শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / আলপনা

বিভাগ: আলপনা

Feed Subscription

দাঁত ব্যথা থেকে মুক্তি

দাঁতের ব্যথায় কমবেশি প্রায় সবাইকেই ভুগতে হয়। যেহেতু এই ব্যথা মূলত রাতের দিকে বাড়ে, তাই রাতেই ওষুধ বা চিকিৎসক পাওয়া মুশকিল হয়ে যায়। অথচ ঘরের মধ্যে হাতের কাছেই থাকে এমন কিছু টোটকা, যা মুক্তি দিতে পারে দাঁত ব্যথা থেকে।

রসুন

দাঁতের ব্যথা শুরু হলেই এক কোয়া রসুন চিবোতে শুরু করুন। রসুনের রসে এমন কিছু উপাদান থাকে, যা যেকোনোরকম প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। এতে দাঁতের ব্যথাও নিমেষে কমে যাবে। একটি কোয়ায় কাজ না হলে দু’‌টি কোয়া থেঁতো করে ফেলে পেস্ট বানিয়ে ফেলুন। সঙ্গে মেশান অল্প নুন। পেস্টটা ভালো করে দাঁতের উপর লাগিয়ে দিন।
লবঙ্গ

লবঙ্গের রস দাঁতে ব্যথার অব্যর্থ ওষুধ। লবঙ্গের তেলও তুলোয় ভিজিয়ে দাঁতের গোড়ায় রাখা যেতে পারে। সেটা হাতের কাছে না পাওয়া গেলে কাঁচা লবঙ্গও ভালো কাজ দেয়।‌
পেঁয়াজ

দাঁতের ব্যথা কমাতে পেঁয়াজ‌ও খুব উপকারী। অল্প পরিমাণ পেঁয়াজ চিবিয়ে নিতে পারেন। কিংবা পরিমাণ মতো পেঁয়াজ থেঁতো করে রসটা সংগ্রহ করে নিন। তারপর সেই রসটা দাঁতের উপর ধীরে ধীরে লাগিয়ে দিন।
লবণপানি

সামান্য গরম পানিতে লবণ ফেলে দিন। তারপরে সেই পানিটা দিয়ে কুলি করতে থাকুন।
পেয়ারা পাতা

দাঁতে ব্যথা কমানোর সবচেয়ে জনপ্রিয় টোটকার একটি। পেয়ারা পাতায় থাকে অ্যানালজেসিকস নামে একটি উপাদান। সেটা দাঁতের ফাঁকে জমে থাকা ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলিকে মেরে ফেলে। ‌‌-ওয়েবসাইট

উখিয়ায় ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ শুরু

কায়সার হামিদ মানিক,উখিয়া ::
উখিয়া উপজেলায় শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ আজ মঙ্গলবার শুরু হয়েছে। উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে একযোগে তথ্য সংগ্রহকারীরা ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ করবে। রোহিঙ্গা অধ্যুষিত উপজেলা হওয়ায় বিশেষ দিক নির্দেশনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাচন সুত্রে জানা যায়, আজ ২৫ জুলাই হতে শুরু হয়ে ৯ আগষ্ট পর্যন্ত ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজ চলবে। উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে ৭৫ জন সুপারভাইজার এবং তথ্য সংগ্রহকারী কাজ করছেন।
২৫ আগস্টের মধ্যে ভোটার তথ্য সংগ্রহ শেষ হলে ৩ ধাপে শুরু হবে নিবন্ধন কেন্দ্রে কম্পিউটার ডাটা এনন্ট্রি, ছবি তোলা ও আনুষঙ্গিক কাজ। এইছাড়াও ২৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে ভোটার এলাকা স্থানান্তরের আবেদন গ্রহণ, মৃত ভোটারের নাম কর্তন করা যাবে। পরে ২ জানুয়ারি হালনাগাদকৃত খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। খসড়া ভোটার তালিকার উপর দাবি আপত্তি ও সংশোধনের জন্য আবেদনের শেষ তারিখ ১৭ জানুয়ারি। ২২ জানুয়ারি দাবি আপত্তি ও সংশোধন নিষ্পত্তি শেষ করা হবে। দাবি, আপত্তি ও সংশোধনীর জন্য দাখিলকৃত আবেদনের উপর গৃহীত সিদ্ধান্ত সন্নিবেশনের শেষ তারিখ ২৭ জানুয়ারি। সবশেষে ৩১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে ।
রত্নাপালং ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী অমিত বড়ুয়ার সাথে কথা বলে জানা যায়, আজ ২৫ শে জুলাই সকাল থেকে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু করা হয়েছে। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে যাদের বয়স ১৮ হবে এবং যেসব নাগরিক যোগ্য হওয়ার পরও বিভিন্ন কারণে ইতোপূর্বে ভোটার হতে পারেননি কেবলমাত্র তাদেরকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
উপজেলা নির্বাচনী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, উখিয়া উপজেলা জুড়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদকরণের কাজ শুরু হয়েছে। রোহিঙ্গা বিষয়ক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ৩০ টি উপজেলায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য যেসব কাগজপত্র দরকার রয়েছে সে হিসাবে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি একেবারেই অসম্ভব বলে মন্তব্য করেন ।
এদিকে উখিয়া এবং পাশ্ববর্তী উপজেলায় ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য নিম্নলিখিত কাগজপত্র সংযুক্ত করতে হবে। জন্ম সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, জাতীয়তা সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, পিতা-মাতা মৃত হলে মুত্যু সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, জমি মালিকানার দলিল-খতিয়ানের সত্যায়িত ফটোকপি, স্বামী-স্ত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, স্বামী-স্ত্রী মৃত হলে মৃত্যু সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, ইউটিলিটি বিদ্যুৎ, টেলিফোন, গ্যাস, পানি ইত্যাদির (যদি থাকে) বিলের সত্যায়িত ফটোকপি, বিদেশ ফেরৎ হলে বৈধ পাসপোর্টের সত্যায়িত ফটোকপি, ওয়ারিশ সনদের সত্যায়িত ফটোকপি, ভাই/বোন/চাচা/ফুফুর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত ফটোকপি, শিক্ষা প্রতিষ্টানের সনদের (যদি থাকে) সত্যায়িত ফটোকপি, ইউনিয়ন পরিষদের খাজনা, বয়স্ক আবেদনকারীর বাদ পড়ার কারণ উল্লেখ করতঃ চেয়ারম্যান কতৃক প্রত্যয়নপত্র এবং চৌকিদারের রসিদের সত্যায়িত ফটোকপি।

বৃষ্টি দিনে ব্যাগ

প্রকৃতির রূপ বোঝা এখন বড় দায়। এই ঝলমলে সুন্দর রোদ তো তার কিছুক্ষণ পরই মেঘ-বৃষ্টিতে একাকার চারপাশ। এমন পরিস্থিতিতে ফ্যাশন সচেতনরা তো বটেই, সাধারণ মানুষই পড়েন বিপাকে। কারণ, যেকোনো সময় বৃষ্টির পানি এসে ভিজিয়ে দিতে পারে আপনাকে এবং আপনার সঙ্গে থাকা প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বোঝাই ব্যাগটিকে। এতে ব্যাগের মধ্যে থাকা জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে মেজাজটাই খারাপ হবে। তবে একটুখানি সচেতনতা আপনাকে এ রকম দিনগুলোতেও দিতে পারে স্বস্তি। হঠাৎ বৃষ্টিতে অপনার ব্যাগটি কেমন হবে তা নিয়েই এবারের আয়োজন।

 

যেহেতু সময় এখন বৃষ্টির, তাই পানিরোধক ব্যাগ ব্যবহার করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ।বৃষ্টির পানিকে সহজেই এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব ব্যালিস্টিক নাইলন এবং পলিইউরেথিন কোটিং দেওয়া পানিরোধক ব্যাগ দিয়ে। এখন নানা রঙের, নানা ডিজাইনের ওয়াটারপ্রুফ ব্যাগ পাওয়া যায় বাজারে। ব্যাগগুলো বর্ষায় ট্রেন্ডি হওয়ায় ফ্যাশনেও ঘাটতি থাকে না।

 

এছাড়া বাজারে এখন হরেক রকমের নতুন ব্যাগ পাওয়া যাচ্ছে। রয়েছে মোটা কাপড়, র্যা ক্সিন, সিনথেটিক, অনিস্টিক লেদার ও প্লাস্টিক ব্যাগের সমাহার। কাপড়ের ব্যাগগুলো কটন ও পলিয়েস্টারের দুটি মিশ্রণে তৈরি। বৃষ্টি হলেও পানি ভেতরে ঢুকতে পারবে না। ব্যাগের তালিকায় এই সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় হলো স্বচ্ছ ব্যাগ। ভেতরের সবকিছু দেখা গেলেও তরুণীরা এ ব্যাগের প্রতি আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

 

আর যদি পছন্দের ব্যাগ পরিবর্তন করতে না চান, তাহলে আপনি বর্ষার দিনে বাইরে বের হওয়ার সময় অবশ্যই সঙ্গে ব্যাকপ্যাক কভার অথবা একটি পলিথিনের বড় ব্যাগ নিয়ে বের হবেন। যখনই বৃষ্টি আসবে, পলিথিন দিয়ে মুহূর্তেই ব্যাগটি মুড়িয়ে নিতে পারেন। ব্যাস আর কোনো চিন্তা নেই।

 

কোথায় পাবেন
নিউমার্কেট, আজিজ মার্কেট, বঙ্গবাজার, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা ফিউচার পার্ক, ফরচুন শপিং সেন্টারে রয়েছে ব্যাগের বড় বড় শোরুম। এছাড়া যেতে পারেন বেইলী স্টার, ইস্টার্ন প্লাজা, শ্যামলী স্কয়ারে। এসব জায়গায় পাবেন আপনার পছন্দসই ব্যাগ।

 

দরদাম
সুতি ও পলিয়েস্টারের তৈরি কাপড়ের ব্যাগের দাম ৪০০ থেকে ৯০০ টাকার মধ্যে। গ্যাবার্ডিন কাপড়ের ব্যাগের দাম পড়বে ১৫০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। অনিস্টিক লেদারের ব্যাগের দাম পড়বে ৬০০ থেকে ২৫০০ টাকা। স্বচ্ছ ব্যাগ পাওয়া যাবে ৪০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে।

বর্ষাকালে নিজেকে সুস্থ রাখতে

বর্ষাকালেই জায়গায় জায়গায় জমে থাকে পানি যা রোগ-জীবাণু ছড়াতে ভালই সাহায্য করে। বর্ষার সময় একটু অসাবধানতার কারণেই হতে পারে ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া বা ডায়রিয়ার মতো ভয়ঙ্কর রোগ। এছাড়া বাতাসের অতিরিক্ত আর্দ্রতার কারণেও ছড়াতে পারে ভাইরাল সংক্রমণ। তবে সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলে অবশ্যই নিজেকে সুস্থ রাখা যাবে।

নিচে রইলো কিছু টিপস-

১. খাবারের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে। বেশি ভাজা খাবার খাওয়া যাবে না। আর্দ্র আবহাওয়ায় আমাদের হজম ক্ষমতা কমে যায়। তাই বেশি মাছ, মাংস না খেয়ে হাল্কা, সহজপাচ্য রান্না খেতে হবে। স্বাস্থ্যকর, সুষম ডায়েট মেনে চলা এই সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাঁচা শাকসবজি থেকে ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ছড়াতে পারে। তাই শাকসবজি ভাল করে ধুয়ে রান্না করে তবেই খাবেন। বেশি করে তেতো সবজি খেতে হবে। যেমন- নিম, করলা।

২. বর্ষায় যথেষ্ট পরিমাণে পানি পান করুন। ক্যাফেইন জাতীয় অর্থাৎ চা, কফি, কোল্ডড্রিংস জাতীয় খাবার আমাদের শরীরের তরল কমিয়ে পানিশূন্য করে তোলে তাই এগুলো এড়িয়ে চলতে হবে। সুস্থ থাকতে হার্বাল টি, যেমন : আদা, গোলমরিচ, মধু, পুদিনা, তুলসী চা খেতে পারেন। এই সব চায়ে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে।

৩. বৃষ্টি বা পানি জমা রাস্তায় হাঁটবেন না। এর ফলে নানা রকম ভাইরাল সংক্রমণ হতে পারে। যার মধ্যে রয়েছে ‘লেপ্টোসিরোসিস’। এর ফলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে গিয়ে হাত ও পায়ের পাতা এবং নখে ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে।

চা পানে ওজন কমানো

অতিরিক্ত ওজন শরীরের জন্য ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ওজন ধীরে ধীরে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা নষ্ট করে দিতে থাকে।

এছাড়াও হার্টের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ, শ্বাসকষ্টসহ নানাবিধ রোগের সংক্রমণ হয়। আর তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখাটা জরুরি।

প্রায় প্রত্যেকেরই চা পানের অভ্যাস রয়েছে। সুতরাং ওজন কমানোর দাওয়াই যদি চা হয়, এর চেয়ে সহজ উপায় তাহলে আর কি হতে পারে।

স্বাস্থ্য বিষয়ক খ্যাতনামা পত্রিকা রিডার্স ডাইজেস্ট অনলাইনের প্রতিবেদন অনুসারে জেনে নিন, ওজন কমাতে সহায়ক সেরা ১০ চা।

১. হোয়াইট টি : হোয়াইট টি বা সাদা চা শরীরের মেদ কমাতে সাহায্য করে। এই চায়ের স্বাদ তেমন ঝাঁঝাল নয়। তবে এটি যখন আপনার শরীরের চর্বির কাছাকাছি যাবে তখন এর কার্যক্রম ভিন্ন হয়ে যায়। ২০০৯ সালে ‘নিউট্রেশন অ্যান্ড মেটাবলিজম’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, সাদা চায়ের নির্যাস শরীরের চর্বি স্তর কমাতে সাহায্য করে এবং ফ্যাটি টিস্যু যেন বৃদ্ধি না পেতে পারে তা প্রতিরোধ করে। এই চা পানের কারণ হিসেবে বিজ্ঞানীরা বলেন, এই চা উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট দ্বারা সমৃদ্ধ, যাকে ইসিজিসি বলা হয়।’

২. গ্রিন টি :

ইসিজিসি এবং ক্যাফেইনসমৃদ্ধ গ্রিন টি (সবুজ চা), যা ওজন কমানোর আরো একটি ওষুধ। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ওবেসিটি-তে ১১টি গবেষণার ফলাফল ও বিশ্লেষণ এর ওপর ভিত্তি করে এই তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, সবুজ চায়ে কালো রঙের সাধারণ চায়ের তুলনায় খুব কম ক্যাফেইন থাকে। সবুজ চা দিনের যেকোনো সময় পান করা যায় এবং এই চা রাতে ঘুমের কোনো ব্যাঘাত ঘটায় না।

৩. ইয়ার্বা মেইট টি : পাতা এবং সহচর উদ্ভিদ থেকে তৈরি দক্ষিণ আমেরিকার ইয়ার্বা মেইট চা ৩টি রাসায়নিক উপাদান বহন করে। সেগুলো হল ক্যাফেইন, থিওফিলিন এবং অন্যটা হল থিওব্রমিন।
এক গবেষণায় দেখা যায়, প্রাণীরা যে উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার খেয়ে থাকে এবং পরবর্তীতে ইয়ার্বা মেইট এর পাতা খেয়ে থাকে, ফলে তাদের রক্তের শর্করার মাত্রা কম থাকে।

 

২০১৫ সালে ‘বিএমসি কমপ্লিমেন্টারি অ্যান্ড অল্টারনেটিভ মেডিসিন’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, যে সকল স্থূলকায় মানুষ ১২ সপ্তাহের বেশি ইয়ার্বা মেইট তাদের ওষুধ হিসেবে গ্রহণ করেছে তারা অন্যান্যদের তুলনায় অধিকতর মাত্রায় চর্বি কমাতে সক্ষম হয়েছে। ইয়ার্বা মেইটকে কফির বিকল্প হিসেবেও ধরা হয়ে থাকে।

৪. অলং টি : অলং চা চর্বি কমাতে সাহায্য করে। এর পাতাগুলো আংশিকভাবে জারিত হয়ে থাকে (যেমন কালো চা, যা পুরোপুরিভাবে জারিত থাকে)। এটি দেখতে নরম হলেও এর স্বাদ অত্যন্ত ঝাঁঝাল। ২০০৯ সালের একটি চাইনিজ গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই চা মানব শরীরের চর্বি বিপাকে সাহায্য করে।
স্থূলকায় এবং মাত্রাতিরিক্ত ওজনের মানুষেরা যখন প্রায় ৬ সপ্তাহের মতো এই চা পান করে, ফলাফল হিসেবে তাদের প্রায় দুই তৃতীয়াংশ ২ পাউন্ড ওজন এবং ১২ শতাংশ ভুঁড়ি কমাতে সক্ষম হয়।

৫. ব্ল্যাক টি :

ব্ল্যাক টি চর্বি শোষণ রোধে সক্ষম। এই চায়ের সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। এই চা ডায়াবেটিস এর প্রতিরোধক হিসেবেও বিবেচিত। গবেষকরা প্রাণীদের ওপর পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে সম্মত হন যে, অতি উচ্চ মাত্রার চর্বি জাতীয় খাবার গ্রহণের পর হজমের সময় ব্ল্যাক টি চর্বি শোষণে বাধা দিয়ে ওজন বৃদ্ধি রোধ করে।

 

যদিও এই গবেষণা প্রারম্ভিক পর্যায়ের কিন্তু ব্ল্যাক টি পলিফেনলস, থিয়াফ্ল্যাভিনস, থিয়ারুবিগানস নামক তিনটি উপাদান দ্বারা সমৃদ্ধ যা মূলত খাবারের চর্বি শরীরে প্রবেশ হতে বাধা দেয়।

৬. পিপারমিন্ট টি : পিপারমিন্ট টি বা মেন্থল চায়ের ঘ্রাণ ক্ষুধা নিবারণ করতে পারে! এই চা পানের সময় একটু লম্বা শ্বাস নিয়ে তবেই পান করা ভালো। হুইলিংজেসুইট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় বলা হয়, যেসকল মানুষ দুই ঘণ্টা পর পর টানা ৫ দিন এই তাজা গন্ধের চা গ্রহণ করেছে তাদের রক্তে শর্করার পরিমাণ এবং ক্যালরি কম ছিল।
এটাও বিশ্বাস করা হয় যে, এই চায়ের ঘ্রাণ অনেক শক্তিশালী এবং ক্ষুধা দূর করতে খুবই কার্যকর উপায়।

৭. মেতচা টি : মেতচা চা সবুজ চা পাতা থেকে তৈরি। এতে ইসিজিসি এর পরিমাণ অনেক। পানিতে ফুটিয়ে খাওয়ার কারণে আমরা এই চা পাতার প্রায় পুরো অংশের উপাদানই পেয়ে থাকি এবং এতে ইসিজিসি রাসায়নিক উপাদানের মাত্রা বেশি থাকে।

 

কলোরাডো স্প্রিংস এর ইউনিভার্সিটি অব কলোরাডো কর্তৃক পরিচালিত এক গবেষণা তথ্য থেকে জানা যায়, গ্রিন টি থেকে মেতচা টি ১৩৭ গুণ বেশি ইসিজিসি প্রদানে সক্ষম, যা আমাদের বিপাক প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে।

৮. জিনজার টি : জিনজার টি বা আদা চা ক্ষুধা নিবারণে সহায়ক এবং এটি অল্প খাদ্যে পরিতৃপ্তি লাভের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। যখন আপনি কোনো উদ্যমী কাজ করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তখন এক কাপ আদা চা পান করে যান। প্রদাহ কমাতে এবং রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে এই চা পান স্বাস্থ্যকর এবং কার্যকরী।

‘মেটাবলজিম’ নামক জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে, যেসকল ব্যক্তি সকালের নাস্তার সঙ্গে আদা চা পান করে তাদের ক্ষুধার হার কমে যায় এবং অল্প খেয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার ক্ষ

৯. ফেনেল টি :

ফেনেল টি বা মৌরি চা ঘুমের মধ্যে চর্বি কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। মৌরি চায়ের মতো কিছু খাবার মানব শরীরে ‘মেলাটনিন’ নামক হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যা পরবর্তীতে রাত্রে ঘুমাতে সাহায্য করে। ইউনিভার্সিটি অব গ্রানাডার এক গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মৌরি চা ওজন বৃদ্ধি হ্রাস করে এবং স্থূলকায় মানুষের হৃদরোগ হবার সম্ভাবনা কমায়।

১০. ক্যামোমিল টি : উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তায় যারা নিমজ্জিত তাদের জন্য ক্যামোমিল চা আদর্শ। এই চা উদ্বেগ দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। আর এই কারণেই ঘুম বিশেষজ্ঞরা ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই চা পানের কিছু কারণ নির্ধারণ করেছেন।
প্রথমত, এই চা রাতে আপনার শ্বাস প্রশ্বাসের গতিবিধি স্বাভাবিক করে, যা আপনাকে ঘুমোতে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করে তোলে।
দ্বিতীয়ত, এর নির্যাস ক্যাফেইন মুক্ত। যার কারণে এই চা পানে রাতে ঘুম না আসার বা জেগে থাকার দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিবে।
তৃতীয়ত, ক্যামোমিল চায়ে ফ্ল্যাভোনয়েডস জাত এপিজেনিন নামক একটি ঔষধি গুণ রয়েছে, যা আপনার স্নায়ুতন্ত্রকে শান্ত করবে এবং ঘুমোতে যেতে সাহায্য করবে।
পরিপূর্ণ ঘুম স্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় বলে, ক্যামোমিল চা পানের অভ্যাসকে নিত্যদিনের সঙ্গী করাটা ভালো।

 

মতা বাড়ে।

সেলফি তোলার ক্ষেত্রে নিজেকে ভাল দেখাতে

সেলফি তোলায় ব্যস্ত। যেখানেই যান সেলফি তুলতেই হবে। কিন্তু ফেসবুকে ছবি আপলোড দিলেই যত ঝামেলা। ছবি ভাল হয়নি, লাইক বেশি পড়েনি। এসব ভাবনা থেকেই আজকের আয়োজন। কিভাবে ছবিতে নিজেকে ভাল দেখাবে। প্রতিটি জিনিসের জন্যই সবাইকে কষ্ট করতে হয়। তাহলে শুধু সেলফি তোলার ক্ষেত্রে এমনি এমনি কেন ছবি তুলবো একটু পরিকল্পনা করে তুললেই সবাই বাহবাহ দিবে। তাহলে আর ছবি তোলার পর মনে হবে না যে গালটা মোটা দেখাচ্ছে। চোখটা বন্ধ কেন। এসব সমস্যা থেকে মুক্তি পেতেই আজকের আয়োজন। ছবি তুললেই তো আর হল না। বাংলা ইংরেজি ভাষার মতো ফটোগ্রাফির’র -ও তো একথা ব্যাকরণ আছে নাকি! তাই ছবি তোলার আগের ব্যাকরণ জেনে নিন।

পোশাক নির্বাচন: ছবির জন্য পোশাক অবশ্যই একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস। তাই পোশাকের দিকে সবার নজর দেয়া দরকার সবার আগে।

একটু সলিড কালারের দিকে নজর দিন। হালকা সবুজ, পিঙ্ক অথবা রেড। এসব সলিড কালার ছবিতে দারুণ লাগে। প্রিন্টেড ড্রেসও মানিয়ে যায়। মোটা মানুষদের স্ট্রাইপ ভাল লাগলেও রোগাদের জন্য কিন্তু তা আবার বেমানান। আর রঙ এর ক্ষেত্রে অবশ্যই অফ হোয়াইট বা ধুসর রংয়ের পোশাক একদম মানাবে না। ব্যাকগ্রাউন্ডের সঙ্গে যেন না মেলে তাও খেয়াল করুন। গ্রুপ ছবিতে সবাই আলাদা রংয়ের পোশাকেই মানানসই। কিছু এক্সসরিজ বা প্রপস ব্যবহার করে গ্লামার আনা যেতে পারে ছবিতে। মোটাদের ঢিলে জামা পরা উচিৎ নয়। তাহলে আরো মোটা দেখাবে। ছবিওয়ালা কোন টিশার্ট কিন্তু একদম মানাবে না। নিজেকে আত্ববিশ্বাসী দেখায় এমন পোশাক নির্বাচন করুন।

বিউটি মেকআপ:
এবার আসি মেকআপের ক্ষেত্রে। নিজেকে ডানা-কাটা পরীর মতো সুন্দর না হলেও চলবে। কারণ মেকআপতো আছেই। তাই বলে আবার একগাদা মেক আপ মেখে ক্যামেরার সামনে বসে পড়লে কিন্তু চলবে না। এই বিষয়ে কিছু নিয়ম মেনে চললে আপনার সাধারণ চেহারাও অসাধারণ হয়ে উঠতে পারে ছবিতে।

এ জন্য প্রথমেই নিজের চেহারার শেপটা আগে জানুন। সেই অনুযায়ী ফাউন্ডেশন দিন। চোখের উপর ও নিজের পাতায় মোটা করে আইলাইনার লাগান। এতে সামনাসামনি খারাপ দেখা গেলেও ছবিতে কিন্তু ভাল দেখাবে।

কারণ আমরা ছবি তোলার প্রিপারেশন নিয়েই কথা বলছি। ছবিতে ডিপ কালারের ম্যাট কালার লিপস্টিকও কিন্তু দারুন লাগে।

হঠাৎ মেকআপ: চটজলদি মুখ ধুয়ে নিন, কাছে কাজল থাকলে একটু চোখে ছুঁইয়ে নিন, লিপগ্লসের টাচ একটু চাই-ই-চাই, চুলটাও গুছিয়ে আঁচড়ে নিন। এইতো আপনি ছবি তোলার জন্য তৈরি। কে ঠেকায় ফেসবুকে আপনার লাইক কমেন্ট।

পোজ: ছবিতে পোজ একটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় এই কথা তো মানবেন নাকি? মোটা মানুষদের সাইড ছবি ভাল আসে। হাসি যদি আসে তা চেপে না রাখাই ভাল। পেপে রাখলে ছবি খারাপ হবে। মোটারা দুই হাত ক্রস করে ছবি তুললে মোটা ভাব কম দেখাবে। পায়ের উপর পা তুলে বসতে পারেন। প্রয়োজনে পেটের উপর ব্যাগ রেখেও ছবি তুলতে পারেন।

চুল নিয়ে কি করি: চুলের সাজ ছবিতে অন্যমাত্রা এনে দেয়। তাই প্রয়োজনে চুল খোলা বা বাঁধা থাকবে তা বুঝে নিন। প্রয়োজনে আগে একটি ছবি তুলেও দেখে নিতে পারেন।

হিমু আমার প্রেম

ইয়াসিন হাসান:

ক্লাস সিক্স কিংবা সেভেনে স্কুলে নতুন ছাত্রের আগমন হলো। মাঝারি মানের ছাত্র ছিলাম বলে আমার রোল নাম্বার সব সময়ই মাঝের সারিতেই থাকত। স্কাউটিং করতাম বলে যদিও আমার পরিচিতি সে তুলনায় বেশি ছিল। ক্লাস টিচার নতুন ছাত্রকে সবার আগে পরিচয় করিয়ে দিলেন আমার সঙ্গে। সেই থেকে আজও আমরা একসঙ্গে। কলেজ, ভার্সিটিতে একসঙ্গে পড়ার সুযোগ না হলেও আমাদের বন্ধুত্বে ফাটল ধরেনি। অনেকটাই আত্মার সঙ্গে মিশে আছি দুজন। আশা করছি বাকিটা পথ এভাবেই থাকবো।

তবে দুজনের বন্ধুত্ব শুরু হয়েছিল অসাধারণ এক ঘটনায়। সে কারণে আমার সারাজীবন মনে থাকবে ওকে। আমার তেমন বই পড়ার অভ্যাস ছিল না। ক্রিকেট মাঠ, বন্ধু-বান্ধবের আড্ডা ছিল আমার সবচেয়ে পছন্দের জায়গা। ক্রিকেট নিয়ে সারাদিন পড়ে থাকতাম। কে কোন রেকর্ড করত, কে কয়টি ছক্কা মারত, সেগুলো আমি স্কুলে সবার সঙ্গে আলোচনা করতাম। কিন্তু ওই বন্ধু ছিল আমার উল্টো। একদিনের আড্ডায় আমাকে জিজ্ঞেস করেছিল, হুমায়ূন আহমেদকে চিনিস?

আমার স্পষ্ট মনে আছে আমি ওকে উত্তর দিয়েছিলাম, না। কোন দেশের প্লেয়ার? নাম তো বাংলাদেশি মনে হচ্ছে। কোন ক্লাবের? বল না।

সবার সামনে আমাকে কড়া ভাষায় অপমান করে সে বলেছিল, বেটা কোনো দেশের প্লেয়ার না। লেখক হুমায়ূন আহমেদ।

আমি তখন গুরুত্ব না দিয়ে বলেছিলাম, ধুর বেটা! সিরিয়াস আড্ডায় এগুলো কি বলিস। অন্য কথা বল। কোথাকার কে!

বন্ধু আমার কথায় সেদিন খুব অপমানিত হয়েছিল। আড্ডা ছেড়ে নিজের সিটে গিয়ে বসে ছিল। বুঝতে পারছিলাম, ও হয়ত রাগ করেছে। হুয়ামূন আহমেদ হয়ত ওদের কোনো আত্মীয়। এভাবে বলা আমার উচিত হয়নি। স্কুল শেষে বাড়ি ফেরার পথে ‘সরি’ বলে জানতে চাইলাম, ‘কিরে, হুমায়ূন আহমেদ তোর কি হয়?

ও বলেছিল, আমার কিছু হয় না। আমি তার লেখা পড়ি। বাবা সব সময় তার বই কিনে পড়ে। আমিও পড়ি মাঝে মাঝে। অনেক সময় তার লেখা বুঝি না। কিন্তু খুব ভালো লাগে পড়তে।

বন্ধুর কথা শুনে আমারও আগ্রহ হলো। ওকে বললাম, আচ্ছা, আঙ্কেল আর তোর পড়া হলে যেকোনো একটা বই আমাকে দিস তো। পরের সপ্তাহে আমার জন্য হিমু বইটি নিয়ে এসেছিল ও। হুমায়ূনপ্রেমীদের জন্য হিমু বিশেষ কিছু। অসাধারণ একটি উপন্যাস। আমি তখন উপন্যাস কি বুঝতাম না। আমার মনে নেই আমি হিমু বইটি পড়ে কি বুঝেছিলাম! কিন্তু সত্যি কথা সেদিন থেকে হিমুর প্রেমে পড়েছিলাম। সেই থেকে হিমু আমার প্রেম। হুমায়ূন আহমেদ স্যারের অন্যান্য লেখার ওপর আমার ততটা আগ্রহ নেই, যতটা না হিমুকে নিয়ে আছে। যতটুকু আমি জানি হিমুকে নিয়ে স্যার বই লিখেছেন ২৫টি। যার প্রতিটি আমার একবার হলেও পড়া হয়েছে। হিমুকে নিয়ে স্যারের প্রথম উপন্যাস ‘ময়ুরাক্ষি’। শেষ উপন্যাস ‘হিমু এবং হার্ভার্ড Ph.D. বল্টু ভাই’ যেটি স্যার নিউইয়র্কে বসে লিখেছিলেন ২০১১ সালে। হিমু চরিত্রটি স্যারের কাল্পনিক চরিত্র হলেও স্যার সব সময় নিজেকে হিমু মনে করতেন বলেই আমার মনে হয়েছে।

হিমু বইটিতে স্যার লিখেছিলেন: ‘হিমু আমার প্রিয় চরিত্রের একটি। যখন হিমুকে নিয়ে কিছু লিখি- নিজেকে হিমু মনে হয়, এক ধরনের ঘোর অনুভব করি। এই ব্যাপারটা অন্য কোনো লেখার সময় তেমন করে ঘটে না। হিমুকে নিয়ে আমার প্রথম লেখা ময়ূরাক্ষি। ময়ূরাক্ষি লেখার সময় ব্যাপারটা প্রথম লক্ষ করি। দ্বিতীয়বার লিখলাম দরজার ওপাশে। তখনো একই ব্যাপার। কেন এরকম হয়? মানুষ হিসেবে আমি যুক্তিবাদী। হিমুর যুক্তিহীন, রহস্যময় জগৎ একজন যুক্তিবাদীকে কেন আকর্ষণ করবে? আমার জানা নেই। যদি কখনো জানতে পারি- পাঠকদের জানাব।’

এরপর স্যার হিমু চরিত্রকে বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন উপন্যাসে তুলে এনেছেন। স্যারের অনবদ্য সৃষ্টিতে পাঠক বিমোহিত হয়েছে বারবার। নিজেকে হিমু ভাবতে শুরু করেছে অনেকেই। হলুদ পাঞ্জাবি মানেই হিমু। রাতের বেলায় খালি পায়ে ঘুরে বেরানো মানেই হিমু। বেকার থেকেও মানুষের কল্যাণে কাজ করা মানেই হিমু। বড় ডিগ্রি না থাকলেও সাধারণ জ্ঞান দিয়ে মানুষকে ভালো পরামর্শ দেয়া মানেই হিমু। লোভ, লালসা, ঈর্ষা, অকুতোভয় মানেই হিমু। বুদ্ধিমান ও রসবোধসম্পন্ন ব্যক্তি মানেই হিমু। সব মিলিয়ে হিমু এমন এক চরিত্র যার প্রেমে পড়তে কোনো বাঁধা নেই, নেই কোনো বয়স।

স্যার আজ নেই। হিমু চরিত্র নিয়ে নতুন কোনো উপন্যাস তৈরি হবে না। কিন্তু স্যার হিমুকে অমরত্বের স্বীকৃতি দিয়ে গেছেন। আজ আমার মনে পড়ছে সেই বন্ধুকে যে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল হিমুর সঙ্গে। নইলে আমি অনেকটা পথ পিছিয়ে থাকতাম।

 

ঘরে বসে সারিয়ে তুলতে পারবেন নখের ফাঙ্গাস

নখে ফাঙ্গাসের আক্রমণ হলে নখের আকৃতি অনেক বেশি বড় হয়ে যায়। ফুটে উঠে এবং হলদেটে আকার ধারণ করে। এর কারণে ব্যথা তো হয়ই, দেখতেও খুব বিশ্রী লাগে। কাদা, ধুলোবালি ইত্যাদির কাছাকাছি থাকার কারণে পায়ের নখ খুব সহজেই ফাঙ্গাসের আক্রমণের শিকার হয়। এজন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন না হয়েও ঘরে বসে সারিয়ে তুলতে পারবেন নখের ফাঙ্গাস।

সবচেয়ে সহজ উপায়ে ফাঙ্গাস সারানোর একটি উপায় হচ্ছে ভিক্স ভ্যাপোরাবের ব্যবহার। সর্দি, মাথাব্যথার কারণে অনেকেই এই মলমটি ব্যবহার করে থাকেন। এটি ফাঙ্গাস সারাতে বেশ সহায়ক। প্রতিদিন শুধুমাত্র ২ বার ভিক্স ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখে লাগান। একটি ব্যান্ডএইড দিয়ে নখটি ঢেকে রাখুন। ফাঙ্গাস সেরে যাবে।

Sponsored by Revcontent
From The Web
The Unusual Link Between Alzheimer’s and Coconut Oil
Revcontent Launches Industry-first Vcpm
Is Your Content Ready for Summer Vacation?
4 Ways to Expand Your Content’s Reach and Increase Engagement
অলিভ অয়েল বা আমন্ড অয়েলে খানিকটা কাঁচা হলদু কুচি করে কেটে জ্বাল দিয়ে ছেঁকে হলুদের তেল তৈরি করে নিন। এবার এই হলুদের ১ টেবিল চামচ তেলের সাথে ৩ টেবিল চামচ পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। এই মিশ্রণটি পায়ের ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখে লাগান। দিনে ৩ বার ব্যবহার করুন। হলুদের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান ফাঙ্গাস ধ্বংস করবে। এর সাথে দিনে ৩০০ মিলিগ্রাম কাঁচা হলুদ খেলে ভালো ফলাফল পাবেন।

কুসুম গরম পানিতে বেকিং সোডা মিশিয়ে পেস্টের মতো তৈরি করে নিন। এই পেস্টটি ফাঙ্গাস আক্রান্ত নখের উপরে লাগিয়ে রাখুন শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত। এভাবে দিনে ২/৩ বার করুন যতোদিন পর্যন্ত না ফাঙ্গাস দূর হয়। এছাড়াও জুতোর ভেতরে বেকিং সোডা ছিটিয়ে নিতে পারেন। বেকিং সোডার অ্যাল্কালাইন ফাঙ্গাসের সমস্যা দূর করতে বিশেষভাবে কার্যকরী।

ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে রক্ষায় জাম্বুরা

জাম্বুরা এক প্রকার লেবু জাতীয় টক-মিষ্টি ফল। এটি একটি ভিটামিন সমৃদ্ধ ফল। এর পুষ্টিমানও অনেক বেশি। বিভিন্ন দেশে এ ফলটি পমেলো, জাবং, শ্যাডক ইত্যাদি নামে পরিচিত। কাঁচা ফলের বাইরের দিকটা সবুজ এবং পাকলে হালকা সবুজ বা হলুদ রঙের হয়। এর ভেতরের কোয়াগুলো সাদা বা গোলাপী রঙের। এ ফলের আদিভূমি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, জাম্বুরা খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি রয়েছে এর পুষ্টিগুণ। বাতাবি লেবুতে আছে বায়োফ্লভনয়েড যা ব্রেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। আর এতে বিদ্যমান ভিটামিন সি রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা বাড়ায়। গর্ভস্থ নারী, স্তন্যদানকারী মা ও সন্তান নিতে ইচ্ছুক নারীদের জন্য বাতাবি লেবু যথেষ্ট উপকারী।

তাছাড়া অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় বাতাবি লেবু বয়স ধরে রাখতে সহায়তা করে। বাতাবি লেবুর রস শরীরের বাড়তি আমিষ ও চর্বিকে ভেঙে ওজন কমাতে সাহায্য করে। খাবার হজমের জন্য হজমকারী এনজাইম হিসেবে কাজ করে বাতাবি লেবুর রস।

এছাড়া জাম্বুরার আর কী কী গুণ রয়েছে নিম্নে তা জানানো হল :

ক্যান্সার প্রতিহত করে : জাম্বুরা মরণব্যাধি ক্যান্সারের মতো রোগকে প্রতিহত করে। এ ফলে লিমোনোয়েড নামে এক ধরনের উপকরণ রয়েছে যা ক্যান্সারের জীবাণুকে মেরে ফেলে।

হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায় : জাম্বুরায় প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে। যা হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। এ কারণে যাদের এই সমস্যা আছে তাদের বেশি করে জাম্বুরা খেতে হবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ : জাম্বুরাকে ডায়াবেটিসের মহৌষধ বলে ধরা করা হয়। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে জাম্বুরার রস বেশ কার্যকর।

রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণ বাড়ায় : জাম্বুরার রস রক্তনালির সংকোচন-প্রসারণ ক্ষমতা বাড়ায়। এটি ওজন কমাতে সাহায্য করে।

দাঁত, ত্বক ও চুলের পুষ্টি : জাম্বুরায় প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও বি আছে। যা হাড়, দাঁত, ত্বক ও চুলে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। কাজেই চুল পড়া কমাতে বেশি করে জাম্বুরা খেতে পারেন।

ফ্যাশনের ক্ষেত্রে সাদা পোশাকের কদরই আলাদা

সাদা-কালো পোশাক বেশ আরামদায়ক- কিন্তু কেনো সেটা জানেন কী? পোশাকবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে জানানো হয়, সাদা রং তাপ শোষণ করে না বলে গরম কম লাগে। ভারতীয় ডিজাইনার অনিতা দংরি জানান, গ্রীষ্মকালের জন্য সাদা একটি বিশুদ্ধ ও শান্তির রং। সাদা রংয়ের স্বচ্ছতা ও আলো-বাতাস চলাচল করতে পারে বলে গরমকালে আরাম অনুভূত হয়। গরমে তাপের তীব্রতা কম অনুভব করতে সাদা পোশাক পরা উচিত। শত শত বছর ধরেই ফ্যাশনের ক্ষেত্রে সাদা পোশাকের কদরই আলাদা।
ভারতীয় ডিজাইনার শ্রুতিস সঞ্চিতি বলেন, সম্পূর্ণ সাদা পোশাক পরার জন্য ভালো শারীরিক গঠনের প্রয়োজন। যদি শারীরিক গড়ন সুন্দর হয় তবে এই রংয়ের পোশাকে আপনি পৃথিবী মাতিয়ে রাখতে পারবেন। তবে সাদা পোশাকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে কিছু বিষয়ের প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন-

* ভিন্ন ছাপের সুতি কাপড়ের সঙ্গে পাতলা নেটের কাপড় ব্যবহার করে দুই স্তরের পোশাক বানাতে পারেন।

* আপনার সঙ্গে মানানসই এমন ‘ইনার’ ব্যবহার করা ভালো। পোশাকের আকর্ষণ বাড়ানোর জন্য রঙিন যেমন- বিপরীত বা সম্পূরক রং ব্যবহার করতে পারেন।

* পোশাকের রংয়ের বিপরীত রংয়ের স্কার্ফ, কানের দুল বা বেল্ট ব্যবহার করুন।

পবিত্র ও মার্জিত
সাদা রংয়ের যে কোনো তন্তু যেমন- শিফন, জর্জেট, এবং সিল্ক ইত্যাদি পোশাকে পবিত্রতা ও মার্জিতভাব ফুটে ওঠে। এছাড়া কোনো নির্দিষ্ট পোশাকের কথা উল্লেখ না থাকলে পরতে পারেন সাদা রংয়ের শার্ট। কিংবা টপস। আর ভিন্ন রংয়ের পোশাকের উপর সাদা কটিও চাপাতে পারেন।

Scroll To Top