শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / প্রবাসে

বিভাগ: প্রবাসে

Feed Subscription

বুদ্ধ পালিয়ে আসা অসহায় রোহিঙ্গাদের সহায় হবেন

রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে প্রথম বারের মতো কথা বলেছেন তিব্বতের নির্বাসিত আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা। তিনি বলেছেন, মহামতি গৌতম বুদ্ধ মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা অসহায় রোহিঙ্গাদের সহায় হবেন।

সোমবার ডন নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর দেশটির সরকারি বাহিনী ও কট্টরপন্থী বেসামরিক বৌদ্ধরা সহিংস দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। তাদের নৃশংসতার মুখে রাখাইন থেকে প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। রাষ্ট্রবিহীন রোহিঙ্গারা কয়েক দশক ধরে মিয়ানমারে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন।

বৌদ্ধ ধর্মগুরু দালাই লামা রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো সহিংসতায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

মিয়ানমারে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের বিশেষ দূত জানিয়েছেন, চলমান সহিংসতায় কমপক্ষে এক হাজার ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। নিহতদের অধিকাংশই রোহিঙ্গা।

দালাই লামা সাংবাদিকদের বলেন, ‘যারা মুসলিমদের ওপর নিপীড়ন করছেন তাদের গৌতম বুদ্ধের কথা মনে করা উচিত। তিনি অবশ্যই অসহায় রোহিঙ্গা মুসলিমদের সহায়তা করবেন। এটি খুবই দুঃখজনক।’

জেদ্দায় চট্টগ্রাম জাতীয়তাবাদী ফোরামের কর্তৃক ঈদ পুনর্মিলনী

সৌদি আরব প্রতিনিধি:
জাতিয়তাবাদী চট্টগ্রাম ফোরাম সৌদিআরব পশ্চিম অঞ্চল কেন্দ্রিয় কমিটি কতৃক আয়োজিত আংশিক কমিটি ঘোষনা ও ঈদ পূর্ন মিলন অনুষ্ঠিত হয়।
জেদ্দাস্থ হোটেল লিমারে চট্টগ্রাম জাতীয়তাবাদী ফোরাম সভাপতি হারুন মোহাম্মদ শরীফের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক চৌধুরীর সঞ্চালনায়, এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জাতীয়তাবাদী ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা ইলিয়াছ বীন রশিদ। প্রধান ব্যক্তা ছিলেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন।
বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আছাব উদ্দিন, সহ-সভাপতি মুফিজুল আলম মুফিজ, আব্দু রাজ্জাক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো ফিরোজ, সিনিয়র সদস্য নজরুল সিকদার, মঞ্জুর আলম, দিদারুল আলম, মো হাসান, এম এ, হাসেম, মো হারুন, মোঃ আব্দুরশিদ, আব্দুল আলিম, ইলিয়াছ ইলো, মো: সোহেল, কোওয়াইছ আহম্মদ, সাঈদ আহম্মদ, মোঃ মোরশেদ আলম,  মো বাবর ও মো নোমান প্রমুখ।
সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব রফিক চৌধুরীর মায়নমার গন হত্যার শোক প্রস্তবের মধ্য দিয়ে কুরআন তেলোয়াত করেন মাঃ আব্দুল হামিদ।
বক্তারা চট্টগ্রাম ফোরামের ভূয়েশি প্রসংসাকরে সকলকে সম্পৃক্ত করে একটি শক্তি শালী  জাতিয়তাবাদী ফোরাম গঠনে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকার অংঙ্গীকার বদ্ধ হন, এবং উপস্থিত কাউন্সিলারর গন এর সম্মতিক্রমে মঈন চৌধুরীকে প্রধান পৃষ্ঠপোষক, ইলিয়াছ বিন রশিদকে প্রধান উপদেষ্টা, শরিফ মো হারুনকে সভাপতি, জসিম উদ্দিন, সাধারন সম্পাদক, মোঃ রফিক চৌধুরী সাংগঠনিক সম্পাদক, আছাব উদ্দিনকে সিনিয়র সহ সভাপতি, মোহাম্মদ ফিরোজ সিনিয়র যূগ্ন সম্পাদক ও নজরুল সিকদার সিনিয়র সদস্য করে আংশিক জাতিয়তাবাদী চট্টগ্রাম ফোরাম সৌদিআরব পশ্চিম অঞ্চল কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষনা করা হয়,পরিশেষে দেশ ও জাতির জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।

‘ইরমা’ আতঙ্কে ফ্লোরিডার বাংলাদেশিরা

হারিকেন হার্ভে আঘাত হানার পর এবার ৬০ হাজারের অধিক বাংলাদেশিসহ ফ্লোরিডা, সাউথ ক্যারলিনা এবং জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের ৫০ লক্ষাধিক আমেরিকান ভয়ঙ্কর হারিকেন ‘ইরমা’ আতঙ্কে রয়েছেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশি অধ্যুষিত সাউথ ফ্লোরিডার সকল মানুষকে নিরাপদ আশ্রয় যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সারা অঙ্গরাজ্যে জরুরি অবস্থা জারির পর রাজ্য গভর্নর রিক স্কট নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আঘাত হানার আশংকা রয়েছে এমন সিটির কেউ যেন ঘরে না থাকেন। শনিবার রাতে শুরু হবে ইরমার তাণ্ডব। ’সাউথ ক্যারলিনার গভর্নর হেনরী ম্যাকমাস্টার স্মরণকালের ভয়ঙ্কর এ হারিকেনের আঘাত হানার সম্ভাব্য সিটিসমূহে জরইর অবস্থা ঘোষণা করেছেন। একইভাবে জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নাথান ডিলও তার রাজ্যের ৬টি উপকূলীয় কাউন্টিতে জরুরি অবস্থা জারি করেছেন।

এর আগেই পর্তোরিকোর গভর্নর তার রাজ্যে জরুরি অবস্থা জারি করেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ফ্লোরিডা, ইউএস ভার্জিন আইল্যান্ড এবং পর্তোরিকো রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে জরুরি অবস্থা জারির পর সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতার নির্দেশ দিয়েছেন। দু’সপ্তাহ আগে ভয়ঙ্কর হারিকেন হার্ভি আঘাত হানে টেক্সাসের বাংলাদেশি অধ্যুষিত হিউস্টন সিটিসহ আশপাশের এলাকায়। ক্ষত-বিক্ষত জনপদে চলছে পুনর্বাসন কার্যক্রম। এমনি অবস্থায় হারিকেন ইরমা ধেয়ে আসছে আটলান্টিক মহাসাগর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যসমূহে।  ঘণ্টায় ১৮৫ মাইল বেগে ক্যাটাগরি-৫ হিসেবে প্রবাহিত হচ্ছে এই হারিকেন।

মার্কিন জাতীয় হারিকেন সেন্টার সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে আরও জানায়, ইরমা’র প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে ১৫ থেকে ২০ ফুট পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। এমন ভয়ংকর দুর্যোগ সাউথ ফ্লোরিডায় আঘাত হানবে শনিবার রাতে। ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিস আরো উল্লেখ করেছে, আটলান্টিক মহাসাগরে ‘হোযে’ এবং ‘ক্যাটিয়া’ নামক আরো দু’টি হারিকেনের উৎপত্তি ঘটেছে। ২০১০ সালের পর এবারই প্রথম উপর্যুপরি হারিকেনের আবির্ভাব ঘটছে আটলান্টিক মহাসাগর থেকে।

ফ্লোরিডাস্থ ৫২ দেশের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের প্রতিনিধিত্বকারি ‘বাই-ন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স এসোসিয়েশন’র নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট আতিকুর রহমান ৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে এই প্রতিবেদককে জানান, ‘হারিকেনের আতঙ্কে সমস্ত মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে রওনা দিয়েছেন। গ্যাস স্টেশনে গ্যাস নেই। গ্রোসারি স্টোর ফাঁকা। বড় বড় স্টোর থেকে কাঠ ক্রয় করা হচ্ছে বাড়ি-ঘরের দরজা-জানালা শক্ত করে আটকিয়ে নিরাপদ স্থানে পাড়ি দেয়ার জন্য। ’

আতিকুর রহমান উল্লেখ করেন, ‘অনেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিজ বাসায় অবস্থানের কথা ভাবছেন। যদিও মায়ামী পুলিশের উপ-প্রধান লুইস ক্যাবরেরা সকলের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন নিরাপদ আশ্রয়ে স্বেচ্ছায় চলে যাবার জন্য। অন্যথায় পুুলিশ এসে সকলকে জোর করে নিয়ে যাবে আশ্রয় কেন্দ্রে। ’

৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ভোর থেকেই ১৪০০ পুলিশ অফিসার মায়ামী সিটিতে নামবে সর্বসাধারণকে সর্বাত্মক সহায়তার জন্য।

বাংলাদেশি-আমেরিকান ব্যবসায়ী আতিকুর রহমান আরও জানান, ‘হারিকেনের ভয়াবহতা সকলেই আঁচ করতে পারলেও অনেকে সারাজীবনের স্মৃতি আঁকড়ে থাকতে চাচ্ছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়েই। ’

মায়ামী পুলিশের কমিশনার ফ্রাঙ্ক সুয়ারেজ বলেন, ‘সিটির যেসব এলাকাকে জনমানবশূন্য করার জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে, সে সব এলাকায় কাউকেই থাকতে দেয়া হবে না। সর্বসাধারণের নিরাপত্তা বিধানের স্বার্থেই এই নির্দেশ বাস্তবায়িত করা হবে। ’

মায়ামী-ডেড কাউন্টি মেয়র কার্লোজ জিমিনেজ বৃহস্পতিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে সর্বসাধারণের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘সরকারী আশ্রয়কেন্দ্রে অথবা দূরবর্তী স্বজনের বাসায় চলে যান। হারিকেন ইরমাকে অবহেলার অবকাশ নেই। এটি ভয়ঙ্কর রূপ নিয়ে সাউথ ফ্লোরিডাসহ আশপাশে আঘাত হানবে রবিবার ভোর রাতে। ’

 

ফিরতি হজফ্লাইট শুরু

চলতি বছরের ফিরতি হজফ্লাইটের কার্যক্রম আজ থেকে শুরু হবে এবং তা ৫ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স হজযাত্রীদের ফিরিয়ে আনতে জেদ্দা থেকে ঢাকায় ১৬৯টি ফিরতি হজফ্লাইট, ১৪৯টি ডেডিকেটেড এবং ৩০টি সিডিউলড ফ্লাইট পরিচালনা করবে।

বিমানের মুখপাত্র শাকিল মেরাজ আজ বলেন, ‘দীর্ঘকায় বোয়িং-৭৭৭ বিমানের মাধ্যমে ফিরতি হজফ্লাইট সমূহ পরিচালনার জন্য আমরা সার্বিক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছি।’

ইকোনোমিক ক্লাসের যাত্রীরা সর্বোচ্চ ৪৬ কেজি এবং বিজনেস ক্লাসের যাত্রীরা ৫৬ কেজি পণ্য বিনা শুল্কে বহন করতে পারবেন। বাংলাদেশ হজ কর্তৃপক্ষ আলাদাভাবে হজযাত্রীদের জন্য পবিত্র জমজমের পানি আনবে। হজযাত্রীরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর প্রতিজনকে ৫ লিটার করে জমজমের পানি দেয়া হবে।

এ বছর বাংলাদেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার ২২৯ জন হজযাত্রী সৌদি আরবে হজব্রত পালন করেন। তাদে মধ্যে অর্ধেক বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে এবং বাকি অর্ধেক সৌদি এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে দেশে ফিরবেন।

 

মক্কায় রিপোর্টারস এসোসিয়েশনের সাথে কামাল মজুমদার এমপির মতবিনিময় সভা

মোহাম্মদ ফিরোজ, সৌদিআরব প্রতিনিধি : সৌদি আরব মক্কায় গতকাল  ৩ সেপ্টেম্বর রবিবার রিপোর্টারস এসোসিয়েশন অফ ইলিকট্রিক মিডিয়ার সৌদি আরব পশ্চিমাঞ্চলের উদ্যোগে ঢাকা ১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও মোহনা টেলিভিশনের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার এমপির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠীত হয়।
রিপোর্টাস এসোসিয়েশন অফ ইলেকট্রনিক মিডিয়া সোদি আরব পশ্চিম অঞ্চলের সভাপতি এম ওয়াই আলাউদ্দিনের সভাপতিত্বে ও জেদ্দা প্রতিনিধি মহাম্মাদ ফিরোজ এর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা ১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও  মোহনা টেলিভিশন লিমিটেডের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মিরপুর মনিপুর স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আলহাজ্ব ফরহাদ হোসাইন, ইউএনবির সাংবাদিক শাহরিয়ার আলম পলাশ, মোহনা টিভির সৌদি আরব প্রতিনিধি মো: জাহাংগির আলম হৃদয়, মিরপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জাকির হোসেন। সাংবাদিক সাজিদুল ইসলাম, হানিস সরকার উজ্জ্বল, সৈয়দ আহমেদ। আরো বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক মোবারক হোসেন, আনোয়ার হোসেন রাজু, নাঈম আশরাফ, ইকবাল প্রধান, শফিক আরমান ও সফিকুল ইসলাম প্রমুখ।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে আলহাজ্ব কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, হাজীদের যেসব গুটি কয়েক এজেন্সি হয়রানি করছে, তাদের একজায়গায় রাখার কথা বলে অন্য জায়গায় রাখছে, খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে মক্কা, মিনা ও আরাফাতে হয়রানি শিখার করেছেন, সেই সমস্ত এজেন্সির বিরুদ্ধে আপনারা প্রবাসী সাংবাদিকেরা অভিযোগ তুলে ধরেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কাছে, ধর্ম মন্ত্রণালয় যদি কোন বিচার না করে তাহলে আমাদের জানান আমরা সংসদের মাধ্যমে তাদের কঠোর বিচারের দাবি জানাব।
তিনি আরো বলেন, মোহনা টেলিভিশন আপনাদের চ্যানেল, আপনাদের সুখ দু:খ তুলে ধরতে সৌদি আরব প্রতিনিধিরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন আপনারা তাদের সহায়তা করবেন। আগামিতে প্রবাসের মাটিতে প্রবাসী শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান মালা মোহনা টেলিভিশনের সহযোগিতায় আয়োজনের কথা জানান তিনি।  ২০১০ সালে এই চ্যানেলের জন্ম হয়েছে যার লক্ষ দেশ – বিদেশের বস্ত নিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করা. আপনাদের সকল সাংবাদিকদের মোহনা পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ অব্যাহত

পবিত্র হজের কর্মসূচি শেষ করার পর মিনায় শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ অব্যাহত রেখেছেন হাজিরা। রোববারও তারা মিনায় ৩ শয়তানকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপের মধ্যদিয়ে হজের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষ করবেন। তবে মুয়াল্লেমদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে অনেক বাংলাদেশি হাজি এখনো কোরবানি সম্পন্ন করতে পারেননি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এ কারণে তারা এখনো ইহরাম ত্যাগ করতে পারছেন না।

পবিত্র হজের তৃতীয় ও শেষ দিনেও কোরবানি দিয়ে হজ সম্পন্ন করতে পারেনি কয়েকটি এজেন্সির শতাধিক বাংলাদেশি হাজি। এ কারণে তারা এখনো ইহরাম ত্যাগ করতে পারছেন না বলে অভিযোগ করেন। হজে গিয়ে সঠিকভাবে হজ পালন না হওয়ার বিষয় নিয়েও অতৃপ্তির কথা জানিয়েছেন অনেকে।

এসব বিষয় নিয়ে হজ কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেও কোন সমাধান পাওয়া যায়নি। উল্টো বিষয়টির সমাধান না দিয়ে আশ্বাসের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ।

এ বিষয়ে সৌদি সরকারের নির্দেশনা অনুসরণ করার পরামর্শ দিয়েছেন সৌদি আরবে অবস্থানরত বাংলাদেশি হজ কনসাল্ট।

প্রতি বছর পবিত্র হজ পালনের জন্য বাংলাদেশ থেকে লক্ষাধিক মুসল্লি সৌদি আরব যান। তবে অনেকের হজ যাত্রার প্রথম থেকেই শুরু হয় বিরম্বনা। দেশে থাকা অবস্থায় মুসল্লিদের ভিসা, বিমান টিকেটসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ভোগান্তির পর হজে গিয়েও এই বিরম্বনার শেষ নেই।

লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, ধ্বনিতে মুখরিত পবিত্র মিনা নগরী

সৌদিআরব প্রতিনিধি:
মক্কার অদূরে মিনা যাত্রার মধ্য দিয়ে বুধবার শুরু হয়েছে হজের আনুষ্ঠানিকতা। হজের নিয়তে ইহরাম বেঁধে লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারীকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়ান-নি’মাতা লাকা ওয়াল মুলক’ ধ্বনিতে মুখর করে কমপক্ষে ২০ লাখ হজযাত্রী মিনায় সমবেত হয়েছেন।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার আরাফা দিবস অর্থাৎ পবিত্র হজ। পবিত্র হজ পালনের জন্য যেমন বুধবার রাত থেকেই হজযাত্রীরা মিনা থেকে আরাফায় রওনা হবেন, তেমনি গতরাত (মঙ্গলবার) থেকেই তারা মিনায় আসতে শুরু করেন। মহানবী মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রদর্শিত পদ্ধতি অনুযায়ী বুধবার বাদ ফজর হজযাত্রীদের মক্কা থেকে মিনা যাওয়ার কথা। কিন্তু ২০ লাখ হজযাত্রী পরিবহনের সুবিধার্থে সৌদি সরকার নিযুক্ত মুয়াল্লিমরা পূর্বের রাত থেকেই হজযাত্রীদের মিনায় স্থানান্তর শুরু করেন। অনুরূপ ৯ যিলহজ সূর্যোদয়ের পর মিনা থেকে আরাফার ময়দানে গমন সুন্নাত হলেও বিশাল সংখ্যক হজযাত্রীর আরাফায় উপস্থিতি নিশ্চিত করতে আগের (৮ যিলহজ) রাত থেকেই তাদের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বিলাসবহুল বাসে করে স্থানান্তর শুরু করে দেন।
এদিকে হজযাত্রীদের নিরাপত্তায় সরকার সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। বলে জানিয়েছেন সৌদি হজ কমিটির মুখপাত্র ওমর আকবর হজ ব্যবস্থাপনা নিয়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করে বলেন. ২০১৫ সালের হজে মিনায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় দুই হাজারেরও বেশি হজযাত্রীর মৃত্যু হয়। সেই মর্মান্তিক ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আর যাতে সে ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে সে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পথে পথে সহযোগিতার জন্য পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাবেসী নিয়োগ দেয়া হয়েছে। পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের উত্তম ব্যবস্থা রয়েছে হজযাত্রীদের গমনাগমনের দীর্ঘ পথ জুড়েই।
হজে ব্যবস্থাপনা দেখে বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল সন্তুষ্টি- জানিয়েছেন এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন যাতে সুষ্ঠুভাবে সকল হাজিগন হজ সম্পন্ন করে বাংলাদেশ ফেরত যেতে পারেন এই দোয়া কামনা করেন।
ধর্মমন্ত্রী অধ্যাপক মতিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের সরকারী বেসরকারী ভাবে ১লাখ ২৭ হাজার ১৩৮ হজযাত্রী হজ করতে আসছেন। হাজী কাফেলা নিয়ে মিনার অবস্থান করছে এবং  মক্কায় বাংলাদেশ হজ  মিশনে সব ধরনের সহযোগিতা করছে।
সৌদি আরবে সর্বমোট ইন্তেকাল করেছেন ৪০ জন হজযাত্রী/হাজী; পুরুষ-৩৭, মহিলা-০৩; মক্কা-৩৩, মদিনা-০৭,জেদ্দা-০।
বাংলাদেশী হাজীরা হজে আসতে পেরে খুব আনন্দিত , দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন এবং দেশবাসীর জন্য দোয়া করবেন যাতে করে তারা সুষ্ঠুভাবে হজ সম্পন্ন করতে পারেন।

আগামী কাল বৃহস্পতিবার পবিত্র হজ্ব

সৌদিআরব প্রতিনিধি: আগামী কাল বৃহস্পতিবার ৯ জিলহজ্ব ৩১ আগষ্ট পবিত্র হজ্ব। ৮ জীলহজ্ব মক্কার ও মদিনা থেকে আগত হাজীরা মিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে সূর্যাস্তের আগেই মিনায় তাঁবুতে অবস্থান হওয়ার পর থেকেই শুরু হবে পাঁচ দিনব্যাপী পবিত্র হজ্বের আনু-ষ্ঠানিকতা। মিনায় আল্লাহর জিকির আর ইবাদতে মগ্ন থাকবেন সাথীরা।
আগামী কাল বৃহস্পতিবার ৯ জিলহজ্ব ৩১ আগষ্ট  সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করবেন সারাবিশ্ব থেকে সমবেত হওয়া লাখ লাখ হাজী। ইহরাম পরিহিত অবস্থায় আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় লাখ লাখ হাজীর কণ্ঠে উচ্চারিত হবে, ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইক লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হামদা ওয়াননি মাতা লাকা ওয়ালকুম।’ এর বাংলা অর্থ হচ্ছে, ‘আমি হাজির। হে আল্লাহ আমি হাজির। তোমার কোন শরিক নেই। সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধুই তোমার। সব সাম্রাজ্য তোমার।’
আরাফাত ময়দানের মসজিদে জোহরের নামাজের আগে খুতবা পাঠ করবেন মক্কার গ্র্যান্ড ইমাম। খুতবা পাঠ শেষে জোহর ও আছরের ওয়াক্তের মাঝামাঝি  সময়ে হাজীরা জামায়াতের সাথে কছর নামাজ আদায় করবেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত তারা আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করে আল্লাহ তা’আলার জিকির-আসকারে মশগুল থাকবেন। সূর্যাস্তের পর হাজীদের গন্তব্য মুজদালিফার দিকে। সেখানে উপস্থিত হয়ে তারা মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় শেষে সবাই বিশ্রাম নেবেন। মুজদালিফা থেকে পাথর সংগ্রহ করে আগামী ১০ জিলহজ্ব পহেলা সেপ্টেম্বর শুক্রবার মিনায় ফিরে যাবেন।
হজ্বের তৃতীয় দিন ১০ জিলহজ্ব শুক্রবার মিনায় পৌঁছার পর হাজীদের পর্যায়ক্রমে চারটি কাজ সম্পন্ন করতে হয়। প্রথমে মিনাকে ডানদিকে রেখে হাজীরা দাঁড়িয়ে শয়তানকে (জামারা) পাথর নিক্ষেপ করবেন। দ্বিতীয় কাজ আল্লাহর উদ্দেশে পশু কোরবানি করা। অনেকেই মিনায় না পারলে মক্কায় ফিরে গিয়ে পশু কোরবানি দেন। তৃতীয় পর্বে মাথা ন্যাড়া করা। চতুর্থ কাজ তাওয়াফে জিয়ারত। হাজীরা মক্কায় ফিরে  কাবা শরীফ ‘তাওয়াফ’ ও ‘সাঈ’ (কাবার চারদিকে সাতবার ঘোরা ও সাফা-মারওয়া পাহাড়ে সাতবার দৌড়ানো) করে আবার মিনায় ফিরে যাবেন।
জিলহজ্বের ১১ তারিখ (২ সেপ্টেম্বর) শনিবার মিনায় রাত যাপন করে দুপুরের পর থেকে সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হাজীরা বড়, মধ্যম ও ছোট শয়তানের উপর সাতটি করে পাথর নিক্ষেপ করবেন। আর এ কাজটি করা সুন্নত। পরদিন ১২ জিলহজ্ব (৩ সেপ্টেম্বর) রবিবার মিনায় অবস্থান করে পুনরায় একইভাবে হাজীরা তিনটি শয়তানের উপর পাথর নিক্ষেপ করবেন। শয়তানকে পাথর নিক্ষেপ করা শেষ হলে অনেকে সূর্যাস্তের আগেই মিনা ছেড়ে মক্কায় চলে যান। আর মক্কায় পৌঁছার পর হাজীদের একটি কাজ অবশিষ্ট থাকে। সেটি হচ্ছে কাবা শরীফ তাওয়াফ করা। একে বলে বিদায়ী তাওয়াফ। স্থানীয়রা ছাড়া বিদায়ী তাওয়াফ অর্থাত্ কাবা শরীফে পুনরায় সাতবার চক্কর দেয়ার মাধ্যমে হাজীরা সম্পন্ন করবেন পবিত্র হজ্বব্রত পালন।
বিদায় তাওয়াফ সম্পর্কে হাদিসে বলা হয়েছে, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) ১৩ জিলহজ্ব মিনা থেকে অবসর হয়ে বিদায়ী তাওয়াফের জন্য সরাসরি বায়তুল্লাহ শরীফে যাননি। তিনি মক্কা নগরীর উপকণ্ঠে অবস্থিত আবতাহা নামক স্থানে অবতরণ করেন। এর বর্তমান নাম হচ্ছে খায়েক বনি কেনানা। এখানে তিনি জোহর, আছর, মাগরিব ও এশার নামাজ আদায় করে অল্প সময়ের জন্য ঘুমিয়েছিলেন। এরপর তিনি বায়তুল্লাহ শরীফে গিয়ে বিদায়ী তাওয়াফ করে মদিনার উদ্দেশে যাত্রা করেন।’

রিয়াদ কেন্দ্রীয় যুবলীগের শোকসভা

সৌদি আরব প্রতিনিধি : গত ২৪ আগস্ট বৃহস্পতিবার রাতে বাথা এনামুল হক কমিউনিটি সেন্টারে রিয়াদ কেন্দ্রীয় যুবলীগের উদ্যোগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শরু হয় ।

রিয়াদ কেন্দ্রীয় যুবলীগের সভাপতি এম,এ জলিলের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আলমগির মাসুদের সঞ্চালনায়-

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রিয়াদ আওয়ামী পরিষদের সভাপতি মোহাম্মদ আলী নুর। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক এম,আর মাহবুব।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, ডাঃ মোঃ শাহ্‌ আলম , মোহাম্মদ আবদুস সালাম , ইউসুফ খান , সোলেমান বাদসা , হাজী আবদুল গফুর , এইচ,এম আলমগির হোসেন , রহিম হোসেন রবি , কৃষিবিদ শামিম আবেদিন , এ,টি এম জিয়াউদ্দিন , আবদুল কুদ্দুস ।

অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, আলী নুর ইসলাম রনি , আনোয়ার হোসেন মুন্না , ফজলুল হক , মবিনুল হক লেদু , আলাউদ্দিন মল্লাল , গিয়াস মজুমদার , আতিক খান ,মনির খালাশি , রহিম হোসেন রবি , সাইফুল ইসলাম খন্দকার , সুমন মিয়া , শরিফ হোসেন , ফয়েজ উদ্দিন লাব্লু , মনিরুজ্জামান মনির , সুমন আহমেদ খান , বাবুল দাস ,জাকেরুল ইসলাম জাকির সহ যুবলীগের বিপুল সংখ্যক নেতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন – বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বাস্তবায়ন করতে হলে আওয়ামী পরিবারের সকল নেতা কর্মীদের এক হতে হবে , যারাই দেশের শান্তি বিনস্ট করতে চাইবে তাদের রুখে দিতে হবে , প্রধান বিচারপতির কারনে দেশে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তার পদত্যাগের মাধ্যমেই পুনরায় শান্তি পিরে আসবে, বক্তারা তার পদত্যাগ দাবী করেন।

বঙ্গবন্ধু সহ সকল শহীদদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন মাওলানা নুরুল আমিন আল তায়েফী ।
Attachments area

জেদ্দায় বঙ্গবন্ধু শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা

সৌদিআরব প্রতিনিধি: জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করে ফ্রেন্ডস অফ বাংলাদেশ, জেদ্দা।

গতকাল জেদ্দাস্থ জাহারান সিটি কেম্পে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফ্রেন্ডস অফ বাংলাদেশ, জেদ্দার সভাপতি মমতাজ হোসেন চৌধরীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সৌদিআরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ্। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কনসুলেট জেদ্দার, কনসাল জেনারেল এফ, এম বোরহান উদ্দিন, কাজী আমিন আহমেদ, মার্শাল কবির পান্নু, শাহাবুদ্দিন আহাম্মেদ, কাজী নুওফেল, ফজলুল হক ভিকু, আজিজুল হক, ড. আবু আফফান, কাজী নিয়ামুল বশির, ওয়াজিউল্লাহ ও টিপু সহ প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিনিময়ে বঙ্গবন্ধু আমাদের শাত কোটি বাঙালিকে দিয়ে গেছে একটি লাল সবুজের পতাকা, একটি স্বাধীন দেশ। যে দেশের জন্য এত দুঃখ কষ্ট করেছেন ওনি জীবন দিয়েছে যে আদর্শের জন্য সেই সব জিনিস যদি আমরা সারা বছর পালন করতে পারি তাহলে ওনার আদর্শে আমরা উজ্জীবিত হয়ে দেশকে উন্নয়নের দিকে নিয়ে যেথে পারব দূরভাগ্য বশত আজকে বাংলাদেশ ৪৫টি বছর কেন জানি আমরা প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে পিছিয়ে পরছি।

তিনি প্রবাসীদের বলেন, আপনারা পরিবার পরিজন ছেড়ে যে কষ্ট করেন, মাথার ঘাম পায়ে পেলে পরিবারের সচ্ছলতা ও দেশের রেমিটেনস পাঠিয়ে যে অবদান রাখছেন তার জন্য আমরা গর্বিত আপনাদের আমি সন্মান জানাইয়। আমরা আপনাদের সেবক আপনাদের যে কোন সেবা দিতে আমরা প্রস্তুত।

গোলাম মসিহ্ আরো বলেন, আমি যখন প্রথম বার হজ করি মনে করেছি এর পরের বার আরো সুন্দর ব্যবস্থাপনা হবে পরের বছর যখন হজ করি সেই বছর মনে করেছি এই বছরের ছেয়ে এর পরের বছর মনে হয় আরো সুন্দর ব্যবস্থাপার মধ্য দিয়ে হজ পরিচালনা হবে। কিন্তু দুঃখের বিষয় বাংলাদেশ থেকে ২৪টি হজ পালাইট বাতিল হল সৌদি পররাষ্ট্র মন্ত্রালয়ে আমাদের জবাব দিহিতা করতে হচ্ছে কেন আপনার দেশে হজের ফ্লাইট বারবার বাতিল হচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ একটি হাজিও যাথে বাদ না পরে প্রথেক হাজী যেন সৌদি আরব পৌঁছাতে পারে কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য একমাত্র দূরনিতির কারনে আজকে ৬ হাজার হাজিদের দূর অবস্থা। কথাটি বলার একটি কারন বঙ্গবন্ধু সারাজীবন যুদ্ধ করেছেন একটি সুশনমুক্ত সমাজের জন্য। মেহনতি মানুষের জন্য আমরা বলি একটি দেশ যাথে হয়। মেহনতি মানুষ দিন দিন মেহেনত করে যাচ্ছে আর যে বাইশ পরিবারের বিরুদ্ধে ওনি অবস্থান নিয়েছিল আদমজী, দাউদ, ইস্পাহানি। আর আজকে বাইশ শত পরিবারের জাঁতা কলে আমরা ১৬ কোটি মানুষ অসহায়। এটাতো বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ছিল না। এটাতো বঙ্গবন্ধু চিন্তায় করতে পারেন নায় আজকে এই বাংলাদেশ হবে।

Scroll To Top