শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / রসনা বিলাশ

বিভাগ: রসনা বিলাশ

Feed Subscription

কোয়েলের বিরিয়ানি

কোয়েলের বিরিয়ানি রান্না করতে জানেন কি? আজ রাফিয়া মুর্তজা নিয়ে এসেছেন দারুন একটি রেসিপি। না, চিকেন বিরিয়ানির সাথে এর মিল নেই। বরং কোয়েলের বিরিয়ানি তৈরির রেসিপিটি একেবারেই ভিন্ন। চলুন, জেনে নিই রেসিপিটি।

নিজের রেসিপি প্রকাশ করতে চান? আপনার নিজের হাতে রান্না করা খাবারের খুব সুন্দর একটি ছবিসহ রেসিপিটি বাংলায় লিখে পাঠিয়ে দিন আমাদের email or পেজের ইনবক্সে। আর আপনিও হয়ে উঠুন বিখ্যাত!

উপকরণ :
পোলাও চাল ১/২ কেজি
কোয়েল ৪টা,
পেঁয়াজ বাটা ১/২ কাপ,
আদাবাটা ১ চা চামচ,
রসুন বাটা ১ চা চামচ,
ধনে, মরিচ, হলুদ প্রতিটি ১/২ চা চামচ করে,
জিরা গুঁড়ো ১/২ চা চামচ,
টক দই ১/২ কাপ,
জায়ফল ১ সিকি চামচ,
জয়ত্রী সিকি চামচ,
গরম মশলা গুঁড়ো ১ চা চামচ,
লবণ স্বাদ মত তেল ১ কাপ,
পানি প্রয়োজনমত

প্রনালী :

-প্রথমে কোয়েল ভালোমত ধুয়ে পরিষ্কার করে পানিয়ে ঝরিয়ে নিতে হবে।
-এর পর কড়াইয়ে তেল গরম হলে কোয়েল গুলি ভালো মত বাদামী করে ভেজে নিয়ে তুলে রাখুন। -এবার বাকি তেলে পেঁয়াজ বাটা দিয়ে নাড়ুন, এর পর একে একে সব মষলা দিয়ে কষান।
-টক দই দিন। কষানো হলে ভাজা কোয়েল দিয়ে নাড়ুন।
-ভালো মত কষানো হলে ২ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে অল্প আঁচে রান্না করুন মাঝে মাঝে নেড়ে দিন। -পানি শুকিয়ে গেলে পাত্রে ঢেলে রাখুন।
-এবার পোলাও বানিয়ে নিন এবং কোয়েল রান্না দিয়ে লেয়ার করে গ্রেভি দিয়ে ১০থেকে ১৫ মিনিট
দমে রেখে মিশিয়ে নিন এবং পছন্দমত সাজিয়ে পরিবেশন করুন।

ঘরে বসেই যদি ভিনদেশের চিকেন কোরমা

ঘরে বসেই যদি ভিনদেশের রেস্টুরেন্টের স্বাদ পাওয়া যায়, তাহলে ক্ষতি কী! আজ রইলো সেরকমই একটি রেসিপি ‘হায়দরাবাদি চিকেন কোরমা’। সাদা ভাত, পোলাও, রুটি বা নানের সঙ্গে খেতে পারেন এটি।

 

উপকরণ
চিকেন: ১ কেজি (হাড়সহ)
পেঁয়াজ: ১টা (স্লাইস করা)
রসুন: ৮ কোয়া (বাটা)
আদা: ১ ইঞ্চি (বাটা)
কাজু: ২ টেবল চামচ
পোস্ত: ১ চা চামচ
ঘন ফেটানো দই: ১ কাপ
গুঁড়ো হলুদ: ১ চা চামচ
মরিচ গুঁড়ো: ২ চা চামচ
ধনিয়ার গুঁড়ো: দেড় চা চামচ
গরম মশলা গুঁড়ো: দেড় চা চামচ
ধনেপাতা কুচি: ১ মুঠো
ক্রিম: আধা কাপ
লবণ: স্বাদ মতো
তেল: ১/৪ কাপ
ঘি: ১/৪ কাপ
দারচিনি: ১টা মাঝারি সাইজের
ছোট এলাচ: ৩টে
লবঙ্গ: ৩টে
তেজপাতা: ১টা বড়
বড় এলাচ: ১টা
রোস্টেড কাজু: গার্নিশ করার জন্য।

 

প্রস্তুত প্রণালী
প্রথমে কড়াইতে তেল গরম করে পেঁয়াজ কুচি দিন। সামান্য লবণ ছড়িয়ে সোনালি করে ভেজে নিন। কড়াই থেকে তুলে ঠাণ্ডা করে রাখুন। বাকি তেলে ঘি দিন।

 

এবার সব গোটা গরম মশলা দিয়ে সুগন্ধ বেরোলে আদা-রসুন বাটা দিয়ে ১-২ মিনিট নাড়তে থাকুন যতক্ষণ না রসুনের কাঁচা গন্ধ চলে যাচ্ছে।

 

আঁচ কমিয়ে গুঁড়ো হলুদ, মরিচ গুঁড়ো, ধনিয়ার গুঁড়ো ও ১/৪ কাপ পানি দিন। নাড়তে নাড়তে চিকেন দিয়ে দিন। চিকেন উল্টে-পাল্টে ভালো করে মশলা মাখিয়ে আধ কাপ পানি দিয়ে ১৫ মিনিট রান্না হতে দিন।

 

এই সময়ের মধ্যে কাজু, পোস্ত, ভাজা পেঁয়াজ ও দই একসঙ্গে বেটে নিন। কড়াইতে এই মিশ্রণ ঢেলে দিন। ঢাকা দিয়ে ১৫-২০ মিনিট রাখুন। ৩-৪ মিনিট অন্তর নাড়তে হবে। প্রয়োজন হলে পানি দিন।

 

চিকেন সেদ্ধ হয়ে গেলে গরম মশলা গুঁড়ো ছড়িয়ে ২-৩ মিনিট অল্প আঁচে রাখুন যতক্ষণ না তেল ছাড়ছে। আঁচ বন্ধ করে উপরে রোস্টেড কাজু দিয়ে পরিবেশন করুন।

টার্কি বাড়িতে তৈরির রেসিপি

টার্কি তো বাইরে অনেক বার খেয়েছেন। কিন্তু বাঙালি কায়দায় বাড়িতে তৈরি করার কথা ভেবেছেন কী? না ভাবলেও চিন্তি নেই।  ট্রাই করতে পারেন বাঙালি টার্কি। রেসিপি দিলেন কেকে’জ ফিউশনের কর্ণধার শেফ প্রদীপ রোজারিও।

 

 

 

উপকরণ

কুচনো পার্সলে পাতা- এক কাপ

লেবুর রস- ১/৪ চামচ।

অলিভ অয়েল- এক টেবিল চামচ।

রসুন কুচি- ২ টি বড়।

 

পোলাওয়ের উপকরণ

জল- এক কাপ।

জাফরান- এক চা চামচ।

ফ্যাট ফ্রি চিকেন জুস- ৩ ক্যান।

মাঝারি চিংড়ি- ৮ টি।

অলিভ অয়েল- এক টেবিল চামচ।

বোনলেস টার্কির পা- ৪ টি (দু’ভাগে কাটা)।

লিঙ্ক সসেজ- দু’টি।

কাটা পেঁয়াজ- ২ কাপ।

বড় রসুন কোয়া- ৩ টি।

বড় চিংড়ি- ৪ টি।

 

আমসত্ত্ব দইয়ের উপকরণ

আমসত্ত্ব- ৭৫ গ্রাম।

দই- ১০০ গ্রাম।

 

আমসত্ত্ব সরু করে কেটে দইয়ের মধ্যে মিশিয়ে নিলেই তৈরি এই স্পেশাল আইটেম।

 

 

প্রণালী

মাংস রান্নার জন্য সব উপকরণগুলো প্রথমেই ভাল করে মিশিয়ে নিন। অন্য দিকে বড় সসপ্যানে জাফরান, দল এবং চাল দিয়ে হালকা সিমে বসিয়ে দিন। সেদ্ধ করবেন না।

অন্যদিকে রাইস প্যানে তেল গরম করে দু’মিনিট ধরে টার্কি সঁতে করে নিন। এর পর সসেজও একই ভাবে সঁতে করুন। এ বার ছোট চিংড়ি দিয়ে সঁতে করে নিন আরও দু’মিনিট এরপর পেঁয়াজ ভেজে চাল দিয়ে দিন।

অন্য একটি বোওলে সসেজ, টার্কি নিয়ে আগুনে বসিয়ে মিনিট দশেক রান্না করুন। এ বার বড় চিংড়ি দিয়ে ভাতের মিশ্রণ দিয়ে দিন। পাঁচ মিনিট রান্না হলে কুচো চিংড়ি দিন। অপেক্ষা করুন ওগুলো ভাতের মধ্যে একেবারে মিশে যাবে। শেষে দিন লেবুর রস। এর পর ওভেন থেকে নামিয়ে ১০ মিনিট টাওয়েল দিয়ে ঢেকে রাখুন। তৈরি এই সহজ রেসিপি। শুধু আমসত্ত্ব দই দিয়ে পরিবেশন করার অপেক্ষা।

বিয়ে বাড়ির রোস্ট তৈরির গোপন রেসিপি

আম দিয়ে তৈরি করতে পারেন আম সন্দেশ

বাজারে পাওয়া যাচ্ছে পাকা আম। আম দিয়ে তৈরি করা যায় নানান মজাদার খাবার। আমের জুস, আমের মোরব্বা, আমের ফিরনি আরো কত কী। এইবার আম দিয়ে তৈরি করতে পারেন সন্দেশ! আমের ভিন্ন স্বাদের এই সন্দেশটি তৈরি করে চমকে দিতে পারেন আপনার প্রিয়জনদেরকে।

সুস্বাদু আম সন্দেশ তৈরি করতে দেখে নিন রেসিপিটাঃ

উপকরণঃ

১. ১.৫ লিটার দুধ

২. ৩/৪ কাপ টকদই

৩. ১/৩ কাপ চিনির গুঁড়ো

৪. ১/২ চা চামচ এলাচ গুঁড়ো

৫. ১ এবং ১/৩ কাপ আমের পিউরি

৬. পেস্তা বা কাঠবাদাম কুচি

প্রস্তুত প্রণালীঃ

প্রথমে একটি পাত্রে দুই লিটার দুধ দিয়ে জ্বাল দিন। এরপর অল্প আঁচে জ্বাল দিতে থাকুন। দুধ জ্বাল হয়ে এলে এতে টকদই দিয়ে দিন। দুধ এবং টকদই ভালো ভাবে নাড়তে থাকুন। দুধ ছানা হয়ে হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। যদি ছানা না হয়, তবে আরেকটু টকদই মিশিয়ে নিন। ছানা হয়ে এলে চুলা বন্ধ করে দিন।

এবার একটি সুতির কাপড়ে পানি ঢেলে ছানা আলাদা করে নিন। খুব ভালোভাবে পানি নিড়িয়ে নিবেন, যেন ছানার মধ্যে কোনো পানি না থাকে। দুই বা তিন কাপ পানি দিয়ে ছানা ভালো করে ধুয়ে নিন। কাপড় দিয়ে ছানা ভালো করে গিঁট দিয়ে বেঁধে রাখুন ৪৫ মিনিট।

এতে ছানার ভিতর থেকে পানি সব বের হয়ে যাবে। একটি পাত্রে ছানা নিয়ে ৮-১০ মিনিট মথে নিন। এরসাথে চিনির গুঁড়ো এবং এলাচ গুঁড়ো মিশিয়ে আবার মথুন। চুলায় প্যান গরম হয়ে এলে এতে ছানা এবং চিনির মিশ্রণ দিয়ে অল্প আঁচে রান্না করুন। ছানা চিনির মিশ্রণের সাথে আমের পিউরি দিয়ে দিন। ছানার মিশ্রণ এবং আমের পিউরি নাড়তে থাকুন। পানি শুকিয়ে ছানা না হওয়া পর্যন্ত চুলায় রাখুন।

অল্প আঁচে এটি ১০-১৫ মিনিট রান্না করুন। ঘন ডো হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলুন। পছন্দমত আকৃতি তৈরি করে নিন সন্দেশ দিয়ে। এটি ফ্রিজে রাখুন ৩০ মিনিট। পেস্তা কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন আম স্বাদের ম্যাঙ্গো সন্দেশ।

বৃষ্টি দিন ভুনা খিচুড়ি

একটু বৃষ্টি হলে খিচুরি ছাড়া কি জমে? ঠিক বৃষ্টিও লাগে না, একটু মেঘলা ভাব ধরলেও কিন্তু চলে। মেঘ দেখলেই ময়ূরের মন যেমন নেচে ওঠে, একই ভাবে বাঙ্গালীরও মন তখন নেচে ওঠে একটুখানি খিচুড়ির জন্য। রেস্তরাঁর ভুনা খিচুরিটাই বেশিরভাগ মানুষ পছন্দ করেন। অনেকে আবার বাড়িতেও রেঁধে থাকেন ভুনা খিচুড়ির হরেক প্রকার। আজ রইলো এমন একটি ভুনা খিচুড়ির রেসিপি যেটা অনায়াসে হয়ে উঠতে পারে পোলাও কিংবা বিরিয়ানির মতন বিশেষ খাবার। নিজে খাবার জন্য তো রাঁধতেই পারেন, সাথে আপ্যায়ন করতে পারবেন মেহমানও। কিন্তু এত সহজ এই রেসিপি যে রান্নার “র” না জানলেও রাঁধা সম্ভব।উপকরণ- পোলাও চাল- ২৫০ গ্রাম বা এক কাপ মুগের ডাল- ১/৪ কাপ মসুরির ডাল- ১/৪ কাপ আলু, গাজর( কিউব করে কাটা) ও মটরশুঁটি- ১/২ কাপ পিঁয়াজ কুচি- ১/৪ কাপ আদা বাটা- ১ টেবিল চামচ রসুন বাটা- ১ টেবিল চামচ ধনিয়া গুঁড়া- ১ টেবিল চামচ হলুদ- ১ চা চামচ লবণ- ২ চা চামচ মরিচ গুঁড়া- ১ চা চামচ জয়ফল- জয়ত্রী গুঁড়া- ১/২ চা চামচ দারচিনি, এলাচ- ২ টি করে কিসমিস- ইচ্ছামত ফুটন্ত গরম পানি- ৩ কাপ তেল- প্রয়োজনমত ঘি- ১ চা চামচ প্রণালী-মুগের ডাল আগেই ভেজে রাখবেন। চাল ও ডাল একত্রে ধুয়ে পানি ঝরতে দিন। হাঁড়িতে তেল গরম করে এলাচ দারুচিনি দিন। পেয়াজ দিয়ে লাল লাল বেরেস্তা করুন। তারপর সবজি ও লবণ সহ সমস্ত মশলা দিয়ে দিন। এবং ভালো করে কষান। কষানো হলে চাল- ডাল দিয়ে দিন এবং ভালো করে ভাজুন। চাল থেকে গন্ধ ছড়ালে পানি দিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে রাখুন। পানি টেনে আসলে কিসমিস ছড়িয়ে দমে দিয়ে দিন। ১৫ মিনিট দম দিলেই তৈরি হয়ে যাবে আপনার বাহারি ভুনা খিচুড়ি। পরিবেশন করতে পারেন পুদিনা দিয়ে সাজিয়ে। সাথে গরম মাছ ভাজা, ডিম ভাজা কিংবা স্রেফ সালাদ। আর একটু আচার হলে তো কথাই নেই!! রেসিপি- রন্ধন স্কুল ছবি- রায়হান মাহমুদ

মাশরুম দিয়ে তৈরি ঝাল ঝাল সবজি

প্রচুর প্রোটিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরা স্বাস্থ্যকর একটা খাবার মাশরুম। কিন্তু সাধারণ স্যুপ বা পাকোড়া ছাড়া মাশরুম কী করে রান্না করতে হয় তা অনেকেই জানেন না। আর দেশি খাবারের মতো করে রান্না করা যায় না বলে অনেকেই আগ্রহ দেখান না। আজ দেখে নিন মাশরুম দিয়ে তৈরি ঝাল ঝাল একটা সবজি রেসিপি। একদম দেখি খাবারের মতোই কাঁচামরিচ এবং মশলা দিয়ে রান্না করে ফেলতে পারবেন আপনিও। দেখে নিন সহজ রেসিপিটি।

Sponsored by Revcontent
From The Web
The Unusual Link Between Alzheimer’s and Coconut Oil
Revcontent Talks The Importance of User Experience
How Babbel Leverages Revcontent to Drive over 50% Content Marketing Revenue
Revcontent Honored with Ad Age’s Best Places to Work 2016
উপকরণ

– ২৫০ গ্রাম মাশরুম, মোটা করে স্লাইস করা
– সিকি চা চামচ সরিষা
– আধা কাপ টমেটো পিউরি
– ১টা মাঝারি পিঁয়াজ, মিহি কুচি করা
– ২ চা চামচ ধনে গুঁড়ো
– ৪টা অথবা স্বাদমতো কাঁচামরিচ, মাঝখান থেকে চেরা
– লবণ স্বাদমতো
– ১ চা চামচ জিরা
– কয়েকটা কারী পাতা
– ১ চা চামচ জিরা গুরপ
– ১ চা চামচ গরম মশলা
– ২ চা চামচ অথবা স্বাদমতো মরিচ গুঁড়ো
– সিকি চা চামচ হলুদ গুঁড়ো
– ৩ টেবিল চামচ তেল
– ১টা কিউব করা ক্যাপসিকাম
– ২ টেবিল চামচ কুচি করা ধনেপাতা
– ২ চা চামচ আদা-রসুন বাটা
– লেবুর রস অল্প
– গোলমরিচ গুঁড়ো স্বাদমতো
– ৩টা রসুনের কোয়া কুচি
– ১ টেবিল চামচ মাখন

প্রণালী

১) একটা প্যান গরম করে এতে দিন দুই টেবিল চামচ তেল। তেল গরম হয়ে এলে এতে দিন সিকি চা চামচ সরিষা। সরিষা ফুটতে শুরু করলে এতে জিরা দিয়ে দিন। এরপর দিন ৪-৫টা কারী পাতা, কাঁচামরিচ, হলুদ গুঁড়ো এবং পিঁয়াজ কুচি। এর ওপর দিন আদা-রসুন বাটা এবগ্ন অল্প করে লবণ। এগুলোকে কষে নিন যতক্ষণ না আদা-রসুন বাটা ভালো করে রান্না হয়ে যায় এবং কাঁচা গন্ধটা চলে যায়। ৫ মিনিটের মতো লাগতে পারে।
২) এই মশলার মাঝে দিন জিরা গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো এবং মরিচ গুঁড়ো। একই সাথে দিয়ে দিন ক্যাপসিকাম এবং টমেটো পিউরি। ভালো করে মিশিয়ে নিন। কিছুক্ষণ পর দিয়ে দিতে পারেন মাশরুমগুলোও। ভালো করে নেড়ে নিন যাতে মাশরুম এবং ক্যাপসিকামে সব মশলা মেখে যায়। ঢেকে রান্না হতে দিন।

৩) মাশরুম এবং ক্যাপসিকাম রান্না হয়ে যাবে ৫ মিনিটের মাঝে। এ সময়ে লবণ চেখে দেখুন। খুব কম আঁচে চুলায় রাখুন তরকারিটা।
৪) এ সময়ে তৈরি করে নিন বাগার দেবার কিছু উপকরণ। ছোট একটা প্যানে মাখন গলিয়ে নিন। গলে গেলে এতে কয়েকটা কাঁচামরিচ, রসুনের কোয়া দিয়ে দিন। সুন্দর একটা ফ্লেভার উঠলে কারী পাতা, ধনেপাতা কুচি, লবণ এবং গোলমরিচ দিয়ে দিন। একটু নেড়েচেড়ে সুগন্ধ উঠলে বুঝবেন এটা তৈরি।
৫) এবার কম আঁচে রাখা মাশরুমের তরকারীর ওপরে এটা ঢেলে মিশিয়ে নিন। নামানোর আগে ওপরে দিয়ে দিতে পারেন টাটকা লেবুর রস।
তৈরি হয়ে গেলো মাশরুম মাসালা। একে পরিবেশন করতে পারেন রুটি, পরোটা এবং নানের সাথে।

বাসায় মজাদার সিংগারা

উপকরন(১০টি বড় সিংগারা)

ডো এর জন্য-
ময়দা দেড় কাপ
কালিজিরা ১চা চামচ
লবন ১/৪চা চামচ
তেল/ঘি ২ টে চামচ
ঠান্ডা পানি পরিমান মত

পুর এর জন্য-
আলু সিদ্ধ ছোট ছোট কিউব করে কাটা ২ কাপ
গাজর কুচি ১/৪ কাপ
পিয়াজ কুচি আধা কাপ
ধনে পাতা কুচি আধা কাপ
বাদাম কুচি যে কোন ১/৪কাপ
কাচামরিচ মিহি কুচি ৪-৫টা
আদা রসুন পেস্ট এক চা চামচ
জিরা বাটা আধা চা চামচ
পাচ ফোরন ভাজা গুরা আধা চা চামচ
গরম মসলা গুরা আধা চা চামচ
তেজপাতা এক টি
মরিচ গুরা আধা চা চামচ
লবন পরিমানমত
তেল পরিমানমত

প্রনালি
-চুলায় দুই টেবিল চামচ তেল দিয়ে পিয়াজ কুচি ও গাজর কুচি লবন দিয়ে এক মিনিট ভেজে আদা রসুন তেজপাতা মরিচ গুড়া কাচামরিচ দিয়ে নেড়েচেড়ে আলু ও বাদাম দিতে হবে।বাকি মসলা দিয়ে ৩ মি ভেজে ধনে পাতা দিয়ে নামাতে হবে।ভাল করে ঠান্ডা করে নিতে হবে।
-ময়দা লবন কালিজিরা ঘি দিয়ে ময়ান দিতে হবে।পরিমানমত পানি দিয়ে শক্ত ডো বানাতে হবে।
-চার ভাগ করে চারটা লম্বাটে রুটি বেলে মাঝ বরাবর কেটে কোন করে পুর ভরে চার পাশে পানি লাগিয়ে মুখ বন্ধ করে সিংগারা বানাতে হবে।দরকার হলে উপরে pictures দেয়া আছে দেখে নিবেন।
-ডুবো তেলে অল্প আচে ভাজতে হবে সময় নিয়ে।

টিপস:সিংগারা বানাবার আগে আগে ডো বানাবেন।ডো বানিয়ে রেখে দিবেন না।রেখে দিলে সিংগারার উপরের অংশ লুচির মত হয়ে যাবে
-আস্তে আস্তে সময় নিয়ে ভাজবেন না হয় পরে নরম হয়ে যাবে।।
-ভাজার পরে টিস্যু বা কাগজের উপর রাখবেন।
-কলিজা দিতে চাইলে শুকনা করে ভুনা কলিজা দিতে হবে।তখন বাদাম না দিয়ে আলুর পুরের সাথে অল্প করে কলিজা দিতে হবে।

চিংড়ী পোলাও

উপকরণঃ চিংড়ি মাছ দেড় কাপ , তেল/ঘি মিলিয়ে ৬ টেবিল চামচ , পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ, পেঁয়াজ বাটা ২ টেবিল চাম্‌ রসুন বাটা ১ চা চামচ, আদা বাটা ১/২ চা চাম্‌চ জিরা বাটা ১ চা চামচ, এলাচ/দারুচিনি ৪/৫টি , কাঁচামরিচ বাটা ১ চা চামচ, পোলাও চাল ২ কাপ, কেওড়া জল ১ টেবিল চাম্‌চ, নারকেল দুধ ২ কাপ , চিনি ১ টেবিল চামচ, লবণ পরিমাণমতো, পানি ২ কাপ …প্রস্তুত প্রণালীঃ প্রথমে চিংড়ি পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। এবার চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। কড়াইয়ে প্রথমে তেল/ঘি দিয়ে গরম করে নিন। তেল/ঘি গরম হয়ে গেলে পেঁয়াজ কুচি দিয়ে কিছুক্ষণ ভেজে নিন। এরপর সব মসলা দিয়ে সামান্য পানি দিয়ে মসলা কষাতে হবে ৫ মিনিট।। মসলায় চিংড়ি মাছ দিয়ে আরও ৫ মিনিট ঢাকনা দিয়ে রান্না করতে হবে। এবার আরেকটি পাত্রে পোলাওয়ের চাল, পানি, কেওড়া জল, নারকেল দুধ ও চিনি দিয়ে চুলা অল্প আঁচে দিয়ে রাখতে হবে। পোলাওয়ের পানি শুকিয়ে এলে অর্ধেক পোলাও উঠিয়ে রেখে রান্না করা চিংড়ি মাঝে দিয়ে উপরে বাকি পোলাও দিতে হবে। ২০-২৫ মিনিট দমে রেখে পোলাও হয়ে গেলে নামিয়ে ফেলতে হবে। উপরে বেরেস্তা দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন মজাদার চিংড়ী পোলাও।

ইলিশ মাছের…

উপকরণ:
ডিম ভরা ইলিশ মাছের পেটি ৮ পিস
সরষে বাটা ৫ টেবিল চামচ
টকদই ১/২ কাপ
সরষের তেল ৪ টেবিল চামচ
হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ
কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ
চিনি সামান্য
নুন আনদাজমতো
চেরা কাঁচালঙ্কা ৬ টি
কাঁচালঙ্কা বাটা ১ চামচ
প্রনালী:
প্রথমে একটি মাইক্রোওভেন প্রুফ পাত্র নিন। এই পাত্রে প্রথমে ইলিশ মাছের পেটিগুলি সাজিয়ে নিন। তারপর সব মশলা একে একে দিয়ে দিন।নুন ও চিনি দিন। সরষের তেল ২ চামচ দিন। ভালো করে মেখে রেখে দিন ১৫ মিনিট। কিছুক্ষণ পরে চেরা কাঁচালঙ্কা ওপরে সাজিয়ে মাইক্রোওভেন এ ঢুকিয়ে দিন। ১০০ পাওয়ারে ১০ – ১৫ মিনিট চালিয়ে দিন। ২ মিনিট ভেতরে রেখে দিন। তারপর বের করে কাঁচা সরষের তেল ও চেরা কাঁচালঙ্কা ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: মাইক্রোওভেন যদি না থাকে তাহলে বড় কড়াতে অর্ধেকটা জল দিতে হবে।যখন জলটা টগবগ করে ফুটবে তখন একটি ঢাকনা দেওয়া গোল স্টিলের টিফিন কৌটোর মধ্যে মাখা ইলিশটা ঢুকিয়ে ওর মধ্যে দিতে হবে। দেখতে হবে যাতে টিফিন কৌটো অর্ধেকটা জলে ডোবে। ১০ – ১৫ মিনিট রেখে দিয়ে গ্যাস বন্ধ করে দেবেন।৫ মিনিট মতো ভাপে রেখে দিয়ে কাঁচা সরষের তেল ও চেরা কাঁচালঙ্কা ছড়িয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।

Scroll To Top