম নিশ্চিত করবে সিডিএ। কারণ ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুযায়ী অবৈধ ভবন গড়ে তোলার আওতায় ভাঙা হতে পারে এসব স’াপনা। পুনরুদ্ধারের পর খালগুলো সম্প্রসারণ ও খনন কার্যক্রম শুরু করবে সিডিএ। আবার কোথাও কোথাও নতুন খাল খননের প্রয়োজন রয়েছে সেসব নতুন খালও খনন করা হবে প্রকল্পের আওতায়। খালগুলো খনন ও সম্প্রসারণের পর জোয়ারের পানি প্রবেশ ঠেকানোর জন্য খালের মুখে বসানো হবে টাইডার রেগুলেটর।
জানা গেছে, নতুন খাল খনন ও পুরনো খালগুলো পুনরুদ্ধারের পর তা রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া হবে চসিককে।

আপনার মতামত দিন

Scroll To Top