শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / প্রবাসে

বিভাগ: প্রবাসে

Feed Subscription

অভিবাসন খাতকে দালালচক্র’র হাত থেকে রক্ষা করতে হবে

বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশ্য করে প্রবাসী কল্যাণ বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেছেন, অভিবাসন খাতকে দালালচক্র ও অসাধু স্বার্থান্বেষী মহলের হাত থেকে রক্ষা করতে আপনাদের এগিয়ে আসতে হবে। দক্ষতা অর্জন, নিরাপদ অভিবাসন ও অভিবাসন ব্যয় সর্ম্পকে সাধারণ মানুষকে অভিহিত করে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন।

আজ বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত তিনদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০১৭’র দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় অধিবেশনে এ কথা বলেন তিনি।

নুরুল ইসলাম বিএসসি বলেন, বিদেশ গমনেচ্ছুক কর্মীদের স্মার্ট কার্ড প্রদান ও ফিঙ্গার প্রিন্ট গ্রহণসহ যাবতীয় কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ করার মাধ্যমে প্রায় সকল জেলা থেকে প্রদান করা হয়ে থাকে। এ সকল বিকেন্দ্রীকরণ কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনাদের ও আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত ও প্রচারিত বুকলেট, পোস্টার, ফেস্টুন ও সচেতনতাধর্মী নাটিকাগুলো তৃণমূল পর্যায়ে প্রচারের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য জেলা প্রশাসকবৃন্দের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. নমিতা হালদার, ও অতিরিক্ত সচিব (অর্থ ও প্রশাসন) জাবেদ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম হজ্জ ফ্লাইট জেদ্দায়

সৌদিআরব প্রতিনিধি :
৪১৯ জন হজ্জযাত্রী নিয়ে জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ আন্তজাতিক বিমান বন্দরের হজ্জ টার্মিনালে এসে পৌঁছেন বাংলাদেশের প্রথম হজ্জ ফ্লাইট বিজি-১০১১ জেদ্দা বিমান বন্দরে

আজ ২৪ শে জুলাই ৪১৯ জন হজযাত্রী নিয়ে জেদ্দায়
কিং আব্দুল আজিজ আন্তজাতিক বিমান বন্দরের হজ্জ টার্মিনালে পৌঁছালে হজ্জ যাএীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসিহ, জেদ্দা কনস্যুলেটের কনসাল জেনারেল এফ. এম বোরহান উদ্দীন, সৌদি হজ্জ মন্ত্রণালয়ের ডিরেক্টর জেনারেল ইঞ্জিনিয়ার মারওয়ান সুলাইমানী, দক্ষিণ এশিয়ান হজ্জ অফিসের চেয়ারম্যান ডক্টর রাফাত বদর, জেদ্দা বিমান বন্দরের সিবিল এভিয়েশনের উদ্দ্যতম কর্মকর্তা সহ বাংলাদেশ হজ্জ অফিস বিমান বন্দরের অফিসার আনোয়ার হোসেন সহ দুতাবাস কনস্যুলেটের উদ্যতম কর্মকর্তা বৃন্দ উপস্তিত ছিলেন। কনসাল হজ মাকসুদুর রহমানসহ এছাড়া কাউন্সিলর মোঃআমিনুল ইসলাম কাউন্সিলর আজিজুর রহমান, বাংলাদেশ বিমানের রিজিওনাল ম্যানেজার মোহাম্মদ আলী ওসমান নুর সোনালী ব্যাঙ্ক প্রতিনিধি কনস্যুলেট কর্মকর্তাগণসহ সৌদি পদস্থ কর্মকর্তাগণ হজযাত্রীদের অভ্যর্থনায় জানান ।

প্রথম ফ্লাইটে আসা হজযাত্রীগণকে সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে খেজুর জায়নামাজ ও তসবিহ তুলে দেয়া হয়। উষ্ণ অভ্যর্থনায় হজযাত্রীগণ
আনন্দিত হন এবং খুশী মনে উপহার গ্রহণ করেন।এবার এক লাখ ‍২৭ হাজার ১৯৮ জন বাংলাদেশি হজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় যাচ্ছেন
১০ হাজার বাংলাদেশি। বাকি এক লক্ষ ১৭ হাজার ১৯৮ জন যাচ্ছেন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায়।

কনসাল হজ মাকসুদুর রহমান জানিয়েছেন বাংলাদেশ থেকে আগত সকল হজযাত্রীগণের জন্যে ইতিমধ্যে বাড়িভাড়া হয়েছে এবং হজ পালনের সকল আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। এদিন আরও তিনটি ফ্লাইটে আজ হজযাত্রীরা সৌদি আরবে আসবেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।

আজ সোমবার সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে ৪১৮ জন হজযাত্রী নিয়ে বিমানের ফ্লাইট বিজি-৩০১১ আসেন । রাত ১০ টায় দিত্বীয় ফ্লাইট বিজি ৫০১১ ফ্লাইটে জেদ্দা আসবে ৪১৯ জন। এছাড়া নিয়মিত ফ্লাইট বিজি-০০৩৫ রাত ১১ টা ৫০মিনিটে তৃতীয় ফ্লাইট আসবে ।

বিমান ১৭৭টি ডেডিকেটেড এবং ৩৩টি শিডিউল ফ্লাইটে ৬৩ হাজার ৫৯৯ জন হজযাত্রী পরিবহন করবে। আর ১৬৯টি ডেডিকেটেড ও ৩০টি শিডিউল ফ্লাইটে বিমান সৌদি থেকে হজযাত্রীদের বাংলাদেশে নিবেন । সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইনস সবগুলো ডেডিকেটেড ফ্লাইটের মাধ্যমে বাকি ৬৩ হাজার ৫৯৯ জন হজযাত্রী পরিবহন করবে।

গত কয়েক বছরের মত এবারও জমজমের পানি আগেই বাংলাদেশে আনা হবে। হজযাত্রীরা ফিরে এলে বিমানবন্দরে তাদের হাতে পাঁচ লিটার করে পানি তুলে দেওয়া হবে ।

এবার সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যেতে প্যাকেজ-১ এর আওতায় তিন লাখ ৮১ হাজার ৫০৮ টাকা এবং প্যাকেজ-২ এর আওতায় তিন লাখ ১৯ হাজার ৩৫৫ টাকা ।

মরুর বুকে সবুজ-সোনা ফলাচ্ছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা

সম্প্রতি বাহার উদ্দিন বকুলের ক্যামেরায় উঠে এসেছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা পরিচালিত এমনি একটি কৃষি খামারের চিত্র।মরুভূমির দেশ সৌদি আরব। ঊষর মরুর ধূসর বুকে গড়ে উঠেছে একেকটি শহর ও নগর। পাশাপাশি মরুভূমির ধুলার সাগরের মধ্যে গড়ে উঠছে কৃষি খামার, এক চিলতে মরূদ্যান, সবুজের জয়গান। আর এমনি কৃষি খামারে সবুজ-সোনা ফলাচ্ছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা। তাঁদের হাত ধরে আসছে বৈদেশিক মুদ্রা।

জেদ্দা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার দক্ষিণে একটি শহর লিথ। সেখান থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে বিরান মরুভূমি মধ্যে একটি কৃষি খামার, আরবি ভাষায় ‘মাজরা’। ৮০ বিঘা জমির এই কৃষি খামার বার্ষিক ৭০ হাজার রিয়ালে ৬০ বিঘা জায়গা লিজ নিয়েছেন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা চট্টগ্রামের আবুল কালাম এবং কুমিল্লার কুদ্দুস মিয়া। তাঁরা জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে খামারটি চালাচ্ছেন।
শুরুতে বার্ষিক লিজ ছিল ২০-২৫ হাজার রিয়াল। বছরে বছরে বেড়ে হয়েছে ৭০ হাজার রিয়াল।

সম্প্রতি বাহার উদ্দিন বকুলের ক্যামেরায় উঠে এসেছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা পরিচালিত এমনি একটি কৃষি খামারের চিত্র।ধু ধু মরুভূমির মধ্যেই এই খামারটি চলছে মূলত জেনারেটর ও গভীর নলকূপের সহায়তায়। ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে ওখানে তাপমাত্রা ৩০-৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, গ্রীষ্মে যা ৪৫-৫০ ছাড়িয়ে যায়। প্রখর এই সূর্যালোকের তাপে গনগনে বালু-সাগরের মধ্যে এক টুকরো সবুজের সমারোহ, এক সাগর প্রশান্তি। ঘন সবুজ খামারটি মন ভরে দেয়, চোখ জুড়িয়ে দেয়।

উদ্যোক্তারা জানান, বর্তমানে এই কৃষি খামারে ৩০ জন নিয়মিত শ্রমিক কাজ করছেন। তাঁরা সবাই বাংলাদেশি। খামারটিতে মূলত করলা, ঝিঙে, চিচিঙ্গা, লাউ, চালকুমড়া, মিষ্টিকুমড়া, শিম, মরিচ, শিমলা মরিচ, কচু, ধনেপাতা এবং নানা রকম শাক উৎপাদন হয়। সেই সঙ্গে আছে মুরগি পালন, জলাশয় বানিয়ে হাঁস পালন। এ ছাড়া কিছু আমগাছ রয়েছে, যেগুলোতে প্রচুর আম হয়।
উদ্যোক্তারা আরও জানান, এখানে ফসল উৎপাদন ভালো হয়, তবে বীজ উৎপাদন সম্ভব হয় না। বীজ আনতে হয় বাংলাদেশ থেকে। প্রতি কেজি বীজ আনতে বাংলাদেশে ১৫-২০ হাজার টাকা ট্যাক্স দিতে হয়, যা খুবই ব্যয়বহুল বলে অভিযোগের সুরে বলেন তাঁরা।

সম্প্রতি বাহার উদ্দিন বকুলের ক্যামেরায় উঠে এসেছে বাংলাদেশি উদ্যোক্তা পরিচালিত এমনি একটি কৃষি খামারের চিত্র।খামারশ্রমিকেরা মাসিক বেতনে নয়, আধা-আধি ভাগে বর্গাচাষি হিসেবে কাজ করেন। জমি, পানি, বিদ্যুৎ, সার—এসব সরবরাহ করেন উদ্যোক্তা। শ্রমিকেরা জমি তৈরি করা থেকে ফসল তোলা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এতে লাভ-লোকসানের ঝুঁকি দুই পক্ষেরই সমান। শ্রমিকেরা জানান, গড়ে তাঁদের আয় থাকে দুই থেকে তিন হাজার রিয়াল। উদ্যোক্তারা পান মাসে ৫০-৬০ হাজার রিয়াল। এর থেকে লিজ, সার, জ্বালানি, যন্ত্রপাতির খরচ বাদ দিয়ে থাকে লাভ। মোটের ওপর উদ্যোক্তা ও শ্রমিকেরা যা আয় করছেন, তাতে সন্তুষ্ট।
কষ্টের মধ্যে মরুভূমির খরতাপ, রাতের নিঃসঙ্গতা আর মশার জ্বালা। বেওয়ারিশ জংলি কুকুর আর সাপের ভয়ও আছে কিছুটা। অবশ্য ইন্টারনেট আর ইমুর কল্যাণে স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে মন ভরে কথা বলার সুযোগ পেয়ে তাঁরা কিছুটা স্বস্তিতেই থাকেন।

খামারে উৎপন্ন শাকসবজি স্থানীয় শহরে নিয়ে পাইকারি বেচতে হয়। তা ছাড়া ট্রাক নিয়ে পাইকার আসেন খামারে। বাংলাদেশি পাইকারও রয়েছেন। এমনি একজন পাইকার রতন মিয়ার সঙ্গে আলাপ হয়। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই সবজির পাইকারি ব্যবসা করছেন। বিভিন্ন খামার থেকে শাকসবজি কিনে বড় শহর জেদ্দা, মক্কা বা রিয়াদে সরবরাহ করেন তিনি। ভালো লাভ থাকে, আবার লোকসানও হয় মাঝেমধ্যে।

প্রবাসজীবনের একঘেয়েমি কাটাতে অনেকে বেড়াতে যান এসব কৃষি খামারে। বন্ধুবান্ধবসহ সপরিবারে বনভোজনের আয়োজন হয় কখনো। খেতের আলপথে হেঁটে, মরিচ-শিম-করলা আর ঝুলে থাকা লাউয়ের গায়ে আলতো পরশ বুলিয়ে, মোরগের লড়াই আর হাঁসের জলকেলি দেখে, সর্বোপরি চোখজুড়ানো সবুজের অরণ্যে ঘুরে দেহ-মন চনমন করে বেড়ানো চলে খামারে। গাছ থেকে কাঁচা আম পেড়ে খাওয়ার শৈশব স্মৃতি তাড়া করে অনেককে। এমনি অনুভূতি প্রকাশ করেন স্কুলশিক্ষিকা কাকলি আক্তার, সামাজিক ব্যক্তিত্ব শাহজাহান, কবি ফজলুল কবির ভিক্ষু। তাঁরা দলবল নিয়ে এসেছিলেন বনভোজনে—সুদূর জেদ্দা থেকে ৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে। তাঁরা বললেন ভালো লাগা আর পরিতৃপ্তির কথা, সময়-সুযোগ পেলেই আবারও আসার উচ্ছ্বাস তাঁদের মধ্যে।

একসময়ে খামারশ্রমিক হিসেবে প্রবাসে কাজ করে আজ নিজেরাই উদ্যোক্তা হিসেবে খামার পরিচালনা করছেন আবুল কালাম ও কুদ্দুস মিয়া। তাঁদের অভিজ্ঞতা, সেখানে কর্মরত শ্রমিকদের সঙ্গে কথায় স্পষ্ট যে সৌদি আরবে কৃষি খামার লাভজনক। কেবল শাকসবজি উৎপাদন নয়, আম চাষ, ফুল চাষ, মাছ চাষ, গবাদিপশু পালন বাঙালিদের পরীক্ষিত অর্জন। তবে এসব হচ্ছে এখানে ব্যক্তিগত উদ্যোগে, সৌদি আর্থিক সহায়তার অধীনে। জি-টু-জি পদ্ধতিতে বাংলাদেশ সরকার এ দেশে দীর্ঘ মেয়াদে জমি লিজ নিয়ে ব্যাপক আকারে কৃষি খামার স্থাপন করা হলে যেমনি কর্মসংস্থান বাড়বে, তেমনি স্ফীত হবে বৈদেশিক মুদ্রার ভার। মূলত উপরিউক্ত দ্রব্যসামগ্রীর বিশাল বাজার সৌদি আরবে। এর বেশির ভাগই আসছে পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন দেশ থেকে, এমনকি দূরের দেশ থেকেও। তাই এসব এখানে উৎপাদন অবশ্যই লাভজনক হবে।

বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা, সৌদি আরব

ইসরায়েল সীমান্তে বাংলাদেশ ফুটবল দলের ভোগান্তি

এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে ফিলিস্তিন যাওয়ার পথে ইসরায়েল সীমান্তে ভোগান্তির শিকার হয়েছেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। সোমবার জর্ডান হয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দল ফিলিস্তিন পৌঁছেছে।

জর্ডান থেকে ইসরায়েল প্রবেশের সময় সীমান্তে সাড়ে ৩ ঘণ্টা চেক ইনের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ফুটবলারদের। তারপর সেখান থেকে সড়ক পথে ফিলিস্তিন পৌঁছাতে ১২ ঘন্টা সময় লেগেছে বাংলাদেশ দলের। অনূর্ধ্ব-২৩ দলের ম্যানেজার সত্যজিৎ দাস রুপুর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বাফুফে।

‘অনেক ঝামেলা ও ভোগান্তির পর আমরা ফিলিস্তিন পৌঁছেছি। ফিলিস্তিনে সব কিছু ভালো আছে। বিশেষ করে আবাসন ব্যবস্থা অনেক সুন্দর। তবে আমাদের ইসরায়েলে প্রবেশের সময় সাড়ে ৩ ঘন্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে। তারপর সেখানে থেকে ১২ ঘণ্টার বাস জার্নি করে ফিলিস্তিন পৌঁছলাম। দলের সবাই অনেক ক্লান্ত’- বাফুফেকে জানিয়েছেন সত্যজিৎ দাস রুপু।

সোমবার স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৩টায় অনুশীলন করার কথা বাংলাদেশ দলের ফুটবলারদের। ১৯ জুলাই বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ জর্ডানের বিপক্ষে। ‘ই’ গ্রুপে বাংলাদেশের অন্য দুই প্রতিপক্ষ তাজিকিস্তান ও স্বাগতিক ফিলিস্তিন। ২১ জুলাই বাংলাদেশের ম্যাচ তাজিকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং ২৩ জুলাই শেষ ম্যাচের প্রতিপক্ষ ফিলিস্তিন।

দুবাইয়ে যাত্রা বিরতি করেছেন খালেদা

ঢাকা থেকে লন্ডনে যাওয়ার পথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে যাত্রা বিরতি করেছেন বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া।

এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ই কে ৫৮৭ ফ্লাইটে স্থানীয় সময় রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে দুবাইয়ের টার্মিনাল থ্রি বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। এসময় তার যাত্রা বিরতির খবর জেনে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিএনপির সিনিয়র নেতাকর্নেরা বিমানবন্দরে উপস্থিত হন।

নোয়াখালী জেলা বিএনপি উপদেষ্টা মাহে আলম জানান, ‘বিমান বন্দরে দলের চেয়ারপার্সনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইউএই বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক আবদুস সালাম তালুকদার। এসময় ইউএই বিএনপি ও সাংগঠনিক নানা দিক নিয়ে আলাপ করেন তারা।

হুন্ডির সক্রিয়তা রেমিট্যান্স আসা কমেছে

হুন্ডির সক্রিয়তা ও ডলারের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রার মান এবং বিশ্ববাজারে তেলের দর কমে যাওয়াসহ একাধিক কারণে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আসা কমেছে। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রেমিট্যান্স কমে এক হাজার ২৭৬ কোটি ৯৪ লাখ ডলারে নেমে এসেছে, যা গত পাঁচ অর্থবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বিশেষজ্ঞরা বলেন, হুন্ডির মাধ্যমে যা আসে

 

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সর্বশেষ ২০১০-১১ অর্থবছরে এক হাজার ১৬৫ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে আসে। ২০১১-১২ অর্থবছরে এসেছিল এক হাজার ২৮৪ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। ২০১২-১৩ অর্থবছরে এসেছিল এক হাজার ৪৪৬ কোটি ১১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স কিছুটা কমে হয় এক হাজার ৪২২ কোটি ৮২ লাখ ডলার। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে আবার বেড়ে হয়েছিল এক হাজার ৫৩১ কোটি ৬৯ লাখ ডলার। তবে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে আবার কিছুটা কমে আসে এক হাজার ৪৯৩ কোটি ১১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

 

বিদায়ী অর্থবছরে এর আগের অর্থবছরের তুলনায় রেমিট্যান্স কমেছে ২১৬ কোটি ১৭ লাখ ডলার বা ১৪.৪৭ শতাংশ। সর্বশেষ গত জুন মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ১২১ কোটি ৪৬ লাখ ডলার। মে মাসে এসেছে ১২৬ কোটি ৭৬ লাখ ডলার। আর ১০৯ কোটি ২৬ লাখ ডলার এসেছিল এপ্রিলে। এর আগে মার্চে ১০৭ কোটি ৭৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স আসে।

 

একক মাস হিসেবে গত পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন রেমিট্যান্স আসে গত ফেব্রুয়ারিতে; ৯৪ কোটি সাত লাখ ডলার। জানুয়ারিতে আসে ১০০ কোটি ৯৪ লাখ ডলার, ডিসেম্বরে ৯৫ কোটি ৮৭ লাখ, নভেম্বরে ৯৫ কোটি ১৩ লাখ, অক্টোবরে ১০১ কোটি ৯ লাখ, সেপ্টেম্বরে ১০৫ কোটি ৬৬ লাখ, আগস্টে ১১৮ কোটি ৩৬ লাখ এবং অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে আসে ১০০ কোটি ৫৫ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

 

একদিকে বিশ্বব্যাপী প্রবাসীদের উপার্জন কম হচ্ছে। অন্যদিকে পশ্চিমা বিশ্বের নানা সঙ্কটে ইউরো ও পাউন্ডের দাম পড়ে যাওয়ায় প্রবাসীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। আর এসব কারণে ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ না পাঠিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ পাঠাচ্ছেন তারা। হুন্ডির মাধ্যমে দেশে টাকা পাঠানোতে তা হিসাবে আসছে না।

সৌদি প্রবাসীদের পরিবারগুলোর ট্যাক্স জুলাই থেকে কার্যকর

সৌদিআরব প্রতিনিধি:
সৌদি আরেবে অবস্থানরত পরিবারগুলোর সদস্য প্রতি মাসিক ১০০ রিয়াল করে ট্যাক্স দিতে হবে জুলাই -২০১৭ থেকে। এই ট্যাক্স আদায় করা হবে পরিবারের কর্তার প্রতি বছর ইক্বামা নবায়ন কিংবা নিজ দেশে আসা যাওয়ার সময় ভিসা গ্রহণ করার সময়। ২০১৮ সালের জুলাই হতে এই ট্যাক্স হবে ডবল অর্থাত প্রতি সদস্য ২০০ রিয়াল, ২০১৯ সালে ৩০০ রিয়াল এবং ২০২০ সাল হতে ৪০০ রিয়াল দিতে হবে জনপ্রতি।

সৌদি আরবে যারা বিভিন্ন পেশায় চাকুরি করছেন এবং পরিবারের সদস্যদের নিয়ে থাকছেন তারাই কেবল এই ফ্যামিলি ট্যাক্স দিবেন। এমনকি যারা শুধু ড্রাইভার হিসেবে এসে কোনো কফিলের অধিনে গাড়ি চালিয়ে রুজি করছেন এবং পরিবার নিয়ে থাকছেন। যারা সৌদিদের বাসা-বাড়িতে গৃহ কর্মী হিসেবে আছেন তাদের এই ট্যাক্সের আওতার বাহিরে।

এই নতুন ফর্মূলার ট্যাক্সের কারনে প্রবাসে অবস্থানরত পরিবারগুলো পড়ছে নতুন নতুন বিপাকে পড়েছেন। পরিবারগুলো এখন অনেকটা বাধ্য হয়ে দেশে ফাইনাল এক্সিট নিয়ে ফিরে যেতে হবে। কেননা ইক্বামা চালু রেখে সৌদি থাকলে ট্যাক্স আর নিজ দেশে থাকলে ডাবল ট্যাক্স (দেশে যত মাস থাকবে তার জন্যও মাসিক ২০০ রিয়াল গুণতে হবে)। এই ট্যাক্স থেকে বাচার একমাত্র উপায় হচ্ছে চূড়ান্তভাবে সৌদি ছেড়ে দেশে চলে যাওয়া।

এই নতুন নিয়মের সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাবগুলো হচ্ছে:

১. বিভিন্ন দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়া কিংবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার দ্বারপ্রান্তে পৌছা।
২. কোনোমতে টিকে যাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা ফি বেড়ে যাবে। লস ঠেকানোর জন্য শিক্ষার্থীদের ওপর শিক্ষা ফি বাড়ানো ছাড়া উপায় থাকবে না।
৩. শিক্ষার্থী সংকটে শিক্ষক ছাটাই ও শিক্ষার মানও পড়ে যেতে পারে।
৪. বিভিন্ন কমিউনিটি কেন্দ্রিক ব্যবসায় ধস নামতে পারে। যেমন বাংলাদেশীরা বাংলাদেশী অনেক পন্যই কিনেন বাংলাদেশী দোকান ও বাজার থেকে। ইনডিয়ান ও পাকিস্তানিরাও অনুরূপ। প্রত্যেক দেশের নাগরিকদের জন্য গড়ে উঠা দোকান, বাজার, রেস্তরা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো কাষ্টমার হারিয়ে ব্যবসা ঝুকিতে পড়বে।
৫. সৌদি সরকার হিসাব করেছে যে, তারা এই নতুন ট্যাক্সের মাধ্যমে প্রতি বছর মিলিয়ন মিলিয়ন রিয়াল আয় করবে। তাদের এই হিসাব সম্ভবত ভুল প্রমাণিত হবে। কারন- প্রবাসিরা তাদের ফ্যামিলি সৌদিতে রাখার কারনে সৌদির টাকা সৌদিতেই খরচ করতে হত যা সৌদি সরকারের জন্য ভাল ছিল। এখন থেকে প্রবাসীরা তাদের ফ্যামিলি দেশে পাঠিয়ে আয় করা প্রায় সব টাকাই নিজ দেশে পাঠিয়ে দিবেন যা সৌদি সরকারের জন্য মঙ্গলজনক নয়। এতে না হবে ট্যাক্স আদায় উল্টো সৌদি রিয়াল পাচারের হার বেড়ে যাবে বহুগুণে।
৬. সৌদির হাউজিং ব্যবসায় ধস নামবে। বর্তমানে প্রায় প্রতিটি আবাসিক ভবনে সৌদিদের পাশাপাশি বিদেশীরা তাদের পরিবার নিয়ে থাকছেন। নতুন ফির কারনে অনেকেই এইসব বাসা ত্যাগ করবেন। এতেকরে বাসার মালিকগণ বিশাল লসের মুখোমুখি হবেন। ভাড়াটিয়া না পাওয়ার কারনে অনেকের বাসা বানানোর খরচও উঠবে না।
৭. সৌদি আরবের অন্যান্য ব্যবসায়ও মন্দা ভাব দেখা দিবে। সৌদি আরবের জনসংখ্যা যদি ৩ কোটি হয় তাহলে বিদেশীদের সংখ্যাও প্রায় ৩ কোটি। ৬ কোটি জনগণের ১ কোটি যদি সৌদি ছাড়ে তাহলে নিশ্চয়ই এর প্রভাব সকল সেক্টরে পড়বে।
৮. নতুন নিয়মে চারিত্রিক ও সামাজিক প্রভাবও পড়বে। প্রবাসী ভাইদের বিশাল অংশ যারা ফ্যামেলি সদস্যদের দেশে রেখে বিদেশ করেন তারা বিভিন্ন সমস্যায় ভুগেন। যেমন: স্ত্রীদের পরকীয়া, ছেলে-মেয়েদের চারিত্রিক অধ:পতন, তাদেরকে পাশে থেকে সঠিকভাবে পালন করতে না পারা, মা-বাবার হক আদায় করতে না পারা, স্ত্রী বিনে প্রবাস জীবনে নিজের চরিত্র ধরে রাখতে না পারা ইত্যাদি। যারা নিজ ফ্যামেলি কাছে রাখার কারনে এইসব বালা থেকে নিজেকে হেফাজত করতে পেরেছেন তারাও এখন নতুন ঝুকিতে পড়বেন।

সৌদি সরকারের উচিত বাস্তব অবস্থা উপলব্ধি করে এমনভাবে ট্যাক্স নির্ধারন করা যাতে হিতে বিপরীত না হয়। যেমন: প্রবাসীদের জন্য তাদের ফ্যামেলি সদস্যদের সৌদিতে আনার নিয়ম সহজ করা। ফ্যামিলি সদস্যদের বাৎসরিক ট্যাক্স ১০০ অথবা ২০০ রিয়াল করা। এই ট্যাক্সের পরিমাণ আপাত দৃষ্টিতে কম হলেও এর প্রভাব আগে উল্লেখিত প্রতি মাসে ৪০০ রিয়ালের চেয়েও অনেক বেশী। এতে কোনরুপ বিরূপ প্রভাব পড়বে না। সবাই ফ্যামিলি নিয়ে এখানে থাকবেন এবং সৌদির প্রবৃদ্ধি দিন দিন বাড়তে থাকবে।

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অবস্থানকারী ৫১৫ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানকারী বিদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে চলমান সাঁড়াশি অভিযানের প্রথম দিনে এক হাজার ৩৫ জন শ্রমিক ও ১৬ জন স্থানীয় নিয়োগকারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৫১৫ জনই বাংলাদেশী শ্রমিক।

 

শনিবার মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন দপ্তরের মহাপরিচালক মুস্তাফার আলীর বরাত দিয়ে মালয়েশিয়া স্টার এ খবর জানায়। আটকদের মধ্যে ১০১ জন নারী ও তিনটি শিশুও রয়েছে।

 

চলতি বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারিতে শুরু হয় মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অবৈধ বিদেশি শ্রমিকদের বৈধকরণ ই-কার্ড প্রক্রিয়া। স্থানীয় সময় শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত ছিল ই-কার্ড রেজিস্ট্রেশনের শেষ সময়। এরপর প্রথম দিনেই অবৈধ বিদেশী শ্রমিকদের বিরুদ্ধে আটক অভিযান শুরু হয়। এ অভিযানের নাম দেয়া হয় ‘অপস মেগা’।

 

রাজধানী কুয়ালালামপুর, পেরাক, জোহর বারু, কোতা বারু, কেলান্তান, কেদাহ, আলোর সেতার, মালাকাসহ দেশেটির বিভিন্ন প্রদেশের ১৫৫টি এলাকায় অবৈধ বিদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হয়। এসময় তিন হাজার ৩৯৩ জন সন্দেহভাজন বিদেশির কাগজপত্র পরীক্ষা শেষে এক হাজার ৩৫ জন শ্রমিককে আটক করা হয়।

 

৫১৫ জন বাংলাদেশি ছাড়া আটক বাকিরা হলেন ১৩৫ জন ইন্দেনেশীয়, ১০২ জন ফিলিপিনো, ৫০ জন থাই ও দুজন ভিয়েতনামি নাগরিক।

 

ই-কার্ডের জন্য আবেদন করার সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না বলে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী।

নজরুল ইসলাম খানকে দোহার নবাবগঞ্জ প্রবাসীর গণ সংবর্ধনার

সৌদিআরব প্রতিনিধি :
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে গণ সংবর্ধনার আয়োজন করেন সৌদিআরব পশ্চিমাঞ্চল অন্তর্ভূক্ত দোহার নবাবগঞ্জ প্রবাসী। গতকাল ৩০ জূন শুক্রবার রাতে জেদ্দাস্থ হোটেল লিমার আয়োজিত গণসংবর্ধনা সভাই সভাপতিত্ব করেন আনোয়ার মোল্লা।

গোলাম কিবরিয়া ও ফিরোজ মৃধার যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি অতিথির বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সৌদিআরব পশ্চিম অঞ্চল বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ্ব আব্দুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন সৌদিআরব পশ্চিমাঞ্চল বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল জলিল, সাধারণ সম্পাদক মীর মনিরুজ্জামান তফন, জেদ্দা মহানগর বিএনপি’র আহবায়ক এম এ আজাদ চয়ন, মোহাম্মদ শাহজাহান, কয়েস আহমেদ, ওয়েস আহমেদ ও শাহজাহান মোল্লা।

এতে বক্তব্য রাখেন দোহার নবাবগঞ্জ প্রবাসী বিএনপির নেতা গোলাপ খান, সুরুজ মোল্লা, কবির হাসান, আমিনুল ইসলাম, মনিরুজ্জামান উজ্জল, আব্দুর রহিম মোল্লা, মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

বাংলাদেশ থেকে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে চলতি বছর যে বাড়তি ১ হাজার কোটি টাকা জমা হয়েছে তার পুরোটাই ক্ষমতাসীন সরকারের দলীয় লোকদের দুর্নীতি ও লুটপাটের অর্থ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।

তিনি বলেন, লুটপাট করার জন্য বাজেটে জনগণের ওপর করের বোঝা বাড়িয়ে বড় আকারের বাজেট দেয়া হয়েছে। প্রবাসীরা রেমিটেন্স পাঠিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখছে আর আওয়ামীলীগ সরকার তা লুটে ফুটে খাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আনোয়ার চৌধুরী ব্রিটেনের কেইম্যান আইল্যান্ডের গভর্নর নিযুক্ত

বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত আনোয়ার চৌধুরীকে ব্রিটেনের কেইম্যান আইল্যান্ডের গভর্নর হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। ২০১৮ সালের মার্চ থেকে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

ব্রিটিশ নাগরিক আনোয়ার চৌধুরীর জন্ম ও পৈতৃক বাড়ি সিলেটে। তিনি ২০০৪ সাল থেকে চার বছর ঢাকায় ব্রিটিশ হাই কমিশনার ছিলেন।

২০০৮ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত আনোয়ার চৌধুরী ব্রিটেনের ফরেন অ্যান্ড কমনওয়েলথ অফিসের ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউশন বিভাগের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে ওই দপ্তরের আরো কয়েকটি পদে কাজ করেন তিনি। ২০১৩ সালে তাকে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত করে পেরুতে পাঠানো হয়।

কেইমেন আইল্যান্ডের আয়তন মাত্র ২৬৪ বর্গকিলোমিটার। লোকসংখ্যা ৬০ হাজার। প্রশাসনিক কাঠামো অনুযায়ী, গভর্নরই এ দ্বীপের প্রধান। ব্রিটিশ সরকারের পরামর্শে রাণী গভর্নরকে নিয়োগ দেন। কেইম্যান আইল্যান্ড বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম ব্যাংকিং সেন্টার; যেখানে ২৭৯টি ব্যাংক রয়েছে এবং এর মধ্যে ২৬০টি আন্তর্জাতিক ব্যবসার জন্য অনুমোদিত।

Scroll To Top