শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / শিক্ষা ও প্রাসঙ্গিক

বিভাগ: শিক্ষা ও প্রাসঙ্গিক

Feed Subscription

“শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করন সময়ের দাবী”

শিক্ষকরাই হচ্ছেন জাতি গড়ার কারিগর। মানুষ গড়ার কারিগর শিক্ষক সমাজ আজ বঞ্চনার শিকার। এমপিওভুক্ত সাড়ে ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীদের তাঁদের ন্যায্য পাওনা আদায়ের লক্ষ্যে বারবার রাস্তায় নামতে হচ্ছে বা আন্দোলন করতে হচ্ছে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীগণ মূল বেতন স্কেলের সাথে ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি সহ সুযোগ-সুবিধার আশ্বাসে টাইমস্কেল বন্ধ করে দেয়া হয়। এখন শিক্ষকরা না পাচ্ছেন ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি, না পাচ্ছেন টাইমস্কেল। বাড়িভাতা ১০০০ টাকা, চিকিৎসাভাতা ৫০০ টাকা, উৎসবভাতা সরকারি চাকরিজীবীদের চারভাগের একভাগ।বৈশাখীভাতা প্রদানের আশ্বাস দিলেও শিক্ষকদের রাস্তায় নেমে মানববন্ধন, সভা-সমাবেশ করে ও কোন  সুফল আসেনি , উল্টো গত ১৫ ও ২০ জুন পৃথক দুইটি গেজেটের মাধ্যমেঅবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টেরবিদ্যমান চাঁদার হার ৬% এর পরিবর্তে মূল বেতনের ১০ % উন্নীত করেন,চাঁদার হার বাড়ালেও শিক্ষকদের অবসর সুবিধা থাকবে আগের মতোই। এরপর থেকেই অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়ে ৫ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে।সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়, যার প্রতিফলন ঘটে দেশের শীর্ষ স্থানীয় দৈনিক সংবাদ পত্র সমূহে ।অবশেষে গত ২০/০৭/২০১৭ ইং মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয় এক বিবৃতির মাধ্যমে অবসর সুবিধা বোর্ড ও কল্যাণ ট্রাস্টে অতিরিক্ত কর্তনের গেজেট অনির্দিষ্ট কালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন ।

উল্লেখ্য, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়েকর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীরা ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি, মূল বেতনের ৪৫% বাড়িভাতা, ১৫০০ টাকা চিকিৎসাভাতা, ১০০% উৎসব ভাতা, ২০%  বৈশাখীভাতা ,যাতায়াত ভাতা ,শ্রান্তি বিনোদন ভাতা, ভ্রমনভাতা, স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ ,আবাসন সুবিধা,পেনশন সহ সরকারের দেয়া সকল সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন।

অথচ এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীরা প্রারম্ভিক বেতনের সাথে বাড়িভাতা ১০০০ টাকা, চিকিৎসাভাতা ৫০০ টাকা, উৎসবভাতা সরকারি চাকরিজীবীদের চারভাগের একভাগ । আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ বিশ্বের অনেক দেশে শিক্ষকদের সর্বোচ্চ সম্মানী প্রদান করা হয়। শিক্ষার যাবতীয় দায়িত্ব রাষ্ট্রের যেখানে সরকারী বেসরকারি বিভাজন নেই।

আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা সরকারি ও বেসরকারি ছাড়া ওবহুধা বিভক্ত। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী সরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার সংখ্যা হচ্ছে মাত্র ২% এবং বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদরাসার সংখ্যা হলো ৯৮%। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকগণ শুধুমাত্র মূল বেতন ও নামমাত্র সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন।

২০১০ সালের শিক্ষানীতি অনুযায়ী শিক্ষকদের জন্য স্বতন্ত্র বেতন স্কেল প্রদানের অঙ্গীকার রয়েছে। যা আজও আলোর মুখ দেখেনি। উল্লেখ্য, সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একই সিলেবাস ও একই যোগ্যতাসম্পন্ন শিক্ষকরা শিক্ষা দিয়ে থাকেন। সঙ্গত কারণে কেন বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীরা আজ এই বৈষম্যের শিকার? কেন শিক্ষকগণ তাঁদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত? মূল বেতন স্কেল প্রদান করা স্বত্ত্বেও কেন তাঁরা আনুসাঙ্গিক সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত? কেন বেসরকারি শিক্ষকরা বৈশাখীভাতা, পূর্ণাঙ্গ বাড়িভাতা, পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাভাতা, পূর্ণাঙ্গ উৎসবভাতা ও বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট থেকে বঞ্চিত? কেন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহকেজাতীয়করণ করা হচ্ছে না? কেন আংশিকভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করা হচ্ছে? কেন বেসরকারি শিক্ষকদের অবহেলায় চোখে দেখা হচ্ছে? দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৈশাখীভাতা, ইনক্রিমেন্ট এবং পূর্ণাঙ্গ উৎসব বোনাস, বাড়িভাতা ও চিকিৎসাভাতাসহ বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন, মিছিল, সভা-সমাবেশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্ঠি আকর্ষণের চেষ্টা করাহয়েছে। জাতির জনকের কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরতে পারলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি শিক্ষকদের চাকুরী জাতীয়করণের ঘোষণা দিয়ে সরকারী বেসরকারি বৈষম্য দূরীকরণে সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন ।

যেমনি ভাবে১৯৭২-৭৩সালেজাতিরপিতাবঙ্গবন্ধুশেখমুজিবুররহমানসদ্যস্বাধীনদেশের৩৬,০০০এরঅধিকসংখ্যকপ্রাথমিকবিদ্যালয়জাতীয়করনকরেবাঙ্গালীজাতিরভবিষ্যৎপ্রজন্মেরশিক্ষারভিত্তিপ্রস্তরস্থাপনকরেনবদিগন্তেরসূচনাকরছিলেন।একবিংশশতাব্দীরবাঙ্গালীজাতিরআইকনমাননীয়প্রধানমন্ত্রীশেখহাসিনা২০১৪সালে২৬০০০এরঅধিকসংখ্যকরেজিস্টার্ডপ্রাথমিকবিদ্যালয়জাতীয়করনকরেপ্রাথমিকশিক্ষাকেপূর্ণতাদানকরেছিলেন।সেইদিনআরবেশীদুরেনয়, যেদিনবঙ্গবন্ধুকন্যাসমগ্রশিক্ষাব্যবস্থাজাতীয়করনকরেএদেশকেমধ্যমআয়েরদেশহিসেবেউন্নতদেশগুলোরকাতারেপৌছেঁ দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রনী ভুমিকা পালন করবেন ।তাই এদেশের পাঁচ লক্ষাধিক বেসরকারি শিক্ষকদের বিশ্বাস, যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে শিক্ষক নেতৃবৃন্দ বোঝাতে সক্ষম হন তাহলে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদরাসাকে জাতীয়করণ করে ইতিহাসের পাতায় চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহ

বিগত ৩০ নভেম্বর ২০১৫ইং সোমবার সাবেক শিক্ষা সচিব মো. নজরুল ইসলাম খানমাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতে গেলে বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসা জাতীয়করণে সরকারের ব্যয় কত হবে ? সরকারি সুযোগ-সুবিধার বাইরে মোট কতটি প্রতিষ্ঠান রয়েছেতা জানতেচেয়েছিলেন? প্রধানমন্ত্রী জানতে চান, দেশের সব স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসা জাতীয়করণে সরকারের অতিরিক্ত কত খরচ হতে পারে, মোট কয়টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে? প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নের জবাবে সাবেক শিক্ষা সচিব মো. নজরুল ইসলাম খানজানিয়েছিলেন, সারাদেশে প্রায় ৩০ হাজারের মতো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের বাইরে রয়েছে। এগুলো জাতীয়করণ করতে সরকারের প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। সব শুনে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ঠিক আছে, জাতীয়করণের লক্ষ্যে কাজ শুরু করতে হবে। শিক্ষক ও শিক্ষার মানোন্নয়নে কষ্ট করে হলেও এ টাকা খরচ করতে হবে।

পরিশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এদেশের পাঁচ লক্ষাধিক বেসরকারি শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আপনার প্রতি নিবেদনসরকারী বেসরকারি বিভাজন আর নয়,এখনই সময় বৈষম্য দূর করে শিক্ষা ব্যবস্থায় সমতা ফিরিয়ে আনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর পদাঙ্ক অনুসরণ করে জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থা জাতীয়করন করে সময়ের দাবী পূরনের মাধ্যমেবঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণ নিশ্চিত করুন ।

লেখক:

 

 

কোমর সমান পানিতে ডুবে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ

সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে  বৃষ্টি ও নিয়মিত জোয়ারের পানির কারণে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম। এতে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। প্রতিদিনের জোয়ারের পানি সেই সাথে বৃষ্টি হলে হাঁটু পানি আর অতি বৃষ্টিতে কোমর সমান পানিতে ডুবে যাচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির ভিতর ও বাইর। এতে আসা-যাওয়ায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকার বাসিন্দাদের। অনেক সময় বিনা নোটিশেই বন্ধ থাকে কলেজের সার্বিক কার্যক্রম।
আগামী আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে শুরু হচ্ছে বিএড কোর্সের ১ম সেমিস্টারের ফাইনাল পরীক্ষা। এ পরিসি’তিতে পরীক্ষা আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কিনা এই নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মনে রয়েছে সংশয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত দুইদিনের টানা বর্ষণের কারণে বন্ধ রাখতে হয় কলেজ। ছিল না শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপসি’তি। কলেজের ভিতর ও বাইরে কোমর সমান পানির কারণে ভিতরে কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। দীর্ঘদিন এভাবেই চলছে কলেজের কার্যক্রম।
কলেজের শিক্ষকরা জানালেন, দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি থেকে মুক্তির পথ বের করা না হলে স্বাভাবিক পাঠদান ও কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। এতে পিছিয়ে পড়বে শিক্ষার্থীরা।
সরেজমিন ২৪ জুলাই দুপুর ১টায় দেখা যায়, সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে প্রবেশের মুখ থেকে ভিতরে পর্যন্ত কোমর সমান পানি। রাস্তায় হাঁটু সমান পানি দেখা গেলেও কলেজের একাডেমিক ভবন ও হোস্টেলের নিচতলা কোমর সমান পানিতে ডুবে গেছে। ফলে কলেজের ভিতরে প্রবেশের কোনো অবকাশ ছিল না। হোস্টেলে থাকা শিক্ষার্থীরাও ছিল পানিবন্দি। কাউকে বের হতে দেখা যায়নি। যে দিকে চোখ পড়ছে সেদিকে শুধু পানি আর পানি।
তবে এ দৃশ্য অনেক পুরনো হলেও কিছুতেই যেন মুক্তি মিলছে না, নেই কোনো উদ্যোগ। ফলে কলেজের শিক্ষক ও হাজারো শিক্ষার্থীসহ আশপাশের বাসিন্দাদের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে। গত কয়েক দিনের জোয়ার ও অতিবৃষ্টি সে ভোগান্তি বাড়িয়েছে আরো কয়েক গুণ।
এলাকাটি এমনিতেই নিচু। পানি নিষ্কাশনের নেই পর্যাপ্ত ব্যবস’া। নালা-নর্দমা যেগুলো রয়েছে সেগুলোও আবর্জনায় ভরা, করা হয় না নিয়মিত পরিষ্কার। সে কারণে জোয়ার আসলে পানিতে সয়লাব হয়ে পড়ে কলেজের চারদিক, জমে থাকে ময়লা পানি। এই পানি মাড়িয়ে কলেজে আসা-যাওয়া করতে হচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।
এ বিষয়ে কলেজের প্রশিক্ষক শামসুদ্দীন শিশির বলেন, ‘এলাকাটি এমনিতেই নিচু। পর্যাপ্ত নালা-নর্দমা নেই এবং পানি নিষ্কাশনের ভালো কোনো ব্যবস’া নেই। ময়লা-আবর্জনা ফেলার ব্যাপারে এলাকার মানুষেরা সচেতন নয়। সে কারণে ভোগান্তি দিন দিন বাড়ছে। কিছুদিন আগেও আমরা কলেজের পক্ষ থেকে মেয়র বরাবরে নালাগুলো পরিষ্কারের জন্য একটি চিঠি দিয়েছিলাম। সে পরিপ্রেক্ষিতেও ৯ জন লোক পাঠিয়ে নালাগুলো পরিষ্কার করা হয়। কিন’ এতে কোন সুফল মিলছে না। কাজেই কলেজটির প্রবেশের মুখ থেকে ভিতরে পর্যন্ত ৮-১০ ফুট পর্যন্ত উঁচু করতে হবে। তাহলে দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে। না হয় এভাবে চলতে থাকলে শ্রেণী কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।’
১৯৭৭ সালে যাত্রা শুরু করা কলেজটিতে এবার বিএড কোর্সে ৬৪৭ জন ও এমএড কোর্সে ৩২ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত চলে ক্লাস। এছাড়া উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রয়েছে ১২শ’ শিক্ষার্থী। প্রতি শুক্রবার সকাল ৯টা-৫টা চলে চলে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস। কলেজের ভিতরে একাডেমিক ভবন রয়েছে ৩টি ও হোস্টেল ৪টি। হোস্টেলগুলোতে রয়েছে মহিলা শিক্ষার্থী ৬০ ও পুরুষ শিক্ষার্থী ১০০ জন।
কলেজের হোস্টেলে থাকা এমএড শিক্ষার্থী মো. জোবায়ের বলেন, ‘হোস্টেলে সিট নিয়েছিলাম কলেজে আসা-যাওয়ার ভোগান্তি থেকে রক্ষার জন্য, অথচ এখন পানি উঠলে বন্দি হয়ে থাকতে হয় হোস্টেলের ভিতরে। জোয়ারে হাঁটু পানি ও বৃষ্টি হলে কোমর সমান পানি।’
বিএড অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী কামরুল ইসলাম বলেন, আগামী মাসে প্রথম সপ্তাহে বিএড কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষা। এখন যে অবস’া দেখা যাচ্ছে তাতে পরীক্ষা আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কিনা- এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি’। >>> সুপ্রভাত থেকে

মাছ চাষে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের উদ্যোগে আয়োজিত র‌্যালীতে নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। র‌্যালীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, ফিশ ইনসপেকশন এ- কোয়ালিটি কন্ট্রোল এবং জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

র‌্যালীর পর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০১৭ উপলক্ষ্যে “মাছ চাষে গড়বো দেশ বদলে দেব বাংলাদেশ” শ্লোগানে এক আলোচনা সভা প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ নুরুল আবছার খানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সামুদ্রিক মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক এম.আই. গুলদার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বেগম প্রভাতী দেব।

আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন ফুড সায়েন্স এ- টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ডা. মো. রায়হান ফারুক, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. আ: হালিম, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দীন, প্রফেসর ড. পরিতোষ কুমার বিশ্বাস, প্রফেসর ড. মো. কবিরুল ইসলাম খান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, ড. আসাদুজ্জামান, ইশরাত জাহান আঁকা, মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ বলেন, মাছ চাষ করে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার আমূল পরিবর্তন করা সম্ভব। তিনি বলেন, প্রাণিজ আমিষের মধ্যে মাছের চাহিদা পূরণে দেশে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং মান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্ব দিতে হবে। দেশের সর্বত্র মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেলে প্রাণিজ আমিষের ঘাটতি পূরণ হবে বলে উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উপাচার্য বলেন, এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্যবিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা দেশের মৎস্য সম্পদের উন্নতি ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যকর গবেষণা চালিয়ে যাবেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন এবং মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর জাতীয় পর্যায়ে মৎস্য সপ্তাহ পালন করা হয়ে থাকে।

শতভাগ পাশে ফৌজদারহাট অনন্য

শতভাগ পাশে ফৌজদারহাট অনন্য। চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের ২৩৮টি কলেজের মধ্যে একমাত্র ফৌজদারহাট ছাড়া আর কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাশ করতে পারেনি।
চট্টগ্রাম জেলার মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ অন্যতম। প্রাথমিকভাবে সেনাবাহিনীর জন্য যোগ্য কর্মকর্তা
তৈরি করাই এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য। সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত এই স্কুল এবং কলেজটি তাদের শতভাগ পাশের হার ধরে রাখতে সমর্থ হয়েছে।
২০১৭ সালে অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় ৫৫ জন ছাত্র অংশ গ্রহণ করে। এর মধ্যে পাশের হার শতভাগ। এর মধ্যে ৪৫ জন পেয়েছে জিপিএ-৫। ১০ জন জিপিএ ৪ পেয়েছে। উল্লেখ্য গতবার এ কলেজ থেকে এইচএসসিতে ৪৯ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করে শতভাগ পাশ এবং সবাই জিপিএ- ৫ পেয়েছিল।
ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহবুব পারভেজ জানান, আমাদের কলেজের পাশের হার শতভাগ ধরে রেখেছে। তবে এবারের রেজাল্ট গতবারের চেয়ে একটু খারাপ হয়েছে, এর কারণ আমরা কলেজের কাছে জানতে চাইব।

চট্টগ্রামে পাসের হার ৬১.৯ শতাংশ

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ৬১ দশমিক ৯ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক হাজার ৩৯১ জন শিক্ষার্থী। রবিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাহবুব হাসান।

 

এবার বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৭৭.৩৪ শতাংশ। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৬৫.৩৬ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাসের হার ৪৭.৪৯ শতাংশ।

 

চলতি বছর চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের অধীনে ২৩৮টি কলেজের ৮৩ হাজার ১৯৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।

ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, আহত ৩

চট্টগ‌্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: চট্টগ‌্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি আবাসিক হলে ওঠাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দুই নেতার অনুসারীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজন আহত হয়েছেন। আহতরা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

সারাদেশে ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস

চলতি বছরের উচ্চমাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার সারাদেশে ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, যাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ হাজার ৭২৬ জন।

 

রবিবার সকাল ১০টার পর গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট বোর্ড চেয়ারম্যানরা।

 

এরপর দুপুর ১টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করবেন।

 

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক তপন কুমার সরকার জানান, দুপুর দেড়টার সময় নিজ নিজ কেন্দ্র/প্রতিষ্ঠান থেকে এবং অনলাইনে একযোগে ফলাফল প্রকাশ করা হবে।

 

এবার ৮টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৬৬ দশমিক ৮৪, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৩ হাজার ২৪২ জন। মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ০২, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮১৫ জন। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮১ দশমিক ৩৩। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৬৬৯ জন।

 

এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২ এপ্রিল। এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১১ লাখ ৮৩ হাজার ৬৮৬ জন।

 

উল্লেখ্য, গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করে আসছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

বার কাউন্সিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১১৮৪৬

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সনদ নিয়ে আইন পেশা শুরু করার জন্য আইনজীবী তালিকাভুক্তির নৈর্ব্যক্তিক (এমসিকিউ) পরীক্ষায় ১১ হাজার ৮শ ৪৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছেন। শনিবার বার কাউন্সিল সচিব মোহাম্মদ আনিসুর রহমান স্বাক্ষরিত এই ফল প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে শুক্রবার ঢাকায় এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

বার কাউন্সিল সূত্র অনুযায়ী এবার প্রায় ৩৪ হাজার ২শ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছিল। এর মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছেন ১১ হাজার ৮শ ৪৬ জন। গত বছর কোনো পরীক্ষা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের আইনজীবী তালিকাভুক্তির পরীক্ষা তিন ধাপে হয়ে থাকে। প্রথম ধাপে একজন শিক্ষার্থীকে প্রিলিমিনারি তথা নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা দিতে হয়।নৈর্ব্যক্তিকে যারা পাস করেন তারা লিখিত পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন। লিখিত পরীক্ষায় যারা পাস করেন তারা মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেন। মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণের পর আইনজীবী তালিকাভুক্তির চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট অনুমোদন

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের জন্য ৩৫ কোটি ৬০ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আজ ২২ জুলাই শনিবার সকাল ১১ টায় উপাচার্য অফিসে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৩৭তম অধিবেশনে এ অনুমোদন দেয়া হয়। এ সময় ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরের ২৯ কোটি ৩২ লাখ টাকার সংশোধিত বাজেটও অনুমোদন দেয়া হয়। সিন্ডিকেট অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম ব্দ্ধু দাশ।

উপাচার্য অফিসে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের ৩৭তম অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের সদস্য প্রফেসর ড. মো. আখতার হোসেন, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. অনুপম সেন, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. নুরল আনোয়ার, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ সালাম, ফিশারিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম. নুরুল আবছার খান, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন প্রফেসর মো. আ: হালিম, ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. এ. কে. এম. সাইফুদ্দীন, প্যাথলজি ও প্যারাসাইটোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মাসুদুজ্জামান, এস.এ. কাদেরি টিচিং ভেটেরিনারি হাসপাতালের পরিচালক প্রফেসর ড. ভজন চন্দ্র দাস, রেজিস্ট্রার ও সিন্ডিকেটের সদস্য সচিব মীর্জা ফারুক ইমাম। সিন্ডিকেট অধিবেশনে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) এবং অর্থ কমিটির সদস্য সচিব মো. আবুল কালাম।

২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪১ কোটি ৫০ লাখ টাকার চাহিদার বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক ৩৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া যায়। বাজেটে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ প্রাপ্তির উৎসের মধ্যে প্রায় ৯৫ শতাংশ আসবে সরকারি অনুদানের মাধ্যমে এবং ৫ শতাংশ পাওয়া যাবে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে।

বাজেটের ভূমিকায় বলা হয়, রাজস্ব ও উন্নয়ন প্রকল্পের বাইরেও বিভিন্ন অর্থায়নে ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে প্রায় ৪০ কোটি টাকার গবেষণা কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে এবং ১৭ কোটি ৫৩ লাখ টাকার গবেষণা কার্যক্রম চলমান আছে। এছাড়াও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অধীনে হাটহাজারীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস স্থাপন প্রকল্প শিরোনামে প্রায় ১৭৯ কোটি টাকার একটি উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই তারিখে উপাচার্যের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটির সভায় ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরের বাজেট চূড়ান্ত করা হয়।

১২০০ জনকে আসামি করে মামলা

রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধিভুক্ত সাতটি কলেজের শিক্ষার্থীদের শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশি বাধার পর ওই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় ১২০০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশের রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মারুফ হোসেন সরদার।

রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনের রাস্তায় অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত হওয়া সাতটি সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা।

কলেজগুলো হলো- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, কবি নজরুল ইসলাম কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ও মিরপুর বাংলা কলেজ। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে পুলিশ। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ সময় তাদের লাঠিপেটা করা হয়। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ১৩ জনকে আটক করে শাহবাগ থানাহাজতে রাখা হয়।

Scroll To Top