শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / আন্তর্জাতিক

বিভাগ: আন্তর্জাতিক

Feed Subscription

সামরিক মহড়া শুরু করেছে দুই পরাশক্তি রাশিয়া ও চীন

বাল্টিক সাগরে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে দুই পরাশক্তি রাশিয়া ও চীন। বিশাল এই মহড়ায় দুই দেশের বহুসংখ্যক যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন, হেলিকপ্টার ও যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে। মহড়ায় দুই দেশের সেনাদের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হবে রুশ ভাষা। বাল্টিক সাগরে এই প্রথম চীন কোনও মহড়ায় অংশ নিচ্ছে।

‘মেরিটাইম কো-অপারেশন-২০১৭’ নামের এই মহড়া চলবে আগামী ২৮ জুলাই পর্যন্ত। তবে ২৪ জুলাই থেকে গভীর সাগরে তাজা গুলির মহড়া চলার কথা রয়েছে।

মহড়ায় সামরিক নানা প্রশিক্ষণের পাশাপাশি জলদস্যুদের কবল থেকে জাহাজ রক্ষা করা এবং বিপদে পড়া জাহাজগুলোকে অনুসন্ধান ও উদ্ধারের বিষয়েও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

মহড়ায় চীন তার অত্যাধুনিক কিছু অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম পাঠিয়েছে। দু’দেশের এই মহড়ার বিশেষ রাজনৈতিক সামরিক গুরুত্ব রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান মহড়ার মাধ্যমে সারা বিশ্বের জন্য বিশেষ করে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো জোটের জন্য এই বার্তা দেওয়া হচ্ছে যে, বাল্টিক সাগরসহ যে কোনও জায়গায় রাশিয়ার পাশে রয়েছে চীন। একইভাবে চীনের জন্যও রাশিয়া সামরিক সহায়তার হাত বাড়াতে প্রস্তুত।

হাউথি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সৌদি জাহাজ ধ্বংস

ইয়েমেনের পশ্চিমাঞ্চলীয় হুদায়দা প্রদেশের কাছে সমুদ্রসীমায় সৌদি আরবের একটি সামরিক জাহাজ ধ্বংস করে দিয়েছে হাউথি বিদ্রোহীরা। সোমবার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে রিয়াদের সামরিক জাহাজটি বিধ্বস্ত করা হয়।

হাউথি বিদ্রোহীদের অনুগত সেনাবাহিনী দাবি করে সৌদি নেতৃত্বাধীন জাহাজটিতে রাডার বহন করা হচ্ছিল এবং তাদের ওপর হামলা চালানোর জন্য এগিয়ে আসছিল। একইদিন সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইয়াবাবু প্রদেশের একটি তেল শোধনাগারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে হাউথি বিদ্রোহী যোদ্ধারা।

ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের অব্যাহত আগ্রাসনের জবাবে এ হামলা চালানো হয় বলে এক বিবৃতিতে জানায় তারা। এর আগে ৩০ জানুয়ারী এবং ২৫শে জুন সৌদি নেতৃত্বাধীন দুটি যুদ্ধ জাহাজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে ধ্বংস করে দেয় তারা।

মাত্র আড়াই বছরে নিবিড় অরণ্যে ব্যস্ত নগর

কোনো ধরনের ক্ষতি না করেই যদি একটি নিবিড় অরণ্যকে ব্যস্ত নগরে পরিণত করা হয়, তবে কেমন হয়? এমন নগর এখন আর কাল্পনিক কিছু নয়। এ ধরনের একটি নগর সত্যিই হতে যাচ্ছে চীনে। মাত্র আড়াই বছরে নগরটি গড়ে উঠবে।

ফোর্বসের প্রতিবেদনে বলা হয়, চীন যখন কোনো কিছু করার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তা তারা দ্রুত বাস্তবায়ন করে। এরই একটি উদাহরণ হলো অরণ্য নগর বা ‘ফরেস্ট সিটি’। এ প্রকল্প টেকসই শহরের পরিকল্পনা ও উন্নয়নের সীমাকে ছাড়িয়ে গেছে। চীন ২০২০ সালের মধ্যেই এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে।

অরণ্য নগরে থাকবে শতাধিক প্রজাতির ১০ লাখ গাছ, যা বছরে ১০ হাজার টন কার্বন ও ৫৭ টন দূষণকারী পদার্থ শোষণ করবে। ছবি: ইতালির স্থাপত্য সংস্থা স্তেফানো বোয়েরি আর্কিতেত্তির (এসবিএ) সৌজন্যেএ নগর গাছ ও সৌর প্যানেলে ঢাকা থাকবে। চীনের দক্ষিণাঞ্চলের লিউজিয়াং নদীর তীরবর্তী পার্বত্য অঞ্চলে গুয়াংশিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই নগরের নকশা করছে ইতালির স্থাপত্য সংস্থা স্তেফানো বোয়েরি আর্কিতেত্তি (এসবিএ)।

বায়ুদূষণ থেকে জনগণকে বাঁচাতে এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে চীন। দেশটির বেশির ভাগ শহরই ভয়াবহ বায়ুদূষণে আক্রান্ত, যা সেখানকার নাগরিকদের মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে ফেলেছে।

চীনের দক্ষিণাঞ্চলের লিউজিয়াং নদীর তীরবর্তী পার্বত্য অঞ্চলে গুয়াংশিতে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ছবি: ইতালির স্থাপত্য সংস্থা স্তেফানো বোয়েরি আর্কিতেত্তির (এসবিএ) সৌজন্যেঅরণ্য নগরে থাকবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন দপ্তর, হোটেল, হাসপাতাল ও বসতবাড়ি। প্রতিটি ভবনই ঢাকা থাকবে বিভিন্ন প্রজাতির কয়েক হাজার গাছপালায়। শহরটি যত পুরোনো হবে, গাছাপালা তত বয়স্ক হবে এবং তত কার্বন শোষণ করবে ও অক্সিজেন ছাড়বে। পূর্ণবয়স্ক একটি গাছ বছরে ৪৮ পাউন্ড কার্বন শোষণ ও ২৬০ পাউন্ড অক্সিজেন নির্গমন করতে পারে। কারণ, এ ক্ষেত্রে গাছ মানুষের বিপরীত। আলোক সংশ্লেষণের সময় গাছ কার্বন গ্রহণ করে ও অক্সিজেন ছাড়ে।

অরণ্য নগরে থাকবে শতাধিক প্রজাতির ১০ লাখ গাছ, যা বছরে ১০ হাজার টন কার্বন ও ৫৭ টন দূষণকারী পদার্থ শোষণ করবে, ৯০০ অক্সিজেন নিঃসরণ করবে। শহরের বাসিন্দার সংখ্যা হবে ৩০ হাজার।

অরণ্য নগরে থাকবে শতাধিক প্রজাতির ১০ লাখ গাছ, যা বছরে ১০ হাজার টন কার্বন ও ৫৭ টন দূষণকারী পদার্থ শোষণ করবে। ছবি: ইতালির স্থাপত্য সংস্থা স্তেফানো বোয়েরি আর্কিতেত্তির (এসবিএ) সৌজন্যেপ্রচুর গাছপালা নগরের বায়ুদূষণ কমানোর পাশাপাশি বাতাসের তাপমাত্রা ও দূষণ কমাবে। শহরের গাছপালা জীববৈচিত্র্যে উন্নতি ঘটাব। পাখি ও কীটপতঙ্গের বাস্তুসংস্থানে ভূমিকা রাখবে। কমাবে শব্দদূষণ। শহরের বাসিন্দাদের যোগাযোগের মাধ্যম হবে বৈদ্যুতিক গাড়ি ও বৈদ্যুতিক ট্রেন। বায়ুদূষণ কমানো ও নির্মল বায়ুর সরবরাহ থাকা পরিবেশবান্ধব এই উচ্চাভিলাষী টেকসই শহরটি হবে বিশ্ব সম্প্রদায়ের জন্য একটি উদাহরণ।

সীমান্ত ঘেঁষে সুড়ঙ্গ তৈরি করছে ভারত, আতঙ্কে চীন

ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভারত-চীনের সম্পর্ক। আর তারই জের ধরে এবার তাওয়াং সীমান্ত ঘেঁষে দু’টি টানেল তৈরি করছে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন (বিআরও)। এক বিবৃতির মাধ্যমে তারা জানিয়েছে, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে ওই সুড়ঙ্গ দু’টি নির্মাণ করা হচ্ছে।

জানা গেছে, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৪ হাজার ১৭০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত সেলা গিরিপথের মধ্য দিয়ে ওই সুড়ঙ্গগুলো তৈরি করা হবে। সংস্থার মতে, নতুন সুড়ঙ্গের ফলে অসমের তেজপুরে অবস্থিত সেনার ৪ কোর সদর থেকে অরুণাচলের তাওয়াংয়ে পৌঁছতে এক ঘণ্টা সময় কম লাগবে।

বিআরও আরো জানিয়েছে, সুড়ঙ্গগুলোর ফলে ১৩ নম্বর জাতীয় সড়ক, বিশেষকরে তাওয়াং ও বোমডিলার মধ্যে ১৭১ কিলোমিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা সারা বছর সচল থাকবে। এতে, পূর্ব হিমালয়ের তিব্বত সীমান্ত বাহিনীর যাতায়াতের রাস্তা সুগম হবে। পাশাপাশি, এই সুড়ঙ্গের ফলে তাওয়াংয়ে প্রচুর পরিমাণ পর্যটকও আসতে পারবেন।

জানা গেছে, ইতিমধ্যেই পশ্চিম কামেং জেলার ডেপুটি কমিশনার সোনাল স্বরূপকে জরুরি ভিত্তিতে সেলা সুড়ঙ্গ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় জমি অধিগ্রহণ করতে অনুরোধ করেছে বিআরও-র ৪২ নম্বর টাস্ক ফোর্সের কম্যান্ডার আরএস রাও।

কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত ২৪, আহত অন্তত ৪০

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টার দিকে আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ২৪জন নিহত ও অন্তত ৪০জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে এএফপি, আলজাজিরা ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট।

এদিকে রয়টার্স জানায়, ঘটনার পর পুলিশ ওই এলাকাটি ঘিরে রেখেছে। হাজারা সম্প্রদায় অধ্যুষিত ওই এলাকায় দেশটির ডেপুটি চিফ এক্সিকিউটিভ মোহাম্মদ মোহাক্বীক বসবাস করেন। কিন্তু কী কারণে এ হামলা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

এ ব্যাপারে দেশটির পুলিশের মুখপাত্র নাজিব দানিশ জানান, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ দায় স্বীকার করেনি।

প্রসঙ্গত, যুদ্ধ বিধ্বস্ত এ দেশটিতে গত ছয় মাসে আত্মঘাতী হামলায় ১৬৬২ জন নাগরিক নিহত হয়েছেন।

ফোনালাপ নিয়ে ‘অনুতাপ’

মা প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে শেষবার যে ফোনালাপটি হয়েছিল তা নিয়ে ‘অনুতাপ’ প্রকাশ করেছেন তাঁর দুই ছেলে প্রিন্স হ্যারি ও প্রিন্স উইলিয়াম।
১৯৯৭ সালের ৩১শে আগস্ট মায়ের ফোন কলটি খুব তাড়াতাড়িই রেখে দিয়েছিলেন তারা।
প্রিন্স উইলিয়ামের বয়স তখন ছিল ১৫ বছর আর প্রিন্স হ্যারির বয়স ছিল ১২ বছর।
প্রিন্সেস ডায়ানার বিশতম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যে প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করা হয়েছে সেখানে নিজের মাকে নিয়ে কথা বলেছেন উইলিয়াম ও হ্যারি।
প্রিন্স হ্যারি বলেছেন, “সেদিন এত তাড়াতাড়ি ফোনটা রেখে দিয়েছিলাম যে তা মনে করে সারাজীবন আমার আফসোস হবে”।
প্রিন্সেস ডায়ানা যে কতটা মজার মানুষ ছিলেন এবং সন্তান বড় করার প্রক্রিয়া যে তার আলাদা ছিল ‘মজার’ ছিল সেই কথাগুলোই প্রামাণ্যচিত্রে বর্ণনা করেছেন তাঁর দুই ছেলে।
উইলিয়াম ও হ্যারি বলেছেন, তাঁদের মা যেমন তাদের ‘দুষ্টুমি’ করতে উদ্বুদ্ধ করেছেন তেমনি কিভাবে ভালো মানুষ হওয়া যায় সে শিক্ষাও তিনি দিয়েছেন।
প্রিন্স হ্যারি বলেছেন তাঁর মা ছিলেন ‘পুরোদমে একজন শিশু’, যিনি রাজপ্রাসাদের বাইরের বাস্তব জীবন সম্পর্কে জানতেন।
মা ও ছেলের যেসব ছবি আগে কখনো প্রকাশ হয়নি তা এই প্রামাণ্যচিত্রে দেখা যাবে।
প্রিন্সেস ডায়ানার সঙ্গে শৈশব কেমন কেটেছে তা নিয়ে স্মৃতিচারণ করেছেন প্রিন্স হ্যারি ও প্রিন্স উইলিয়াম। তারা বলেছেন তাদের জীবন গঠনে তাদের মা-এর প্রভাব কতটা।
এই তথ্যচিত্রে প্রিন্সেস ডায়ানার ছবি রয়েছে এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের সঙ্গে, শিশু কল্যাণ, গৃহহারার মানুষ ও ভূমি মাইনের নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত সমস্যাগুলো নিয়ে প্রিন্সেস ডায়ানার যে ভূমিকা তা প্রামাণ্যচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এবং সঙ্গে তাঁর দুই ছেলেও রয়েছেন।
১৯৯৭ সালের ৩১মে আগস্ট গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান প্রিন্সেস ডায়ানা।
প্রিন্স উইলিয়াম বলেছেন ওই অনুষ্ঠানের অংশ হওয়াটা প্রাথমিকভাবে ‘কিছুটা কঠিন’ হলেও ‘মায়ের মৃত্যুর কষ্ট ভুলে যাবার একটা প্রক্রিয়া’ও ছিল সেটি।
তিনি বলেছেন “মায়ের কাজ আর আমাদের ওপর তাঁর যে প্রভাব সেটা প্রকাশের অন্যতম একটা উপায় এটি”।
তবে ডিউক অব ক্যামব্রিজ বলেছেন মায়ের মৃত্যুর আগে ফোনে তাদের শেষ যে আলাপ হয়েছিল তা ‘সারাজীবন মনের মধ্যে বয়ে বেড়াতে হবে’।সেদিন তারা ছিলেন স্কটল্যান্ডে রানীর বাড়ি বালমোরালে, চাচাতো ভাইবোনদের সাথে খেলাধুলায় ব্যস্ত ছিলেন প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি।
” হ্যারি এবং আমি ফোন রাখার জন্য খুব ব্যস্ত ছিলাম এবং খুব তাড়াতাড়ি ‘বিদায়, পরে দেখা হবে’ বলে ফোনটা রেখে দিলাম….যদি আমি যদি জানতাম এরপর কী ঘটতে যাচ্ছে, ওভাবে ফোনটা রেখে দিতাম না”- বলেন প্রিন্স উইলিয়াম।
সাক্ষাৎকারে প্রিন্স উইলিয়াম বলেছেন, সেদিন সেই শেষ ফোনালাপে তাঁর মা কী বলেছিলেন এখনো সেটা মনে আছে-তবে সেই কথার বিস্তারিত তিনি জানাননি।
প্রিন্স হ্যারি বলেন , “প্যারিস থেকে কল করেছিলেন মা। কী বলেছিলেন মনে নেই। কিন্তু ফোন কলটি এতই সংক্ষিপ্ত ছিল যে তার জন্য সারাজীবন আমি অনুশোচনা করবো”।
আইটিভি’র ওই ডকুমেন্টারিতে দুই প্রিন্সকে দেখা যায় মায়ের সঙ্গে তাদের অপ্রকাশিত ছবির অ্যালবামগুলো দেখছেন।
মায়ের স্মৃতিচারণ করে প্রিন্স হ্যারি বলেন, “আমার মা ছিলেন ভেতর ও বাইরে শিশুর মতো”।
“যখন কেউ আমাকে বলে, ‘তোমাদের মা মজার মানুষ ছিল, একটা উদাহরণ দাওতো’ তখনই আমার মাথায় তার হাসির শব্দ শুধু বাজে আর বাজে। আমার মা বলতেন, তোমরা যত ইচ্ছে দুষ্টুমি করতে পারো শুধু চেষ্টা করবে যেন দুষ্টুমি ধরা না পড়ে”।
“আমার মা ছিলেন দুষ্টুমি ভরা অভিভাবকদের মধ্যে অন্যতম একজন। আমরা যখন ফুটবল খেলতাম সে সময় তিনি এসে দেখতেন এবং লুকিয়ে লুকিয়ে আমাদের মোজার মধ্যে মিষ্টি দিতেন”।

সৌদির তেল শোধনাগারে হুতিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের একটি তেল শোধনাগারকে লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে ইরানের প্রথম সারির সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি আরবের পশ্চিমাঞ্চলীয় ইয়াবাবু প্রদেশের তেল শোধনাগারে এ হামলা চালানো হয়। হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বোরকান বা আগ্নেয়গিরি-২ ব্যবহার করা হয়েছে। স্কাড শ্রেণির এ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এখনো ক্ষয়ক্ষতির কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

তবে এ হামলার বিষয়ে  সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখনো কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

প্রসঙ্গত, ইয়েমেনে গত কয়েক বছর ধরে হুতি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরকারি বাহিনীর লড়াই চলছে। হুতি বিদ্রোহীদের দমন এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্দ রাব্বু মানসুর হাদিকে আবার ক্ষমতায় বসাতে ২০১৫ সালের মার্চ থেকে ইয়েমেনে বিমান হামলা শুরু করে সৌদি ও তার মিত্র দেশগুলো।

নতুন রাষ্ট্রীয় কৌশল ও নীতিমালার অনুমোদন

মার্কিন নৌবাহিনীর হুমকি মোকাবেলায় নতুন রাষ্ট্রীয় কৌশল ও নীতিমালার অনুমোদন দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

বৃহস্পতিবার ওই নীতিতে সই করেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন এবং শিগগিরই তা কার্যকর হবে। বিশ্বের বিভিন্ন সাগর ও মহাসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতিকে নিজের জন্য হুমকি বলে মনে করে রাশিয়া।

২২ পৃষ্ঠার ওই দলিলে বলা হয়েছে, রুশ ফেডারেশন তার নৌবাহিনীর বিশাল অবস্থান ধরে রাখবে; দেশের নৌবাহিনী সারা বিশ্বের মহাসাগরগুলোতে রাশিয়ার সম্ভাব্য জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করবে। আন্তর্জাতিক সংঘাত ও সহিংসতায় রুশ বাহিনীর ভূমিকা কী হবে তা নতুন নীতিতে বিস্তারিত বলা হয়েছে।

নতুন এই কৌশলের মধ্যে আমেরিকাকে সরাসরি হুমকি ও তার মিত্রদেরকে শত্রু বলে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং আমেরিকা সারা বিশ্বের মহাসাগরগুলোতে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০৩০ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার নতুন এই নীতি-কৌশল বলবৎ থাকবে। সূত্র : রয়টার্স

রামনাথ ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি

সংখ্যা লঘু দলিত নেতা রামনাথ কোবিন্দ বিশ্বের সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে বিজয়ী ঘোষণা করেছে দেশটির নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানায়, নির্বাচনে গৃহীত মোট ভোটের ৬৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ পেয়ে তিনি বিজয়ী হয়েছেন। এই নির্বাচনে রেকর্ড প্রায় ৯৯ শতাংশ ভোটগ্রহণ হয়েছিল। ভারতের ১৪তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন ক্ষমতাসীন বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটের এই নেতা। ক্ষমতাসীনদের মনোনয়ন নিয়ে তিনি বিপুল ভোটে জিতে জয় পেয়ে রাইসিনা হিলের বাসিন্দা হলেন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিরোধী কংগ্রেস জোটের প্রার্থী লোকসভার সাবেক স্পিকার মীরা কুমার।
এর আগে গত সোমবার অনুষ্ঠিত এ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয় বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা থেকে। ভোটগ্রহণের শুরু থেকেই দফায় দফায় প্রাপ্ত ফলাফলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে বিপুল ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থাকছিলেন রামনাথ। শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত ফলাফলে আড়াইগুণ বেশি ব্যবধানেই জিতে গেলেন তিনি। নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন লোকসভা ও বিধানসভার মোট ৪ হাজার ৮৯৬ সদস্য। এদের মধ্যে ৭৭৬ জন লোকসভা ও ৪ হাজার ১২০ জন বিধানসভার সদস্য। কেন্দ্রীয় সংসদ লোকসভা ও রাজ্যের সংসদ বিধানসভাগুলোতে বিজেপি জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় পর্যবেক্ষকরা রামনাথকেই শুরু থেকে এগিয়ে রাখছিলেন।

ফুকুশিমা উপকূলে ভূমিকম্প

জাপানের হনশু দ্বীপের তোহোকু অঞ্চলের ফুকুশিমা উপকূলে আজ বৃহস্পতিবার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫.৬। তবে এতে সুনামির কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি। খবর সিনহুয়ার।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১১ মিনিটে ৩৭.৩ ডিগ্রী উত্তর অক্ষাংশ ও ১৪১.৬ ডিগ্রী পূর্ব দ্রাঘিমাংশে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে।

সংস্থাটি আরও জানায়, এর উৎপত্তিস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশের ৪০ কিলোমিটার গভীরে। তোহোকু ও জাপানের পূর্বাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়।

Scroll To Top