শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / অর্থ-বাণিজ্য

বিভাগ: অর্থ-বাণিজ্য

Feed Subscription

৮০হাজার বস্তা চাল জব্দ, গুদামটি সীলগালা

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের একটি চালের গুদামে অভিযান চালিয়ে ৮০ হাজার বস্তা চাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় গুদামটি সীলগালা করে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে আটক করা হয়।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর পাহাড়তলী সাগরিকা বিসিক এলাকায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালদ এ অভিযান পরিচালনা করেন।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে অভিযানের নেতৃত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ আলী বলেন, আহমমেদ ট্রেডিং নামে উক্ত চালের গুদামে অবৈধভাবে মজুদ করা ৮০ হাজার বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। এসময় গুদামটি সীলগালা করে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে আটক করা হয় বলেও জানান তিনি।

 

উল্লেখ্য, অতিরিক্ত চাল মজুদ ও চালের অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে গত ৩দিন ধরে জেলা প্রশাসন এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেছে।

বিদায়ী রুশ কনসাল জেনারেলকে চিটাগাং চেম্বারের সংবর্ধনা

 

চট্টগ্রামে নিযুক্ত রাশিয়ার বিদায়ী কনসাল জেনারেল ওলেগ পি. বয়কো (গৎ. ঙষবম চ. ইড়ুশড়)-কে ২০ সেপ্টেম্বর সকালে দি চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি’র পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হয়। এ সময় চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম, পরিচালকদ্বয় মোঃ অহীদ সিরাজ চৌধুরী (স্বপন) ও মোঃ জাহেদুল হক, চেম্বারের সদ্যবিদায়ী পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, চেম্বার সচিবালয় এবং মিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

চেম্বার সভাপতি মাহবুবুল আলম রাশিয়ার বিদায়ী কনসাল জেনারেল দীর্ঘদিন যাবৎ চট্টগ্রামে অবস্থানকালে সকল শ্রেণীর মানুষ, পেশাজীবী ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থেকে সকলের মন জয় করে নিতে সক্ষম হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন-ওলেগ পি. বয়কো দু’দেশের সুসম্পর্ক রক্ষার পাশাপাশি সম্পর্কোন্নয়নের ক্ষেত্রে সর্বদা আন্তরিক ছিলেন। চেম্বার সভাপতি ভবিষ্যতেও রাশিয়ায় বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতিতে বিদায়ী এ কূটনীতিক তাঁর আন্তরিকতা ও প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ওলেগ পি. বয়কো তাঁর বক্তব্যে চট্টগ্রামসহ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ড ও বিভিন্ন ব্যবসায়িক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চিটাগাং চেম্বারের কার্যকর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি এ বিদায়ী সংবর্ধনা প্রদানের জন্য চেম্বার নেতৃবৃন্দের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সুযোগ পেলে চিটাগাং চেম্বার তথা চট্টগ্রামের জন্য কাজ করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। এছাড়া তিনি প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসে রাশিয়ার ভøাদিভোস্তকে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ফেয়ার-এ চিটাগাং চেম্বার থেকে প্রতিনিধি প্রেরণের আহবান জানান।

যমুনা ব্যাংকের ৭২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যবসায়ী কারাগারে

বেসরকারি যমুনা ব্যাংকের ৭২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ছিদ্দিক ট্রেডাসের মালিক আবু সাঈদ চৌধুরী সম্রাটকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মো. শাহে নুর এ আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিদর্শক এমরান হোসেন বলেন, উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন ছিদ্দিক ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সাঈদ।

“জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।”
গত ৩০ জুলাই দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সিরাজুল হক নগরীর কোতোয়ালী থানায় এ মামলা করেন।

মামলার অন্য আসামি হলেন যুমনা ব্যাংকের সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও খাতুনগঞ্জ শাখার সাবেক প্রধান মনজুরুল আহসান চৌধুরী।

মনজুরুল আহসান চৌধুরী শুরু থেকেই পলাতক বলে জানান দুদকের পরিদর্শক এমরান হোসেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১১ সালের ১০ অক্টোবর থেকে ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মঞ্জুরিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে যমুনা ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে সুদসহ মোট ৭১ কোটি ৯২ লাখ তিন হাজার ১১৬ টাকা আত্মসাৎ করেছেন আবু সাঈদ চৌধুরী।

তাকে এ কাজে সহায়তা করেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা মনজুরুল আহসান।

১৫ অক্টোবর থেকে ১২ দিনব্যাপী লাইফ স্টাইল এক্সপোজিশান

আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর উদ্যোগে এবং রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুারো, দি ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার্স অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি, ঝগঊ ফাউন্ডেশন ও জুট ডাইভার্সিফিকেশন প্রমোশান সেন্টার এর সহযোগিতায় শুরু হচ্ছে মাসব্যাপী ১১ঃয ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ডড়সবহ’ং ঝগঊ ঊীঢ়ড় ইধহমষধফবংয ২০১৭. মেলার অভ্যন্তরে প্রথমবারের মত অনুষ্ঠিত হবে ১২ দিনব্যাপী ঈযরঃঃধমড়হম খরভব ঝঃুষব ঊীঢ়ড়ংরঃরড়হ ২০১৭. এক্সপোজিশান আয়োজন উপলক্ষে চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর উদ্যোগে ১৭ সেপ্টেম্বর রবিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর সেমিনার হলে এক সাংবাদিক সম্মেলন এর আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত সাংবাদিক সম্মেলনে ঈযরঃঃধমড়হম খরভব ঝঃুষব ঊীঢ়ড়ংরঃরড়হ ২০১৭ আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি ও আনুষাঙ্গিক বিষয়ের উপর লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঈযরঃঃধমড়হম খরভব ঝঃুষব ঊীঢ়ড়ংরঃরড়হ ২০১৭ এর চেয়ারপার্সন ও ঈডঈঈও এর প্রাক্তন ভাইস-প্রেসিডেন্ট আইভি হাসান।

ঈডঈঈও এর প্রেসিডেন্ট মনোয়ারা হাকিম আলী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে ঈডঈঈও এর সিনিয়র সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট আবিদা সুলতানা, রুহী মোস্তফা, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেসমিন আক্তার, ১১ঃয ওহঃবৎহধঃরড়হধষ ডড়সবহ’ং ঝগঊ ঊীঢ়ড় ইধহমষধফবংয ২০১৭ এর চেয়ারপার্সন ও ঈডঈঈও এর পরিচালক রেবেকা নাসরিন-সহ চিটাগাং উইম্যান চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রি এর পরিচালক ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এক মাসে চালের দাম বেড়েছে ২০ শতাংশ

চালের বাজারের অস্থিরতা কমছে না। গত এক মাসে মাঝারি মানের চাল পাইজাম/লতার দাম বেড়েছে ১৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ থেকে ২০ দশমিক ৪১ শতাংশ। মোটা ও সরু চালের দাম বেড়েছে ১৮ শতাংশের বেশি। সরকারের বিপনন সংস্থা টিসিবি’র হিসাবেই দাম বাড়ার এ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।

বর্তমানে রাজধানীর খুচরাবাজারে প্রতি কেজি মোটা চাল ( ইরি, গুটি স্বর্ণা) ৫০ থেকে ৫৪ টাকা, বিআর-আটাশ ৫২ থেকে ৫৪ টাকায়, মিনিকেট ৬০ থেকে ৬৪ ও নাজিরশাইল ৬৮ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আমদানি শুল্ক কমানোর পাশপাশি বাকিতে ঋণপত্র খোলার সুযোগ দিয়েও অস্থিরতা কমানো যাচ্ছে না। একটি সিন্ডিকেট কারসাজি করে চালের দাম বাড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। ইতোমধ্যে অবৈধ মজুতদারদের ধরতে সারাদেশে সব চালের গুদামে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ মঙ্গলবার মিল মালিক, আমদানিকারক ও আড়তদারদের সঙ্গে বৈঠক করবে সরকার। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ছাড়াও এই বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী উপস্থিত থাকবেন।

খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম গতকাল সোমবার সচিবালয়ে সাংবাকিদের বলেন, কুষ্টিয়া ও বগুড়ায় বিভিন্ন মিলে অভিযান এবং ওএমএস চালুর ফলে বাজারে চালের দর একটু নিম্নমুখী।

রাজশাহীতে ৫ হাজার বস্তা ধান-চাল আটক, ৮০ হাজার টাকা জরিমানা

রাজশাহী থেকে আনিসুজ্জামান জানান, রাজশাহী মহানগরীর দুইটি চালকলে অবৈধভাবে মজুদ ৫ হাজার ৩১৪ বস্তা ধান-চাল আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। সোমবার নগরীর সপুরা এলাকায় ‘হা-মীম’ ও ‘আসলাম’ চালকলে পৃথক অভিযান চালিয়ে মজুদ চাল আটক ও জরিমানা করা হয়।

তিনি জানান, এ দুটি মিলের কোন বৈধ কাগজপত্র তারা দেখাতে পারেনি। অবৈধভাবে তারা চাল উত্পাদন করে মজুদ করে রেখেছে। তাদের মিলে উত্পাদিত চালের বস্তায় কুষ্টিয়ার আব্দুর রশিদের মেসার্স হালিমা অটো রাইচ মিলের স্টিকার লাগিয়ে বাজার জাত করে থাকে। এছাড়াও ওই দুইটি রাইচ মিলে কয়েক হাজার বস্তা ধানও মজুদ রয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত ‘হা-মীমে’র ম্যানেজার ফয়সালকে ৫০ হাজার এবং আসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। উভয়ে জরিমানার টাকা সরকারী কোষাগারে জমা দিয়ে মুক্তি পায়।

আমদানীকারকরা চালের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে

অভয়নগর (যশোর) সংবাদদাতা জানান, গোডাউনে লাখ লাখ টন ধান ও চাউল মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট ও দাম বাড়িয়ে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টির পেছনে মজুতদার, আড়তদার, রাইসমিল মালিকদের একটি সিন্ডিকেট দায়ী বলে খুচরা ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছে। নওয়াপাড়ায় প্রতি কেজি এলসির মোটা চাউল ৬০ থেকে ৬২/টাকায়, ২৮ চাউল প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নওয়াপাড়ার চাউল আমদানীকারক মেসার্স মজুমদার ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী আদিত্য বাবু, জয়েন্ট ট্রেডিং কর্পোরেশন লিঃ এর ম্যানেজার মোঃ আব্দুর রহমান ও অন্যান্য পরিবেশকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, কয়েকটি বিশেষ কারণে চাউলের দাম বাড়ছে। এগুলো হল- চাহিদা- জোগান ও সরবরাহের মধ্যে সমন্বয় না থাকা, রাস্তায় রাস্তায় পুলিশ ও মটর শ্রমিকের চাঁদাবাজি, বন্দর্রে ক্লিয়ারেন্সের সমস্যার ফলে পণ্যবাহী যানবাহনগুলোর দীর্ঘ সময় আটকে থাকা, বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ রাস্তা দিয়ে সোনাদিয়া হিলিপোর্ট দিয়ে আমদানি কমে যাওয়ার কারণে চাউলের দাম বেড়েছে।

মিলগুলোতে মজুদ তদারকি নেই

দিনাজপুর অফিস থেকে মতিউর রহমান জানান, পর্যাপ্ত মজুদ ও সরবরাহ থাকার পরও বাজারে ইচ্ছামত চালের দাম বৃদ্ধি করেছে মিল মালিকরা। এদিকে সরকারী বোরো সংগ্রহ অভিযানে দিনাজপুর জেলার অধিকাংশ মিল মালিকই সরকারের সাথে চাল সরবরাহের চুক্তি না করলেও এখন ব্যবসায়ীদের কাছে বেশী দামে বিক্রি করছে চাল। এ ক্ষেত্রে ধান ক্রয় ও উত্পাদন খরচ ধরেও প্রতিকেজি চাল ২০ টাকা বেশী দরে বিক্রি করছেন তারা। এ কারণেই বাজারে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে চালের দাম।

চাল ব্যবসায়ীরা জানান, কোন মিলে চাল নেই-এমন কথা বলছেন না মিল মালিকরা। বেশী টাকা দিলেই মিলছে চাল। প্রতিটি মিলে বিপুল পরিমান ধান ও চাল মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছে চাল ব্যবসায়ীরা। সরকারী নিয়ম থাকলেও মিলগুলোতে করা হচ্ছে না মজুদ তদারকি। ফলে প্রশাসনও জানেনা চালকলগুলোতে কি পরিমান চাল মজুদ রয়েছে।

সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির অভিযোগ অস্বীকার করে দিনাজপুর জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সভাপতি মোসাদ্দেক হুসেন জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম বেড়ে যাওয়ার কারনেই বেড়েছে চালের দাম। এক্ষেত্রে মিল মালিকদের কোন কারসাজি নেই।

বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণ সাড়ে ছয় হাজার কোটি টাকা

রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠান বেসিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ছয় হাজার ৫৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা।

৬২৮টি প্রতিষ্ঠানের কাছে এই অর্থ পাবে ব্যাংকটি।
রাষ্ট্রায়ত্ত্ব আরেক ব্যাংক সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপির কাছে পাবে তিন হাজার ২২৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

রোববার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত অনুমিত হিসাব কমিটির বৈঠকে এসব তথ্য দেওয়া হয়।

সোনালী ব্যংকের শীর্ষ ২০ ঋণ খেলাপি প্রতিষ্ঠানের তালিকা পেলেও প্রতিষ্ঠানের মালিকদের নাম পায়নি সংসদীয় কমিটি। পরের বৈঠকে প্রতিষ্ঠান মালিকদের নাম দিতে বলেছে তারা।

কমিটির সভাপতি নূর-ই-আলম চৌধুরী বলেন, “কমিটি যেভাবে সোনালি ব্যাংকের তথ্য চেয়েছিল সেভাবে তারা দেয়নি। আমরা পরের বৈঠকে আবারও সেগুলো দিতে বলেছি।”

হাতে আসা কমিটির বৈঠকের কার্যপত্র থেকে জানা গেছে, সোনালী ব্যাংকের শীর্ষ খেলাপি ২০টি প্রতিষ্ঠান হল- টিএন ব্রাদার্স অ্যান্ড গ্রুপ (৪৮১ কোটি ৩৭ লাখ), হল-মার্ক গ্রুপ (৪৭৯ কোটি ৯ লাখ), ফেয়ার ট্রেড ফেব্রিক্স (৩১৬ কোটি ৪০ লাখ), মুন্নু ফেব্রিক্স (২২৮ কোটি ৭৩ লাখ), অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ (২১১ কোটি ৮৮ লাখ), জিএমজি এয়ারলাইন্স (১৪৮ কোটি ৩৪ লাখ), লীনা পেপার মিলস (১৩৭ কোটি ৫৪ লাখ), মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক (১৩০ কোটি ৭০ লাখ), এপেক্স উইভিং অ্যান্ড ফিনিশিং (১২৭ কোটি ৯৩ লাখ), সোনালী জুট মিলস (১২৬ কোটি ৮৫ লাখ), একে জুট ট্রেডিং (১১৬ কোটি ২২ লাখ), বিশ্বাস গার্মেন্টস (১০৪ কোটি ৪৫ লাখ), রেজা জুটস লিমিটেড (৯৮ কোটি ৫৮ লাখ, ইস্টার্ন ট্রেডার্স (৯২ কোটি ৫৪ লাখ), সাইয়ান কর্পোরেশন (৭৬ কোটি), পদ্মা পলি কটন (৭৫ কোটি ৯৩ লাখ), এজাক্স জুট মিলস (৭২ কোটি), ক্লাসিক স্পালাইজ লিমিটেড (৬৮ কোটি ৭৯ লাখ), নিউজ স্টাইল (৬৬ কোটি ৫৫ লাখ) ও কোস্টাল সি ফুড (৬৮ কোটি ৮৬ লাখ)।

এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে হল-মার্ক গ্রুপই ১৬টি প্রতিষ্ঠানের নামে সোনালী ব্যাংকের ঋণ নেয়।

সোনালী ব্যাংকের যেসব শাখা ধারাবাহিকভাবে পাঁচ বছর লোকসান গুণছে সে সব শাখা বন্ধ করার সুপারিশ করেছে কমিটি।

সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে ওই ঋণ আদায়ের জন্য যে ২০ জন ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার নিয়োগ করা হয়েছে তাদের নাম এবং বেসিক ব্যাংকের ৫০ কোটি টাকার উপরে যে সব প্রতিষ্ঠান ঋণ খেলাপি আছে তাদের নামের তালিকাসহ পত্রিকায় প্রকাশের ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

সোনালী ব্যাংকের ২০১৫-২০১৬ সালের অডিট সংক্রান্ত প্রতিবেদন কমিটির পরবতী বৈঠকে উপস্থাপন করতে বলা হয়েছে।

বেসিক ব্যাংকের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকটির চলতি বছরের জুন পর্যন্ত ৬২৮টি খেলাপি প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা আছে ছয় হাজার ৫৩৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা। এর মধ্যে ১০০ কোটি বা তার চেয়ে বেশি পাওনা আছে এমন গ্রাহকের সংখ্যা ১১ জন। তাদের কাছে পাওনা এক হাজার ২৫৬ কোটি ৩২ লাখ টাকা। ৫০ কোটি থেকে ১০০ কোটি পর্যন্ত পাওনা এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৩০টি। এদের কাছে মোট পাওনা দুই হাজার ১০৪ কোটি ৬৭ লাখ টাকা।

বেসিক ব্যাংকের শীর্ষ ঋণ খেলাপি প্রতিষ্ঠান হল, দি ওয়েল টেক্স লিমিটেড। তাদের কাছে পাওনা ১২৮ কোটি ৯৯ লাখ টাকা। শীর্ষ ১১টি খেলাপি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও আছে ডেটা সিস্টেম লিমিটেড (১২৮ কোটি ৪২ লাখ টাকা), আইজি নেভিগেশন লিমিটেড (১১৯ কোটি ৯৫ লাখ), বে নেভিগেশন লিমিটেড (১১৬ কোটি ৩৮ লাখ), ক্রিস্টাল স্টিল অ্যান্ড শিপ ব্রেকিং লিমিটেড (১১৩ কোটি ৮৩ লাখ), ম্যাপ পেপার বোর্ড মিলস লিমিটেড (১১৩ কোটি ৪২ লাখ), প্রফিউশন টেক্সটাইল লিমিটেড (১১১ কোটি ৫৫ লাখ), মা টেক্স (১১১ কোটি ২২ লাখ), কনফিডেন্স সুজ লিমিটেড ( ১০৮ কোটি ২৯ লাখ), এ আর এস এস এন্টারপ্রাইজ ১০২ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং নিউ অটো ডিফাইন (১০১ কোটি ৮৭ লাখ)।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেসিক ব্যাংক থেকে যে তালিকা দেওয়া হয়েছে তাদের ঋণ আদায়ে, ব্যাংকের ঋণের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে ব্যাংক থেকে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, পরিচালনা পর্ষদের বিষয়ে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বিনা ডকুমেন্টে ৫৭টি কোম্পানিকে ঋণ প্রদান এবং ঠিকানাহীন সাতটি প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে বিস্তারিত উল্লেখসহ একটি প্রতিবেদন আগামী জানুয়ারির মধ্যে কমিটিতে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

নূর-ই-আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, আ খ ম জাহাঙ্গীর হোসাইন, এ বি তাজুল ইসলাম, শেখ ফজলে নূর তাপস, শাহানারা বেগম, এ টি এম আব্দুল ওয়াহহাব ও ওয়াসিকা আয়শা খান অংশ নেন।

 

চালের মজুত গড়ে তুলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মূলে চার

চট্টগ্রামে চালের মজুত গড়ে তুলে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির মূলে চার ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। সম্প্রতি এই শীর্ষ আমদানিকারক ব্যবসায়ীদের ডেকে এ ব্যাপারে সতর্কও করে দিয়েছে সংস্থাটি। সংস্থাটির নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সূত্রটি জানিয়েছে, চার আমদানিকারক ব্যবসায়ীর সঙ্গে চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় চালের বাজার চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ ও পাহাড়তলির আরো ৫৬ ব্যবসায়ী জড়িত। যাদের কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। গোয়েন্দা সংস্থার এক পরিদর্শক বলেন, চার আমদানিকারক ব্যবসায়ীর হাতে নগরীর বিভিন্ন গুদামে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টন আমদানি করা চাল গুদামজাত রয়েছে। অথচ চালের সংকট  দেখিয়ে তারা উচ্চমূল্যে চাল বিক্রি করে মোটা অঙ্কের মুনাফা হাতিয়ে নিচ্ছে। চালের গুদামগুলোও নজরদারিতে রয়েছে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, এ ব্যাপারে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের ডেকে কঠোরভাবে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে। এরপরও কারসাজি হলে প্রয়োজনে অভিযান চালানো হবে। চাল সংকট সৃষ্টির কারণে মূলত চালের দাম বৃদ্ধির কথা জানান নগরীর বহদ্দারহাটের খুচরা চাল ব্যবসায়ী পরিতোষ দাশ। তিনি বলেন, আমার দোকানে আগে ৫০০ বস্তার বেশি চাল থাকতো। এখন ১০০ বস্তাও নেই। চাল আনতে গেলে পাইকারি ব্যবসায়ীরা চাল নেই বলে জানান। একই কথা বলেন, নগরীর কাজীর  দেউরি বাজারের চাল ব্যবসায়ী শাহ আলম। তিনি বলেন, আমি চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের চাল আমদানিকারক ইদ্রিস অ্যান্ড সন্স থেকে চাল কিনি। প্রতিদিন আমার এক হাজার বস্তা চাল লাগে। সে জায়গায় ২০০-২৫০ বস্তার উপরে পাচ্ছি না। তিনি বলেন, আমরা প্রতিবস্তা চাল ১০-১৫ টাকা লাভে বিক্রি করি। চাল না থাকায় প্রতিবস্তা চাল এখন ৩০-৩৫ টাকা লাভে বিক্রয় করতে হচ্ছে। একইভাবে আমদানিকারক ও বস্তাপ্রতি আগের চেয়ে দ্বিগুণ লাভ করছে। তার চেয়েও বড় বিষয় হচ্ছে আমদানিকারকরা চাল গুদামজাত করে ২০০০-২২০০ টাকার বস্তা ৩০০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় করছে। ব্যবসায়ীরা জানান, চাক্তাই-খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ী ইদ্রিস অ্যান্ড সন্স, মেসার্স যমুনা এন্টারপ্রাইজ, চট্টলা রাইস এজেন্সি ও গোপাল রাইস এজেন্সির মালিকরাই মূলত চাল আমদানি করে থাকে। এদের রয়েছে ৫৬ জন পাইকারি চাল বিক্রেতা। যাদের হাতে জিম্মি এখন চালের বাজার। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, হাওড়ে বন্যার সময় হঠাৎ চাল পরিবহন সংকটে পড়ায় চালের দাম বেড়ে যায়। তখন সরকারের আমদানি শুল্ক বেশি থাকায় চাল আমদানিও করেনি ব্যবসায়ীরা। ফলে চালের দাম প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে যায়। কিন্তু চালের দাম কমাতে সরকার ২৮ ভাগ থেকে শুল্ক কমিয়ে ১০ ভাগে আনে। এ সময় ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড থেকে প্রচুর চাল আমদানি করে ব্যবসায়ীরা। তবে এসব চাল মজুত করে রাখেন ব্যবসায়ীরা। চট্টগ্রামের চাক্তাই-খাতুনগঞ্জ ও পাহাড়তলির বিভিন্ন গুদামে হাজার হাজার টন চাল মজুত করে রেখেছে ব্যবসায়ীরা। ফলে চালের দাম বাড়ছেই।  শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর বহদ্দারহাট, চকবাজার, কাজীর দেউরি, ঝাউতলা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে তিন রকমের মিনিকেট চালের মধ্যে একটি ২৯৫০ টাকা, আরেকটি ২৯০০ টাকা, অন্যটি ২৮৫০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে। যা এক সপ্তাহ আগে বিক্রয় হয়েছে যথাক্রমে ২৬৫০ টাকা, ২৫৫০ ও ২৪৫০ টাকায়। আর আতপ চাল বিক্রয় হচ্ছে ২৭৫০ টাকায়। এক সপ্তাহ আগে বিক্রয় হয়েছে ২৩০০ টাকায়। এছাড়া ২১৫০ টাকার নিচে এখন কোনো চাল বিক্রয় হচ্ছে না। অথচ হাওরে বন্যার আগে সর্বনিম্ন চালের মূল্য বস্তাপ্রতি ছিল ১২৫০ টাকা। মিনিকেট সর্বোচ্চ বিক্রয় হয়েছিল ১৭০০ টাকা। আর প্রতিদিনই কেজিতে এক-দুই থেকে তিন টাকা পর্যন্ত চালের দাম বাড়ছেই। এ দামে চাল কিনে খেতে নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চাক্তাইয়ের চাল আমদানিকারক ইদ্রিস অ্যান্ড সন্সের মালিক মো. ইদ্রিস মিয়া জানান, ভারত ও মিয়ানমারে চালের বুকিং রেট বৃদ্ধির কারণে দেশীয় বাজারেও দাম বাড়ছে। তিনি দাবি করেন, বিশ্ববাজারে বুকিং রেট ৩৭৫ ডলার থেকে বেড়ে ৪৫০ ডলার করা হয়েছে। এরসঙ্গে সড়কপথে দীর্ঘ যানজটের কারণে পরিবহন খরচও আগের চেয়ে বেড়েছে। ১৭৩০ টাকা বিক্রি করা বেতি চাল এখন ২২৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, যেসব ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকদের চাল মজুত ছিল, সুযোগ পেয়ে তারাও দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। আমরা আমদানিকারকরা লাভ করতে পারিনি দোকানদাররা লাভ করে ফেলছেন। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, চালের দাম যখন বাড়তি, তখন স্বাভাবিকভাবে আমদানিকারক, মিল মালিক ও দোকানদার মজুত করে রাখবে। দাম বাড়ার পর তা বিক্রি করবে। আমদানিকারকদের মধ্যে আগে যারা গুদামজাত করেছেন, তারা এখন বেশি লাভ পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন এই আমদানিকারক। পাহাড়তলী চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সমপাদক আলহাজ মো. জাফর বলেন, বেনাপোল, সোনা মসজিদ, হিলিসহ কয়েকটি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আমদানি করা প্রচুর চাল রয়েছে। কিন্তু এসব চাল চট্টগ্রামে আসতে দৌলদিয়া-মাওয়া ফেরিঘাটে দীর্ঘ জটে পড়ে ৫-৬ দিন লেগে যাচ্ছে। ট্রাক ভাড়াও আগের তুলনায় দ্বিগুণ গুনতে হচ্ছে। এসব কারণে দাম বাড়ছে। এছাড়াও উত্তরবঙ্গের ৮-১০টি চাল মিল ধান-চাল মজুত করে রাখায় বাজারে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। সরকার বাজার মনিটরিং ও ফেরিঘাটে বিকল্প ব্যবস্থায় চাল পারাপারের উদ্যোগ নিলে বাজার কিছুটা স্থিতিশীল হবে। বাজার অস্থিরতার জন্য সিন্ডিকেট কারসাজি বলে দায়ী করেছে ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি এসএম নাজের হোসাইন। তিনি বলেন, আমদানিকারক সিন্ডিকেট ও বড় ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে চালের দাম বাড়ছে। খাদ্য ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নজরদারি-মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

দিনাজপুরে পর্যাপ্ত মজুদ, বেড়েই চলেছে চালের দাম!

শাহ্ আলম শাহী, দিনাজপুর থেকেঃ পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও উত্তরের শষ্যভান্ডার ধানের জেলা দিনাজপুরে চাল নিয়ে চালবাজি শুরু করেছে একটি সিন্ডিকেট। ভারতসহ বিভিন্ন দেশে থেকে আমদানি ও মজুত সত্ত্বেও এ জেলায় বেড়েই চলেছে চালের দাম। এনিয়ে বিপাকে পড়েছে,খেটে খাওয়া দিন মজুর ও মধ্য আয়ের মানুষ।অব্যাহতভাবে চালের দাম বাড়ায় মিল মালিকদের কারসাজি ও সিন্ডিকেটকেই দায়ী করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা। আর মিল মালিকরা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম বৃদ্ধি ও আমদানি নির্ভরতা বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে চালের দাম। তবে চালের বাজারে অস্থিরতা কেউ সৃষ্টি করছে কিনা তা খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছে প্রশাসন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,দিনাজপুরের অধিকাংশ মিলগুলোতে পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে চাল। এর পরও গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি কেজি চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৭ থেকে ৯টাকা। এখন ৫০ কেজির প্রতি বস্তা চালের দাম ৩শ’ থেকে ৪শ’ টাকা বাড়িয়েছে মিল মালিকরা। দিনাজপুর বাহাদুর বাজারের খুচরা চাল ব্যবসায়ীরা জানান, মিলগুলোতে চাল পাওয়া গেলেও তারা ইচ্ছামতো দাম নির্ধারণ করছেন মিল মালিকরা। তারা জানান, এক সপ্তাহ আগে ৫০ কেজি ওজনের প্রতি বস্তা মিনিকেট চাল মিল মালিকরা বিক্রি করেছিল ২ হাজার ৪০০ টাকা থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা। এখন তা বিক্রি করছে ২ হাজার ৭৫০ থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকা। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ কেজি বস্তার বিআর-২৮ চাল ২ হাজার ৩৫০ টাকার স্থলে ২ হাজার ৬০০ টাকা, বিআর-২৯ চাল ২ হাজার ৩০০ টাকার স্থলে ২ হাজার ৫৫০ টাকা, স্বর্ণা ২ হাজার ১০০ টাকার স্থলে ২ হাজার ৩৫০ টাকা এবং হাইব্রিড মোটা ১ হাজার ৮০০ টাকার স্থলে ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করছে মিল মালিকরা।
চাল ব্যবসায়ী মনসুর আলী জানান, মিলে চাল নেই, এমন কথা বলছেন না কোনো মিল মালিকই। তবে সব মিল মালিকই একসাথে দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। এ জন্য তাদের বাধ্য হয়েই বেশি দামে চাল বিক্রি করতে হচ্ছে। আর এ চাল দাম নিয়ে ক্রেতাদের সাথে প্রায়ই বাক-বিতন্ডা হচ্ছে তাদের।
এদিকে পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও এই মুহূর্তে চালের দাম বৃদ্ধির কোনো যৌক্তিক কারণ নেই বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। যেসব ধান ব্যবসায়ী এবার বোরো মৌসুমে ধান কিনে মিল মালিকদের কাছে সরবরাহ করেছেন, তারা জানান, বোরো মৌসুমে পর্যাপ্ত ধান কিনে মজুদ করেছে মিল মালিকরা।
দিনাজপুরের বিরল উপজেলার ধান ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম জানায়, তাদের কাছে বোরো মৌসুমে এবার ৭৫ কেজির প্রতিবস্তা মিনিকেট ধান ১ হাজার ৭০০ টাকা, বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ ধান ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং হাইব্রিড মোটা ধান ১ হাজার ৫০০ টাকা দরে কিনেছে মিল মালিকরা। এই হিসাবে মিলের উৎপাদন খরচসহ প্রতিকেজি মিনিকেট চাল ৩৬ টাকা, বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ চাল ৩৩ টাকা এবং প্রতিকেজি হাইব্রিড মোটা চাল ৩০ থেকে ৩২ টাকার বেশি হওয়ার কথা নয়।কিন্তু বর্তমানে মিল মালিকদের কাছ থেকে চাল ব্যবসায়ীদের বস্তার হিসাব অনুযায়ী প্রতিকেজি মিনিকেট চাল ৫৫ টাকা, বিআর-২৮ ও বিআর-২৯ চাল ৫১ টাকা এবং হাইব্রিড মোটা চাল কিনতে হচ্ছে ৪৫ টাকা কেজি দরে। মিল মালিকরা তাদের বাজার থেকে ধান কেনা ও উৎপাদন খরচ ধরে বস্তার হিসাব অনুযায়ী প্রতিকেজি চাল গড়ে প্রায় ২০ টাকা বেশি দরে বিক্রি করায় বাজারে অস্বাভাবিকহারে বেড়েছে চালের দাম।
খুচরা আনিসুর রহমান জানান, তারা মিলগুলোতে চাল কিনতে গিয়ে ব্যাপক মজুদ লক্ষ করেছেন। তারা জানান, মিলগুলোতে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করলে চালের বাজার অনেকটাই স্বাভাবিক হতে পারে।
দেশে সাম্প্রতিক বন্যা, রোহিঙ্গা ইস্যু এবং ভারত চাল রফতানি করবে না এমন গুজবে অধিক মুনাফার আশায় ইচ্ছমতো চালের দাম বৃদ্ধি করেছে মিল মালিকরা মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। আর এর প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।
সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বৃদ্ধির অভিযোগ অস্বীকার করে দিনাজপুর জেলা চালকল মালিক গ্রুপের সভাপতি মোসাদ্দেক হুসেন জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে চালের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণেই বেড়েছে চালের দাম। এক্ষেত্রে মিল মালিকদের কোনো কারসাজি নেই। মিলে মজুদ থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ মিল মালিকরা প্রতিবস্তা চালের দাম ৩শ’ থেকে ৪শ’ টাকা বৃদ্ধি করল কেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমদানি মূল্য বেড়ে যাওয়ায় বেড়েছে চালের দাম।তিনি বলেন, মিলে যে পরিমাণ ধান রয়েছে- তা স্বাভাবিক পর্যায়ে রয়েছে। একটি মিল চালাতে যেটুকু ধানের প্রয়োজন, সেটুকু ধানই রয়েছে মিলগুলোতে।
পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ বাজারে চালের দাম বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক উল্লেখ করে দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম জানান, চালের দাম বৃদ্ধির ব্যাপারে আগামীকাল রোববার দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে একটি জরুরি সভা আহ্বান করা হয়েছে। সভায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মিলগুলোতে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে বলে তিনি জানিয়েছেন।তিনি বলেন, মিল মালিকরা অন্য কোথাও ধান মজুদ করে রেখেছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে ।
দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের যুগ্ম সম্পাদক শাহীন হোসেন জানিয়েছেন, সরকার চালের আমদানি শুল্ক ২৮ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ নির্ধারণ করায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রচুর পরিমাণে চাল বাংলাদেশে আসছে। চালের বাজারের স্থিতিশীলতা আনার জন্য তাদের এসোসিয়েশন গত শুক্রবারেরও হিলি স্থল বন্দর দিয়ে প্রায় দেড়’শ ট্রাক চাল আমদানি করেছেন বলে তিনি জানান।
হিলি স্থলবন্দরের বেসরকারি অপারেটর পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপক অসিত কুমার জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গড়ে প্রতিদিন ভারত থেকে ১’শ ৩০ থেকে দেড়’শটি করে চাল বোঝাই ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। তাতে এই বন্দর দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ৪ থেকে ৫ হাজার মেট্রিকটন চাল ভারত থেকে বাংলাদেশে আসছে।
হিলি স্থলবন্দরের কাস্টমস সুপারিনটেনডেন্ট মো. ফখর উদ্দীন জানান, এই বন্দরের মাধ্যমে ভারত থেকে আমদানি স্বাভাবিক রয়েছে। বরং ঈদের পর থেকে বেশি চাল আমদানি হচ্ছে। বন্দরে চাল বোঝাই ট্রাক আসার সাথে সাথে খালাস কার্যক্রমও সম্পন্ন করা হচ্ছে। যাতে ব্যবসায়ীরা দ্রুত চাল খালাস করে তাদের গন্তব্যে নিয়ে যেতে পারেন।
এরপরও দিনাজপুরে এক সপ্তাহের ব্যবধানে অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে চালের দাম। এক সপ্তাহ আগে প্রতিকেজি মিনিকেট চাল বিক্রি হতো ৫২ টাকা দরে। এখন বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকা কেজি দরে। এ ছাড়া বিআর-২৮ চাল প্রতিকেজি ৪৮ টাকার স্থলে ৫৫ টাকা, স্বর্ণা ৪২ টাকার স্থলে ৪৭ টাকা, হাইব্রিড মোটা ৩৭ টাকার স্থলে ৪৪ টাকা, বিআর-২৯ চাল প্রতিকেজি ৪৬ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকায়।
চালের সরবরাহ ও দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার চালের আমদানি শুল্ক দু’দফায় কমালেও বাজারে কিছুতেই কমছে না চালের দাম। বরং ধানের জেলা দিনাজপুরে প্রতিদিন চালের দাম বেড়েই চলেছে। এই পরিস্থিতিতে শুল্ক কমানোর সুফল মিলছে না ভোক্তা পর্যায়ে। ফলে খেটে খাওয়া মানুষেরা চরম বিপাকে পড়েছেন। পর্যাপ্ত মজুদ থাকা সত্ত্বেও ধানের জেলা দিনাজপুরে চাল নিয়ে চালবাজি শুরু করেছে একটি সিন্ডিকেট। এমনটাই ধারনা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ব্রয়লার মুরগি ১১০ টাকা ও ডিমের দাম ৮৫ টাকা

বছরের সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকেছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম।

প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক ডজন ফার্মের মুরগির ডিমের দাম ৮৫ টাকা।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের মুরগির দোকানগুলোতে এমন দামেই বিক্রি হয়েছে মুরগি ও ডিম। প্রায় সব দোকানে মুরগি প্রতিকেজি ১০৫ টাকায় কেনা হচ্ছে আর ১১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

কোরবানির সময় প্রায় প্রতিটি ঘরে গরু-ছাগলের মাংস থাকে। পরিবারের ফ্রিজেও খুব একটা জায়গা থাকে না। তাই মুরগির চাহিদাও কমে যায়। বাধ্য হয়ে মুরগি ও ডিমের দামও কমিয়ে দেন খামারিরা।
তবে সামনে পূজা আসছে, ছুটির রেশ কাটিয়ে নগরীও ক্রমে সরগরম হয়ে উঠছে। সপ্তাহখানেকের মধ্যেই ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়ে যাবে।

ব্যাংকার আজাদুর রহমান বলেন, ঈদুল আজহার আগে ছিল ১৪০-১৫৫ টাকা পর্যন্ত। কিনতে এসে দেখি ১১০ টাকা। পাঁচটি মুরগি নিলাম ৭৬০ টাকায়। ইলিশের দাম কমেছে। মুরগির দাম কমেছে। মাছ ও সবজির দাম কিন্তু খুব একটা কমেনি। বাড়তি শুধু চালের দাম।

শিম চাষে মুখে হাসি ফিরেছে

খরা ও অতিবৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা শীতের সবজি চাষ করে মানসিকভাবে চাঙা হয়ে উঠছেন। সবজির আবাদে তাদের মুখে হাসি ফিরেছে। ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া, মাগুরাঘোনা, খর্নিয়া ইউনিয়ানসহ পার্শ্ববর্তী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে ২/৩ ফুট চওড়া রাস্তায় এখন নব উদ্যোমে হয়েছে শিম চাষ।

স্থানীয় শেখ রাশেদুল ইসলাম, আব্দুল জলিল, মো. ফরহাদ, আব্দুস সামাদ গাজী, আশরাফ আলী মোড়ল, ইউনুস মোড়ল, আবু হুরাইরাসহ ২০-২৫ জন কৃষকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কয়েক বছর আগেও এসব এলাকায় বাড়ির আঙিনায় ও পতিত জমিতে পরিবারের চাহিদা মেটানোর জন্য শিম চাষ হতো। অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি কম খরচে শিম চাষ লাভজনক। তাই এখন এলাকার অধিকাংশ বাড়ির আঙিনার পাশাপাশি পতিত জমি, ঘেরের আইল সবখানেই চাষাবাদ হচ্ছে শিম।  বাজারে নতুন শিমের কদর বেশি। প্রতি কেজি শিম এখন ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ থেকে বারি-১ এবং বারি-২ জাতের শিমের চাষের কথা বললেও এসব এলাকায় এখন আইরেট, নলডোগ, পোটের শিম, কুলি, কাজলা, নলি এবং দেশি শিম (স্থানীয় ভাষায়) চাষ হচ্ছে বেশি।

.

ডুমুরিয়ার উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের শাশার ডাঙ্গি এলাকার কৃষক ইউনুস মোড়ল ও আবু হুরাইরা বলেন, ‘আমরা আগে ঘেরের জমিতে শুধু চিংড়ি মাছের চাষ করতাম। এখন লবণ পানির পরিমাণ কমেছে। একই ঘেরে চিংড়ির পাশাপাশি সাদা মাছ, ধান এবং আইলের ওপর শিম, বরবটি, পুঁইশাক, লাউ, কুমড়া, ঝাল, ঢেড়স চাষ করছি। ভাদ্র মাসের প্রথম থেকেই শিম উঠতে শুরু করেছে। এখন বাজারে শিমের চাহিদা আছে বেশ। আমাদের ১০ বিঘা ঘেরের পাশ দিয়ে লাগনো গাছ থেকে প্রতি সপ্তাহে শিম উঠাই ৩/৪ মণ।’

পার্শ্ববর্তী কেশবপুর উপজেলার সারুটিয়ার মো. ফরহাদ বলেন, ‘আমি ১০ কাঠা জমির ঘেরের আইলে শিম চাষ করেছি। নতুন মাটিতে শিম ভালো হইছে। সপ্তাহে ২০/২২ কেজি শিম বাজারে বিক্রি করতে পারছি। ঘেরে চিংড়ি মাছ, সাদা মাছ, আইলের উপর শাক, শিম, বরবটির চাষ করছি। ৭ বছর ধরে এ কাজ করে আসছি। এখন আর আমার অভাব নেই। আমরা শিম তুলে চুকনগর মোকামে নিয়ে বিক্রি করি।’

.

ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর কাঁচামালের আড়ৎ কমিটির সভাপতি গাজী নজরুল ইসলাম এ বলেন, ‘এ বছর ২১ আগস্ট প্রচুর বৃষ্টি হওয়ার কারণে অধিকাংশ কৃষকের চারা নষ্ট হয়। তারপরও আগাম সবজি চাষের ফলন ভালো। কয়েক বছর ধরে এ অঞ্চলের বেশ কিছু মানুষ আগাম সবজি চাষ করছে। এর মধ্যে শিম, বেগুন, লালশাক, পুঁইশাক, বরবটি, টমেটো রয়েছে। সাধারণত আগাম সবজি চাষে পোকা-মাকড়ের আক্রমণ বেশি থাকে। তবে এখন একটু কুয়াশা পড়ছে। ফলে পোকার আক্রমণ কম। আগাম সবজি চাষ করে স্থানীয় কৃষকরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। কারণ ভাল দাম পাওয়া যায়।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, ‘উপজেলা কৃষি অফিসের তত্ত্বাবধায়নে ১৫টি আইটিএন স্কুলের (সমন্বিত বালাইনাশক স্কুল) মাধ্যমে ডুমুরিয়া উপজেলায় ৫ হাজার কৃষককে কীটনাশক বিহীন সবজির চাষ প্রশিক্ষণ দিয়েছি। স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে আমাদের রয়েছে ২৪৩টি এসএফজি (স্মল ফার্মার গ্রুপ)। চুইঝাল চাষের উপর প্রশিক্ষণ দিয়ে বরাতিয়ায় এক হাজার এবং রুদাঘরায় ১০০ চুইঝালের চারা বিতরণ করেছি। ডুমুরিয়া উপজেলার কৃষকরা একসঙ্গে একাধিক সবজি বা ফসল উৎপাদন করে থাকে।’

Scroll To Top