শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / আইন আদালত

বিভাগ: আইন আদালত

Feed Subscription

রেলওয়ের দেড় একর জায়গা উদ্ধার

চট্টগ্রামে জানালি হাট স্টেশনে রেলওয়ের দেড় একর জায়গা অবৈধ দকলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম-দোহাজারি রেললাইনের জানালি হাট রেলস্টেশন এলাকায় পূর্ব রেলের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা ইশরাত রেজা অভিযান চালিয়ে এসব জায়গা উদ্ধার করেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব জায়গা অবৈধ দখলে ছিল। অভিযান চালিয়ে আড়াইশটি কাঁচা ও সেমি পাকা স্থাপনা ভেঙ্গে জায়গা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা জমির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ৮০ কোটি টাকা বলে জানান ইশরাত রেজা।

নিরাপদ ট্রেন চলাচল এবং অবৈধ দখল থেকে জমি উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

হাতকড়া খুলে পালিয়েছে আসামি

আদালতে আনার পর হাতকড়া খুলে পালিয়েছে নাছির উদ্দিন নামে এক আসামি।

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত ভবনের নিচ তলা থেকে পালায় এই আসামি।

 

পলাতক নাছির চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার একটি চুরির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল।

 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আদালত পরিদর্শক এএইচএম মশিউর রহমান বলেন, হ্যান্ডকাফ খুলে ওই আসামি পালিয়েছে। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে। এছাড়া এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের গাফিলতি ছিল কিনা সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

১০ হাজার টাকা মুচলেকায় ইমরানের জামিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে স্লোগান দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ১০ হাজার টাকা মুচলেকা দিয়ে জামিন পেয়েছেন গণজাগরণ মঞ্চের (একাংশ) মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার ও তার সহযোগী সনাতন উল্লাহ।

 

বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছাবিদুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকা রেখে আগামী ২৬ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) পর্যন্ত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

 

এর আগে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করায় গতকাল (বৃহস্পতিবার) ইমরান এইচ সরকার ও তার সহযোগী সনাতন উল্লাহর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত।

 

গত ৩০ জুলাই ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ছাবিদুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কটূক্তি করে স্লোগান দেয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলার অভিযোগ গঠনে শুনানির জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। তবে নির্ধারিত দিনে অভিযুক্তরা আদালতে হাজির হননি।

 

এর আগে গত ১৬ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামানের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন ইমরান ও তার সহযোগী। এরপর আদালত মামলাটি বিচারের জন্য সিএমএম বরাবর নথি প্রেরণ করেন।

 

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২৮ মে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত মিছিল নিয়ে যায় গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। ভাস্কর্য নিয়ে অপরাজনীতির প্রতিবাদে করা মশাল মিছিলে নেতৃত্ব দেন ইমরান এইচ সরকার। এ ছাড়া সনাতন উল্লাহ মিছিলে স্লোগান দেন। মিছিলে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়।

 

ওই ঘটনায় মানহানি হয়েছে বলে ৩১ মে ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামানের আদালতে মামলাটি করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানী।

চমেকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন হাজতি

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের খায়রুল ইসলাম (৪০) নামের এক হাজতির চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। খায়রুল রাঙ্গুনীয়া উপজেলার ওমাদিয়া এলাকার নুরুল ইসলামের ছেলে।

বুধবার হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে মারা যায় বলে জানান চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার মো. মুজিবুর রহমান।

চমেকে দায়িত্বপ্রাপ্ত এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের এক হাজতি কয়েকদিন ধরে ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ছিল। বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় উক্ত হাজতি মারা যান। তবে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

যমুনা ব্যাংকের ৭২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ব্যবসায়ী কারাগারে

বেসরকারি যমুনা ব্যাংকের ৭২ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় ছিদ্দিক ট্রেডাসের মালিক আবু সাঈদ চৌধুরী সম্রাটকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মো. শাহে নুর এ আদেশ দেন।

চট্টগ্রাম আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিদর্শক এমরান হোসেন বলেন, উচ্চ আদালত থেকে ছয় সপ্তাহের জামিনে ছিলেন ছিদ্দিক ট্রেডার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবু সাঈদ।

“জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় আজ তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।”
গত ৩০ জুলাই দুদক প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সিরাজুল হক নগরীর কোতোয়ালী থানায় এ মামলা করেন।

মামলার অন্য আসামি হলেন যুমনা ব্যাংকের সাবেক এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও খাতুনগঞ্জ শাখার সাবেক প্রধান মনজুরুল আহসান চৌধুরী।

মনজুরুল আহসান চৌধুরী শুরু থেকেই পলাতক বলে জানান দুদকের পরিদর্শক এমরান হোসেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২০১১ সালের ১০ অক্টোবর থেকে ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মঞ্জুরিপত্রের শর্ত ভঙ্গ করে যমুনা ব্যাংকের খাতুনগঞ্জ শাখা থেকে সুদসহ মোট ৭১ কোটি ৯২ লাখ তিন হাজার ১১৬ টাকা আত্মসাৎ করেছেন আবু সাঈদ চৌধুরী।

তাকে এ কাজে সহায়তা করেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা মনজুরুল আহসান।

চাল মজুতদারীর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান

চট্টগ্রাম মহানগরের চাক্তাই এলাকায় ১৯সেপ্টেম্বর চাল মজুতদারীর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন, চট্টগ্রাম এর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোরাদ আলী ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ এর সমন্বয়ে বাজার মনিটরিং টিমের অভিযান পরিচালনা করা হয়।

উক্ত অভিযানে হাজী বদিউর রহমান এন্ড সন্স কর্তৃক অতিরিক্ত মূল্যে চাল বিক্রি এবং অতিরিক্ত চাল মজুতের অভিযোগে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজার মোঃ দিদারুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়।এসময় কতিপয় দুষ্কৃতিকারী আসামীকে ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে এবং মোবাইল কোর্টের কার্যক্রমে বাঁধা প্রদান করে। এ পর্যায়ে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং র্যা ব-৭ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অভিযানে শক্তিবৃদ্ধি করে। অভিযানে ধৃত আসামী মোঃ দিদারুল আলমকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৩৮ ও ৪০ ধারায় ৩ (তিন ) মাস কারাদন্ড ও ১ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড এবং মোবাইল কোর্ট কার্যক্রমে বাঁধা প্রদানের অভিযোগে আসামী মোঃ জাহিদুল ইসলাম শাওন কে দন্ডবিধি,১৮৬০ এর ১৮৬ ধারায় ১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

৫০ টি ভাসমান দোকান উচ্ছেদ

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সনজিদা শরমিন ও স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) জাহানারা ফেরদৌস এর নেতৃত্বে ১৮ সেপ্টেম্বর. চট্রগ্রাম মহানগর এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানকালে কোতোয়ালী থানাধীন আন্দরকিল্লার মোড় থেকে লালদিঘীর উত্তর পাড় পর্যন্ত, আন্দরকিল্লা রোডের উভয় পাশের ফুটপাথ, নালা ও রাস্তার উপর অবৈধভাবে দখল করে সিটি কর্পোরেশন নির্ধারিত সময়সীমার বাহিরে অবৈধভাবে বসা ৫০ টির মত ভাসমান দোকান ও দোকানের অবকাঠামো উচ্ছেদ করা হয়।
অভিযানকালে সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশ ম্যাজিষ্ট্রেটকে সহায়তা করেন।

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চট্টগ্রাম ইউনিট নির্বাচন সম্পন্ন

 

জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম চট্টগ্রাম ইউনিট নির্বাচন-২০১৭ গত ১৪ইং সেপ্টেম্বর-২০১৭ ইং তারিখে উৎসাহ উদ্দীপনা ও আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। সকাল ১০.০০ ঘটিকা হইতে একটানা বিকাল ৪.০০ ঘটিকা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদন সহ ২১টি সম্পাদকীয় পদে এবং ২০টি কার্যনির্বাহী সদস্য পদে সরাসরি গোপন ব্যালট এর মাধ্যমে ভোট গ্রহন হয়। সাংগঠনিক সম্পাদক সহ ১৩টি পদে প্রার্থীগন বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হন। নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন চট্টগ্রাম জেলা আইনীজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি সিনিয়র আইনজীবী এডভোকেট মোঃ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, সাধারন সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন এডভোকেট মোঃ জহুরুল আলম। অন্যান্য পদে যারা নির্বাচিত হন- সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে এডভোকেট এস.ইউ.এম. নুরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি পদে যথাক্রমে এডভোকেট আজিজুল হক চৌধুরী, এডভোকেট রৌশন আরা বেগম, এডভোকেট কাজী মোঃ সিরাজ, এডভোকেট আকবর আলী, এডভোকেট সেলিমা খানম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদন পদে এডভোকেট এ.এন.এম. মাঈনুল চৌধুরী (রনি), এডভোকেট নাসিমা আক্তার চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক এডভোকেট হাসান মাহমুদ চৌধুরী, এডভোকেট সৈয়দ আহম্মদ সিকদার, সহ সাধারণ সম্পাদক পদে এডভোকেট শওকত আওয়াল চৌধুরী, এডভোকেট মোঃ মুরশিদ আলম, এডভোকেট মোঃ রাহিম উদ্দিন, অর্থ সম্পাদক পদে এডভোকেট মোঃ ফিরোজ আলম, সহ অর্থ সম্পাদক পদে এডভোকেট মোঃ ইয়াছিন, দপ্তর সম্পাদক পদে এডভোকেট ইমতিয়াজ আহম্মদ জিয়া, সহ দপ্তর সম্পাদক এডভোকেট ইউসুপ আলম মাসুদ, আইন ও গবেষনা সম্পাদক এডভোকেট রফিকুর আলম, মহিলা সম্পাদিকা এডভোকেট আসরাফি বিনতে মোতালেব, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে এডভোকেট মোঃ শাহাবুদ্দিন কুতুবী।
বিনা প্রতিদ্বন্দীতায় নির্বাচিত হন যথাক্রমে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এডভোকেট এরশাদুর রহমান রিটু, সহ সাংগঠনিক পদে এডভোকেট নুরুল করিম এরফান, এডভোকেট শফিকুল আলম লিটন, প্রচার সম্পাদক পদে এডভোকেট মোকাররম হোসেন, সহ-প্রচার সম্পাদক পদে এডভোকেট মোঃ আনোয়ার হোসেন, মানবাধিকার সম্পাদক পদে এডভোকেট হাসনা হেনা, সহ-আইন ও গবেষনা সম্পাদক পদে আলাউদ্দীন আল আজাদ, সহ-মহিলা বিষয়ক সম্পাদক পদে এডভোকেট শাহনাজ সিদ্দিকী, প্রকাশনা সম্পাদক পদে মোঃ আলী আকবর সানজিক, সহ প্রকাশনা সম্পাদক পদে এডভোকেট মোস্তফা কামাল, এডভোকেট মোঃ এরফানুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক পদে মোঃ জাহেদুল ইসলাম তালুকদার, সহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পদে এডভোকেট মোঃ আজিজুল হক।
কার্যনির্বাহী সদস্য পদে নির্বাচিত হন যথাক্রমে ঃ-
১)আবদুল সবুর, ২) আ.ন.ম. কামরুল হাসনাত চৌধুরী,৩) কেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী,৪) মোয়াজ্জেম হোসেন,৫) মোঃ মনজুর হোসেন,৬) মোঃ রিয়াদ উদ্দিন, ৭) মোঃ মেজবাহ উদ্দিন,৮) মোঃ আশরাফ আলী ফারহাদ,৯) মোঃ আলী ইয়াছিন, ১০) মোঃ এহসানুল হক,১১) মোঃ নাছির উদ্দিন রুবেল,১২) শেখ তাপসী তহুরা, ১৩) মোঃ লোকমান শাহ,১৪) মোঃ তৌফিক উদ্দিন,১৫) মোঃ আবদুল্লাহ আল-মামুন, ১৬) এইচ.এস. সরোয়াদী,১৭) মোঃ সরোয়ার হোসেন লাভলু,১৮) সৈয়দ মোঃ আনোয়ার উল্লাহ,১৯) জয়নাল আবেদীন(সম্রাট), ২০) মোঃ মিজানুল হাসান চৌধুরী
নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মূখ্য নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট সৈয়দ সালাউদ্দীন, নির্বাচন কমিশনার এডভোকেট আবদুল কাদের, এডভোকেট এইচ.এম. আবুল হাসান।
নির্বাচিত সভাপতি এডভোকেট মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী ও সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মোঃ জহুরুল আলম নির্বাচন পরবর্তী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিজয়ী এবং নির্বাচনে অংশগ্রহনকারী সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান।

চেক প্রতারনা পটিয়ায় আ’লীগ নেতার ছয় মাসের কারাদন্ড

পটিয়া প্রতিনিধি:
চেক প্রতারনা মামলায় পটিয়ায় পৌরসভা আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ খলিলুজ্জামান আমিরী শিবলু (৪০) কে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ৭ লাখ টাকার চেকের বিনিময়ে দ্বিগুণ ১৪ লাখ টাকা প্রদানের নির্দেশ দেয় আদালত। বুধবার দুপুরে পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মোঃ জসিম উদ্দীন এ আদেশ দেন।
অতিরিক্ত পিপি ও বাদী সূত্রে জানা গেছে, পটিয়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ আলী আকবরের পুত্র সেকান্দর আলী (৪৪) একই এলাকার সিরাজুল হক আমিরীর পুত্র আ’লীগ নেতা খলিলুজ্জামান আমিরীর কাছ থেকে ৭ লাখ টাকা পাওনা ছিল। টাকার বিনিময়ে শিবলু আমিরী একটি চেক প্রদান করেন। দীর্ঘদিন ধরে ওই টাকা পরিশোধ না করায় সেকান্দর প্রথমে পটিয়া পৌরসভার মেয়র অধ্যাপক হারুনুর রশিদের স্মরণাপন্ন হয়। বিষয়টি মীমাংসা না হওয়ায় সেকান্দর পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতে গত ২০১৫ সালের ১৫ নবেম্বরে একটি চেক প্রতারনার মামলা করেন। ওই মামলা শুনানী শেষে বিজ্ঞ বিচারক খলিলুজ্জামান আমিরী শিবলুকে ছয় মাসের কারাদন্ড প্রদান করেন। মামলা নিষ্পত্তির শর্তে শিবলু আমিরী পাওনা টাকার অর্ধেক ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধ করে আপিল করলে তাকে বিকেলে মুক্তি দেওয়া হয়। সে পটিয়া পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি ছিলেন।
এ ব্যাপারে পটিয়া যুগ্ম জেলা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট বদিউল আলম বলেন, চেক প্রতারনা মামলায় শিবলু আমিরীর ছয় মাসের কারাদন্ড হয়েছে। মামলার বাদী সেকান্দরকে ৭ লাখ টাকা প্রদান না করায় চেক প্রতারনা মামলায় বিজ্ঞ বিচারক ছয় মাসের কারাদন্ড ও পাওনা টাকার দ্বিগুণ পরিশোধের আদেশ দেন।

 

তালসরা দরবার’র টাকা লুটের মামলার বিচার শুরু

মঙ্গলবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নুরে আলম ভুঁইয়ার আদালতে অভিযোগপত্রভুক্ত সাত আসামির সবার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়।

আদালত সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ২৩ অক্টোবর দিন ধার্য করেছে বলে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি আ ক ম সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী জানিয়েছেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, আসামিরা মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদন করেছিলেন। আদালত তা নামঞ্জুর করে দণ্ডবিধির ৩৯৫ ও ৩৯৭ ধারায় (দস্যুতা ও ডাকাতি) অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।

আসামিরা হলেন- র‌্যাব-৭ এর তৎকালীন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (চাকরিচ্যুত) জুলফিকার আলী মজুমদার, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট (বাধ্যতামূলক ছুটিতে) শেখ মাহমুদুল হাসান, র‌্যাব-৭ এর সাবেক ডিএডি আবুল বাশার, এসআই তরুণ কুমার বসু, র‌্যাবের তিন সোর্স দিদারুল আলম ওরফে দিদার, আনোয়ার মিয়া ও মানব বড়ুয়া।

মঙ্গলবার অভিযোগ গঠনের সময় জামিনে থাকা সাত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

দরবারের অর্থ লুটের অভিযোগের পর র‌্যাব সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।

পিপি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, “এটি একটি চাঞ্চল্যকর মামলা। এলিট ফোর্স র‌্যাবের উপর জাতি কত আশা করে। অথচ এরা দরবার শরিফে ঢুকে সেখানকার লোকজনকে আটকে রেখে দরবার ও মসজিদ সংস্কারের জন্য মানুষের দেওয়া দুই কোটি টাকা লুণ্ঠন করে নেয়।”

তালসরা দরবারে ২০১১ সালের ৪ নভেম্বর রাতে র‌্যাব সদস্যরা গিয়ে তল্লাশির নামে ২ কোটি ৭ হাজার টাকা লুটের অভিযোগে ২০১২ সালের ১৩ মার্চ আনোয়ারা থানায় র‌্যাব সদস্যসহ ১২ জনেরর বিরুদ্ধে মামলাটি হয়।

তালসরা দরবারের পীরের গাড়িচালক মো. ইদ্রিসের করা মামলার অভিযোগে বলা হয়, “জুলফিকার মজুমদারের নেতৃত্বে র‌্যাবের একটি দল অভিযান চালিয়ে দরবার শরিফে রাখা আলমারি ভেঙে দুই কোটি সাত হাজার টাকা নিয়ে যায়।”

ওই রাতে দরবার শরিফ থেকে মিয়ানমারের পাঁচ নাগরিককে র‌্যাব সদস্যরা আটক করে। তাদের থানায় হস্তান্তর করা হলেও টাকার বিষয়ে কোনো কিছুই উল্লেখ করেনি র‌্যাব।

এ ঘটনা পরে জানাজানির পর র‌্যাব সদর দপ্তর থেকে করা তদন্ত কমিটির প্রাথমিক তদন্তে টাকা লুটের ঘটনায় র‌্যাব সদস্যদের জড়িত থাকার বিষয়টি ধরা পড়ে।

২০১২ সালের মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ঢাকার মগবাজার থেকে গ্রেপ্তার হন জুলফিকার। তবে ২১ জুন উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে মুক্ত হন তিনি।

এরপর ২০১২ সালের ২৬ জুলাই জুলফিকারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন আনোয়ারা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুস সামাদ।

২০১২ সালেই মামলা বাতিল চেয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেন জুলফিকার ও মাহমুদুল হাসান। ২০১৫ সালের ১১ মার্চ জুলফিকারের করা রুল আবেদনটি হাই কোর্টে বাতিল হয়ে যায়।

সর্বশেষ গত বছরের ১৮ অগাস্ট মাহমুদুল হাসানের পক্ষে আবেদনটি না চালানোর কথা জানানো হলে সেটিও বাতিল করে দেয় হাই কোর্ট।

এরপর সংশ্লিষ্ট জিআরও শাখায় প্রায় চার বছর আগে জমা পড়া অভিযোগপত্রটি আদালতের নির্দেশে বিচারিক আদালতে আসে।

পিপি সিরাজুল ইসলাম বলেন, “সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা জুলফিকার আলী মজুমদারের গাড়িচালক ও দেহরক্ষী ডাকাতির বর্ণনা দিয়ে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এছাড়া অন্য তিনজন সাক্ষীও জবানবন্দি দিয়েছেন। আশা করি, অভিযোগ প্রমাণিত হবে।”

Scroll To Top