শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / জাতীয়

বিভাগ: জাতীয়

Feed Subscription

এসডিজি বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এসডিজি বাস্তবায়নে অর্থায়নের ঘাটতি মোকাবেলায় বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজন। কারণ এলক্ষ্যে সম্পদের যোগান দেয়া সরকারগুলোর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বুধবর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে উচ্চপর্যায়ের এক আলোচনায় একথা বলেন।
আঙ্কটাডের তথ্যের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসডিজি বাস্তবায়নে প্রতি বছর বিশ্বের ৩ দশমিক ৩ থেকে ৪ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন। এজন্য এসডিজি বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ প্রয়োজন।
প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দফতরে ‘ক্রিয়েটিং এ্যা পলিসি ভিশন ফর এসডিজি ফিন্যান্স ফ্যাসিলিটেটিং প্রাইভেট সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট ইন দ্য এসডিজি’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল দেশের জিডিপি’র ৬০ শতাংশ, পুুঁজি প্রবাহে ৮০ শতাংশ ও কর্মসংস্থানের ৯০ শতাংশ বেসরকারি খাতের আওতায়। এজন্য এসডিজি বাস্তবায়নে তাদের অংশগ্রহণ ও দায়বদ্ধতা রয়েছে।
শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশে বেসরকারি খাত শক্তিশালী ও উৎসাহী অংশিদার হিসেবে বিকশিত হচ্ছে। তাদের এই আগ্রহের প্রেক্ষাপটে তার সরকার এসডিজির জন্য বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতায় বেশ কিছু সংস্থা গঠন করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা উৎসাহব্যঞ্জক যে বিশ্বব্যাপী বেসরকারি এসডিজিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছে। বিশ্বের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সংস্থার কার্যবিবরণী ও টেকসই ব্যবসা পরিকল্পনায় এসডিজিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এফডিআই’র ওপর গুরুত্বারোপ করে বড় ধরনের বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আগামী কয়েক বছরে ১শ’ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এফডিআই ২০১০ সালের ১ বিলিয়ন ডলার থেকে ২০১৬ সালে ২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে।
শেখ হাসিনা এ ধরনের বিনিয়োগের গুরুত্বের স্বীকৃতি প্রদান ও ইউএনডিপি ইম্প্যাক্ট ফিন্যান্স (ইউএনএসআইএফ) গঠনের জন্য ইউএনডিপিকে ধন্যবাদ জানান।

১০ হাজার টাকা মুচলেকায় ইমরানের জামিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে স্লোগান দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১০ হাজার টাকা মুচলেকা দিয়ে জামিন পেয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চের (একাংশ) মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার ও তার সহযোগী সনাতন উল্লাহ।

 

বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছাবিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকা রেখে আগামী ২৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

 

এর আগে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করায় গতকাল (বৃহস্পতিবার) ইমরান এইচ সরকার ও তার সহযোগী সনাতন উল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

 

গত ৩০ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছাবিদুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে স্লোগান দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার অভিযোগ গঠনে শুনানির জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। তবে নির্ধারিত দিনে অভিযুক্তরা আদালতে হাজির হননি।

 

এর আগে গত ১৬ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন ইমরান ও তার সহযোগী। এরপর আদালত মামলাটি বিচারের জন্য সিএমএম বরাবর নথি প্রেরণ করেন।

 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২৮ মে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত মিছিল নিয়ে যায় গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। ভাস্কর্য নিয়ে অপরাজনীতির প্রতিবাদে করা মশাল মিছিলে নেতৃত্ব দেন ইমরান এইচ সরকার। এ ছাড়া সনাতন উল্লাহ মিছিলে স্লোগান দেন। মিছিলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়।

 

ওই ঘটনায় মানহানি হয়েছে বলে ৩১ মে ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামানের আদালতে মামলাটি করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানী।

দেবিদ্বার থেকে গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার

কুমিল্লার দেবিদ্বার থেকে ৩০ বছর বয়সী গুলিবিদ্ধ অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে দেবিদ্বার উপজেলার কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের সংচাইল এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, সকালে দেবিদ্বার উপজেলার সংচাইল এলাকায় সড়কের পাশে যুবকের লাশ দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে। যুবকের বুকে একটি গুলির ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার পরনে একটি কালো টাউজার ছিলো। শরীরের উপরের অংশে কোনো জামা ছিলো না। মুখের থুতনিতে ছোট দাড়ি রয়েছে।

দেবিদ্বার থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, যুবকের বুকে একটি গুলির ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গেছে। তার পরিচয় পাওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ডিসেম্বরে ফোরজি সেবা, ১১ হাজার কোটি টাকা আয়ের আশা

ফোরজি সেবায় নতুন অপারেটর আসার সুযোগও রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

বুধবার টেলিযোগাযোগ বিভাগে ফোরজি লাইসেন্স বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তারানা হালিম বলেন, “আমাদের টার্গেট হচ্ছে, নভেম্বরের শেষের মধ্যে আমরা (ফোরজি তরঙ্গের) নিলাম শেষ করব। আর ডিসেম্বরের মধ্যে ফোর-জি সুবিধা জনগণকে দিতে পারব।

“এটি আমরা টার্গেট বলছি এ কারণে যে, এর মধ্যে কিছু ইকুইপমেন্ট আমদানির বিষয় আছে, সেটির উপর আমাদের হাত নেই। আমাদের টার্গেট মতো আনুষঙ্গিক কাজ সম্পন্ন করব ডিসেম্বরের মধ্যে।”

ফোরজি তরঙ্গ নিলাম এবং ফোরজি সেবা দিতে অপারেটরদের বিদ্যমান প্রযুক্তি নিরপেক্ষতায় রূপান্তর বাবদ সরকার ১১ হাজার কোটি টাকা আয় করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী।

তরঙ্গ বরাদ্দের খসড়া নীতিমালা থেকে চূড়ান্ত নীতিমালায় কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

“আবেদন করার যোগ্যতার ক্ষেত্রে কোনো অপারেটরের বিদেশি অংশীদারকে বাংলাদেশ থেকে কোনো ঋণ না নিয়ে বিনিয়োগের যে বিধানটি ছিল, সেটি বাদ দিয়েছি; তারা বাংলাদেশের যে কোনো ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে পারবেন।”

তরঙ্গ নিলাম এবং ফোর-জি লাইসেন্সিং গাইডলাইন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনুমোদন দিয়েছেন জানিয়ে তারানা বলেন, “গাইডলাইন অনুযায়ী ২১০০ মেগাহার্টজ, ১৮০০ মেগাহার্টজ এবং ৯০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলাম হবে। এই নিলামে যে অপারেটররা আছেন তারা অংশ নিতে পারবেন।

“প্রাক মূল্যায়নে উত্তীর্ণ নতুন প্রতিষ্ঠান ২১০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ নিলামে অংশ নিতে পারবে। এই ব্যান্ডে বিজয়ী হলে পরবর্তী সময়ে তারা ১৮০০ ও ৯০০ মেগাহার্টজের তরঙ্গ নিলামে অংশ নিতে পারবে।”

তরঙ্গ নিলামে বরাদ্দ করা তরঙ্গ ‘প্রযুক্তি নিরপেক্ষ’ হবে জানিয়ে তিনি বলেন, “এ তরঙ্গে টু-জি, থ্রি-জি এবং ফোর-জি এলটি সেবা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা যাবে।”

মোবাইল অপারেটররা তাদেরকে আগে বরাদ্দ দেওয়া তরঙ্গ ‘প্রযুক্তি নিরপেক্ষতায়’ রূপান্তর করতে পারবে জানিয়ে তারানা বলেন, এজন্য প্রতি মেগা হার্টজে সাড়ে সাত মিলিয়ন ডলার ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ফোরজি লাইসেন্সের জন্য অপারেটরদের আবেদন ফি হিসেবে পাঁচ লাখ টাকা দিতে হবে। ১০ কোটি টাকায় লাইসেন্স এবং বার্ষিক লাইসেন্স নবায়ন ফি ৫ কোটি টাকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

ফোরজি সেবা সর্বস্তরে পৌঁছাতে কাজ শুরুর বাধ্যবাধকতা থ্রিজি লাইসেন্সের মতোই করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

“কল রেকর্ডের ক্ষেত্রেও আমার তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। অন্যান্য ক্ষেত্রে সে রকম কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি, যেমন ছিল তেমনই মোটামুটি রাখা হয়েছে।”

ফোরজি সেবার মাধ্যমে সেবার মান উন্নত হবে আশা প্রকাশ করে তারানা বলেন, “২০১৩ সালে স্পেকট্রাম (তরঙ্গ) অকশনের সময় অপারেটররা স্পেকট্রাম নেননি। তাই আমি মনে করি এই স্পেকট্রাম অকশনের মধ্য দিয়ে শুধু ফোর-জি সেবা জনগণের কাছে পৌঁছাবে সেটিই নয়, সেবার মানও উন্নত হবে।”

তরঙ্গ বরাদ্দের চূড়ান্ত নীতিমালায়, ‌১৮০০ মেগাহার্টজের তরঙ্গ নিলামে প্রতি মেগাহার্টজের ভিত্তিমূল্য ৩০ মিলিয়ন ডলার, থ্রি জির ২১০০ মেগাহার্টজের প্রতি মেগাহার্টজ ২৭ মিলিয়ন ডলার এবং ৯০০ মেগাহার্টজের প্রতি মেগাহার্টজ ৩০ মিলিয়ন ডলার ভিত্তিমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ফোরজি এবং তরঙ্গ নিলাম নিয়ে অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক করা হবে জানিয়ে তারানা হালিম বলেন, “মূল্যে পরিবর্তন করার আর ইচ্ছা নাই। যেমন আছে তেমনই থাকবে।

“ইমপ্লিমেন্টেশন, রোল আউট (বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু)- নিয়ে অপারেটরদের সাথে কথা বলে তাদের জন্য একটু সহজসাধ্য করে না দিলে, ঠিকভাবে রোল আউট করতে পারবে না।”

নিলামে অপারেটররা অংশ নেবে আশা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্পেকট্রাম কেনার ক্ষেত্রে কৃপণতা করার সুযোগ নাই। মার্জারের ( রবি-এয়ারটেল) পরে এখন মার্কেটে অনেক প্রতিযোগিতা। কিছু অপারেটরের টিকে থাকার প্রতিযোগিতা, কিছু অপারেটরের নাম্বার ওয়ানে যাওয়ার প্রতিযোগিতা।”

“কাজেই প্ল্যান সময় মতো করেছি, যাতে সবাই কেনেন। অপারেটরের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে মূল্যও কমিয়েছি। বলেছি, এবার কোয়ালিটি অব সার্ভিসের ব্যাপারে সরকার কোনো কমপ্রোমাইজ করবে না। টেক নিউট্রালিটি দিয়েছি, এটা তাদের দীর্ঘদিনের চাহিদা।”

এ সময় টেলিযোগাযোগ সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদারসহ বিটিআরসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রোহিঙ্গা সঙ্কট নিরসনে শেখ হাসিনার ৬ প্রস্তাব

আ’লীগ-বিএনপি-জাপার সঙ্গে ইসির সংলাপের সূচি চূড়ান্ত

আগামী ১৮ অক্টোবর ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে, তার আগে ১৫ অক্টোবর বিএনপি এবং তারও আগে আগামী ৯ অক্টোবর জাতীয় পার্টির সঙ্গে সংলাপে বসার কর্মসূচি চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আজ মঙ্গলবার ইসির ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, আগের দিন প্রধান এই ৩টি দলের সঙ্গে সংলাপের তারিখ চূড়ান্ত করেছেন তারা। এবার দলগুলোকে নিবন্ধনক্রমের নিচ থেকে (নিবন্ধন নম্বর ৪২ থেকে ১) আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেই হিসাবে জাতীয় পার্টির জন্য ৯ অক্টোবর, বিএনপির জন্য ১২ অক্টোবর ও আওয়ামী লীগের জন্য ১৫ অক্টোবর সংলাপসূচির প্রস্তাব করা হয়।
তবে সংলাপের বিষয়ে মতামত চাওয়া হলে প্রধান ২ দল তাদের সঙ্গে বসার তারিখ পেছাতে অনুরোধ করে বলে ইসি সচিব জানান। তিনি বলেন, বিএনপিকে প্রস্তাবিত সময়সূচি জানানো হলে দলের পক্ষ থেকে কর্মসূচির কথা বিবেচনায় নিয়ে ১৫ অক্টোবর আমন্ত্রণ জানানোর অনুরোধ করে। আওয়ামী লীগকে প্রস্তাবিত সময় নিয়ে চিঠি দিলে একনেক সভা ও মন্ত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের কথা বিবেচনায় নিয়ে ১৮ অক্টোবর সময়সূচি রাখার অনুরোধ আসে। হেলালুদ্দীন জানান, আগামী ১৯ অক্টোবরের মধ্যে নিবন্ধিত ৪০টি দলের সঙ্গে এবং নারী নেত্রী, পর্যবেক্ষক ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অক্টোবরের মধ্যে সংলাপ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।
প্রসঙ্গত আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান নিয়ে পরামর্শ পেতে গত ৩১ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বসার মধ্য দিয়ে সংলাপ শুরু করে নির্বাচন কমিশন। এরপর ১৬ ও ১৭ আগস্ট গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়ের পর ২৪ অগাস্ট থেকে দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ বসে ইসি।

পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যানটি বসছে যেকোন দিন, ৪৭ ভাগ কাজ শেষ

অবশেষে পদ্মা সেতুর প্রথম সুপার স্ট্রাকচার বা স্প্যানটি বসছে যেকোন দিন। এর মধ্যেই চূড়ান্ত করা হয়েছে স্প্যান বসানোর জন্য পদ্মাসেতুর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর দুটি পিলার।

এ দুটি পিলারের কংক্রিটিংয়ের কাজ শেষ হলেই স্প্যান বসানো হবে। চূড়ান্ত পরীক্ষা শেষে এ দুটি পিলারের মধ্যে প্রথম স্প্যানটি বসাতে এখন সমায়ের ব্যাপর মাত্র।

তবে নাব্যতা সংকটে স্প্যান বসানোর বিশেষ ক্রেনটি আসা যাওয়া করতে যাতে বাধা হতে না পারে সে লক্ষে পুরোদমে চলছে ড্রেজিং। নদীর পাড় থেকে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যে ও ৩ হাজার টন ওজনের এক একটি স্প্যান পিলারের কাজে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হবে বিশ্বের সবোর্চ্চ শক্তিসম্পন্ন ৩৬শ মেট্রিক টন ওজন বহনের ক্ষমতাসম্পন্ন একটি ক্রেন। এটি নদীতে চলাচল করতে ৫ মিটার গভীরতা প্রয়োজন হলেও সাধারনত পদ্মায় পানির গভীরতা থাকে ৩ মিটার। তাই দিনরাত্র এখানে ৮টি ড্রেজারের সাহার্য্যে পলি অপসারণ করা হচ্ছে। সেই সাথে দেশের দক্ষিনাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের অন্যতম প্রবেশ দ্বার শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে যানবাহন পারাপারের জন্য ফেরি চলাচলের বিষয়টিও মাথায় রাখছেন কতৃপক্ষ।

পদ্মাসেতুতে মূল পিলার হিসেবে থাকবে ৪২টি এছাড়াও দুই পারে আরো ১২টি করে ২৪টি পিলার থাকবে। অথাৎ দেশের বৃহৎ এই সেতুটিতে সর্ব মোট পিলার বসবে ৬৬টি। মূল ৪২টি পিলারের প্রতিটি পিলারে ৬টি করে পাইল বসবে এতে মোট পাইল বসবে ২৫২টি।  এর মধ্যে ১১৭টি পাইল ইতোমধ্যে পদ্মাবক্ষে স্থাপন করা হয়েছে। এ দিকে ৪২টি পিলারের উপর ৪১টি স্প্যান বা সুপার স্ট্যাকচার বসানো হবে। প্রতিটি সুপার স্ট্রাকচার বা স্প্যানের দৈর্ঘ ১৫০ মিটার এবং এর ওজন ৩ হাজার মে.টন। যার মধ্যে ২১টি স্প্যান ইতোমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে। এবং বাংলাদেশে এসেছে ১৪টি স্প্যান। এ গুলিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়াস্থ্য কুমারভোগে পদ্মাসেতু কনস্ট্রাকশন ইয়ার্ডে রাথা হয়েছে। এখানেই এগুলিকে ফিটিংসসহ নানা পরীক্ষা-নিরিক্ষা শেষে সেতুর উপর বসানো হবে। এর মধ্যে ৩টি স্প্যান ভর পরীক্ষাসহ সম্পূর্ণ রুপে প্রস্তুত করে করা হয়েছে। শুরু হয়েছে রংয়ের কাজও। আরও ৪টি স্প্যান প্রস্তুত করা হয়েছে। এ গুলিকেও ভর পরীক্ষা করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। মোট ৭টি স্প্যান প্রস্তুত এবং ৭টি সংরক্ষণে রয়েছে যার পিটিংস কাজ পর্যায়ক্রমে চলবে। এসব সুপার স্ট্রাকচার বা স্প্যান তৈরির কাজ চলছে চীনের সাং হাই শহরের সিং হোয়াং দাও কারখানায়। নদীর পাড় থেকে ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যে ও ৩ হাজার টন ওজনের এক একটি স্প্যান পিলারের কাছে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হবে বিশ্বের সবোর্চ্চ শক্তিসম্পন্ন ৩৬শ মেট্রিক টন ওজন বহনের ক্ষমতাসম্পন্ন ক্রেন। যা অনেক আগেই মাওয়াস্থ্য পদ্মাসেতু প্রকল্প এলাকায় পৌছেছে।

পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম বলেন, পদ্মাসেতুর কাজ পরিকল্পনা মাফিক এগিয়ে চলছে। কোন প্রতিকূলতাই আমাদের আঁচ করতে পারবে না। সব কিছু আমাদের আয়ত্বের মধ্যে আছে। প্রবল বর্ষণ আর তীব্র স্রোতের রাতেও আমাদের কাজ এগিয়ে চলছে। সার্বিক কাজের ৪৭ ভাগ কাজ ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আশা করা হচ্ছে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামি ১৫দিনের মধ্যে ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের উপর প্রথম সুপার স্ট্রাকচার বা স্প্যানটি বসানো সম্ভব হবে। হ্যামার জটিলতার কারণে কাজ ব্যাহত হলেও গত মাসে প্রকল্পে যোগ হয়েছে ১৯শ কিলোজুলের নতুন একটি হ্যামার। বর্তমানে তাই মোট দুটি হ্যামার দিয়ে কাজ করা সম্ভব হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের প্রতি আন্তরিকতার কমতি নেই: ওবায়দুল

 

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি :

মিয়ানমার থেকে প্রাণ হাতে এদেশে পালিয়ে আশা রোহিঙ্গাদের আন্তরিকতা ও সহানুভূতির কমতি নেই এদেশের মানুষের। সরকারি-বেসরকারি হস্তক্ষেপের আগে ভাগেই ক্ষুধার্থ রোহিঙ্গাদের মুখে খাওয়ার তুলে দেওয়া জন্য যেভাবে গ্রামের মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছে তাতে প্রশাসন অভিভূত বলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। সোমবার দুপুর ১২টার দিকে উখিয়ার ডিগ্রী কলেজস্থ এটিএম শহীদ জাফর আলম আরকান সড়কের উখিয়া ও কুতুপালং পর্যন্ত প্রসস্তিকরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন কালে তিনি আরো বলেন, ছড়িয়ে ছিড়িয়ে পড়া রোহিঙ্গাদের একত্রিত করা হবে। যাতে রোহিঙ্গাদের মানবিক সেবা দিতে প্রশাসনের কোন প্রকার ঝামেলা পোহাতে না হয়। রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৮টি লঙ্গরখানা খোলা হয়েছে। ১২টি স্পটে ত্রাণ বিতরণ করা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের জন্য অস্থায়ী বাসস্থান, স্বাস্থ্য সেবা, স্যানিটেশন সহ সবধরনের মানবিক সহায়তা দেব। বিশ্ব দরবারে জনমত গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করছে। মন্ত্রী বলেন, উখিয়া-টেকনাফে বর্তমানে যে সমস্ত রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে তাদেরকে সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করা হচ্ছে। যদিও ব্যাপক রোহিঙ্গা নাগরিকদের সেবা প্রদানে প্রশাসনের বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করতে একটু বিলম্বিত হচ্ছে। তথাপি এদেশের আশ্রিত কোন রোহিঙ্গাকে না খেয়ে মরতে দেওয়া হবে না। যতই রোহিঙ্গা আসুক না কেন তা নিয়ন্ত্রণে সরকার ও আন্তর্জাতিক ভাবে সাহায্য সহযোগিতা প্রদানের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বর্তমানে ৪ লাখ রোহিঙ্গা এদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তা যদি বেড়ে সাড়ে ৬ লাখে উপনিত হয় তাও তাদের মানবিক সেবা প্রদানে সরকার আন্তরিক। এসময় উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন, উখিয়া-টেকনাফের সাংসদ সদস্য আলহাজ্ব আব্দুর রহমান বদি, মহেষখালী-কুতুবদিয়া আসনের সাংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কক্সবাজার জেলা আওয়ামীগের সভাপতি এডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক মজিবুর রহমান চেয়ারম্যান, উখিয়া আওয়ামীগের সাধারন সম্পাদক চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী প্রমুখ। মন্ত্রী কুতুপালং প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত স্বাধীনতা চিকিৎসা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন এবং কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্প ঘুরে দেখেন। এরপর মন্ত্রী বালুখালী মাদরাসা মাঠে ৫ হাজার রোহিঙ্গাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। গতকাল সোমবার বিকেলে উখিয়া উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আওয়ামীগ নেতৃবৃন্দের নিয়ে বৈঠক করেন। এসময় মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে যে সমস্ত ত্রাণ সামগ্রী আসছে তা রোহিঙ্গাদের মাঝে সুষমবন্টন করতে নেতাকর্মীদের আন্তরিকতার সহিত কাজ করার নির্দেশ দেন। সাংবাদিকদের সাথে আলাপ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ ত্রাণসামগ্রী সুষ্ঠ বিতরণের লক্ষ্যে বিজিবি মোতায়নের উদ্দেগ নিয়েছে সরকার। ১২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশ্রিত রোহিঙ্গাদের অভাব অভিযোগ চাহিদা পুরনের লক্ষ্যে প্রশাসন পরিচালিত ৮টি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হবে।

দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু

রোববার থেকে দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে ঢাকা স্টক এক্সেচেঞ্জকে জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি।

এর আগে গত সপ্তাহের রোববার এটি আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বিএসসিএল ডিএসই’কে জানিয়েছে, দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত হওয়ায় কোম্পানিটি নতুন করে ১ হাজার ৫০০ গিগাবাইটের (জিবি) বেশি ব্যান্ডউইডথ পাচ্ছে।

কোম্পানিটির এমন ঘোষণার ফলে শেয়ারের মূল্য কিছুটা হলেও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

internet cable under sea-techsohor

গত বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ দিনে বিএসসিসিএল ১১৮ টাকা ৭০ পয়সায় দিন শেষ কলেও রোববার এই ঘোষণার পর থেকে ১১৯ টাকা ৫০ পয়সা শেয়ার মূল্য দিয়ে দিন শুরু করেছে।

এদিকে সাবমেরিন কেবল কর্তৃপক্ষ বলছে, গত বেশ কিছুদিন থেকেই এই কেবলের প্রায় ৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ তারা পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করছিলেন। এখন তা বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহার হবে।

নতুন এই কেবলের মাধ্যমে দেশ বাড়তি এক হাজার ৫০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ বেশী পাবে বলা হলেও এখন মাত্র ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ দেশের মধ্যে আনার স্বক্ষমতা আছে দেশের অভ্যন্তরের লিংকগুলোর। ফলে পুরো সেবা দেশের ভেতরে আসবে না।

কেবলেটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ২০ বছর। যায় ২৫ বছর পর্যন্ত বাড়তে পারে।

এদিকে কেবলটির সঙ্গে বাংলাদেশ গত ফেব্রুয়ারি মাসে সংযুক্ত হলেও এটি উদ্বোধন করতে এতো বিলম্ব হওয়ার বিষয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, অহেতুক সম্ভাবনা বিনষ্ট করা হয়েছে।

চলতি বছরের ৩১ জুলাই একবার এই ক্যাবলের উদ্বোধনের তারিখ দেয়া হয়েছিল। তার আগে মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে ক্যাবলটি উদ্বোধনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম। এছাড়া একাধিক সম্ভাব্য সময় ঘোষণা করেও কাজ শেষ করতে না পারায় এটি উদ্বোধন করা যাচ্ছিল না।

রাষ্ট্রায়ত্ব কোম্পানি বিটিসিএল সঞ্চালন লাইনের কাজ ঠিকমতো শেষ করতে না পারায় এতদিনের এই বিলম্ব।

গত ২৭ মার্চ ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের নির্বাহী কমিটির সভার আলোচনায় বলা হয়, দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পের কাজ শেষ করার জন্য ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। এখন কেনো এত বিলম্ব হচ্ছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিটিসিএল প্রতিনিধি তখন বলেছিলেন, এপ্রিলের মধ্যেই তারা ঢাকায় সংযোগ দিতে পারবেন।

বর্তমানে ভারত থেকে প্রায় ২৫০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ আসছে। আর বিএসসিসিএলের প্রথম ক্যাবল ১৮০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ দেশে ব্যবহার হচ্ছে।

২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো সাবমেরিন ক্যাবল ‘সি-মি-ইউ-৪’ এ যুক্ত হয়, যার মাধ্যমে এখন প্রায় ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ পাওয়া যাচ্ছে।

প্রতিমা বিসর্জন রাত আটটার মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আসন্ন দুর্গাপূজায় প্রতিমা বিসর্জন রাত আটটার মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মণ্ডপপ্রাঙ্গণে মেলা নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

 

রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবে আইনশৃঙ্খলার প্রস্তুতি নিয়ে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এবার সারা দেশে ৩০ হাজার ৭৭টি মণ্ডপে পূজা হবে, যা গতবারের চেয়ে ৭৭৭টি বেশি। গত বছর ২৯ হাজার ৩০০টি মণ্ডপে পূজা হয়েছিল। এ বছর রাত ৮টার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জন দিতে বলা হয়েছে। মণ্ডপের আশেপাশে, রাস্তায় কোন মেলা করা যাবে না।

 

আতশবাজির কারণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য বিভ্রান্তিতে পড়ে মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ কারণে কোনো ধরনের আতশবাজি না করতে নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ জানিয়েছি আমরা।

 

তিনি বলেন, এবার বিজয়া দশমীর দিন ও আশুরা মিলে যাওয়ায় হিন্দু নেতা ও শিয়া সম্প্রদায়ের নেতাদের একসঙ্গে বিসর্জনযাত্রা ও তাজিয়া মিছিলের সময় ও পথ ঠিক করতে বলা হয়েছে।

 

আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দূর্গোৎসব শুরু হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর বিসর্জনের মাধ্যমে শেষ হবে।

 

দেশজুড়ে পূজা মণ্ডপগুলোতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে একলাখ ৬৮ হাজার আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

 

সভায় উপস্থিত বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি জয়ন্ত সেন দীপু বলেন, আটটার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জনের অনুরোধ করা হয়েছে। তবে ইতিমধ্যে আমরা ১০টার মধ্যে বিসর্জন সম্পন্ন করার জন্য চিঠি দিয়েছি। স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করে যত তাড়াতাড়ি বিসর্জন সম্পন্ন করা যাবে, ততই ভালো হবে।

Scroll To Top