শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক

বিভাগ: আন্তর্জাতিক

Feed Subscription

‘রকেটম্যান ও কুকুরের ঘেউ ঘেউ’ নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্ব

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে মার্কিন ‘রকেটম্যান ও কুকুরের ঘেউ ঘেউ’ নিয়ে উদ্বিগ্ন বিশ্বর আস্ফালন নতুন মাত্রা পেয়েছে।

 

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর ভাষণে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে ‘রকেটম্যান’ হিসেবে বর্ণনা করে সে দেশকে নিশ্চিহ্ন করে দেবার যে হুমকি দিয়েছিলেন, তার জবাবে উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রি ইয়ং হো ট্রাম্পকে ‘বার্কিং ডগ’ হিসেবে উল্লেখ করে তাচ্ছিল্য দেখালেন। তিনি বলেন, ‘‘ট্রাম্প যদি মনে করে থাকেন যে, কুকুরের মতো ঘেউ ঘেউ করে তিনি আমাদের অবাক করে দেবেন, তাহলে তিনি অবশ্যই স্বপ্ন দেখছেন।”

 

এ পরিস্থিতিতে চীনের উদ্বেগ বেড়ে চলেছে। সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, কোরীয় উপদ্বীপের পরিস্থিতি প্রতিদিন আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। একে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে দেয়া যায় না।

 

তিনি আবার সব পক্ষের উদ্দেশ্যে সংযমের ডাক দিয়েছেন। সেইসঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধব্যবস্থা সরিয়ে ফেলার ডাক দিয়েছেন তিনি।

 

কোরীয় সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের লক্ষ্যে জার্মানি সক্রিয় ভূমিকা নেবার ইঙ্গিত দিয়েছে। ডয়চে ভেলের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল এ ক্ষেত্রে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তির দৃষ্টান্তের উল্লেখ করেন। কিন্তু ট্রাম্প প্রশাসন সেই চুক্তি বাতিল করার যে ইঙ্গিত দিচ্ছে, তা নিয়ে জার্মানিসহ একাধিক দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। ইরান চুক্তি বাতিল হলে একই লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়ার আস্থা অর্জন করা কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেছেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিগমার গাব্রিয়েল। সূত্র : ডয়চে ভেলে

রাখাইনে রেড ক্রসের ত্রাণবহরে পেট্রোল বোমা

রাখাইন রাজ্যের উত্তরাঞ্চলে ত্রাণ পরিবহনে বাধা দিয়েছে শত শত বৌদ্ধ। রেড ক্রসের ওই ত্রাণবহরে ৫০ টন খাবার ছিল।

মিয়ানমার সরকারের উদ্ধৃতি দিয়ে এবিসি নিউজ জানিয়েছে, এ ঘটনায় আট ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীরা লাঠি, রড নিয়ে আসে এবং ত্রাণবহর লক্ষ্য করে পেট্রোল বোমা ছুড়ে। পরে পুলিশ ফাঁকা গুলি ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।

রাখাইনের উত্তরাঞ্চলে সহিংসতায় চার লাখ ২০ হারের বেশি রোহিঙ্গা দেশ ছেড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এখনো অনেকে মিয়ানমারে ধরা পড়ার ভয় নিয়েই লুকিয়ে আছে। সাহায্যকর্মীরা জানায়, সহিংসতার হাত থেকে বাঁচতে লুকিয়ে থাকা এসব রোহিঙ্গাদের কাছে পর্যাপ্ত খাবার-পানীয় নেই।

রোহিঙ্গা: জাতিসংঘের ‘বলিষ্ঠ ও দ্রুত’ পদক্ষেপ চান ট্রাম্প

মেক্সিকোতে ভূমিকম্পে নিহত ২২৬

মেক্সিকোর মধ্যাঞ্চলে ৭ দশমিক ১ মাত্রার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২২৬ জন। শক্তিশালী এই ভূমিকম্পে রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে। ধসে পড়া ভবনের নিচে আটকে পড়েছেন অনেক মানুষ।  বিবিসি ও সিএনএন ভূমিকম্পে ২২৬ জনের নিহত হওয়ার কথা জানিয়েছিল।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর একটার কিছু পরে সবকিছু কেঁপে উঠলে আতঙ্কে মানুষজন রাস্তার বের হতে থাকেন। প্রায় ৫১ কিলোমিটার জুড়ে এই কম্পন অনুভূত হয়েছে।

ইউএস জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, কম্পনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল রাজধানী মেক্সিকো সিটি থেকে ১২০ কিলোমিটার দূরে। মেক্সিকো সিটিতেও ২০ টি বেশি ভবন ধসে পড়েছে।

সাংবাদিক নাতাশা পিৎসে বলেন, ‌‘ধসে পড়া একটি আবাসিক ভবনের কাছেই ছিলম। বহু স্বেচ্ছাসেবী ধংসস্তূ সরিয়ে চাপা পড়া মানুষদের উদ্ধারে সহায়তা করছে।’

ড্যানিয়েল লিবারসন নামে এক পর্যটক বলেন, ‘ভূমিকম্পের সময় আমি একটি আবাসিক হোটেলের ২৬ তলায় ছিলেন। সেসময় হোটেল ভবনটি ভয়াবহভাবে এপাশ-ওপাশ দুলছিল। চারপাশে কাঁচ ভেঙে পড়ছিল। মাত্র আধা মিনিটের ভূমিকম্পটিকে মনে হয়েছিলো আমার সারাজীবন ধরে চলছে।’

মেক্সিকোতে এক মাসের মধ্যে এটি দ্বিতীয় ভূমিকম্প। এ মাসের শুরুতে ৮.১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে কমপক্ষে ৯০ জন নিহত হন।

১৯৮৫ সালে এক ভূমিকম্পে দশ হাজারের মতো মানুষ নিহত হয়েছিলেন। সেই ঘটনার স্মৃতিকে মাথায় রেখেই মেক্সিকো সিটি জুড়ে বহু মানুষ মঙ্গলবারই এক ভূমিকম্প মহড়ায় অংশ নিয়েছিলো। এমনই সময় হল আরেকটি ভূমিকম্প।

ভাষণে যা বললেন সু চি

রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছেন মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি।

টেলিভিশনে দেয়া জরুরি ভাষণে তিনি বলেন, আমরা যুদ্ধ চাই না শান্তি চাই।

সীমান্ত সুরক্ষায় বাংলাদেশের সাথে কাজ করতে চাই। বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক বাড়াতে চাই।
* শরণার্থী হিসেবে যারা বাংলাদেশে গেছে যে কোন সময় তাদের পরিচিতি পর্যবেক্ষন করে তাদের ফিরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসনে আমরা প্রস্তুত।

* সকল সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিজ্ঞ।

* অনেক মুসলমানের বাংলাদেশে চলে যাওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন। সহিংস ও মানবাধিকার লংঘনের ঘটনার তদন্ত হবে।

* মুসলমানদের সব বসতি নষ্ট হয় নাই, কূটনীতিকদের পরিদর্শনের আমন্ত্রণ।

* আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হবে।

* রাখাইনের ঘটনায় আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণে আমাদের ভয় নাই

* কেন এত মুসলমান তরুণ বাংলাদেশে যাচ্ছে আমরাও জানতে চাই ।

* অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ সবটাই শুনতে হবে।

* রাখাইনে সব পক্ষের নিরাপত্তার পাশাপাশি শান্তি, স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে।

* জটিল সমস্যা সমাধানে ১৮ মাস বেশি সময় নয়। আমাদের গণতন্ত্র নতুন এবং ভঙ্গুর।

মুসলিমদের পালানোর কারণ খুঁজে বের করব

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার কারণ খুঁজে বের করবেন বলে জানিয়েছেন দেশটির স্টেট কাউন্সিলর, ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান অং সান সুচি।

মঙ্গলবার জাতির উদ্দেশে দেয়া জরুরি ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। শান্তিতে নোবেল পুরস্কারজয়ী সুচি বলেন, ‘আমরা শান্তি চাই, ঐক্য চাই। যুদ্ধ চাই না। আমরা শান্তির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা সব মানুষের দুর্ভোগ গভীরভাবে অনুভব করি। রাখাইনে শান্তি, স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারে কাজ করছি। রাখাইনে বাস্তুচ্যুতদের সহায়তা দেয়া হচ্ছে।’

এদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পরিস্থিতি দেখতে রাখাইন রাজ্যে পরিদর্শনের আহ্বান জানিয়ে এ ব্যাপারে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন সুচি। একই সঙ্গে আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে তার সরকার কাজ করবে বলে জানান।

গত ২৫ আগস্ট থেকে রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রোহিঙ্গাদের গ্রামগুলো লক্ষ্য করে অভিযান চালাচ্ছে। এ অভিযানে বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা হত্যা, ধর্ষণ ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছে তিন হাজারের বেশি রোহিঙ্গা এবং প্রাণ বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে চার লাখেরও বেশি।

এ পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ চাপের মুখে আছেন রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টার পদমর্যাদায় দেশটির শাসন ক্ষমতায় থাকা সুচি। মিয়ানমার সরকারের দাবি, রাখাইনে সাধারণ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নয়, তারা সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান চালাচ্ছে।

চলতি মাসের শুরুতে রোহিঙ্গা সংকটকে পুরোপুরি ভুয়া খবর এবং মিথ্যা প্রচারণা বলে উড়িয়ে দেন মিয়ানমারের গণতন্ত্রকামী নেত্রী সুচিও। তিনি বলেন, মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে রাখাইনে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টির উসকানি দেয়া হচ্ছে।

তবে জাতিসংঘের দাবি, সেখানে জাতিগত নিধন চলছে। রবিবার বিবিসিকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সতর্ক করে জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্টনিও গুতেরেস বলেন, সুচি যদি এখনই পরিস্থিতি বদলে না দেন, তবে আমি মনে করছি, এই মানবিক বিপর্যয় আরো ভয়াবহ রূপ নেবে। দুর্ভাগ্যবশত আমি জানি না, ভবিষ্যতে কীভাবে এই পরিস্থিতি সামলানো হবে। সূত্র: আল-জাজিরা ও এসবিএস

উগান্ডায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত

উগান্ডায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় ১৪ জন নিহত হয়েছে। দেশটির পুলিশ সোমবার এএফপিকে এ কথা জানায়।

তানজানিয়া, বুরুন্ডি, রুয়ান্ডা ও কঙ্গো একমাত্র প্রবেশপথ ১৩০ কিলোমিটার কামপালা-মাসাকা রাস্তায় বাসের টায়ার বিস্ফোরণে আহত হয় আরও ১৭ জন।

পুলিশ জানায়, বাসটি বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় ওই দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

 

মিয়ানমার সেনাপ্রধানের নারী কেলেংকারির খবর ফাঁস!

এবার মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে নারী কেলেংকারি খবর ফাঁস করে দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক ‘ দ্যা নিউজ উইক’। মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হিলাইং এর ব্যক্তিগত জীবনের ওপর বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ‘ দ্যা নিউজ উইক’। প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিন অং হিলাইং পরনারী এবং মাদকে আসক্ত। তার কমপক্ষে ৬ জন সুন্দরী নারীর সঙ্গে শারিরীক সম্পর্ক রয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে মিয়ানমারের কোন গণমাধ্যম কিছু লিখতে সাহস পায়নি বলেও নিউজ উইকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যের রাখাইনদের ওপর সহিংসতা, নির্যাতন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদ করে পুরো পৃথিবী জুড়েই সমালোচনার মুখে পড়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান মিন অং হিলাইং। বার্মিজ আর্মির সিনিয়র জেনারেল পদমর্যাদার এ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত জীবনের নানা দিক উঠে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী সাপ্তাহিক ‘ দ্যা নিউজ উইক’এর প্রতিবেদনে।

সুচিকে শেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে: জাতিসংঘ মহাসচিব

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর নৃশংসতা ও দমন পীড়নের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘ। একইসঙ্গে, দেশটির গণতন্ত্রীপন্থী নেত্রী সুচিকে শেষ সুযোগ দেয়া হয়েছে বলেও সতর্ক করে দিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টেনিও গুটারেস।

এর আগে, রাখাইনে সেনা অভিযান বন্ধ করতে দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন জাতিসংঘ মহাসচিব।

রোহিঙ্গাদের ওপর সেনা বাহিনীর বর্বরতায় উদ্বেগ জানিয়ে তিনি বলেন, সুচি এখনই কোনো ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি ভয়ংকর হবে। বিবিসির হার্ডটক অনুষ্ঠানে জাতিসংঘ মহাসচিব আরও বলেন, পরিস্থিতির পরিবর্তনে সুচি কোনো ব্যবস্থা না নিলে ভয়ংকর অবস্থার সৃষ্টি হবে। ভবিষ্যতে এই পরিস্থিতি কিভাবে পরিবর্তন আসবে তা নিয়েও ভয়ের কারণ রয়েছে। আর আসলে আমি জানি না সেই ভয়ানক পরিস্থিতির পরিবর্তন কিভাবে আসবে।

পশাপাশি, শিগগিরই রোহিঙ্গা সংকট নিরসন করে শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়ার ব্যবস্থা করার আহ্বানও জানান জাতিসংঘ মহাসচিব।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘ মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনকে ‘জাতিগত হত্যাযজ্ঞ’ উল্লেখ করে তা বন্ধে বারবার সতর্ক করে আসছে। অন্যদিকে, মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ সেনা বাহিনীর অভিযানকে সন্ত্রাসবাদ বিরোধী বলে অাখ্যা দিয়ে এতে কোনো বেসামরিক লোক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে না বলে দাবি করেছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ আগস্ট রাতে রাখাইনে পুলিশ স্টেশন, সেনা ঘাঁটি ও সীমান্ত চৌকিতে হামলা চালায় এআরএসএ। রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের এ হামলার পর নতুন করে সেনা অভিযান শুরু হয়। এ সেনা অভিযানে নারী ও শিশুসহ অসংখ্য রোহিঙ্গা নিহত হয়। জীবন বাঁচাতে গ্রাম ছেড়ে বাংলাদেশ সীমান্তে আশ্রয় নেয় শরণার্থীরা। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে বলে ধারণা করছে জাতিসংঘ।

সূত্র: বিবিসি

মার্কিন সেনাবাহিনীর সমান সামরিক শক্তিমত্তা

উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন বলেছেন, তার দেশ মার্কিন সেনাবাহিনীর সমান সামরিক শক্তিমত্তা অর্জনের খুবই কাছাকাছি স্থানে অবস্থান করছে। এবং খুব শিগগিরই মার্কিন বাহিনীকে শক্তির দিক দিয়ে টেক্কা দিবে তার সামরিক বাহিনী।

উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় সংবাদ সংস্থা শনিবার কিমের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এসময় তিনি আরও বলেন, তার দেশ পরমাণু লক্ষ্য অর্জনে সক্ষমতা লাভ করেছে।

সম্প্রতি দ্বিতীয়বারের মতো জাপানের উপর দিয়ে উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালানোর পর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে উত্তর কোরিয়ার নিন্দা জানিয়ে বলা হয়েছে দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা ‘চরম উস্কানিমূলক’। এরপরই কিম এ কথা বললেন।

উত্তর কোরিয়ার কেন্দ্রীয় সংবাদ সংস্থাটি আরও জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের বিষয়টি চিহ্নিত করেছে। এটি জাপানের হোক্কাইদো উপর দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে পতিত হয়েছে। এবং ৩ হাজার ৭০০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছে। তাদের দাবি এটি উত্তর কোরিয়ার সবচেয়ে বেশি দূরত্ব পাড়ি দেওয়া মিসাইল।

এর আগে গত ২৯ আগস্ট জাপানের উপর দিয়ে হাউসঙ-১২ নামের আরেকটি মিসাইল পরীক্ষা চালিয়েছিল উত্তর কোরিয়া।

সূত্র: এপি

Scroll To Top