শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / স্বাস্থ্য

বিভাগ: স্বাস্থ্য

Feed Subscription

সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান’র পদোন্নতি

চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী গত ১০.৮.২০১৫ খ্রিঃ হতে সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) পদে চট্টগ্রামে কর্মরত আছেন। গত ২৫.৭.২০১৭ খ্রিঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশক্রমে তিনি ‘সহকারী পরিচালক’ সমমান পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন। উক্ত দিবসেই মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় যুগ্মসচিব (পার-২) জনাব এ কে এম ফজলুল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাঁকে চট্টগ্রাম জেলার ‘সিভিল সার্জন ’ নিয়মিত পদে নতুন করে পদায়িত করা হয়।

দাঁত ব্যথা থেকে মুক্তি

দাঁতের ব্যথায় কমবেশি প্রায় সবাইকেই ভুগতে হয়। যেহেতু এই ব্যথা মূলত রাতের দিকে বাড়ে, তাই রাতেই ওষুধ বা চিকিৎসক পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়। অথচ ঘরের মধ্যে হাতের কাছেই থাকে এমন কিছু টোটকা, যা মুক্তি দিতে পারে দাঁত ব্যথা থেকে।

রসুন

দাঁতের ব্যথা শুরু হলেই এক কোয়া রসুন চিবোতে শুরু করুন। রসুনের রসে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা যেকোনোরকম প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এতে দাঁতের ব্যথাও নিমেষে কমে যাবে। একটি কোয়ায় কাজ না হলে দু’‌টি কোয়া থেঁতো করে ফেলে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। সঙ্গে মেশান অল্প নুন। পেস্টটা ভালো করে দাঁতের উপর লাগিয়ে দিন।
লবঙ্গ

লবঙ্গের রস দাঁতে ব্যথার অব্যর্থ ওষুধ। লবঙ্গের তেলও তুলোয় ভিজিয়ে দাঁতের গোড়ায় রাখা যেতে পারে। সেটা হাতের কাছে না পাওয়া গেলে কাঁচা লবঙ্গও ভালো কাজ দেয়।‌
পেঁয়াজ

দাঁতের ব্যথা কমাতে পেঁয়াজ‌ও খুব উপকারী। অল্প পরিমাণ পেঁয়াজ চিবিয়ে নিতে পারেন। কিংবা পরিমাণ মতো পেঁয়াজ থেঁতো করে রসটা সংগ্রহ করে নিন। তারপর সেই রসটা দাঁতের উপর ধীরে ধীরে লাগিয়ে দিন।
লবণপানি

সামান্য গরম পানিতে লবণ ফেলে দিন। তারপরে সেই পানিটা দিয়ে কুলি করতে থাকুন।
পেয়ারা পাতা

দাঁতে ব্যথা কমানোর সবচেয়ে জনপ্রিয় টোটকার একটি। পেয়ারা পাতায় থাকে অ্যানালজেসিকস নামে একটি উপাদান। সেটা দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলিকে মেরে ফেলে। ‌‌-ওয়েবসাইট

সর্প দংশন সচেতনতায় পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালে সেমিনার

পটিয়া প্রতিনিধি॥
পটিয়ায় ‘ম্যানেজমেন্ট অফ ভ্যানমাস ¯েœক বাইট’-শীর্ষক সর্প দংশন বিষয়ক এক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার বিকেলে পটিয়া সেন্ট্রাল হাসপাতালের উদ্যোগে হাসপাতাল মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে পটিয়ায় চিকিৎসারত অর্ধশত গ্র্যজুয়েট চিকিৎসক অংশ নেয়। সেন্ট্রাল হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডা: সৈয়দ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও ডা: সাইফুদ্দিন খালেদের পরিচালনায় সেমিনারে আলোকপাত করেন পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ শফিকুল ইসলাম, ডাঃ মো ওয়াহিদ হাসান, প্যানেল এক্সপার্ট ডাঃ খোরশেদ আলম, ডাঃ মোঃ আইয়ুব নবী, প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ দেলোয়ার হোসেন, পরিচালক (অর্থ) ডাঃ জয় দত্ত বড়–য়া, এসময় উপস্থিত ছিলেন, প্রবীন চিকিৎসক ডাঃ কামাল উদ্দিন, ডাঃ কে, আকতার, ডাঃ একেএম নাসির উদ্দিন, রোটারিয়ান ডাঃ রিজোয়ান আজাদ চৌধুরী, ডাঃ দিবাকর বড়–য়া, ডাঃ জাকিয়া আফরোজ, ডাঃ নাফিসা বিনতে হোসাইন, ডাঃ আবু সুফিয়ান মো: ওয়াহিদউল্লাহ, ডাঃএমএম নাসিমুজ্জামান, ডাঃ অসিত কুমার চেীধুরী ডাঃ নুরুল আলম, ডাৎ মোস্থাফিজুর রহমান ,ডাঃ মোঃ মনসুর ,ডাঃ মিনি বড়–য়া,ডাঃ সাথী ধর , ডাঃ রফিক উদ্দিন আকাশ, ডাঃ খালেদা আকতার শিমু, ডাঃ আজরীন ডাঃ মিজানুর রহমান জুয়েল, ডাঃ মুসফিকা, পরিচালক (মাকেটিং) এসএম সাইফুল ইসলাম, প্রসাশনিক কর্মকর্তা ঝুলন দত্ত।
সভায় আলোচকরা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন এবং সর্পদ:শন বিষয়ে কাল বিলম্ব না করে বিশেষজ্ঞ চিবিৎসকের চিকিৎসা নেওয়ার আহবান জানান। এবং সাপে কাটা রোগীদের ওঝা, ঝার ফুঁক বা রক্ত বেধে না রেখে জরুরী ভাবে চিকিৎসা নিয়ে সর্পদংশনের কারনে মৃত্যুহার কমিয়ে আনার আহবান জানান।

 

 

বর্ষাকালে নিজেকে সুস্থ রাখতে

বর্ষাকালেই জায়গায় জায়গায় জমে থাকে পানি যা রোগ-জীবাণু ছড়াতে ভালই সাহায্য করে। বর্ষার সময় একটু অসাবধানতার কারণেই হতে পারে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া বা ডায়রিয়ার মতো ভয়ঙ্কর রোগ। এছাড়া বাতাসের অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণেও ছড়াতে পারে ভাইরাল সংক্রমণ। তবে সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলে অবশ্যই নিজেকে সুস্থ রাখা যাবে।

নিচে রইলো কিছু টিপস-

১. খাবারের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে। বেশি ভাজা খাবার খাওয়া যাবে না। আর্দ্র আবহাওয়ায় আমাদের হজম ক্ষমতা কমে যায়। তাই বেশি মাছ, মাংস না খেয়ে হাল্কা, সহজপাচ্য রান্না খেতে হবে। স্বাস্থ্যকর, সুষম ডায়েট মেনে চলা এই সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাঁচা শাকসবজি থেকে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই শাকসবজি ভাল করে ধুয়ে রান্না করে তবেই খাবেন। বেশি করে তেতো সবজি খেতে হবে। যেমন- নিম, করলা।

২. বর্ষায় যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করুন। ক্যাফেইন জাতীয় অর্থাৎ চা, কফি, কোল্ডড্রিংস জাতীয় খাবার আমাদের শরীরের তরল কমিয়ে পানিশূন্য করে তোলে তাই এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। সুস্থ থাকতে হার্বাল টি, যেমন : আদা, গোলমরিচ, মধু, পুদিনা, তুলসী চা খেতে পারেন। এই সব চায়ে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে।

৩. বৃষ্টি বা পানি জমা রাস্তায় হাঁটবেন না। এর ফলে নানা রকম ভাইরাল সংক্রমণ হতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে ‘লেপ্টোসিরোসিস’। এর ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে হাত ও পায়ের পাতা এবং নখে ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে।

চা পানে ওজন কমানো

অতিরিক্ত ওজন শরীরের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ওজন ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দিতে থাকে।

এছাড়াও হার্টের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্টসহ নানাবিধ রোগের সংক্রমণ হয়। আর তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখাটা জরুরি।

প্রায় প্রত্যেকেরই চা পানের অভ্যাস রয়েছে। সুতরাং ওজন কমানোর দাওয়াই যদি চা হয়, এর চেয়ে সহজ উপায় তাহলে আর কি হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিষয়ক খ্যাতনামা পত্রিকা রিডার্স ডাইজেস্ট অনলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে জেনে নিন, ওজন কমাতে সহায়ক সেরা ১০ চা।

১. হোয়াইট টি : হোয়াইট টি বা সাদা চা শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে। এই চায়ের স্বাদ তেমন ঝাঁঝাল নয়। তবে এটি যখন আপনার শরীরের চর্বির কাছাকাছি যাবে তখন এর কার্যক্রম ভিন্ন হয়ে যায়। ২০০৯ সালে ‘নিউট্রেশন অ্যান্ড মেটাবলিজম’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাদা চায়ের নির্যাস শরীরের চর্বি স্তর কমাতে সাহায্য করে এবং ফ্যাটি টিস্যু যেন বৃদ্ধি না পেতে পারে তা প্রতিরোধ করে। এই চা পানের কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা বলেন, এই চা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দ্বারা সমৃদ্ধ, যাকে ইসিজিসি বলা হয়।’

২. গ্রিন টি :

ইসিজিসি এবং ক্যাফেইনসমৃদ্ধ গ্রিন টি (সবুজ চা), যা ওজন কমানোর আরো একটি ওষুধ। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ওবেসিটি-তে ১১টি গবেষণার ফলাফল ও বিশ্লেষণ এর ওপর ভিত্তি করে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সবুজ চায়ে কালো রঙের সাধারণ চায়ের তুলনায় খুব কম ক্যাফেইন থাকে। সবুজ চা দিনের যেকোনো সময় পান করা যায় এবং এই চা রাতে ঘুমের কোনো ব্যাঘাত ঘটায় না।

৩. ইয়ার্বা মেইট টি : পাতা এবং সহচর উদ্ভিদ থেকে তৈরি দক্ষিণ আমেরিকার ইয়ার্বা মেইট চা ৩টি রাসায়নিক উপাদান বহন করে। সেগুলো হল ক্যাফেইন, থিওফিলিন এবং অন্যটা হল থিওব্রমিন।
এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রাণীরা যে উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে ইয়ার্বা মেইট এর পাতা খেয়ে থাকে, ফলে তাদের রক্তের শর্করার মাত্রা কম থাকে।

 

২০১৫ সালে ‘বিএমসি কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড অল্টারনেটিভ মেডিসিন’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, যে সকল স্থূলকায় মানুষ ১২ সপ্তাহের বেশি ইয়ার্বা মেইট তাদের ওষুধ হিসেবে গ্রহণ করেছে তারা অন্যান্যদের তুলনায় অধিকতর মাত্রায় চর্বি কমাতে সক্ষম হয়েছে। ইয়ার্বা মেইটকে কফির বিকল্প হিসেবেও ধরা হয়ে থাকে।

৪. অলং টি : অলং চা চর্বি কমাতে সাহায্য করে। এর পাতাগুলো আংশিকভাবে জারিত হয়ে থাকে (যেমন কালো চা, যা পুরোপুরিভাবে জারিত থাকে)। এটি দেখতে নরম হলেও এর স্বাদ অত্যন্ত ঝাঁঝাল। ২০০৯ সালের একটি চাইনিজ গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চা মানব শরীরের চর্বি বিপাকে সাহায্য করে।
স্থূলকায় এবং মাত্রাতিরিক্ত ওজনের মানুষেরা যখন প্রায় ৬ সপ্তাহের মতো এই চা পান করে, ফলাফল হিসেবে তাদের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ ২ পাউন্ড ওজন এবং ১২ শতাংশ ভুঁড়ি কমাতে সক্ষম হয়।

৫. ব্ল্যাক টি :

ব্ল্যাক টি চর্বি শোষণ রোধে সক্ষম। এই চায়ের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। এই চা ডায়াবেটিস এর প্রতিরোধক হিসেবেও বিবেচিত। গবেষকরা প্রাণীদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে সম্মত হন যে, অতি উচ্চ মাত্রার চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণের পর হজমের সময় ব্ল্যাক টি চর্বি শোষণে বাধা দিয়ে ওজন বৃদ্ধি রোধ করে।

 

যদিও এই গবেষণা প্রারম্ভিক পর্যায়ের কিন্তু ব্ল্যাক টি পলিফেনলস, থিয়াফ্ল্যাভিনস, থিয়ারুবিগানস নামক তিনটি উপাদান দ্বারা সমৃদ্ধ যা মূলত খাবারের চর্বি শরীরে প্রবেশ হতে বাধা দেয়।

৬. পিপারমিন্ট টি : পিপারমিন্ট টি বা মেন্থল চায়ের ঘ্রাণ ক্ষুধা নিবারণ করতে পারে! এই চা পানের সময় একটু লম্বা শ্বাস নিয়ে তবেই পান করা ভালো। হুইলিংজেসুইট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় বলা হয়, যেসকল মানুষ দুই ঘণ্টা পর পর টানা ৫ দিন এই তাজা গন্ধের চা গ্রহণ করেছে তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ এবং ক্যালরি কম ছিল।
এটাও বিশ্বাস করা হয় যে, এই চায়ের ঘ্রাণ অনেক শক্তিশালী এবং ক্ষুধা দূর করতে খুবই কার্যকর উপায়।

৭. মেতচা টি : মেতচা চা সবুজ চা পাতা থেকে তৈরি। এতে ইসিজিসি এর পরিমাণ অনেক। পানিতে ফুটিয়ে খাওয়ার কারণে আমরা এই চা পাতার প্রায় পুরো অংশের উপাদানই পেয়ে থাকি এবং এতে ইসিজিসি রাসায়নিক উপাদানের মাত্রা বেশি থাকে।

 

কলোরাডো স্প্রিংস এর ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো কর্তৃক পরিচালিত এক গবেষণা তথ্য থেকে জানা যায়, গ্রিন টি থেকে মেতচা টি ১৩৭ গুণ বেশি ইসিজিসি প্রদানে সক্ষম, যা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।

৮. জিনজার টি : জিনজার টি বা আদা চা ক্ষুধা নিবারণে সহায়ক এবং এটি অল্প খাদ্যে পরিতৃপ্তি লাভের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যখন আপনি কোনো উদ্যমী কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তখন এক কাপ আদা চা পান করে যান। প্রদাহ কমাতে এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে এই চা পান স্বাস্থ্যকর এবং কার্যকরী।

‘মেটাবলজিম’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে, যেসকল ব্যক্তি সকালের নাস্তার সঙ্গে আদা চা পান করে তাদের ক্ষুধার হার কমে যায় এবং অল্প খেয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার ক্ষ

৯. ফেনেল টি :

ফেনেল টি বা মৌরি চা ঘুমের মধ্যে চর্বি কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। মৌরি চায়ের মতো কিছু খাবার মানব শরীরে ‘মেলাটনিন’ নামক হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যা পরবর্তীতে রাত্রে ঘুমাতে সাহায্য করে। ইউনিভার্সিটি অব গ্রানাডার এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৌরি চা ওজন বৃদ্ধি হ্রাস করে এবং স্থূলকায় মানুষের হৃদরোগ হবার সম্ভাবনা কমায়।

১০. ক্যামোমিল টি : উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তায় যারা নিমজ্জিত তাদের জন্য ক্যামোমিল চা আদর্শ। এই চা উদ্বেগ দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। আর এই কারণেই ঘুম বিশেষজ্ঞরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই চা পানের কিছু কারণ নির্ধারণ করেছেন।
প্রথমত, এই চা রাতে আপনার শ্বাস প্রশ্বাসের গতিবিধি স্বাভাবিক করে, যা আপনাকে ঘুমোতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করে তোলে।
দ্বিতীয়ত, এর নির্যাস ক্যাফেইন মুক্ত। যার কারণে এই চা পানে রাতে ঘুম না আসার বা জেগে থাকার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিবে।
তৃতীয়ত, ক্যামোমিল চায়ে ফ্ল্যাভোনয়েডস জাত এপিজেনিন নামক একটি ঔষধি গুণ রয়েছে, যা আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করবে এবং ঘুমোতে যেতে সাহায্য করবে।
পরিপূর্ণ ঘুম স্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় বলে, ক্যামোমিল চা পানের অভ্যাসকে নিত্যদিনের সঙ্গী করাটা ভালো।

 

মতা বাড়ে।

ত্রিপুরাসহ চট্টগ্রাম জেলার সকল জনগোষ্ঠি এখন টিকার আওতায়

চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড সোনাইছড়ি ইউনিয়নের ত্রিপুরা পল্লীতে ১২ জুলাই জানা গেল যে, ঐ এলাকার জনগণ তাদের শিশুদের কুসংস্কারের কারণে টিকা দেন না। এই বিষয়টি ঐ এলাকার মাঠ কর্মীরা উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসনকে কখনোই জানান নি। তাই বিষয়টি তদন্তের জন্য জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে দুইটি পৃথক তদন্ত কমিটি করা হয়্ এবং সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়। পাশাপাশি পর দিন ১৩ জুলাই,২০১৭খ্রিঃ সিভিল সার্জন, চট্টগ্রাম সকল ইউএইচএন্ডএফপিও কে এই ধরনের আর কোন এলাকার বাসিন্দারা টিকা নেয়া থেকে বিরত আছেন কিনা, কিংবা টিকা দান কর্মসূচীর আওতার বাইরে আছেন কিনা তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দেন।
গত ২০ জুলাই, ২০১৭ খ্র্রিঃ সীতাকুন্ড উপজেলার ইউএইচএন্ডএফপিও জানান যে, তাঁর সোনাইছড়ি(মধ্যম ও দক্ষিণ) ইউনিয়ন ছাড়া বাকি ৪টি ইউনিয়ন -বারইয়ারঢালা, বাঁশবাড়িয়া, কুমিরা, সীতাকুন্ড পৌরসভার বসবাসরত ত্রিপুরা পল্লীর -মহিলা (১৫-৪৯)ও ১বছরের শিশুরা সররকারী টিকা দানের আওতায় রয়েছে।
মিরসরাই উপজেলার ইউএইচএন্ডএফপিও জানিয়েছেন, তাঁর তিন ইউনিয়নের সাতটি ত্রিপুরা পল্লী তেমনি সরকারী টিকা দানের আওতায় রয়েছে। ইউনিয়ন গুলো হল- করের হাট, মিরসরাই, খৈয়াছড়া।
হাটহাজারী উপজেলার ইউএইচএন্ডএফপিও জানান যে, তাঁর উপজেলার ফরহাদাবাদ ইউনিয়নের উত্তর ও দক্ষিণ পাড়া ত্রিপুরা পল্লীতে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী শিশু ও মহিল্রাা নিয়মিত টিকা পাচ্ছেন।
ফটিকছড়ি উপজেলার ইউএইচএন্ডএফপিও জানান যে, তাঁর উপজেলার সুয়া বিল, হারুয়ালছড়ি, ভূজপুর,নারায়নহাট ইউনিয়নে ত্রিপুরা পল্লীতে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী শিশু ও মহিল্রাা নিয়মিত টিকা পাচ্ছেন।
রাংগুনিয়া উপজেলার ইউএইচএন্ডএফপিও জানান যে,তাঁর উপজেলার রাজা নগর, ইসলামপুর,সরফভাটা, ও চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দারা সরকারী নিয়ম অনুযায়ী (শিশু ও মহিল্রাা) নিয়মিত টিকা পাচ্ছেন।
সকল ইউএইচএন্ডএফপিও মহোদয়গণ, তাদের এলাকার টিকা দান কর্মীর মাইক্রোপ্লেন. নবজাতকের রেজিষ্টেশন বই, শিশু রেজিষ্টেশন বই, মহিলা রেজিষ্টেশন বই, টিকা কর্মীর টালী শিট এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রক্ষিত টিকাদানের মাইক্রোপ্লেন দেখে উপরোক্ত তথ্যাদি জানান।
বর্তমানে মধ্যম সোনাইছড়ি ও দক্ষিণ সোনাইছড়ি ত্রিপুরা পল্লীতে অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে করার ফলে চট্টগ্রামের সকল ত্রিপুরা বাসী এখন সরকারী নিয়মে (শিশু ও মহিলারা ) টিকাদানের অধীনে এসেছে বলে আমরা মনে করি। তাদের কারো কারো কুসংস্কার দূর করতে প্রয়োজন মত আমরা মোটিভেশন কর্মসূচী হাতে নিচ্ছি।

শিশুদের টিকাদান প্রক্রিয়া শুরু ত্রিপুরাপাড়ায়

চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডের ত্রিপুরাপাড়ায় আদিবাসী শিশুদের মধ্যে টিকাদান প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে এ প্রক্রিয়া চলছে।

বুধবার সকালে ত্রিপুরা পাড়ায় যান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মাঠকর্মীরা। তারা আদিবাসীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রত্যেক শিশুর শারীরিক অবস্থার তথ্য সংগ্রহ করেন। পরবর্তীতে এই তথ্যের ভিত্তিতে সুস্থ শিশুদের টিকা দেয়া হবে বলে জানান তারা।

গত কিছুদিন ধরে ত্রিপুরাপাড়া সহ আশপাশের এলাকায় অপুষ্টিজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলো শিশুরা। এর প্রভাবে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৯ শিশুর মৃত্যু হয়। পরে আক্রান্ত শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় জানা যায়, তাদের কাউকেই টিকা দেয়া হয়নি।

এর প্রেক্ষিতে পাহাড়ি এলাকায় আজ থেকে হামসহ বিভিন্ন রোগের টিকাদান প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, বেশ কয়েকবছর আগে এ অঞ্চলে একটি স্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র ছিলো।

কিন্তু তা সরিয়ে দূরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দুর্গম পথ ও দূরত্বের কারণে শিশুদের টিকাদানে অনীহা দেখা দেয় তাদের মাঝে। তবে আদিবাসীদের জন্য শিগগিরই এসব এলাকায় স্যাটেলাইট ক্লিনিক স্থাপন করা হবে জানিয়েছেন সিভিল সার্জন।

ঘরে বসে সারিয়ে তুলতে পারবেন নখের ফাঙ্গাস

নখে ফাঙ্গাসের আক্রমণ হলে নখের আকৃতি অনেক বেশি বড় হয়ে যায়। ফুটে উঠে এবং হলদেটে আকার ধারণ করে। এর কারণে ব্যথা তো হয়ই, দেখতেও খুব বিশ্রী লাগে। কাদা, ধুলোবালি ইত্যাদির কাছাকাছি থাকার কারণে পায়ের নখ খুব সহজেই ফাঙ্গাসের আক্রমণের শিকার হয়। এজন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হয়েও ঘরে বসে সারিয়ে তুলতে পারবেন নখের ফাঙ্গাস।

সবচেয়ে সহজ উপায়ে ফাঙ্গাস সারানোর একটি উপায় হচ্ছে ভিক্স ভ্যাপোরাবের ব্যবহার। সর্দি, মাথাব্যথার কারণে অনেকেই এই মলমটি ব্যবহার করে থাকেন। এটি ফাঙ্গাস সারাতে বেশ সহায়ক। প্রতিদিন শুধুমাত্র ২ বার ভিক্স ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখে লাগান। একটি ব্যান্ডএইড দিয়ে নখটি ঢেকে রাখুন। ফাঙ্গাস সেরে যাবে।

Sponsored by Revcontent
From The Web
The Unusual Link Between Alzheimer’s and Coconut Oil
Revcontent Launches Industry-first Vcpm
Is Your Content Ready for Summer Vacation?
4 Ways to Expand Your Content’s Reach and Increase Engagement
অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলে খানিকটা কাঁচা হলদু কুচি করে কেটে জ্বাল দিয়ে ছেঁকে হলুদের তেল তৈরি করে নিন। এবার এই হলুদের ১ টেবিল চামচ তেলের সাথে ৩ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি পায়ের ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখে লাগান। দিনে ৩ বার ব্যবহার করুন। হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ফাঙ্গাস ধ্বংস করবে। এর সাথে দিনে ৩০০ মিলিগ্রাম কাঁচা হলুদ খেলে ভালো ফলাফল পাবেন।

কুসুম গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখের উপরে লাগিয়ে রাখুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। এভাবে দিনে ২/৩ বার করুন যতোদিন পর্যন্ত না ফাঙ্গাস দূর হয়। এছাড়াও জুতোর ভেতরে বেকিং সোডা ছিটিয়ে নিতে পারেন। বেকিং সোডার অ্যাল্কালাইন ফাঙ্গাসের সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।

ত্রিপুরা পল্লীর হাম থেকে সুস্থ ২০ জনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে

সীতাকুন্ডে ত্রিপুরা পল্লীতে হাম রোগ সনাক্তের পর স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মসূচী

১। হাসপাতালে ভর্তি সুস্থ রোগীদের বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়ে বাড়িতে প্রেরণ (আজ বিআইটিআইডি সংলগ্ন সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল থেকে ২০ জনকে ছাড়পত্র প্রদান করা হয়েছে। আগামীকাল বুধবার, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের চিকিৎসকগণ রোগীদের অবস্থা বিবেচনা করে ছাড়পত্র প্রদান করতে পারেন বলে জানিয়েছেন।
২। হাসপাতালে ভর্তি এবং আক্রান্ড ত্রিপুরা পল্লী গুলিতে শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান নিশ্চিতকরণ।
৩। আক্রান্ত পল্লীতে অবস্থানরত সুস্থ শিশুদের হাসপাতাল থেকে ফেরত শিশুদের থেকে আলাদা রাখা।
৪। আগামীকাল থেকে আক্রান্ত পল্লীতে শিশুদের শারিরীক পুষ্টি শিশু বিশেষজ্ঞ কর্তৃক মতামত নিয়ে টিকা প্রদান শুরু করা।
৫। হাম একবার হলে শিশুদের শারিরীক ভাবে ভবিষ্যতে হাম না হওয়ার জন্য প্রাকৃতিক প্রতিরোধ গড়ে উঠে। তারপরও পনের বছর বয়স পর্যন্ত সকল আক্রান্ত শিশুদের (সিআরআই কেইস রিপোর্টেড ইমুনাইজেশন ) করা হবে। বেশী অপুষ্টিতে ভোগা শিশুদের টিকাদানে কখনও সমস্যা হয় বলে শিশু বিশেষজ্ঞের মতামত নিয়ে অপুষ্টি দূর করে যথা সম্ভব শীর্ঘই হামের টিকা দেওয়া হবে।
৬। মধ্যম সোনাইছড়িতে বীরেন্দ্র ত্রিপুরার বাড়িতে এবং দক্ষিণ সোনাইছড়ির মঙ্গা রাম ত্রিপুরার বাড়িতে এক বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের সরকারী নিয়ম অনুযায়ী টিকা প্রদান করা হবে।
৭। এই দুইটি বাড়িতে আপাতত স্যাটেলাইট সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে সপ্তাহে এক দিন আক্রান্ত পাহাড়ী বাসিন্দাদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে।
৮। মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী মহোদয়ের নিদের্শে ঢাকা হতে আগত লাইন ডাইরেক্টর সিবিএইচসি ডা. এমএ হাসেম খান মহোদয় আজ আক্রান্ত ত্রিপুরা পল্লীতে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ও সীতাকুন্ডের ইউএইচএন্ডএফপিও কে নিয়ে সরজমিনে পরিদর্শন করেন এবং এলাকাবাসীর সাথে কথা বলেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইচ্ছা অনুযায়ী খুব শীঘ্রই সেখানে একটি অস্থায়ী স্বাস্থ্য কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে যেন আশে পাশের ত্রিপুরা পল্লীর বাসিন্দারা নিয়মিত সরকারী স্বাস্থ্য সেবা পায়।
৯। উক্ত আক্রান্ত পাহাড় গুলোতে পানি বিশুদ্ধকরণ বড়ি ( তিন লিটারে একটি বড়ি এক ঘন্টা রেখে) বিতরণ করার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে উক্ত এলাকায় দ্রুত টিউবওয়েল বসানোর ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানানো হবে।
১০। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আইপিএইচএন এবং ইউনিসেফের সহযোগিতায় উক্ত ত্রিপুরা পল্লী গুলোতে পুষ্টি কার্যক্রম শুরু করা হবে। তাদের পুষ্টি জ্ঞানের অভাব দূর করতে বিভিন্ন ধরনের প্রচারণামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১১। বর্তমানে চট্টগ্রাম জেলায় হাম টিকা প্রদানের হার ৯৪.৩%। সকল ইউএইচএন্ডএফপিও এবং মাঠ কর্মীদের মাধ্যমে ঝুঁকি পূর্ণ এলাকা সহ পুরো জেলায় হামের টিকাদান কর্মসূচী আরো বেগবান করা হবে।
১২। সীতাকুন্ড উপজেলায় ত্রিপুরা পল্লীতে তাদের অসহযোগিতায় টিকাদান হচ্ছে না -বিষয়টি টিকা কর্মীরা উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসন কে না জানানোর বিষয়টি সিভিল সার্জন, চট্টগ্রাম অবগত হয়ে পরদিন ১৩.৭.১৭খ্রিঃ তারিখে চট্টগ্রাম জেলার সকল ইউএইচএন্ডএফপিওকে তিনি যার যার উপজেলার এমন ঝুঁকি পূর্ণ জনগোষ্ঠীর টিকাদান কার্যক্রম সরজমিনে পরিদর্শন করে সাত(৭) দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন এবং প্রতি মাসে তার রিপোর্টিং অব্যাহত রাখার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন।

উল্লেখ্য যে, আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের নির্দেশে সীতাকুন্ড উপজেলার ছয়জন মাঠ কর্মীকে সন্দ্বীপ উপজেলায় শাস্তিমূলক বদলী করা হয়েছে এবং এই শুন্য পদ গুলোতে সীতাকুন্ড উপজেলা থেকেই নতুন ছয়জনকে পদায়ন করা হয়েছে।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখাতে সর্বদা একান্ত সহযোগিতায় থাকা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, আইইডিসিআর, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়, জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের সংশ্লিষ্ট সকল উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সকল চিকিৎসক, বিআইটিআইডি ও সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের সকল চিকিৎসক সীতাকুন্ড, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চৌদ্দটি মেডিকেল টীমের সকল সদস্য, জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগণ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি, পুষ্টিবিদ হাসিনা আকতার লিপি এবং সর্বোপরি গণমাধ্যমের মানব দরদী পরিশ্রমী চট্টগ্রামের সকল সদস্যের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী।

বোয়ালখালীতে ল্যাকটেটিং মাদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা

বোয়ালখালীতে পৌরসভা কর্মজীবি ল্যাকটেটিং মাদারদের সহায়তা তহবিলের আওতায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরের ভাতাভোগীদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা মিলনায়তনে উপজেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে এ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য সামগ্রী আড়াইশত মহিলাদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

এ কার্যক্রমে মা ও শিশু স্বাস্থ্য সেবা প্রদান করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. রতন কুমার দে। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা এসএম জিন্নাত সুলতানা, উপজেলা ভিজিডি মাঠ কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন, অফিস সহকারী রিনা সেন, সেলাই প্রশিক্ষক বিবি মরিয়ম ও আয়ুব আলী। বিজ্ঞপ্তি

Scroll To Top