শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / প্রেস রিলিজ

বিভাগ: প্রেস রিলিজ

Feed Subscription

নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার ২৯০তম জন্মবার্ষিকীতে ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম সম্মিলন

দেশপ্রেম ও গৌরবময় ইতিহাসগুলো বর্তমান প্রজন্মের কাছে
তুলে ধরে এই প্রজন্মকে দেশের জন্য গর্বিত অংশীদার করুন

বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার স্বাধীন শেষ নবাব- নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার ২৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্র (সিএইচআরসি) ও বাংলাদেশ সমাজ উন্নয়ন ও তমদ্দুনী সাহিত্য মজলিশ এর যৌথ উদ্যোগে ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম সম্মিলন ১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার চট্টগ্রাম নগরীর সার্কিট হাউস জিয়া যাদুঘর অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম সম্মিলন তিনটি পর্বের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী সভা, সেমিনার ও মুক্ত আলোচনার সভাপতিত্ব করেন পৃথকভাবে যথাক্রমে সৈয়দ মুনীর খোরাসানী, এস.এম সিরাজ-উদ-দৌলা ও সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীন। সম্মিলনের উদ্বোধন করেন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার নবম বংশধর বিশিষ্ট লেখক ও গ্রন্থ প্রণেতা নবাবজাদা আলি আব্বাস-উদ-দৌলা। উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট লেখক গবেষক আলহাজ্ব আহমদুল ইসলাম চৌধুরী। চট্টগ্রাম সম্মিলনের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড সিমেন্ট লিঃ এর পরিচালক আলহাজ্ব লায়ন হাকিম আলী। সেমিনার ও সম্মিলনে দুটি প্রবন্ধ পাঠ করেন সুফিতাত্বিক ও ইসলামী চিন্তাবিদ ইকবাল আহমদ রিসালপুরী মাইজভাণ্ডারী ও ইতিহাস গবেষক ও সিএইচআরসির সভাপতি সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীন। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন প্রাবন্ধিক সিদ্দিকুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের সদস্য সাহিদা আক্তার জাহান, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ ভাসানী, বিশিষ্ট লেখক ও কবি এম.এ সাত্তার, প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ এবিএম ফয়েজউল্লাহ, নজরুল গবেষক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, বিশিষ্ট আইনজীবী এমএ আবু তাহের, ডাঃ মুহাম্মদ জামাল উদ্দিন, ইতিহাস গবেষক অধ্যক্ষ মুহাম্মদ ইউনুচ কুতুবী, রাজনীতিবিদ এমএ সালাম, চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবদুর রহিম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি আসিফ ইকবাল, বীরমুক্তিযোদ্ধা লেয়াকত হোসেন, চট্টগ্রাম জেলা স্কাউটসের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম শাহনেওয়াজ আলী মির্জা, শিক্ষক মাহবুবুর রহমান, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অবঃ) ফরিদ উদ্দিন, কাজী গোলাপ রহমান, চট্টগ্রাম সাহিত্য পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ আবদুর রহিম, পুঁথি গবেষক মুহাম্মদ ইসহাক চৌধুরী, চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসিফ ইকবাল, ডাঃ শওকত জাহান, জহিরউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, ইমরান সোহেল, মুহাম্মদ সোলাইমান, লেখক এসএম ওসমান, ছেনোয়ারা সুলতানা, মুবিন সিকদার, সাইফুল আকতার বাপ্পা, পটিয়া প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি মাস্টার হাফেজ আহমদ, প্রধান শিক্ষক মনজুরুল আলম, ইয়াকুব আলী, সায়েম উদ্দিন, মোঃ ইব্রাহিম, অধ্যাপক দিদারুল আলম, মোঃ নজরুল ইসলাম চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, শাহনুর আলম, মহিউদ্দিন চৌধুরী প্রমূখ। চট্টগ্রাম সম্মিলনে বক্তারা বলেছেন, দেশপ্রেম ও বাংলার হারানো গৌরবময় ইতিহাসগুলো বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরে এই প্রজন্মকে দেশের জন্য গর্বিত অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। সেই ক্ষেত্রে দেশপ্রেম সৃষ্টি ও সচেতনতার মাধ্যমে প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা আমাদের সকলে পবিত্র দায়িত্ব। বাংলার গৌরবময় কালজয়ী ইতিহাসগুলো বর্তমান প্রজন্মের অনেকের কাছে অজানা। আমাদের দেশের লেখক, সাহিত্যিক, কবি, সাংবাদিকদের উচিত প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যগুলো লেখনির মাধ্যমে নতুন করে তুলে ধরা। এই ক্ষেত্রে লেখক, গবেষক, সাহিত্যিক, কবি, সাংবাদিকদের এগিয়ে আসার আহবান জানানো হয়। সম্মিলনে বক্তারা আরো বলেছেন, আজ থেকে ২৬০ বছর আগে ২৩ জুন পলাশীর আম্রকাননে ইংরেজদের সঙ্গে এক যুদ্ধে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার স্বাধীন শেষ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ঘাতকের হাতে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে অস্তমিত হয় বাংলার স্বাধীনতার শেষ সূর্য। ফলে প্রায় ২০০ বছরের জন্য বাংলা স্বাধীনতা হারান। পরাজয়ের পর নবাবের বেদনাদায়ক মৃত্যু হলেও উপমহাদেশের মানুষ নবাবকে আজও শ্রদ্ধা জানান, তার একটি উদাহরণ হচ্ছে চট্টগ্রামে আজ নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার ২৯০তম জন্মবার্ষিকী পালন ও ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম সম্মিলন। সম্মিলনে বক্তারা আরো বলেছেন, বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নবাব আলিবর্দী খাঁ মৃত্যুর আগে দৌহিত্র সিরাজ-উদ-দৌলাকে নবাবের সিংহাসনের উত্তরাধিকারী করে যান। নবাব আলিবর্দী খাঁর মৃত্যুর পর ১৭৫৬ সালের এপ্রিল মাসে সিরাজ-উদ-দৌলা সিংহাসনে বসেন। নবাবের খালা ঘোষেটি বেগম ইংরেজদের সঙ্গে হাত মেলান। সেনাপতি মীর জাফর আলি খান, ধনকুবের জগৎ শেঠ, রাজা রায় দুর্লভ, উমিচাঁদ, ইয়ার লতিফ প্রমুখ ইংরেজদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেন। ধূর্ত ইংরেজরা সন্ধির চুক্তি ভঙ্গ করে চন্দননগরের ফরাসীদের দুর্গ দখল করে নেয়। এরপর ১৭৫৭ সালের ১৭ জুন ক্লাইভ কাটোয়ায় অবস্থান নেয়। নবাব ২২ জুন ইংরেজদের আগেই পলাশী পৌঁছে শিবির স্থাপন করেন। ১৭৫৭ সালে ২৩ জুন সকাল ৮টায় যুদ্ধ শুরু হয়। কিন্তু প্রধান সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতায় নবাবের পরাজয় ঘটে। সেই সঙ্গে বাংলা স্বাধীন সূর্য অস্তমিত হয়। সম্মিলনে বক্তারা আরো বলেন, পলাশীর ষড়যন্ত্রে যুদ্ধে বাংলার নবাব সিরাজ-উদ-দৌল্লার শোচনীয় পরাজয় ঘটলেও ইংরেজরা ক্ষান্ত হয়নি সেদিন। এরপর তারা নবাবের চরিত্রে নানাভাবে কলঙ্কলেপন করতে থাকে, অন্ধকূপ হত্যা, লাম্পট্য ইত্যাদি। সিরাজ-উদ-দৌলার চরিত্রে কলঙ্ক লেপন করে কলকাতায় একটা মনুমেন্ট তৈরি হয়েছিল। তার নাম ছিল হলওয়েল মনুমেন্ট। পরবর্তিতে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর নেতৃত্বে, ৩রা জুলাই, ১৯৪০ এ হলওয়ের মনুমেন্ট অপসারণের জন্য সত্যাগ্রহ আন্দোলনের ডাক দিলেন। বাঙালি হিন্দু ও মুসলমানেরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করে ইংরেজদের বাধ্য করে ঐ হলওয়ের মনুমেন্ট তুলে নিতে। পরবর্তিতে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর উদ্যোগে ২৩ শে জুন প্রথম পলাশী দিবস উদযাপিত হয়েছিল কলকাতায়। সাথে ছিলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম এবং মওলানা আকরম খাঁ। এ ব্যাপারে কবি নজরুলের একটি বিবৃতি প্রকাশ পেয়েছিল ‘দৈনিক আজাদ’ এবং ‘মাসিক মোহাম্মদী’ পত্রিকায় ১৯৩৯ সালের জুনে। বিবৃতিতে নজরুলের আহবান ছিল, ‘মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁর নেতৃত্বে কলিকাতায় সিরাজ-উদ-দৌলা স্মৃতি কমিটি উক্ত অনুষ্ঠানকে সাফল্যমন্ডিত করিবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করিতেছেন। কলিকাতা কমিটিকে সর্বপ্রকার সাহায্য প্রদান করিয়া আমাদের জাতীয় বীরের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করিবার জন্য আমি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের নিকট আবেদন জানাইতেছি। বিদেশীর বন্ধন-শৃঙ্খল হইতে মুক্তি লাভের জন্য আজ আমরা সংগ্রামে রত। সিরাজের জীবনস্মৃতি হইতে যেন আমরা অনুপ্রাণিত হই। ইহাই আমার প্রার্থনা।’ এই প্রার্থনা বিফলে যায়নি। পলাশী দিবস প্রতি বছরই আসে। কখনো সরবে, কখনো নীরবে। জাতীয় বীর সিরাজ-উদ-দৌলাকে স্মরণ করে অনুপ্রাণিত হয়, ব্যথিত হয়। একথা সত্য, নবাব সিরাজ ইতিহাসের এক ভাগ্যাহত বীর, দেশপ্রেমিক। সম্মিলনের শুরুতে বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন, ভাষাআন্দোলন ও মহান একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের আত্মারপ্রতি শান্তি কামনা করেন বিশেষ দোয়া পরিচালনা করেন ইকবাল আহমদ রিসালপুরী মাইজভাণ্ডারী। ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম সাম্মিলনে বাংলা-বিহার-উড়িষ্যার শেষ স্বাধীন নবাব- নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার নবম বংশধর নবাবজাদা আলি আব্বাস-উদ-দৌলাকে নাগরিক সম্মান প্রদান করে ক্রেষ্ট, উত্তোরীয় ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। ঐতিহাসিক চট্টগ্রাম সম্মিলন ২০১৭ এর প্রস্তাবনা পাঠ করেন সম্মিলনের উদ্যোক্তা ও চট্টগ্রাম ইতিহাস চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি সোহেল মুহাম্মদ ফখরুদ-দীন।

নাফ নদীতে মানবতার লাশ ভাসছে-আল্লামা নূরী

বাংলাদেশ মসজিদ মিশন চট্টগ্রাম মহানগরীর পক্ষ হতে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরতম হত্যাযজ্ঞ ও অমানুষিক নির্যাতনে বিতাড়িত হয়ে টেকনাফ ও উখিয়া উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্টে আশ্রয় নেয়া মজলুম রোহিঙ্গাদের মাঝে অর্থ ও ত্রাণ সামগ্রি বিতরণ পূর্ব অনুষ্ঠানে নগর সভাপতি আল্লামা মামুনুর রশীদ নুরী বলেছেন পৃথিবীর ঘৃণিত কুলংগার মানবরূপী হিংস্র নারী অং সাং সুচী, তার লেলিয়ে দেয়া সেনাবাহিনী ও মগদস্যুদের হত্যাকান্ড ও নিার্যতনের হতে নাফনদীতে বাসছে শত শত মানবতার লাশ। নর পশুরা মায়ের কোল থেকে নিস্পাপ বাচ্চা গুলোকে কেড়ে নিয়ে নদীতে নিক্ষেপ করছে, গলা কেটে হত্যা করছে, যুবক ও নারীদেরকে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করে ফেলেছে। জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হচ্ছে মানুষ গুলোকে ধর্ষণ করা হচ্ছে মা বোনদেরকে জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, ঘর বাড়ীতে। তিনি আরো বলেন, কি অপরাধে আজ নিরিহ মুসলমানদের কুপিয়ে কুপিয়ে হাত, পা, মাথাকে শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে, খুনী সুচীকে আর্ন্তজাতিক আদলতে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। ত্রাণ বিতরণকালে মসজিদ মিশন নেতৃবৃন্দ খুনী সুচী ও বর্বর সেনা বাহিনীর হিংস্রতার হাতকে গুড়িয়ে দেওয়ার এবং মজলুম মুসলমানদেরকে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্যে তাদের নিজস্ব ভুমিতে ফিরিয়ে নিতে চাপ দেওয়ার জন্য জাতি সংঘ ও ও,আই,সিহ বিশ্বের প্রভাবশালী রাষ্ট্রের প্রধানদের খুবই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান।
হ্নীলার মজিদিয়া মাদরাসা সংলগ্ন এলাকায় আশ্রয় নেয়া রোহিঙ্গা অসহায় মানুষ গুলোর মাঝে গতকাল দুপুরে ত্রাণ ও নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন হোয়াইখ্যং ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহমদ আনোয়ারী। প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি থেকে ত্রাণ বিতরণ করেন মসজিদ মিশন চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি মাওলানা মামুনুর রশীদ নুরী ও সেক্রেটারী মাওলানা মুফতি মুহাম্মদ ই্সহাক, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মাওলানা নুর মোহাম্মদ নিজামী, দপ্তর সম্পাদক মাওলানা ওসমান গণি এবং পাঁচলাইশ থানা সেক্রেটারী মাওলানা মুহাম্মদ সোলায়মান প্রমুখ।

 

বিভাগীয় মানবাধিকার কমিশন

১৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের চিকিৎসাধীন গণহত্যার শিকার আহত রোহিঙ্গাদের দেখতে যান। সংগঠনের সভাপতি মিসেস সিতারা গাফ্ফর ও সচিব এডভোকেট মো: ফযেজুর রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বে সংগঠনের সদস্যবৃন্দ যথাক্রমে মুহাম্মদ আবু মনছুর, নুরুদ্দীন মো: জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন, সালাউদ্দিন মামুন, মোহাম্মদ আবুল কালাম, মো: আকসাদুর রহমান, মো: নুরুদ্দীন নয়ন, মো: বদরুল হক, আহসানুল হক রাসেল, মো: কামাল উদ্দিন প্রমুখ নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। নেতৃবৃন্দ এসময় গণহত্যায় আহত রোহিঙ্গাদের প্রতি সমবেদনা জানান ও এহেন জঘন্য কাজের জন্য তীব্র নিন্দা জানান। এসময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা: মো: জালাল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।

হিজরি সন মুসলমানদের হাজার বছরের ঐতিহ্য

আল হাসসানের ব্যবস্থাপনায় হিজরি বর্ষবিদায় ও বরণ অনুষ্ঠানে বক্তারা

দেশের স্বনামধন্য সাংস্কৃতিক সংগঠন আল-হাসসান ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরাম কর্তৃক নগরীর থিয়েটার হলে আয়োজিত হিজরি বর্ষবিদায় ও বরণ, জাতীয় কবি নজরুল, শহীদ নুুরুল ইসলাম ফারুকী ও নাত খা সৈয়দ খুরশিদ আহমদ স্মরণে আলোচনা সভা ও ইসলামী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পিএইচপি ফ্যামিলির চেয়ারম্যান, মরমী গবেষক আলহাজ্ব সুফি মিজানুর রহমান বলেছেন, হিজরি সন মুসলমানদের হাজার বছরের ঐতিহ্য। এটি ইসলামের আভিজাত্যের নিদর্শন। যুগে যুগে চলমান ইসলাম বিরোধি চক্রান্তের ফলে আমাদের এই ঐতিহ্য-সংস্কৃতি হারিয়ে যাচ্ছে। একই সাথে হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ঐক্য-সংহতি ও ঈমানী জজবা। আর এর পরিণতিতেই আজ বিশ্বব্যাপি চলমান মুসলিম বিরোধি আগ্রাসান, জেনোসাইড প্রতিহত করার শক্তি হারিয়ে ফেলেছি। আজ দরকার জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী চেতনা। দরকার আবারো ইসলামি জাগরণের ডাক দেওয়া। আর এ জাগরণ দিকে দিকে ছড়িয়ে দিতে দরকার জাতীয় কবির জাগরণী ইসলামী গান, দরকার আমাদের ঐতিহ্য ও আভিজাত্যে উজ্জীবিত জনগোষ্ঠি। বক্তারা বলেন, হিজরি সন আমাদেরকে প্রিয় নবীজির হিজরতের স্মরণ করিয়ে দেয় এবং স্মরণ করিয়ে দেয় যে-একদিন তিনি যে জন্মভূমি মক্কা শরিফ থেকে হিজরত করতে হয়েছিল মাত্র আট বছরের মধ্যেই সেই মক্কা ইসলামের হাতে এসেছিল। ইনশাআল্লাহ, সেদিন বেশি দূরে নয় আজকের নির্যাতিত মুহাজির রোহিঙ্গারা একদিন বীরের বেশে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করবে,যদি আমরা জাগ্রত হই ইসলামের চেতনায়। আল হাসসান ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের অন্তবর্তীকালীন কমিটির সদস্য সচিব সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজমের সভাপতিত্বে ও নির্বাহী সদস্য মুহাম্মদ কামাল হোসাইন সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন দুবাই গাউছিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ ফজলুল কবির চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জমাআত কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির সদস্য সচিব, লেখক ও গবেষক এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠান প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক শায়ের মুহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম কাদেরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন রূপালী গ্রুপের চেয়ারম্যান, গাউছিয়া কমিটির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আনোয়ারুল হক, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কাউসার হামিদ জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়ার আরবী প্রভাষক হাফেজ কবি আনিসুজ্জামান, শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক অধ্যক্ষ আবু তালেব বেলাল, কথাসাহিত্যিক কবি জসিম উদ্দিন মাহমুদ, ব্যবসায়ী মুহাম্মদ নূর সোবহান চৌধুরী, মাসিক প্রথম বসন্তের প্রকাশক ফজলুল করিম তালুকদার, আনজুমানে খোদ্দামূল মুসলেমীন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান হাবিবী, হাফেয মাওলানা মুহাম্মদ ফারুক, মুহাম্মদ আয়ুব মিয়াজী, মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, কবি মুহাম্মদ মিফতাহুল ইসলাম, মুহাম্মদ নাজিব আশরাফি। এতে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ হাসান মুরাদ কাদেরী, সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ কাদেরী, মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন কাদেরী, সৈয়দ এহছান কাদের, মুহাম্মদ রায়হান শরিফ, মাখদুম, তাহসিন, তানযিম, তানভীর, রায়হান, রাকিব, আয়ুব, নোমান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে বক্তারা ১লা মহররম হিজরি নববর্ষকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন ও ঐচ্ছিক ছুটির পরিবর্তে সাধারণ ছুটি ঘোষণার দাবি জানান। আলোচনা সভা শেষে আলহাসসান এর শিল্পীরা হামদ, নাত, ইসলামী সঙ্গীত, দেশাত্মবোধক ও মরমী সঙ্গীতের সুরে দর্শকদের মাতিয়ে রাখেন।

রাঙ্গুনিয়া পেশাজীবী ফোরাম চট্টগ্রামেরত্রাণ বিতরণ

মিয়ানমার সরকার ও বৌদ্ধ উগ্রবাদী কর্তৃক মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চলের রোহিঙ্গা মুসলিমদের নিধনযজ্ঞের ফলে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের টেকনাফ-উখিয়ার বিভিন্ন সীমান্ত পয়েন্ট ও অস্থায়ী আশ্রয় শিবিরে অবস্থান নেওয়া শরণার্থীদের মধ্যে গত ১৩, ১৪ ও ১৫ সেপ্টেম্বর ব্যাপক ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রাম শহরস্থ রাঙ্গুনিয়া পেশাজীবী ফোরাম, চট্টগ্রামের নেতৃবৃন্দ। রাঙ্গুনিয়া পেশাজীবী ফোরাম চট্টগ্রামের আহ্বায়ক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মেজবাহ উদ্দিন আহমদের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব রাশেদুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বে ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নেওয়া ত্রাণ দলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন, আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ আলমগীর, আলহাজ্ব ইলিয়াস কোম্পানী, এড. আজিম উদ্দীন তালুকদার লাভলু, ইঞ্জিনিয়ার মুহাম্মদ মোছাদ্দেক হোসেন, এড. মিনহাজ উদ্দিন, মুবিনুল হক, মুহাম্মদ আবুল খায়ের, সরওয়ার হোসেন, মাস্টার নাসির উদ্দিন, মোঃ আব্দুল হামিদ, মোঃ নাজের চৌধুরী, মোঃ জাফর উল্লাহ তালুকদার ও মোঃ রিফাত প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।
ত্রাণ বিতরণকালে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবীদের মধ্যে সার্বিক সহাযোগিতায় ছিলেন ব্যাংকার মাসুম চৌধুরী, হাফেজ মুহাম্মদ দিদার ও সরওয়ার আলম ব্যক্তিবর্গ।
রাঙ্গুনিয়া পেশাজীবী ফোরামের উদ্যোগে বিতরণকৃত ত্রাণের মধ্যে ছিল নগদ টাকা, বস্ত্র, প্রয়োজনীয় ঔষুধ পত্র, ভোগ্য পন্য, মশারী, গৃহস্থালীর সিলভার সামগ্রী, বিশুদ্ধ পানির জন্য নলকূপ স্থাপন ও স্বাস্থ্য সম্মত স্যানিটারী ল্যাকট্রিন স্থাপন অন্যতম।
ত্রাণ বিতরণে নেতৃত্ব দেওয়া আলহাজ্ব রাশেদুল ইসলাম তালুকদার দেশের রোহিঙ্গা মুসলিম শরণার্থীদের এ দুর্দশায় দেশ এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ের সকল মানবতাবাদীদেরকে এগিয়ে আসার উদাত্ত্ব আহ্বান জানান।

আল্লামা হাশেমী শিক্ষাবৃত্তি নজুমিয়া হাট জোনের পুরস্কার বিতরণ

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি ও রুপালী ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালক সাংবাদিক আবু সুফিয়ান বলেছেন দেশ বিদেশে মানুষের কাছে ধর্মের সঠিক ব্যাখা পৌছাতে সক্ষম হয়েছেন আল্লামা হাশেমী যিনি আজীবন শুধু ধর্মের নই সর্বোপরি সঠিক জ্ঞানের প্রদীপ জ্বালিয়েছেন অদ্যবদি এখনও জ্বালিয়ে যাচ্ছেন আমি বিশ্বাস করি তারই নামে প্রতিষ্ঠিত বৃত্তি সৎ, সঠিক মেধা যাচাই ও দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। তিনি আজ ১৮ সেপ্টেম্বর’১৭ইং সোমবার বিকালে বুড়িশ্চর জিয়াউল উলুম ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা মিলনায়তনে আল্লামা হাশেমী শিক্ষা বৃত্তি-১৬ইং চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলা নজুমিয়া হাট জোন হতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার ও সনদ বিতরন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য উপরোক্ত কথা বলেন। অ্যাডভোকেট ইসহাকের সভাপতিত্বে ও মুহাম্মদ আশরাফ উদ্দীন হিমেলে’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উদ্ধোধক ছিলেন কেন্দ্রীয় বৃত্তি পরিচালনা পর্ষদের প্রধান পরিচালক কাযী মুহাম্মদ আবুল ফোরকান হাশেমী। বিশেষ অতিথি ছিলেন মাওলানা কাযী মুহাম্মদ জিয়াউদ্দীন হাশেমী,ইউ.পি চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিকী,অধ্যক্ষ মাওলানা এস এম ফরিদ উদ্দীন, অন্যোন্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম,অধ্যক্ষ আরিফ জামশেদ, মোঃ হারুন, মাওলানা জাকির হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার আরমান, ইঞ্জিনিয়ার শহিদুর রহমান প্রমূখ। প্রধান অতিথি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে দেশেয় শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি যুগোপযোগী পর্যায়ে এবং ডিজিটেলাইজড করতে সক্ষম হয়েছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারী ভাবেও আমাদের প্রত্যেককে শিক্ষার মান উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে।

হিউম্যান রাইটস বাকলিয়া থানা কমিটির ত্রাণ বিতরণ

ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস অব বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ মানবাধিকার সংস্থা চট্টগ্রাম বাকলিয়া থানা কমিটির উদ্যোগে মায়ানমারের নির্যাতি অসহায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন বাকলিয়া থানা মানবাধিকার সংস্থা চেয়ারম্যান মাও: রবিউল আলম সিদ্দিকী, শাপলাপুর টেকনাফ বাজার, কোটবাজার উখিয়া বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার সংস্থা কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান, মাওলানা আবদুল্লাহ আল ইসরাফিল, চট্টগ্রাম জেলা বিভাগীয় ভাইস চেয়ারম্যান বিবি উম্মে কুলছুম লক্ষ্মীপুর জেলা কমিটির চেয়ারম্যান ও সচিব উপস্থিত ছিলেন। মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, মাওলানা মুহাম্মদ মুনিরুজ্জামান, আলহাজ্ব মাওলানা নুরুল আলম সরকার, মাওলানা রফিউদ্দিন, মাওলানা আবদুল মালেক, ড. নুরুল আবসার, হাফেজ মুহাম্মদ আইয়ুব, মাওলানা মুজিবুর রহমান চৌধুরী, কোতোয়ালী থানা কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ হাসান, মোঃ রমজান আলী, আরফাতুর রহমান প্রমুখ।

শিক্ষার মাধ্যমে গড়ে উঠতে পারে মর্যাদাশীল জাতি

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত কায়সার-নিলুফার কলেজ পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ মঙ্গলবার, বিকেলে মেয়রের বাসভবনে সিটি মেয়র ও কায়সার-নিলুফার কলেজ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সভাপতিত্বে পরিচালনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিগত পরিচালনা কমিটির সভার কার্যবিবরণী অনুমোদন এবং আলোচ্য সূচীর উপর আলোচনা ও সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। সভার সভাপতির বক্তব্যে সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, শিক্ষকরা হচ্ছেন জাতির বিবেক। মানুষ গড়ার দক্ষ কারিগর। একমাত্র শিক্ষার মাধ্যমে গড়ে উঠতে পারে দায়িত্বশীল সুনাগরিক,উন্নত দেশ ও মর্যাদাশীল জাতি। মেয়র সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার হার ও মান বৃদ্ধির জন্য পরিচালনা কমিটি ও শিক্ষকদের আন্তরিক হওয়ার পরামর্শ দেন। সভায় প্যানেল মেয়র-১ চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, সদস্য পেয়ার মোহাম্মদ, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা মিসেস নাজিয়া শিরিন, শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুর রহমান, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও সদস্য সচিব সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার শাণিত চেতনায় ঘুচে যাক নিরক্ষরতা

১৭ই সেপ্টেম্বর ২০১৭ইং জাতীয় শিক্ষা দিবস উপলক্ষ্যে নগরীর জে.এম. সেন স্কুল এন্ড কলেজের ১০০ শিক্ষার্থীদের মাঝে ৩৩নং ফিরিঙ্গীবাজার ওয়ার্ড ছাত্রলীগের উদ্যোগে শিক্ষা উপকরন বিতরণ ও শিক্ষা বিষয়ক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রনেতা আবু তৈয়ব মিজানের সভাপতিত্বে ও সৌরভ দাশের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে শিক্ষা উপকরন বিতরণ করেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অসিউর রহমান।

প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর ছাত্রলীগের কার্য নির্বাহী সদস্য সাফফাত বিন আমিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, মহানগর ছাত্রলীগ নেতা অনিন্দ্য দেব। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ছাত্রনেতা বিপ্লব দত্ত, সঞ্জয় দাশ, অভি চৌধুরী, ইজাজুল হক ইজাজ, মোহাম্মদ সাজ্জাদ, মোহাম্মদ মিরাজ, মোহাম্মদ নেওয়াজ, নিলয় দাশ, দিবাকর সরকার, ইমন দত্ত প্রমূখ।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, শিক্ষা মানুষকে উন্নতির সোপানে নিয়ে যায়। তাই শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি ঘরে ঘরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

Scroll To Top