শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / রসনা বিলাশ

বিভাগ: রসনা বিলাশ

Feed Subscription

ভিন্ন স্বাদের ডেজার্ট বেকড লেয়ার সন্দেশ সেমাই

উপকরণ: ছানা তিন কাপ, ডিম ২টি, গুঁড়ো দুধ ১ কাপ, গাজর কুঁচি ১ কাপ, সেমাই ১ কাপ, চিনি ১ কাপ, ঘি ২ টেবিল চামচ, গরম মসলা গুঁড়া আধা চা চামচ।

প্রণালি: প্যানে ছানা, ফেটানো ডিম ও চিনি দিয়ে ভালোভাবে নাড়ুন। ঝুরঝুরে হলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। এবার অন্য একটি প্যানে ঘি গরম করে সেমাই দিয়ে ভাজুন। এবার এতে গাজর কুঁচি দিয়ে ভালো করে নাড়ুন। গাজর ও সেমাই একসঙ্গে মিশে গেলে এতে গুঁড়ো দুধ ও চিনি দিয়ে পানি শুকিয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত চুলায় রাখুন। নামানোর আগে গরম মসলা গুঁড়া ছিটিয়ে ঠান্ডা করে নিন। এবার ওভেনপ্রুফ ডিশে অর্ধেক ছানার মিশ্রণ দিন। তার ওপর সেমাইয়ের মিশ্রণটি দিন এবং সবার ওপরে আবার বাকি ছানার মিশ্রণ দিয়ে ওভেনে ১৮০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় ২০ মিনিট বেক করুন। ওভেন থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে কেটে পছন্দ মতো করে সাজিয়ে পরিবেশন করুন ভিন্ন স্বাদের ডেজার্ট বেকড লেয়ার সন্দেশ সেমাই।

নবাবী সবজি পোলাও

“নবাবী” শব্দটি শুনলেই মনে হয় মাখা মাখা মাংস আর বাসমতী চালের সুবাসে মৌ মৌ করতে থাকা ভোজ। কিন্তু তাহলে নিরামিষভোজীদের কী হবে? তাদের কপালে কি নবাবী খাবার নেই? আছে নিশ্চয়ই। আজ দেখে নিন নবাবী খাবারেরই একটি নিরামিষ সংস্করণ। স্বাদে-গন্ধে মাংসের বিরিয়ানির চাইতে কোনো অংশে কম নয় এই সবজি পোলাও। অনেকগুলো উপকরণ থাকায় প্রতি কামড়েই আছে চমক। তৈরির সময়টাও লাগবে কম।
উপকরণ
২ কাপ (২০০ গ্রাম) চাল
২ টেবিল চামচ ঘি
আধা টেবিল চামচ তেল
১টা ছোট ফুলকপি
১টা মাঝারি গাজর
৬/৭টি সীম
আধা কাপ মটরশুঁটি
৮-১০টি মুগ ডালের বড়ি/ সয়া বল
১টি বড় পিঁয়াজ
১ টেবিল চামচ আদা কুচি
১ টেবিল চামচ রসুন কুচি
৩টি কাচামরিচ মিহি কুচি
কয়েকটি তেজপাতা
৪/৬টি লবঙ্গ
৩/৪টি এলাচ
১টি শাহী এলাচ
৬/৭টি গোলমরিচ
১ ইঞ্চি পরিমাণ দারুচিনি
১ চা চামচ আস্ত জিরা
আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
আধা চা চামচ মরিচ গুঁড়ো
১ চা চামচ ধনে গুঁড়ো
অল্প কিছু কাজুবাদাম ও কিসমিস
গার্নিশের জন্য ধনেপাতা কুচি
প্রণালী
১) বড়ি বা সয়া বল ডিপ ফ্রাই করে রাখুন।
২) একটি প্যানে তেল গরম করে নিন। এতে অর্ধেক পিঁয়াজ এবং অর্ধেক আদা ভেজে বেরেস্তা করে নিন। এরপর এতে দিন ফুলকপি, গাজর, সীম, মটরশুঁটি, এক চিমটি হলুদ এবং লবন। নেড়েচেড়ে ভেজে নিন ৫-৬ মিনিট। এরপর নামিয়ে রাখুন।
৩) প্রেশার কুকারে ঘি গরম করে নিন। এতে দিন তেজপাতা, জিরা, লবঙ্গ, গোলমরিচ, এলাচ এবং কয়েকটি কাজুবাদাম। ভাজতে থাকুন যতক্ষণ না হাল্কা গোলাপি হয়ে আসে কাজুবাদাম। এরপর কিছু কিসমিস দিতে পারেন। বাকি পিঁয়াজ, আদা, রসুন, কাচামরিচ দিয়ে ভাজুন যতক্ষণ না কাঁচা গন্ধ চলে যায়। এরপর বড়ি দিয়ে কয়েক মিনিট ভেজে নিন। বাকি হলুদ, মরিচ গুঁড়ো এবং ধনে গুঁড়ো দিন। ভালো করে নেড়ে মিশিয়ে নিন।
৪) এতে চাল দিয়ে দিন। অল্প লবণ ছিটিয়ে দিন। ৪ কাপ পানি দিয়ে প্রেশার কুকারের ঢাকনা বন্ধ করে দিন। মাঝারি আচে রান্না হতে দিন। একটা সিটি দিলেই সেদ্ধ হয়ে যাবে।
৫) আচ বন্ধ করে দিন। প্রেশার কমে গেলে প্রেশার কুকারের ঢাকনা খুলুন। এর ভেতরে সবজিগুলো দিয়ে দিন। ভালো করে নেড়ে সেদ্ধ পোলাওয়ের সাথে মিশিয়ে নিন। এরপর ঢাকনা বন্ধ করে রেখে দিন ১০ মিনিট। এতে সবজিগুলো সেদ্ধ হবে কিন্তু একটু কচকচেও থাকবে।
ওপরে ধনেপাতা কুচি দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন নবাবী সবজি পোলাও। এর সাথে দিতে পারেন রায়তা। ব্যাস, আমিষের কোনো দরকারই হবে না!

হল্যান্ডেইজ স্যুপ

উপকরণ: মুরগির স্টক ৮ কাপ, ডিম ২টি, ঘন দুধ ১ কাপ, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, মাখন ২ টেবিল চামচ, চিনি ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, গাজরকুচি আধা কাপ, স্বাদলবণ আধা চা-চামচ, ক্ষীরা আধা কাপ, মটরশুঁটি সিকি কাপ, চায়নিজ ক্যাবেজ আধা কাপ।

প্রণালি: গাজর ও মটরশুঁটি লবণ পানিতে আধা সেদ্ধ করে রাখতে হবে। প্যানে মাখন গলিয়ে ময়দা দিয়ে ঘিয়ে রং করে ভেজে সামান্য লবণ ও এক চা-চামচ চিনি দিয়ে তাতে আধা কাপ দুধ অল্প অল্প করে মিলিয়ে নিন। অন্য পাত্রে কিছুটা ক্রিম উঠিয়ে রেখে বাকি ক্রিমের সঙ্গে স্টক মিলিয়ে ফোটাতে হবে। পর্যায়ক্রমে এতে সব সবজি দিতে হবে। চিনি, লবণ, গোলমরিচ দিতে হবে। ডিম ফেটিয়ে দুধের মিশ্রণের সঙ্গে মিলিয়ে আস্তে আস্তে গরম স্যুপের ওপর ঢালতে হবে আর নাড়তে হবে। গরম স্যুপ সার্ভিং ডিশে ঢেলে ওপরে ক্রিম দিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

সাবুদানার বাহারী লাড্ডু

মিষ্টি ছাড়া পুর্ণ হয় না বাঙ্গালীর কোনো উৎসবই। ছুটির দিন, বৃষ্টির দিন, এমনকি কোনো উপলক্ষ্য ছাড়াই মিষ্টি খাওয়া হয় হরহামেশা। আর এই মিষ্টির মাঝে সেরা হলো বিভিন্ন ধরণের লাড্ডু, যা খাওয়ার জন্য দরকার হয় না কোনো অজুহাত! মিষ্টি তৈরি করবেন ভাবছেন? ঘরে থাকা খুব সাধারণ কিছু উপকরণ দিয়েই দ্রুত তৈরি করতে ফেলতে পারেন সাবুদানার লাড্ডু। তা তৈরির প্রণালীটি যেমন সহজ, তেমনি এর চোখ জুড়ানো রং মুগ্ধ করবে ছোট-বড় সবাইকে। সাথে রইলো রেসিপির ভিডিওটি।

উপকরণ
_  ১ কাপ সাবুদানা
_  ১ কাপ পানি
_  ২ টেবিল চামচ ঘি/বাটার
_  আধা কাপ চিনি
_  এক চিমটি লবণ
_  সিকি চা চামচ এলাচ গুঁড়ো
_  ১/৩ কাপ গুঁড়ো দুধ
আলাদা ৩ রঙের কয়েক ফোঁটা ফুড কালার

প্রণালী
এক কাপ পানিতে এক কাপ সাবুদানা নিয়ে ভিজিয়ে রাখুন সারা রাত। এর জন্য মেজারিং কাপ ব্যবহার করুন। অথবা যে কাপে সাবুদানা মেপে নেবেন সেই একই কাপে পানি মেপে নিবেন। সারা রাত না পারলেও অন্তত ৫-৬ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন অবশ্যই।  একটি ননস্টিক প্যানে এক টেবিল চামচ ঘি গরম করে নিন। এতে সাবুদানা দিয়ে নেড়েচেড়ে রান্না করতে থাকুন। চুলার আঁচ মিডিয়াম বা লো রাখুন। ক্রমাগত নাড়ুন। সাবুদানা সেদ্ধ হয়ে স্বচ্ছ হয়ে এলে অল্প একটু হাতে নিয়ে টিপে দেখুন। যদি গলে যায় তারমানে ভালোভাবে সেদ্ধ হয়েছে।  সাবুদানা সেদ্ধ হলে এতে চিনিটুকু দিয়ে দিন। সেদ্ধ হবার আগে কিন্তু চিনি দেওয়া যাবে না। তাহলে শক্ত থেকে যাবে, লাড্ডু খাওয়া যাবে না। চিনি ভালো করে মিশিয়ে নিন। চিনির কারণে অনেকটা ভেজা ভেজা হয়ে যাবে মিশ্রণটা। এই পানি টেনে যাওয়া পর্যন্ত নেড়েচেড়ে রান্না করুন।  পানি শুকিয়ে এলে এক চিমটি লবণ দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন। এতে খাবারে স্বাদের ব্যালান্স ঠিক থাকবে। এরপর এতে এলাচ গুঁড়ো এবং গুঁড়ো দুধ দিয়ে দিন। গুঁড়ো দুধটা হলো এই রেসিপির একটি মূল উপাদান। এর কারণেই লাড্ডুর স্বাদটা হবে অসাধারণ। সব উপকরণ মিশিয়ে নিন।  সাবুদানার মিশ্রণ যখন ডো এর মতন হয়ে আসবে তখন তাতে আরো এক টেবিল চামচ ঘি দিয়ে নেড়ে মিশিয়ে নিন। পুরো মিশ্রণ চারভাগে ভাগ করে নিন। একটি ভাগ সাদা রেখে দিন। বাকি ৩ ভাগে ৩ রকম ফুড কালার মিশিয়ে নিন। অথবা আপনি চাইলে পুরোটাই সাদা রাখতে পারেন।  মিশ্রণ হাতে ধরার মতো ঠাণ্ডা হয়ে এলে হাতে ঘি মাখিয়ে লাড্ডু তৈরি করে নিন। একটু গরম থাকতেই কাজটা করতে হবে। লাড্ডু তৈরি করে ফ্রিজে রেখে দিতে হবে এক ঘন্টার জন্য।
ফ্রিজ থেকে বের করে ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা পরিবেশন করুন মজাদার সাবুদানার লাড্ডু।

 ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন এখানে

মাছ দিয়ে লাল শাক

আমাদের দেশে অনেকে রাতে শাক সবজি খেতে চান না। আমি যখন যা পাই তা খাই! কারন দুপুরে প্রায় বাসায় থাকি না, সারা দিন রাতে এক বেলাই বাসায় খাই সুতারাং এত বাচ বিচার করি না। আর যেহেতু নিজে রান্না করতে চাই সুতারাং আমার সময়ই হচ্ছে রাতে। তাই শাক হউক আর মাছ হউক আমি রাতেই রান্না করি রাতেই খাই! কি আর করব? এই তো জীবন। রাতে অফিস/আড্ডা ফেরার পথে আমি শাক কিনে ফিরি অনেক সময়!

যাই হোক, আজ আপনাদের লাল শাক রান্না আবারো দেখাবে, আগেও কয়েক দফা লাল শাক রান্না দেখিয়েছি। লাল শাক ভাঁজি, লালশাক মাছ দিয়ে, লাল শাক নিরামিষ ইত্যাদি রান্না আছে। আজ ইচ্ছা ছিল নিরামিষ রান্না করার, আমার ব্যাটারী জানালেন কয়েক টুকরা মানে আইড় মাছের মাথা লেজ মিলিয়ে সামান্য কিছু মাছ আছে, তা দিয়ে মিশিয়ে রান্না করো, ভাল লাগবে। কি আর করা, স্ত্রীর কথা না শুনলে কি আর চলে! তিনি বলেন এতে আরো অধিক পুষ্ঠি মিলবে! এবারের লাল শাক মাছ মানে আইড় মাছ দিয়েই রান্না করেছি, চলুন তা দেখে ফেলি! আমি এমনিতেই আবার শাক সবজি ভাল রান্না করি এবং স্ত্রীও আমার হাতের শাক সবজি খেয়ে আনন্দ পান, ছেলে বুলেট তো খেতে বসেই নানান কথা বলে যা আমারো ভাল লাগে!

উপকরণঃ
– দুই আটি লাল শাক (রান্না শুরুর আগেই পরিস্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে)
– পেঁয়াজ কুঁচি, হাফ কাপ
– রসুন বাটা, দুই টেবিল চামচ
– কাঁচা মরিচ, কয়েকটা
– লাল মরিচ গুড়া, হাফ চা চামচ (ঝাল বুঝে বেশী কম)
– হলুদ গুড়া, ১ চা চামচ
– লবন, পরিমান মত
– তেল, এক কাপের ১/৪ ভাগ কম বেশি
– পানি, পরিমান মত

– কয়েক টুকরা মাছ (মাছ না দিয়েও স্বাদ হতে বাধ্য, আমি জানি! হা হা হা। তবে আপনি এই লাল শাকে অনেক ধরনের মাছ ব্যবহার করতে পারেন যেমন যে কোন জিওল মাছ কিংবা রুই কাতলের টুকরা দিয়েও রান্না করতে পারেন তবে আমার মনে হয় চিংড়ি দিয়েই রান্না বেশী ভাল স্বাদের হয়)

প্রনালীঃ (ছবি কথা বলছে)

ছবি ১


ছবি ২


ছবি ৩


ছবি ৪


ছবি ৫


ছবি ৬


ছবি ৭


ছবি ৮


ছবি ৯


ছবি ১০, মৃদু আঁচে ঢেকে রেখে দিন। শাক থেকে পানি বের হয়ে আসবে। মাঝে মাঝে একটু নাড়িয়ে দিতে ভুলবেন না। তবে মনের ভুলে চুলা ছেড়ে যাবেন না, রান্না শেষ করেই রান্নাঘর ছাড়ুন।


ছবি ১১, ফাইন্যাল লবন দেখুন, লাগলে দিন, না লাগলে ওকে বলে আগে বাড়ুন।


ছবি ১২, ঝোল কেমন রাখবেন তা নিজেই ঠিক করুন। আমি ইচ্ছা করেই ঝোল একটু বেশী রাখি। ঝোল কমাতে চাইলে ঢাকনা তুলে নিয়ে আগুন বাড়িয়ে দিন, নিমিষেই ঝোল কমে যাবে।


ছবি ১৩, ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।


ছবি ১৪, অপূর্ব! এই রকম একবাটি শাক তো একাই খেয়ে ফেলা যায়। (মনে রাখবেন, শাক সবজি না খেলে শরীরে নানা অসুখ বাসা বাঁধে।)

দারুন স্বাদের রান্না। বিশ্বাস করুন আমি দুই প্লেট ভাত সাবাড় করে দিয়েছি শুধু এই শাক দিয়েই। ইচ্ছা করে একটু ঝোল রেখেছিলাম যাতে আর অন্য কোন তরকারী না লাগে! আমার তাই হয়েছে, আর কোন তরকারী নেই নাই যদিও মোরগের গোশত রান্না ছিল।

আপনারা এভাবে একদিন রান্না করে দেখতে পারেন। লালশাকের মজাই আলাদা, দারুন।

সবাইকে শুভেচ্ছা। ভাল থাকুন।

শিমের ভর্তা ভুনা

প্রণালীঃশিম গুলে কেটে (ভিতর পরিস্কার করে, বিচি ফেলে এবং পাশের আঁশ ফেলে) সামান্য লবণ যোগে ভাল করে সিদ্ব করে ফেলা হল।

এবার একটা ছোট গ্লাস দিয়ে ভাল করে মিহিন করার চেষ্টা করা হল।

কড়াইতে তেল দিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি আর কাঁচা মরিচ এবং সামান্য লবন যোগে ভেজে ফেলা হল।

পেঁয়াজ কুচি হালকা হলুদ হয়ে আসলে গলানো শিম তাতে ডেলে দেয়া হল।

ভাল করে আবারো ভেজে নেয়া হল। ফাইন্যাল লবণ দেখা হয়েছে।

ব্যস পরিবেশনের জন্য প্রস্তুত।

নিমকি তৈরি খুব সহজ

নিমকি খেতে পছন্দ করেন কিন্তু বাইরে থেকে কিনে আনা নিমকিতে পুরান তেলের গন্ধ বলে খেতে পারছেন না? তবে কি নিমকি খাওয়া বন্ধ? না কখনই না। কেননা আজ বিডি রমণী আপনাদের দিচ্ছে নিমকি তৈরির খুব সহজ রেসিপি যাতে যখন ইচ্ছা তখনই বানিয়ে খেতে পারেন। তাহলে দেখেনিন রেসিপিটি।

উপকরণ

*২ কাপ ময়দা

*লবন স্বাদ মতো

*১ চামচ চিনি

*তেল ২ টেবিল চামচ

*কালিজিরা ১/২ চা চামচ

*ভাজার জন্য তেল.

প্রণালী

ময়দার সাথে সব উপকরণ মিশিয়ে নরমাল পানি দিয়ে খামির করে কিছুসময় ঢেকে রাখবেন , তারপর ভালো করে ময়ান দিয়ে ছোট ছোট গোল করে রুটি বেলবেন, রুটিকে প্রথমে ১ভাজ দিবেন, তারপর আর এক ভাজ দিবেন যেনো ৩ কোনা হয়, দু সাইড আঙ্গুল দিয়ে টিপ দিবেন যাতে খুলে না যায়…. গরম তেলে মচমচে করে ভেজে নেবেন।

মিষ্টি বা চা দিয়ে খেতে ভালো লাগে

অভিনব পদ কলার হালুয়া বসাতেই বানিয়ে ফেলুন

বাজারে সারাবছরই পাওয়া যায় নানাধরণের কলা। খুবই উপকারি ফল। কলা দিয়ে বানিয়ে ফেলতে পারেন এক অভিনব পদ- কলার হালুয়া। গোয়ার অন্যতম জনপ্রিয় খাবার।

উপকরণ

http://stat.food.bn.eenaduindia.com/Static/Images/Incredients.png
http://stat.food.bn.eenaduindia.com/Static/Images/Incredients.png
http://stat.food.bn.eenaduindia.com/Static/Images/Incredients.png
http://stat.food.bn.eenaduindia.com/Static/Images/Incredients.png
http://stat.food.bn.eenaduindia.com/Static/Images/Incredients.png

নির্দেশাবলি

গরম চায়ের সঙ্গে বা ডিনারের পরেও খেতে পারেন এই হালুয়া।

ক্যাপসিকাম পিকল

 

উপকরণ : ক্যাপসিকাম ৫টি, মেথি পোয়া কাপ চামচ, সরিষা আধা চা চামচ, ২টি লেবুর রস, মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ, হিংগুঁড়া সামান্য, তেল ২ টেবিল চামচ ও লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালি : ক্যাপসিকাম ছোট ছোট টুকরো করে বিচি ফেলে দিতে হবে। প্যানে তেল গরম করে সরিষা ও মেথি দিয়ে ভাজতে হবে। এরপর এতে হিং, মরিচ গুঁড়া ও হলুদ গুঁড়া দিতে হবে। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে এবার ক্যাপসিকামের টুকরো ও লবণ দিয়ে মিশ্রণটিকে ঢেকে দিতে হবে। নরম হয়ে এলে এতে লেবুর রস ঢেলে ভালোভাবে নাড়ূন। নামিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে এলে জার বা বোতলে সংরক্ষণ করতে হবে।

বড় বেগুনের বোটা রেখে ভারতীয় রেসিপি

আস্ত বেগুন জাস্ট মাঝখানে ফেরে (একটা বোটা রেখে) অনেক কিছুই রান্না করা যায় l আমি আস্ত তাল (বড়) বেগুনের (একটা বোটা রেখে) একটা ভারতীয় রেসিপি দিচ্ছি l তাল বেগুন মাসালা উপকরণ : মাঝারি আকারের তাল বেগুন (একটা বোটা রেখে কাটা) ১ কেজি, লবণ আধা চা-চামচ+দেড় চা-চামচ, টমেটো কুচি ছোট ৪টি, কাঁচা মরিচ ফালি ৬টি, লাল মরিচের গুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেগুঁড়া ১ চা-চামচ, মেথিগুঁড়া আধা চা-চামচ, নারকেল বাটা আধা কাপ, ধনেপাতা কুচি ১ টেবিল-চামচ, চিনি ১ টেবিল-চামচ, ঘন তেঁতুলের ক্বাথ ২ টেবিল-চামচ, সরষের তেল ১ কাপ+২ টেবিল-চামচ, হলুদগুঁড়া আধা চা-চামচ+ আধা চা-চামচ, পেঁয়াজ (মিহি কুচি) ১ কাপ, গোটা শুকনা মরিচ ৮টি, জিরা গুঁড়া (ভাজা) ১ চা-চামচ, এলাচি গুঁড়া আধা চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, শাহি গরমমসলার গুঁড়া ১ চা-চামচ, রোস্টেড চিনাবাদামগুঁড়া ২ টেবিল-চামচ, সাদা তিল (ভেজে বেটে নেওয়া) দেড় টেবিল-চামচ, সাদা তিল (ভাজা) ১ টেবিল-চামচ। প্রণালি : বেগুনের বোঁটাসহ লম্বালম্বি করে কেটে নিয়ে সিকি চামচ হলুদগুঁড়া ও আধা চা-চামচ লবণ মেখে ৩০ মিনিট রেখে দিন। এরপর বেগুন থেকে বের হওয়া কালো পানিগুলো ফেলে দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন। এবার একটি বাটিতে বেগুনগুলো আধা চা-চামচ হলুদ ও আধা চা-চামচ লবণ দিয়ে কিছুক্ষণ মেখে রেখে দিন। কড়াই বা প্যানে আধা কাপ তেল গরম করে বেগুনগুলো ভাজি করে তেল ছেঁকে উঠিয়ে রাখুন। একই তেলে গোটা শুকনো মরিচের ফোঁড়ন দিয়ে পেঁয়াজকুচি হালকা বাদামি করে ভেজে টমেটো কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ রান্না করে নিন। কাঁচা মরিচ ফালি, লাল মরিচের গুঁড়া এবং চিনি দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নিন। আঁচ কমিয়ে কিছুক্ষণ ঢেকে রাখুন। একটি বাটিতে ১ কাপ কুসুম গরম পানিতে ধনে, জিরা, এলাচি ও মেথি ইত্যাদি গুঁড়া মসলা, রসুন, নারকেল এবং তিল বাটা একত্রে ভালো করে মিশিয়ে কড়াই বা প্যানে ঢেলে ভালোভাবে কষিয়ে নিন। এরপর খানিকটা গরম পানি দিয়ে ও বাকি লবণ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষিয়ে নিয়ে তেঁতুলের ক্বাথ দিয়ে মিশিয়ে নেড়ে ভেজে রাখা বেগুনগুলো দিয়ে দিন। ওপরে গরমমসলা ছিটিয়ে দিয়ে হালকা নেড়ে নিন। বেগুনগুলো যেন না ভেঙে যায়। এবার ১ টেবিল-চামচ সরষের তেল ও ধনেপাতা কুচি ছিটিয়ে ঢেকে চুলা বন্ধ করে দিন। সবশেষে পাত্রে বেড়ে কিছু রোস্টেড সাদা তিল, ধনেপাতা কুচি ও রোস্টেড চিনাবাদামগুঁড়া ছিটিয়ে সাজিয়ে পরিবেশন করুন। ।

Scroll To Top