শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / আলপনা

বিভাগ: আলপনা

Feed Subscription

বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তা সন্তানের ওপর যেন না আসে

ধরা যাক ছেলেটির নাম শিবলী। এ বছর এইচএসসি পাস করেছেন। ফল তেমন একটা ভালো হয়নি। ইচ্ছা ছিল প্রকৌশলী হবেন। ইচ্ছাটা হারিয়ে গেছে তাঁর। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু সব সময় একটা অদৃশ্য চাপ। বড় ভাই বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে আর মেজো বোন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে পড়েন। বড় দুই ভাই-বোনের ভালো ফলের পুরোটা দায় যেন শিবলীর। অনেক কথা তো শোনা হয়ে গেছে কেন ফল খারাপ হলো। স্বজনেরাও কেমন যেন আগের মতো দেখছেন না তাঁকে। শিবলীর প্রস্তুতি মোটামুটি। নিয়মিতই পড়াশোনা করেন কিন্তু তাঁকে একটু বই ছেড়ে উঠতে দেখলেই মা এসে বলেন, ‘বই ছেড়ে উঠলে কেন? পড়ো পড়ো। তোমার এখন সারা দিন পড়াশোনা করতে হবে, পড়াশোনা ছাড়া আর কিচ্ছু নয়, চোখ-মুখ গুঁজে পড়ো।’ প্রতিদিন বাবা-মা, বড় ভাই-বোন, স্বজনদের কাছে এসব কথা শুনতে শুনতে হাঁপিয়ে গেছেন শিবলী। পরীক্ষা যতই এগিয়ে আসছে তাঁর মনে হচ্ছে তিনি পরীক্ষার হলে গিয়ে কিছুই মনে রাখতে পারবেন না।

মিমু (ছদ্মনাম) মেডিকেল কলেজে ভর্তির কোচিং করছেন। বরাবরই ভালো ছাত্রী। তবুও মা-বাবার চিন্তা কোনো কারণে যদি তাঁদের মেয়ে মেডিকেলে না টেকেন? তাঁদের দুশ্চিন্তা চাপ হয়ে যাচ্ছে মুমুর ওপর। যদি আসলেই কোনো কারণে মেডিকেলে না টেকেন তখন কী হবে? মুমুর ভীষণ ভয়। তাঁর বাবা-মা তো তাঁদের সহকর্মী আত্মীয়স্বজনের কাছে মুখ দেখাতে পারবেন না। চাপ অনুভব করে মুমু! অসম্ভব চাপ!
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা যে কারও জন্যই জীবনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। এই একটা পরীক্ষায় খারাপ করলেই দেখা যায় জীবন থেকে অনেক কিছু হারিয়ে যায়। আর ছেলেমেয়ের জীবনের এত একটা গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা নিয়ে স্বভাবতই তাঁদের বাবা-মা দুশ্চিন্তাগ্রস্ত থাকেন। সন্তানদের চাপ দিতে থাকেন বারবার। বিভিন্ন উদাহরণ দিয়ে উৎসাহ দিন। অমুক পেরেছে, তুমিও পারবে।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক আহমেদ হেলাল বলেন, সন্তানদের ফল নিয়ে বাবা-মায়ের যে উদ্বিগ্নতা আছে তা কোনোভাবেই তাঁদের ওপর আসতে দেওয়া যাবে না। কোনোভাবে তাদের লক্ষ্য বেঁধে দেওয়া যাবে না, এতে তাদের মানসিক চাপ বৃদ্ধি পায় ও পরীক্ষা ভালো না হয়ে খারাপ হয়।
বাবা-মায়ের উচিত সন্তানদের সঙ্গে সুন্দর একটা পারিবারিক সময় কাটানো। কারণ পরীক্ষার আগেও পড়ার বাইরে একটা চিত্তবিনোদনের দরকার আছে। সন্তান যেন তা থেকে বঞ্চিত না হয়। আর যদি সন্তান ফল খারাপও করে ফেলে তখন আমাদের আশপাশের মানুষের উচিত তার পাশে দাঁড়ানো, উৎসাহ দেওয়া। আমরা যদি তাকে হেয় করি, তার বাজে ফলের কথা স্মরণ করিয়ে দিই, তাতে তার মানসিক কষ্ট বহু গুণ বেড়ে যাবে। এই খারাপ ফল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভালো ফলের দিকে এগিয়ে যেতে হবে।
বস্তুত, সব মানুষেরই একটা সীমা আছে। একেকজনের সীমা একেক রকম। তাই আরেকজন পেরেছে বলে তার নিজের সন্তানও পারবে কিংবা তাকে পারতে হবে, এটা কোনো কথা হতে পারে না। তার সন্তানের সীমা হয়তো অন্য আরেকজনের চেয়ে বেশি কিংবা কম। প্রত্যেক বাবা-মায়ের তাই উচিত নিজ সন্তানদের ওপর একটা বাড়তি চাপ সৃষ্টি হতে না দেওয়া। বরং সন্তানকে নিজের সীমার মধ্যে থেকে ভালো কিছু করার জন্য উৎসাহ দেওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার জন্য অনেক পড়ালেখার প্রয়োজন আছে সত্যি। তবে সারা দিন পড়ালেখা করলে তা মস্তিষ্কে বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে। চিত্তবিনোদন জিনিসটা এমনি এমনিই সারা বিশ্বে এত গুরুত্ব পায় না! বাবা-মায়ের সেদিকটাও খেয়াল রাখা উচিত।

শরীরে ব্যথানাশক ওষুধের মতোই কাজ করে পুদিনা পাতা

পুদিনা পাতা শরীরে ব্যথানাশক ওষুধের মতোই কাজ করে। ব্যথানাশক যেসব ওষুধ বাজারে পাওয়া যায় তার সব ক’টিতেই পুদিনা পাতার ব্যবহার রয়েছে। এর কারণ হচ্ছে পুদিনা পাতার রস তাৎক্ষণিক ব্যথানাশক উপাদান হিসেবে কাজ করে। পুদিনা পাতার রস চামড়ার ভেতর দিয়ে নার্ভে পৌঁছে নার্ভ শান্ত করতে সহায়তা করে। তাই মাথাব্যথা বা জয়েন্টে ব্যথা উপশমে পুদিনা পাতা ব্যবহার করা যায়। মাথাব্যথা হলে পুদিনা পাতার চা পান করতে পারেন। অথবা তাজা কিছু পুদিনা পাতা চিবিয়ে খেতে পারেন। জয়েন্টে ব্যথায় পুদিনা পাতা বেটে লেপ দিতে পারেন। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদানে ভরপুর পুদিনা পাতা দাঁত এবং মাড়ির যে কোনো সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে। পুদিনা পাতার রস মিশ্রিত পানি দিয়ে প্রতিদিন কুলকুচা করার অভ্যাস করলে দাঁত এবং মাড়ির ব্যথা ও সমস্যা থেকে দূরে থাকতে পারবেন। এছাড়া মাড়ির ইনফেকশনজনিত সমস্যা দূর করতে তাজা পুদিনা পাতা চিবিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। পুদিনা পাতায় রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন-সি, ডি, ই এবং ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। যারা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সমস্যায় ভোগেন তারা নিয়মিত পুদিনা পাতা খাওয়ার অভ্যাস করুন। সালাদ কিংবা অন্যান্য রান্নায় পুদিনা পাতা ব্যবহার করুন। খেতে পারেন পুদিনা পাতার শরবত। মোটকথা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও ব্যথামুক্ত থাকতে পুদিনা পাতা খুব বেশি কার্যকরী।

রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমানোর সহজ উপায়

ঘুম নিয়ে মানুষের সমস্যার কোনো কমতি নেই। বেশীরভাগ মানুষ সময়মত ঘুমাতে পারেন না।

বিছানায় শোবার পরও ঘুম আসার কোনো খবর থাকে না। যার ফলে দেখা যায় বিভিন্ন ধরণের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা।

যাই হোক, সকলের পর্যাপ্ত পরিমাণ ও সময়মত ঘুমের প্রয়োজন রয়েছে। এর জন্য কিছু সহজ পদ্ধতি অবলম্বন করলেই নিদ্রাজনিত সমস্যা দূর হতে পারে। আসুন জেনে নেয়া যাক সেই জাদুকরি উপায়-

অন্ধকার ঘর: ঘুমানোর সময় অবশ্যই ঘরের সব আলো বন্ধ করতে হবে। কারণ আলো জ্বললে চোখে ঘুম আসতে চায় না।

স্নান: ঘুমানোর জন্য বিছানায় যাওয়ার আগে সামান্য উষ্ণ পানিতে স্নান করুন। এতে স্ট্রেস কমবে, রিল্যাক্সও হবেন। ঘুম হবে ভাল।

অল্প খাবার: রাতে খুব অল্প খান। রাতে বেশি খেলে তা হজম হতে অনেক সময় লাগে। ফলে ঘুম আসতে চায় না।

ব্যায়াম: রাতে ওয়ার্ক আউট না করাই ভাল। এতে শরীরে বেশি এনার্জি আসে। ফলে ঘুম আসতে চায় না। তাই রাতে ব্যায়াম করা পরিহার করুন।

চকোলেট: ঘুমানোর আগে চকোলেট মোটেই খাবেন না। চকোলেটে থাকে ক্যাফেন। যা ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়।

রাতের স্ন্যাক্স: লেট নাইট করা যদি আপনার অভ্যাস হয় তাহলে নিশ্চয়ই টুকটাক স্ন্যাক্সেও অভ্যস্ত? রাতে খিদে পেলে খান, তবে অল্প। আর তা যেন কখনই ভারি না হয়।

হলুদের ব্যবহার

বাঙালির রান্নায় হলুদের ব্যবহার থাকবেই। মাছ, মাংস কিংবা সবজিতে হলুদ না দিলে রঙ হয় না ঠিকই, কিন্তু, হলুদের আরও গুণাগুণ আছে। সেটা জানেন? হলুদের এমন অনেক গুণ রয়েছে, যা অনেকেরই অজানা। যেমন বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে হলুদ। বাজার চলতি যে সমস্ত অ্যান্টি এজিং ক্রিম আপনি ব্যবহার করেন, সেই ক্রিমগুলির তুলনায় হলুদ কিন্তু অনেকটাই এগিয়ে।

গাঁটের ব্যথা থেকে রক্ষা করতে পারে হলুদ। অর্থাৎ, প্রতিদিন নিয়ম করে যদি হলুদ খেতে পারেন, তাহলে বিভিন্ন ধরণের ব্যথা থেকে মিলবে মুক্তি। গাঁটের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে হলুদের সাহায্য নিতেই পারেন আপনি।

মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে হলুদ। মস্তিষ্কের যেকোনো ধরণের রোগ থেকেও মুক্তি দিতে পারে হলুদ।

খাবারে হলুদ ব্যবহার করলে হজম শক্তি বাড়ানোর ক্ষেত্রেও পেতে পারেন উপকার। অর্থাৎ, যেকোনো ধরণের খাবারের পর হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে হলুদ। গ্যাস, অম্বল এবং অ্যাসিডিটি থেকেও মুক্তি দেয় হলুদ। খাবারে বিষক্রিয়ার প্রাথমিক চিকিৎসাও হলুদ দিয়ে করতে পারেন।

হৃদ রোগের হাত থেকে রক্ষা করতেও হলুদের জুড়ি নেই। তাই হৃদ রোগের সম্ভাবনা থেকে যদি মুক্তি চান, অবশ্যই ডায়েট চার্টে রাখুন হলুদ।

এসবের পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধে, যেকোনো ধরণের ফাঙ্গাল ইনফেকশন থেকে রক্ষা পেতে, অ্যালার্জির হাত থেকে রেহাই পেতে এবং যে কোনও ধরণের ত্বকের সমস্যা সমাধানে হলুদের জুড়ি মেলা ভার। তাই এবার থেকে রান্না ঘরের মশলা হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি হলুদকে ব্যবহার করে ফেলুন বিভিন্ন কাজে। আর দেখুন ম্যাজিক।

বোতল-বাস্তসংস্থান

 আপনি কী জানেন, একটি বোতলের মাঝে সঠিক উপায়ে তৈরি করা বাস্তসংস্থান অনেকটা সময় জীবিত থাকতে পারে বাইরের বাতাস বা পানি ছাড়াই? শুধু তাই নয়, এমন একটি বাস্তসংস্থান আপনি নিজেই তৈরি করতে পারেন ঘরে থাকা কিছু উপাদান দিয়ে। চলুন দেখে নিই দারুণ এই এক্সপেরিমেন্ট।
এই এক্সপেরিমেন্টের জন্য দরকারি জিনিস হলো মূলত ২ লিটারের একটা প্লাস্টিকের কোকের বোতল, মাটি আর কয়েকটা শিমের বীজ। হ্যাঁ, এটুকুই! এতে দরকার হবে না তেমন “বিজ্ঞানী” ধাঁচের কোনো যন্ত্রপাতি।
এইসব জিনিস একসাথে এনে রাখুন। ধুয়ে ফেলুন বোতলটা। এর পর বোতলের যেখানে গলাটা সরু হতে শুরু করেছে, সেখান বরাবর কেটে ফেলুন। অথবা লম্বা কোনো বোতলে হলে এর ওপর থেকে সিকিভাগ অংশ কেটে ফেলুন।
বোতলের তলায় ৮-১০ সেন্টিমিটার মাটি দিয়ে দিন। এরপর ৪-৬ টা শিমের বীজ বপন করুন মাটি থেকে দুই সেন্টিমিটার নিচে। অন্য ধরণের বীজ ব্যবহার করতে পারেন তবে শিমের বীজ বেশ কষ্টসহিষ্ণু। এবার মাটির ওপর এক চিমটি ঘাসের বীজ দিয়ে দিন এবং ওপরে অল্প করে মাটি ছিটিয়ে দিন।
অল্প করে পানি দিন এই মাটিতে। তবে মাটি কাদা কাদা করে ফেলবেন না। এবার বোতলের বাকি অংশটা (যেটা কেটে ফেলা হয়েছিলো) উপুড় করে বসিয়ে দিন বোতলের ভেতর এবং স্বচ্ছ টেপ দিয়ে লাগিয়ে নিন যাতে পুরো বোতল এয়ারটাইট হয়ে যায়।
তৈরি হয়ে গেলো আপনার বোতল-বাস্তসংস্থান। এবার এটাকে কোনো জানালার পাশে রেখে দিন। তবে সরাসরি সূর্যের আলোয় নয়, একটু আড়ালে। এই বোতলের ভেতর আর পানি বা সার দিতে হবে না। কিছুদিনের মাঝেই এর ভেতরটা রীতিমত সবুজে ভরে যাবে। আপনি চাইলে এর ভেতরে একটা পোকা অথবা কেঁচো দিয়ে দেখতে পারেন এই পরিবেশে সে কী করে।
এ ধরণের বোতল তৈরি করার জন্য কাঁচের বোতল বা জার ব্যবহার করতে পারেন। এগুলো তৈরির বাণিজ্যিক কিট কিনতেও পাওয়া যায়। অনেকে আবার জলজ বাস্তসংস্থান তৈরি করেন এমন বদ্ধ পরিবেশের ভেতর।
দেখতে পারেন ছোট্ট একটি ভিডিও-

টিপস
– মাটি দেবার আগে দিতে পারেন নুড়িপাথরের একটা পাতলা স্তর (যা কিনা অ্যাকুরিয়ামের নিচে দেয়া হয়) এবং এর ওপর দিতে পারেন অ্যাক্টিভেটেড চারকোল পাউডারের একটা স্তর। এর ওপরে দিতে পারেন মাটি।
– বীজ বপনের বদলে সরাসরি ছোট কোনো চারা লাগিয়ে দিতে পারেন।
– ডেকোরেশনের জন্য রাখতে পারেন রঙ্গিন পাথর।

ক্যান্সার প্রতিরোধে লালশাক

ছোট-বড় সবার খুব প্রিয় লালশাক। লালশাক রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়। ফলে যাদের রক্তস্বল্পতা রয়েছে তারা নিয়মিত লালশাক খেলে রক্তস্বল্পতা পূরণ হয়। লালশাক ভিটামিন ‘এ’-তে ভরপুর। লালশাক নিয়মিত খেলে দৃষ্টিশক্তি ভালো থাকে এবং অন্ধত্ব ও রাতকানা রোগ প্রতিরোধ করা যায়।

 

লালশাকের আরও উপকারিতা রয়েছে- ক্যালরির পরিমাণ কম থাকায় ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও লালশাক যথেষ্ট উপকারী। এ ছাড়া এটি শরীরের ওজন হ্রাস করে।আঁশজাতীয় অংশ খাবার পরিপাকে সহায়তা করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।ভিটামিন ‘সি’-এর অভাবজনিত স্কার্ভি রোগ প্রতিরোধ করে। রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, যা হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমায়।

 

এটি মস্তিষ্ক ও হৃৎপিণ্ডকে শক্তিশালী করে। দাঁতের মাড়ি ফোলা প্রতিরোধ করে। শিশুদের অপুষ্টি দূর করে। শরীরে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম জমে গিয়ে যেসব অসুখ হয় তা প্রতিরোধ হয়। এর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে।

আইফোনের স্টোরেজ বাড়ানোর কয়েকটি সহজ উপায়

আইফোন বাজারে আসার পর থেকেই এর ফিচারে নানা ধরনের পরবির্তন এসেছে। কিন্তু আইফোন ব্যবহারকারীদের একটি সমস্যা থেকেই গেছে, তা হলো এক্সপেন্ডেবল স্টোরেজ।

তবে এই সমস্যারও সমাধান আছে। এক্সপেন্ডেবল স্টোরেজ ছাড়াও আইফোনের মেমোরি বাড়ানোর কয়েকটি উপায় আছে। চলুন জেনে নেই সেগুলো সম্পর্কে।

ডকুমেন্ট ও পিডিএফ রিডার
এই অ্যাপটি আইটিউন, ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের পাশাপাশি উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার ও ফাইন্ডারের ব্যবহার করা যাবে।  অ্যাপটির সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা হলো এর স্টোরেজ। এতে ২০০ মেগাবাইটের বেশি জায়গা ব্যবহার করা যায় না। তবে আনলিমিটেড স্টোরেজ পেতে হলে কিনতে হবে প্রো ভার্সন। আর এর প্রিমিয়াম ভার্সন কিনলে ব্যবহার করা যাবে ড্রপবক্স, গুগল ড্রাইভ, বক্স ও ওয়ানড্রাইভ ব্যবহার করা যাবে।

ফাইল ম্যানেজার
এটি শুধু ফাইল ম্যানেজ করতেই সাহায্য করে না বরং ভার্চুয়াল ইউএসবি ড্রাইভ হিসেবেও কাজ করে। আইফোন বা আইপ্যাডে এটি ইন্সটল করার পর দু’টি উপায়ে এতে ফাইল রাখা যায়। এক, আইফোনটি কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত করে আইটিউনসে থাকা ফাইল ম্যানেজার খুঁজে বের করুন। এরপর কম্পিউটারে থাকা ফাইলগুলো ডকুমেন্ট সেকশনে কপি পেস্ট করুন।

দ্বিতীয়ত সেটিংসে গিয়ে আপলোড ভিয়া ওয়াইফাই সিঙ্ক সিলেক্ট করুন। এরপর এটি আপনাকে একটি আইপি অ্যাড্রেস দিবে। এই অ্যাড্রেস একটি ব্রাউজারে পেস্ট করুন। এতে ফাইল ম্যানেজার অ্যাপটি ডক ফাইল,পিডিএফ ও অ্যাপল আইওয়ার্ক ফাইলগুলো গ্রহণ করতে পারবে।

স্যানডিস্ক আইএক্সপান্ড ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
ফাইল ট্রান্সফার করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর ডিভাইস হলো স্যানডিস্ক আইএক্সপান্ড ফ্ল্যাশ ড্রাইভ। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোনে থাকা ছবিগুলোর ব্যাকআপ রাখবে। এতে একটি ইউএসবি পোর্ট আছে। আপনার কাছে ইউএসবি ক্যাবল থাকলে ফ্ল্যাশ ড্রাইভ থেকে যেকোনো ডিভাইসে ফাইল আদান প্র্রদান করা যাবে।  ফ্ল্যাশ ড্রাইভটি ৩২ জিবি, ৬৪ জিবি ও ১২৮ জিবিতে কিনতে পাওয়া যাবে।

আইটিউনস
থার্ড পার্টির তৈরি কোনো অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করতে না চাইলে আইটিউনে ব্যবহার করাই ভালো। দুটি উপায়ে এটি ব্যবহার করা যায়। ফোন থেকে অন্য কোথাও ফাইল পাঠাতে ফাইলটির ওপরে ক্লিক করে নির্ধারিত ফোল্ডারে সেভ করতে হবে। আবার অন্য কোনো জায়গা থেকে ফোনে ফাইল ট্রান্সফার করতে হলে অ্যাড অপশনটি সিলেক্ট করতে হবে। এরপর যে ফাইলটি ফোনে ট্রান্সফার করতে চান তা ওপেন করতে হবে।

আইমার্ট ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
ইমার্ট দেখতে খুব একটা আকর্ষণীয় না হলেও দামে এটি স্যানডিস্কের অর্ধেক। এতে লাইটনিং,ইউএসবি ২.০ ও মাইক্রো ইউএসবি কানেক্টর রয়েছে। এটি বেশিরভাগ অ্যান্ড্রয়েড ফোনেই কাজ করে।

আইম্যাজিং
আইম্যাজিং ফোনে ইন্সটল না করেই ব্যবহার করা যায়। এটি আসলে একটি ডেক্সটপ অ্যাপ যা আইটিউনের রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে কাজ করে। এতে ফাইল ট্রান্সফারের পাশাপাশি আরও অনেক ধরনের ফিচার রয়েছে যেমন, ফটো অর্গানাইজেশন, ব্যাক আপ ক্রিয়েশন ও অ্যাডভান্স আইওওস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

সূত্র: গ্যাজেটস নাও

ফলন্ত কলা গাছের কাণ্ডের মজ্জার বহুগুণ

স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইটের দেওয়া তথ্য মতে কলাপাতা হজমে উপকারী, কলাতে থাকে প্রচুর পটাশিয়াম ও বিভিন্ন ভিটামিন, কলাগাছের ফুল ডায়বেটিস রোগীদের জন্য বিশেষ উপকারী। আর কলার থোড়ে রয়েছে নানান উপকার।

হজম সহায়ক ও বিষনাশক: কলার থোড়ের সরবত শরীর থেকে বিভিন্ন বিষাক্ত উপাদান দূর করতে সাহায্য করে। মুত্রবর্ধক এই খাবার শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার করার জন্য আদর্শ। নিয়মিত অন্ত্র থেকে মল অপসারণ সহজ করতে এবং অন্ত্রে প্রয়োজনীয় ভোজ্য-আঁশ সরবরাহের মাধ্যমে হজমেও সাহায্য করে।

ঘৃতকুমারীর কয়েকটি ব্যবহার

বাংলায় যেটি ঘৃতকুমারী ইংরেজীতে সেটিই আমাদের কাছে অ্যালোভেরা নামে পরিচিত। বাজারের হাজারো রকমের প্রসাধনী সামগ্রীর বিজ্ঞাপণেও এর গুণগাণ শুনে থাকবেন।

ত্বক গ্লো করা, সজীব রাখা, চুল পড়া রোধ করা, চুল ঘন ও লম্বা করা সবকিছুতেই এই অ্যালোভেরার উপস্থিতি। আর অনেক ধরণের ঔষধি উপাদান আছে বলেই সৌন্দর্য্য জগতে অ্যালোভেরার ব্যবহারও অনেক বেশি।

চলুন জেনে নিই চমৎকার সব ঔষধি গুণ সম্বলিত এ ভেষজ উদ্ভিদের কয়েকটি ব্যবহার-

১. বয়সের বাড়ার সঙ্গে আমাদের চামড়ায় ভাজ পড়ে যা আপনি সহজেই রুখতে পারেন এই এলোভেরা ব্যবহার করে কারণ এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান সমৃদ্ধ। এই জেল ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে এবং এর ভিটামিন এ, বি, সি ও এ উপাদান ত্বকের পুষ্টি যোগায়।

২. শুষ্ক ত্বকের জন্য ব্যবহৃত কসমেটিক্স এ অ্যালোভেরা থাকে কারণ এটি ত্বককে সজীব রাখে৷অ্যালোভেরার ভিতরের জেল বের করে মুখের লাগালে ত্বক মসৃণ, উজ্জ্বল আর নরম হবে।

৩. ঠোঁট এর রঙ উজ্জ্বল রাখতে ঠোঁট নরম আর মসৃণ করতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা যায়। নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল ঠোঁটে লাগলেই ঠোঁট উজ্জ্বল হবে। এক টেবিল চামচ চালের গুঁড়ো আর এলোভেরা জেল মিশিয়ে আস্তে আস্তে এই মিশ্রণ ঠোঁটে লাগিয়ে পাঁচ মিনিট পর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

৪. ত্বকের মৃত কোষ দূর করার মাস্ক তৈরি করার জন্য চা চামচ ফ্রেশ এলোভেরা জেল যা ব্লেন্ড করে নিন। এরপর এক চা চামচ ওটমিলের গুড়া আর ১/২ চা চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে মাস্ক মুখে আর গলায় লাগিয়ে রাখুন তিরিশ মিনিট। এরপর ঠাণ্ডা জল দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে ধুয়ে ফেলুন৷ সন্তাহে একবার এটি ব্যবহার করুন।

৫. ত্বকের পাশাপাশি চুলের জন্য অ্যালোভেরা অনেক উপকারি। অ্যালোভেরার ব্যবহারে মাথার ত্বকের পি এইচ ঠিক থাকে আর খুশকিও দূর হয়। ২:১ অনুপাতে এলোভেরা জেল আর ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে মাথার ত্বকে লাগিয়ে সারা রাত রেখে সকালে শ্যাম্পু করতে হবে। চুল ‘খুশকি’ মুক্ত থাকবে।

এছাড়া দুই টেবিল চামচ ‘অ্যালোভেরা’ জেল আর অর্ধেক লেবুর রস মিশিয়ে প্যাক তৈরি করুন। এই প্যাক সান বার্ন হয়ে যাওয়া ত্বকে লাগিয়ে পনেরো মিনিট রাখার পর ঠাণ্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটি রোদে পোড়া দাগ দূর করে ত্বকের আদ্রতা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

ভুঁড়ি কমবে বেগুন ভেজানো পানি খেলে

শরীরের অতিরিক্ত ওজন নিয়ে চিন্তায় পড়ে আছেন? খাওয়া কমিয়ে দিয়েছেন, জিমে ঘাম ঝরাচ্ছেন। তবু কাজের কাজ কিছু হচ্ছে না? সব তো করেছেন, কিন্তু বেগুন ট্রাই করেছেন কি?

জেনে চমকে উঠলেন বুঝি? ভাবছেন রোগা হওয়ার সঙ্গে বেগুনের কী সম্পর্ক? সম্পর্ক আছে বৈকি।

নিয়মিত বেগুনের পানি পান করুন, আর দেখুন ম্যাজিকের মতো কী ভাবে আপনার ওজন কমে। বেগুনের পানিকে ‘মিরাক্যল ওয়াটার’ও বলা হয়ে থাকে। শুধু ওজন কমানো নয়, এই পানি আপনার এনার্জি লেভেলকেও বুস্ট আপ করবে। বেগুনে আছে অনেক পুষ্টিগুণ। পাশাপাশি এর ক্যালোরি কাউন্ট বেশ কম। তাই বেগুন আপনাকে মোটা না করেই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী করে তুলবে। বেগুনে ফাইবার বেশি থাকায় ডায়াবিটিকদের জন্যও বেগুন বেশ ভালো। কনস্টিপেশনের সমস্যা থাকলেও নিয়মিত বেগুনের পানি আপনার জন্য অত্যন্ত উপকারী।

জেনে নিন, কী ভাবে বানাবেন বেগুনের পানি-
একটা মাঝারি মাপের বেগুন ভালো করে ধুয়ে চাকা চাকা করে কেটে নিন (খোসাসুদ্ধ)। একটা কাঁচের জারে বেগুনের টুকরোগুলো পরপর সাজিয়ে রাখুন। এক লিটার পানির মধ্যে ঢেলে দিন। একটা মাঝাপি মাপের পাতিলেবু নিংড়ে পুরোটা রস এরমধ্যে মিশিয়ে দিন। চামচ দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে সারা রাত ফ্রিজে রেখে দিন। পরের দিন ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ, ডিনারের আগে এক কাপ করে এই পানি পান করুন। সারা দিনে এক কাপ করে এই পানি খাবেন। সপ্তাহ দুয়েকের মধ্যে ফল পাবেন। বেশি উপকার পাওয়ার ক্ষেত্রে সবুজে ভরসা না রেখে বেগুনি বেগুনেই বেশি ভরসা রাখুন। বেগুনি রঞ্জকটিই ওজন কমাতে বিশেষ উপকারী। সূত্র: এই সময়।

Scroll To Top