শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / কক্সবাজার

বিভাগ: কক্সবাজার

Feed Subscription

ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া (কক্সবাজার):
উখিয়ার প্রত্যন্ত হতদরিদ্র জনগোষ্ঠি অধ্যুষিত জনপদ রাজাপালং ইউনিয়নের করইবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদ ছুয়ে পানি পড়ছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে গিয়ে বই খাতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপরোন্তু শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গাছ তলায় বসে পাঠদান করতে হচ্ছে। লাইব্রেরীর ছাদের নিচে পলিথিন দিয়ে শিক্ষকেরা দায়িত্ব পালন করলেও শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে বিরাজ করছে ছাদ ধ্বসের আতংক।
সরেজমিন করইবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে এলজিইডির অর্থায়নে বিদ্যালয় ভবনটি নির্মিত হয়। শিক্ষকদের অভিযোগ গুনগত মান সম্পন্ন উপকরণ ব্যবহৃত না হওয়ার কারণে শ্রেণিকক্ষে ছাদ ছুয়ে পানি পড়ছে।
সহকারি শিক্ষিকা উর্মি সালমা জানায়, শ্রেণি কক্ষে পাঠদান করতে ভয় লাগে। কখন জানি প্রাকৃতিক দূর্যোগে স্কুল ভবনটি ধ্বসে পড়ে। প্রথম শিফটে পঞ্চম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি ও প্রথম শ্রেণি এ তিনটি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বৃষ্টিভেজা বেঞ্চে বসে পড়ালেখা করছে। পঞ্চমশ্রেণির ছাত্র হারুনুর রশিদ জানায়, শ্রেণিকক্ষের প্যালেস্তরা খসে পড়ার আশংকায় পড়ালেখায় মন বসে না।
বিদ্যালয়ের উঠানের সামনে গাছতলায় পাঠদান করাচ্ছে প্যারা শিক্ষক ইয়াছমিন আক্তার। শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গাছতলার মাটিতে বসে পড়াতে হচ্ছে। তবে বৃষ্টি হলে ছুটি দিতে হয় বলে ওই শিক্ষক জানান। বিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে গিয়ে দেখা যায়, ছাদের নিচে পলিথিন দিয়ে শিক্ষক শিক্ষিকারা দায়িত্ব পালন করছে।
প্রধান শিক্ষক মাস্টার জানে আলম জানায়, বিদ্যালয় ভবনটি ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ার পরও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করাতে হচ্ছে। তিনি জানান, গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে শ্রেণির কক্ষের আসবাবপত্র, লাইব্রেরীর আনুসাঙ্গিক সরঞ্জামাদি বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ে একটি নতুন ভবন তৈরি প্রস্তাবনা অনুমোদন হলেও বাস্তবায়নের উদ্যোগ বিলম্বিত হচ্ছে বিধায় প্রাকৃতিক দূর্যোগ, দূর্ঘটনার আশংকা নিয়ে স্কুলের দায়িত্ব পালন করে যেতে হচ্ছে।
৫ জন শিক্ষক প্রায় ৪শতাধিক শিক্ষার্থীকে ঝুঁকিনিয়ে পড়ালেখা করতে হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বাবু সুব্রত কুমার ধর জানান, তিনি বিদ্যালয়ের নাজুক পরিস্থিতি দেখেছেন। নতুন ভবন নির্মিত না হওয়া পর্যন্ত এভাবে চলতে হবে বলে তিনি তার মতামত ব্যক্ত করেন।
পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইকবাল মনির জানান, বিদ্যালয়টি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মিত না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোন নিরাপদ স্থানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানোর অনুমতি এবং ব্যবস্থা নেওয়া শিক্ষা কর্মকর্তার নৈতিক দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।

উখিয়ায় ইয়াবা সহ আটক ৪

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া:
উখিয়া থানা পুলিশ উপজেলার সোনার পাড়া বাজার এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৩২৫ পিস ইয়াবা সহ ৪ জনকে আটক করেছে। বুধবার ভোরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উখিয়া থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক মোঃ আমিন উল্লাহর নেতৃত্বে একদল পুলিশ। আটককৃতরা হল মোঃ জসিম উদ্দিন, আরিফুর রহমান, মুবিন উল্লাহ ও মাহমুদুল হক। ধৃত ব্যক্তিরা উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনার পাড়া এলাকার বলে পুলিশ জানিয়েছেন। ধৃতদের সন্ধ্যার দিকে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির করা হলে ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অপরজনের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয় বলে উখিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

চকরিয়ার কৃতি সন্তান আব্দুল্লাহ এখন জেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট

বি,এম হাবিব উল্লাহ, চকরিয়া(কক্সবাজার)প্রতিনিধি-
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দা আব্দুল্লাহ এখন শরীয়তপুর জেলা সদরের জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। আগামী জানুয়ারী ১০১৮ সালে তার প্রথম কর্মস্থলে যোগদানের কথা রয়েছে। আব্দুল্লাহ খান খুটাখালী ইউনিয়নের শিয়াপাড়া গ্রামের বাবা ইউসুফ আলী ও মা মিসেস তাজমুন নেছার পুত্র । আব্দুল্লাহ ২০০৭ সালে খুটাখালী কিশলয় আদর্শ শিক্ষা নিকেতন থেকে এসএসসি, ২০০৯ সালে চট্টগ্রাম সরকারী সিটি কলেজ থেকে এইচএসসি পরবর্তি ২০১৪ সালে জগন্নাত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি (অনার্স) পরে ২০১৫ সালে এলএলএম ডিগ্রী অর্জন করেন। পরে চলতি ৩৫ তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস পরীক্ষায় তিনি সফলতার সাথে উত্তীর্ণ হয়।

নাফনদীতে নিখোঁজ জেলের লাশ উদ্ধার

টেকনাফ প্রতিনিধি:: নাফনদীর জাদিমুরা বরাবর মাছ শিকারে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া জেলে নুরুল আলম (৩৫) এর লাশ উদ্ধার করেছে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ। সে জাদিমুরা এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে। ২৬ জুলাই বেলা ১১ টার দিকে থানার এসআই মাহির উদ্দিন খাঁন নেতৃত্বে একদল পুলিশ শাহপরীরদ্বীপ জেটিঘাট এলাকা থেকে তার লাশটি উদ্ধার করে।

 

টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইন উদ্দিন খাঁন জানান, উদ্ধার হওয়া জেলের পরিচয় লাশটি তাদের পরিবারের সনাক্ত করেছে এবং পরিবারের নিকট হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

 

উল্লেখ্য, গত ২৪জুলাই সকালে উপজেলার হ্নীলা দক্ষিণ জাদিমোরাস্থ নাফনদীতে মোস্তাক আহমদের পুত্র নোম্মাল হাকিম (৩০) ও উদ্ধার হওয়া জেলে মৃত হাবিব উল্লাহর মেয়ে জামাই নুর আলম (৩৫) ভাসা জাল নিয়ে ইলিশ মাছ শিকারে যায়। মাছ শিকাররত অবস্থায় প্রবল বৃষ্টি আর ঝড়ো হাওয়ায় কবলে পড়ে জইল্যারদ্বীপ সংলগ্ন নাফনদীতে নৌকাটি ডুবে যায়। ঐসময় জইল্যারদ্বীপে গিয়ে বিহিঙ্গী জালের ভেতর হতে লোকমাল হাকিমকে ডুবে যাওয়া নৌকা থেকে উদ্ধার করে। এরপর থেকে উদ্ধার হওয়া নুরুল আলম নিখোঁজ ছিল।

দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার

কক্সবাজারের টেকনাফে দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন (বিজিবি)। ২৫ জুলাই রাতে সাবরাং ইউপির কাটাবনিয়া কবরস্থান এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়-বিক্রয়ের সময় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে দুই ব্যক্তি একটি ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়।

 

এব্যাপারে টেকনাফ ২ ব্যাটালিয়ন বিজিবির অতিরিক্ত পরিচালক শরীফুল ইসলাম জোমাদ্দার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞাপ্তির মাধ্যমে জানান, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কিছু দুস্কৃতকারী, সন্ত্রাসী ঐ এলাকায় দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ক্রয়-বিক্রয় করবে- এমন সংবাদে নাজিরপাড়া বিওপির হাবিলদার মো. নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল ঐ স্থানে অবস্থান নেয়। এসময় দুই ব্যক্তিকে একটি ব্যাগ হাতে আসতে দেখে সন্দেহ হওয়ায় চ্যালেঞ্জ করে। এমতাবস্থায় অস্ত্র পাচারকারীদ্বয় তাদের হাতে থাকা ব্যাগটি ফেলে পালিয়ে যায়। এসময় দু’টি আগ্নেয়াস্ত্র ৩ রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও কার্তুজ টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

 

ঈদগাঁওতে ৯টি পয়েন্ট দিয়ে ইয়াবা পাচার

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: মিয়ানমারে তৈরি মরণ নেশা ইয়াবা এখন কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও এলাকার চিহ্নিত কিছু স্থান থেকে পাচার হচ্ছে নিয়মিত। এসমস্ত ইয়াবা পাচার নিয়ন্ত্রণ ১৮-২০ সদস্যের সিন্ডিকেটের হাতে। মায়ানমার সীমান্তবর্তী উপজেলা নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমসহ গভীর বনজঙ্গল ঘেরা অরক্ষিত বিভিন্ন চোরা পথ দিয়ে গর্জনিয়া-বাইশারী ও সন্ত্রাস কবলিত ঈদগড় সড়ক হয়ে এবং কক্সবাজার শহর থেকে একমাত্র যানজট ও পুলিশ টহলমুক্ত খুরুষ্কুল-চৌফলদন্ডী সড়ক ব্যবহার করে হাজার হাজার ইয়াবা ট্যাবলেট ঈদগাঁও ইয়াবা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পাচা হচ্ছে।
এক নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, সিন্ডিকেট সদস্যরা নানা কৌশল অবলম্বন ও সুযোগ বুঝে গভীর রাতে ঈদগাঁও বাসস্টেশন গরু বাজার সংলগ্ন জাগির পাড়া রোড, সওদাগর পাড়া, দরগাহ গেইট পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের আশপাশ এলাকা, ইসলামাবাদ শাহ ফকির বাজার, বাশঘাটা, ইসলামপুর বটতলী স্টেশন, গজালিয়া বাবুল ফকিরের আস্তানা, ঈদগড় বড়বিল সড়ক, চৌফলদন্ডী, নতুন মহাল, পোকখালী দক্ষিণ নাইক্ষ্যংদিয়াসহ একাধিক স্থান পরিণত করেছে ইয়াবা পাচারের ট্রানজিট পয়েন্ট।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইসলামাবাদের খোদাইবাড়ী গ্রামের ইয়াবা ও মাদক সেবনকারী ব্যক্তি বলেন, এসমস্ত স্পট থেকে সে এবং তার সহপাঠিরা সহজে ইয়াবা সংগ্রহ করে থাকে। আরেক সূত্র জানায়, বিগত এক বছরে এসব স্থান থেকে ৩শ, ৪শ, ৫শ করে অসংখ্য চালান বাহিরে পাচার হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে পুলিশ ইয়াবা পাচারকারীদের আটক করে মামলার মাধ্যমে তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করলেও পরবর্তীতে তারা আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে বের হয়ে যায়। তারপর কোন হদিস মিলেনা।
সূত্র জানায়, আটককৃতরা স্বল্প সময়ের মধ্যে বিভিন্ন মাধ্যমে জেল হাজত থেকে বেরিয়ে পড়ে আবারো ইয়াবা পাচারে জড়িয়ে পড়ে। বাস্তবতা হচ্ছে মাঝে মধ্যে চুনোপুটি পাচারকারীরা ধরা পড়লেও ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে যায় মূল হোতারা। ঈদগাঁও কেন্দ্রীক ইয়াবা সিন্ডিকেট রাজনৈতিক নাম ব্যবহার করে এ ব্যবসা চালাচ্ছে। আবার অনেক সময় ছাত্র রাজনীতির আড়ালেও ইয়াবা পাচার হচ্ছে বলে অনেকের অভিযোগ। চোরাই পথগুলো দিয়ে প্রথমে সিন্ডিকেটের হাতে আসে। পরে সেখান থেকে চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হয়। ১৮-২০ সদস্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এ ইয়াবা সিন্ডিকেট তাদের পছন্দমত এ ৯ স্থান থেকে তাদের সুবিধামত সময় সুযোগে ইয়াবা পাচার করে থাকে। বিশেষ করে ইসলামাবাদ হরিপুরের শামসুল আলম ও তার স্ত্রী রেহেনা বেগম প্রকাশ রানু মাদক বেচাকেনায় শীর্ষে রয়েছে বলে সূত্রে জানা গেছে। তাদের বিষয়ে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক সভায় একাধিকবার অবহিত করার পরও কোন ব্যবস্থা নেননি বলে জানান একজন মুক্তিযোদ্ধা।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রনজিত কুমার বড়–য়া জানান, আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। ইয়াবাসহ মাদক রোধে অভিযান পরিচালনা করে আসছি। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। মূল হোতাদের চিহ্নিতসহ গ্রেফতারের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। ইয়াবা আসক্তদের মধ্যে রয়েছে কিশোর তরুণ, স্কুল-কলেজ পড়–য়া তরুণরা বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে বা হতাশায় বেশি হারে ইয়াবা ও মাদকাসক্ত হচ্ছে। ব্যক্তি ও পারিবারিক পর্যায়ে অসচেতনতা এবং অশিক্ষার কারণে ইয়াবা আসক্ত হওয়ার ঘটনা ঘটছে।
ঈদগাঁও ফরিদ আহমদ কলেজের প্রভাষক নাজিম উদ্দীন বলেন, ঈদগাঁওর প্রতিটি স্তরে মাদক মৃত্যু ছোবল হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। আগামী প্রজন্ম যাদের উপর এ দেশ গড়ার ভার তারাই যদি মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে তবে দেশের ভবিষ্যত তো অন্ধকার!
কক্সবাজার সরকারী কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সুলতান আহমদ বলেন, প্রতিনিয়ত মাদকের করাল গ্রাসে থমকে যাচ্ছে সম্ভাবনাময় একেকটি অধ্যায়। তাই ছাত্রসমাজকে ইয়াবা, মাদকাসক্তি থেকে বাঁচাতে অভিভাবক, শিক্ষকসহ সমাজের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।
এক প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, বৃহত্তর ঈদগাঁওতে কত ইয়াবা সেবি রয়েছে এর কোন সঠিক হিসাব নেই। তবে ধারণা করা হচ্ছে ৩ থেকে ৪ হাজার। কারো মতে এ সংখ্যা আরো বেশি। এর মধ্যে সরকারী-বেসরকারী, চাকরীজীবীসহ জনপ্রতিনিধিও রয়েছেন। বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে। স্কুলের গন্ডি পেরিয়ে কলেজে পা রেখেই অসৎ সঙ্গে এসব মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে তরুণরা। এতে শেষ হয়ে যাচ্ছে তাদের শিক্ষা জীবন।
তথ্য মতে দেখা গেছে, ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সী ইয়াবা সেবির সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ২৮.৩৭ শতাংশ, ১৯.৭৫ শতাংশ মাধ্যমিক স্কুল পরীক্ষা পাশ উচ্চ শিক্ষিতদের তুলনায় কম শিক্ষিত ও অশিক্ষিতদের মধ্যে মাদক ও ইয়াবা আসক্তির হার বেশি। ৮.৪৭ শতাংশ মাদকসেবি প্রথম মাদক গ্রহণ করেছে বন্ধুর প্রভাবে। বেশির ভাগ মাদকাসক্ত বেকার বা কর্মহীন জীবন কাটাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকসেবির সংখ্যা বিপুল হারে বাড়ছে এমন উদ্বেগের কথা জানালেন সচেতন মহল। শুধু তাই নয়, অনেক শিক্ষার্থী মাদক পাচারেও ব্যবহৃত হচ্ছে। অনেক সময় পরীক্ষায় ভাল ফলাফল করতে না পারায় পারিবারিক ও সামাজিকভাবে হেয় হওয়া, প্রেমঘটিত কারণসহ নানা কারণে শিক্ষার্থী মাদকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে বলে মনে করছেন অনেকে। কয়েক শিক্ষার্থীর অভিভাবক কোমলমতি শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক পর্যায় থেকেই মাদকের কুফল সম্পর্কে সচেতন করতেই মাদক প্রতিরোধক কোন ব্যবস্থা আছে কিনা জানতে চান তারা।
ঈদগাঁও পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ খায়রুজ্জামান বলেন, এলাকায় কে বা কারা ইয়াবা মাদক বিক্রির সাথে জড়িত সঠিক কোন তথ্য নেই। তবে কেউ এসব মাদক ব্যবসায়ী ও পাচারকারীদের তথ্য দিতে পারলে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিবেন তিনি।

বকেয়া টাকার জন্য গরু চুরি, ৩দিন পর উদ্ধার

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি, বকেয়া টাকা না দেওয়ায় দেনাদারের আত্মীয়ের গরু চুরি করে আটক হয়েছে পাওনাদার। পুলিশ ও জনপ্রতিনিধিদের রূদ্ধশ^াস অভিযানে বাছুরসহ ৪টি গরু উদ্ধার করে গৃহস্থের কাছে হস্তান্তর করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁওতে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, পাশর্^বর্তী উপজেলা রামুর ঈদগড়ের ছগিরাকাটার মহিলা মেম্বার শাহেনা আক্তারের স্বামী মোস্তাক আহমদের সাথে ঈদগাঁও মাইজ পাড়ার জুলুর পুত্র ইসহাক প্রকাশ টুলুর দীর্ঘদিন কাঠ ব্যবসা ছিল। এ সুবাদে মোস্তাক আহমদ থেকে ১২ হাজার টাকা পাওনা ছিল। বিভিন্ন জনকে অভিযোগ করার পরও তার শ্রমের টাকা না পেয়ে প্রতিশোধ হিসাবে ক্ষিপ্ত হয়ে গত জুমাবার তার এক নিকটাত্মীয় আবুল কাশেমের স্ত্রী ফাতেমা খাতুনের ৪টি গরু বাছুরসহ নিয়ে আসে। ঐদিন মহিলা মেম্বার শাহেনা আক্তারসহ তার স্বামী মোস্তাক গরুর সন্ধানে পাহাড়ী অঞ্চলে খোঁজাখুজি করে। এক পর্যায়ে তারা ঈদগাঁও ভাদিতলায় পৌছলে প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজন গরুগুলো মাইজ পাড়ার জুলুর পুত্র ইসহাক প্রকাশ টুলু নিয়ে গেছে খবর পেয়ে তাৎক্ষনিক তারা বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলমকে জানালে তিনি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে অভিযোগ দায়েরের পরামর্শ দেন। এর প্রেক্ষিতে তদন্ত কেন্দ্রের এসআই দেবাশীষ সরকার তার বাড়ীতে অভিযানে গেলে কৌশলে টুলু গরুগুলো খুরুশকুল তার অপর আত্মীয়ের বাড়ীতে রাখা অবস্থায় ব্রীজের উপর এনে বেঁধে রাখতে বলে। এসময় পুলিশ ও স্থানীয় চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম এমইউপি মমতাজুল হক ও বজলুর রশিদ টুলুকে একাধিকবার কল করলেও সে গরু নেয়নি বলে জানায়। পরবর্তীতে টুলু পুনরায় মেম্বারকে ফোন দিয়ে গরুগুলো খুরুশকুল ব্রীজের উপর রয়েছে বলে জানায়। তাৎক্ষনিক চেয়ারম্যান, মেম্বার, চৌকিদার গিয়ে গরুগুলো উদ্ধার করে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিয়ে আসে। পরে অপর এক অভিযানে জড়িত থাকার অভিযোগে টুলুকেও আটক করা হয়। তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ খায়রুজ্জামান ও চেয়ারম্যান ছৈয়দ আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

কক্সবাজারে স্কুল ছাত্রী ৮দিন ধরে নিখোঁজ

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: কক্সবাজার শহরে প্রাইভেট পড়তে বেরিয়ে গত আটদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছে এক স্কুল ছাত্রী। নিখোঁজের পর দিন থেকে নানা জায়গায় খোঁজ করেও না পেয়ে এক সপ্তাহর মাথায় নিখোঁজ ডায়রি করেছেন শিক্ষার্থীর মা। কোন দুর্বৃত্ত চক্রের হাতে পড়ার সন্দেহে পরিবারে চরম উৎকন্ঠা বিরাজ করছে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীর নাম ইশরাত জাহান এশা (১৪)। সে কক্সবাজার পৌরসভার পূর্ব পাহাড়তলীর ইছুলেরঘোনা এলাকার মুহাম্মদ শরীফের মেয়ে ও কক্সবাজার বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া একাডেমীর ৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। তার নিখোঁজের বিষয়ে মা রশিদা বেগম সাধারণ ডায়রি করেন। যার নম্বর-১৬৫৬।
নিখোঁজের মা রশিদা বেগম নিখোঁজ ডায়রিতে উল্লেখ করেন, শহরের টেকপাড়াস্থ ফ্যাশন টেইলার্সের পেছনে এক শিক্ষকের কাছে অন্য সহপাঠিদের সাথে প্রাইভেট পড়ত এশা। প্রতিদিনের মতো গত ১৮ জুলাইও বিকাল ৪টার দিকে স্কুল ড্রেসের সাদা ফ্রক, সবুজ প্যান্ট ও কেডস্ এর সাথে কালো বোরকা পড়েই প্রাইভেটের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হয় সে। নিত্যদিন সন্ধ্যার আগে বাড়ি ফিরলেও সেদিন সন্ধ্যার পরও বাড়ি না ফেরায় তাকে সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করা হয়। কিন্তু কোথাও তার খোঁজ মেলেনি। ৫ ফুট ২ ইঞ্চি উচ্চতার হালকা পাতলা গড়নের ফর্সা এশা সাধু ও আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে। তাকে কেউ কোথাও দেখে থাকলে ০১৮১৭২৫৭৭০২ নাম্বারে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেন তিনি।
তিনি আরো বলেন, এশা কখনো কোথাও যেত না। হঠাৎ তার নিরুদ্দেশ পরিবার জুড়ে হতাশা ও আতংক বিরাজ করছে। সে কোন দুর্বৃৃত্ত চক্রের হাতে পড়েছে কিনা এনিয়েই চরম দুশ্চিন্তায় সময় কাটছে বাড়ির সবার।

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছি্ন্ন

সপ্তাহকাল ধরে টানাবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উখিয়ার অধিকাংশ গ্রাম ফের প্লাবিত হয়েছে। জলাবদ্ধতার কারণে বন্ধ রয়েছে আমন চাষাবাদ। গ্রামীণ সড়ক ও আরাকান সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ার কারণে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
দুর্ভোগে পড়েছেন শত-শত যাত্রী সাধারণ। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে টর্নেডোর আঘাতে রহমতের বিল ও ধামনখালীতে ২০টি বসতবাড়ি ও মসজিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
গত ৬ জুলাই এ উপজেলায় আকস্মিক বন্যায় প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়ে ৫ শতাধিক বসতবাড়ি সম্পূর্ণ ও আংশিক বিধ্বস্ত হয়। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় আমন বীজতলা ও গ্রামীণ জনপদের।
এসময় পানিতে পড়ে ও পাহাড়ধসে নিহত হয়েছে ৪ জন। উপজেলা প্রশাসন ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার তথ্য মতে, ৫টি ইউনিয়নে প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর আগে ঘূর্ণিঝড় মোরায় আক্রান্ত হয়ে বিপর্যস্ত জনজীবনের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে না উঠতেই ফের বন্যার আশংকায় গ্রামীণ জনপদের সাধারণ মানুষ আতংকে রয়েছে বলে জানা গেছে।
গত ৭ দিনের টানাবর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার নিম্নঞ্চল প্লাবিত হয়ে বন্যা পরিসি’তির সার্বিক অবনতি হয়েছে বলে আক্রান্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের অভিযোগ।
রাজাপালং ইউনিয়নের হরিণমারা, আমিনপাড়া, দোছরী, হারাশিয়া, কাশিয়ার বিল, হিজলিয়া, কুমার পাড়া, পালংখালী ইউনিয়নের আনজুমানপাড়া, রহমতের বিল, ধামনখালী, বালুখালী, থাইংখালী, তেলখোলা-মোছারখোলা, রত্নাপালং ইউনিয়নের ভালুকিয়া, রত্নাপালং, থিমছড়ি, তুলাতলী, তেলীপাড়া, খোন্দকার পাড়া, টেকপাড়া, হলদিয়াপালং ইউনিয়নের চৌধুরী পাড়া, মনির মার্কেট, রুমখাঁ বাজার পাড়া, নাপিত পাড়া, বৌবাজার, মরিচ্যা প্রভৃতি এলাকা প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে ১০ হাজারেরও অধিক লোকজন।
কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের পানেরছড়া, কাটির মাথা, চাকমা পাড়া, সাদৃকাটা, থাইংখালী, বালুখালী, কাস্টমস এলাকায় সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হওয়ার কারণে গত ২ দিন ধরে দূরপাল্লার যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
ফলে দুর্ভোগে পড়েছে শত শত যাত্রী ও ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন। পালংখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, গতকাল মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে রহমতের বিল ও ধামনখালী গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া টর্নেডোর আঘাতে ২০টি বসতবাড়ি, মসজিদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। লন্ডভন্ড হয়ে গেছে বসতভিটার ফলজ ও বনজ গাছগাছালি।
তিনি জানান, সাম্প্রতিক সময়ে বয়ে যাওয়া বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় মোরায় আক্রান্তদের ওপর চলমান ভারীবর্ষণ, জলাবদ্ধতা মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ে পরিণত হয়েছে। তিনি অবিলম্বে বন্যাদুর্গত এলাকায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।্ন

টেকনাফে টর্নেডোর আঘাত দুই শতাধিক ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড

টেকনাফ প্রতিনিধি::

কক্সবাজারের টেকনাফে টর্নেডোর আঘাত দুই শতাধিক ঘরবাড়ি, দোকানপাট লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় টর্নেডো আঘাত হানে।
সরেজমিনে দেখা যায়, টর্নেডোর আঘাতে ওই তিনটি ওয়ার্ডে অধিকাংশ ঝুপড়ি ঘর, টিনশেড ঘর, সেমিপাকা ভবন, দোকানপাট, সীমানাপ্রাচীর, বিদ্যুতের খুঁটি, গাছপালা ভেঙে পড়ে লন্ডভন্ড করে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত মানুষগুলো খোলা আকাশের নিচে রয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় মোরার আঘাতে ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ানোর কয়েক দিনের মধ্যে আবার টর্নেডো আঘাত হানল এসব এলাকায়।
ক্ষতিগ্রস্ত টেকনাফ মধ্যম জালিয়াপাড়ার গৃহবধূ খুরশিদা খাতুন বলেন, ‘আমাদের সবকিছু শেষ করে দিল।’
স্থানীয় লোকজন জানান, মোরার আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও সরকারিভাবে মাত্র ১০ কেজি চাল ছাড়া আর কোনো ত্রাণসহায়তা পাননি তাঁরা। আজ এ টর্নেডো প্রায় ৪ থেকে ৫ মিনিটেরও কম সময়ের আঘাতে বৈদ্যুতিক খুঁটি, গাছপালা, ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড করে গেছে। ঘরবাড়ির চালা, গাছপালা ও টিন পড়ে অনেকে আহত হয়েছেন। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করতে দুপুরের পর থেকে পৌরসভা কাজ করছে।
টেকনাফ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী ব্যবস্থাপক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, টর্নেডোর আঘাতে তিনটি খুঁটি ভেঙে গেছে। গাছপালা পড়ে অর্ধশতাধিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। সেগুলো মেরামতের জন্য লোকজন পাঠানো হচ্ছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে টেকনাফ পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। টর্নেডোর আঘাতে তিনটি ওয়ার্ডে দুই শতাধিক ঘরবাড়ি লন্ডভন্ড হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যাতে দ্রুত ত্রাণসহায়তা পায়, সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’

Scroll To Top