রোগী আছে ডাক্তার নেই

চট্টগ্রম অফিস প্রকাশ:| রবিবার, ১৬ জুলাই , ২০১৭ সময় ০৩:৩৯ অপরাহ্ণ

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল। ধারণ ক্ষমতার তুলনায় অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হচ্ছে প্রতিদিন। একদিকে যেমন রোগী বাড়ছে অন্যদিকে সেবার মান কমছে বলে অভিযোগ রোগীর স্বজনদের। নিয়ম আনুসারে ৫৩ জন চিকিৎসক থাকলেও যেন রোগী আছে ডাক্তার নেই। হাসপাতালের ওয়ার্ডের বাহিরেও বারন্দায় অতিরিক্ত রোগী সেখানে যেন আরেকটি হাসপাতাল। অথচ সরকার রোগীর সেবার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করে সঠিক সেবা না পাওয়ার একটি করুণ চিত্র কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতাল। অপর দিকে বিশাল এই রোগী সামাল দিতেও বেকাদায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ। কক্সবাজার মেডিকেল হল পুরোপুরি চালু হলে কিছুটা রোগী ছাপ কমবে ও সেবার মানও বাড়তে পারে এমনটি আশা প্রকাশ করছেন এলাকার সচেতন মহল।
হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, পুরে হাসপাতাল জুড়ে রোগীদের ভীড়। এমনকি ওয়ার্ডের বাহিরেও অনেক রোগী ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা নিতে দেখা যায়। তবে সেবিকারা এইসব রোগীদের সিকিৎসা দিতে দেখা গেলেও দেখা মিলেনি ডাক্তারের। দেখা মিলেছে কিছু সংখ্যক ইন্টার্ন ডাক্তারের। বিশেষ করে মহিলা ওয়ার্ডের ভেতরে রোগী এত বেশি সেখানে জায়গার সংকুল না হয়ে ওয়ার্ডের সামনে অনেক মহিলা রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে।
হাসপাতালের দৈনিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডে বরাদ্দ শয্যা সংখ্যা ৩০ জনের। রোগী ভর্তি রয়েছে ৭৮ জন অতিরিক্ত ৪৮ জন রোগী, সেখারে রোহিঙ্গা রোগী ৬ জন। এছাড়া মহিলা ও শিশু সার্জারি ওয়ার্ড শয্যা সংখ্যা ৪০টি রোগী ভর্তি হয়েছে ৬৯ জন। অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ২৯ জন। পুরুষ সার্জারী ওয়ার্ড শয্যা সংখ্যা ৩০ জন। অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ৪২ জন। পুরুষ ওয়ার্ড শয্যা সংখ্যা ৩৫ জন। অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ১৭ জন। শিশু ওয়ার্ড শয্যা সংখ্যা ৪০ জন। অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ২১ জন। ডায়রিয়া ও সংক্রামক ব্যাধি ওয়ার্ড শয্যা সংখ্যা ২০ জন। অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ১৮ জন। প্রসূতি ওয়ার্ড শয্যা সংখ্যা ৪০ জন। অতিরিক্ত রোগী ভর্তি হয়েছে ৩৬ জন। এই বিভাগে গত ৬ মাসে রোগী সেবা পেয়েছে ৫৫৪ জন।


আরোও সংবাদ