শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / প্রাণ-প্রকৃতি ও আবহাওয়া

বিভাগ: প্রাণ-প্রকৃতি ও আবহাওয়া

Feed Subscription

সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরসমূহকে ৩ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। এছাড়া নৌবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়া অধিদফতরের এক সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চরণশীল মেঘমালা তৈরি অব্যাহত থাকায় উত্তর বঙ্গোপসাগর, উপকূলীয় এলাকা ও সমুদ্রবন্দরগুলোর ওপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত নৌযানগুলোকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

কেয়া …

কেয়া লম্বায় ৩ থেকে-৪ মিটার হয়ে থাকে। গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ। এ গাছের কাণ্ড গোলাকার এবং কাটাযুক্ত। কাণ্ড থেকে শাখা প্রশাখা বের হয়। এর পাতা ৩ থেকে-৪ মিটার পর্যন্ত লম্বা এবং ৫-৬ সেন্টিমিটার চওড়া হয়। পাতার কিনারায় করাতের মত কাঁটা বিদ্যমান।

অনেকটা আনারসের পাতার মতো। এই গাছের পাতা কাণ্ড থেকে সরাসরি পত্রমূল ছাড়াই বের হয়। পাতার গোড়া কাণ্ডের সাথে জড়িয়ে থাকে। পাতার অগ্রভাগ সরু এবং মাটির দিকে অবনত থাকে। পাতার রঙ সবুজ এবং উভয় তল মসৃণ।

এ গাছের গাছের নিম্নদেশ থেকে মোটা শাখা পর্যন্ত বেশ কিছু মূল বের হয়ে মাটিতে ভিত্তি তৈরি করে। এগুলোকে ঠেসমূল বলা হয়। এই মূল গাছের কাণ্ডকে দৃঢ়ভাবে মাটির সাথে যুক্ত করে এবং গাছের ভারবহনে সহায়তা করে। এ গাছগুলো পরস্পরের সাথে জড়াজড়ি করে নিবিড় এবং দুর্গম পরিবেশ তৈরি করে।

কেয়া ফুল

কেয়া একলিঙ্গীক গাছ। পুরুষ কেয়াকে বলা হয় সিত কেতকী এবং স্ত্রী কেয়াকে স্বর্ণ কেতকী বা হেম কেতকী। আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে কেয়া ফুল ফোটে। এই কারণে বাংলাদেশে কেয়াকে বর্ষার ফুল বলা হয়। এর ফুলের রঙ সাদা এবং গন্ধযুক্ত। আশ্বিন কার্তিক মাসে গুচ্ছাকার ফল হয়। এই ফলের গাত্র বেশ শক্ত হয়। দূর থেকে এই গুচ্ছ ফলকে আনারসের মতো মনে হয়। এর রঙও আনারসের মতো লালচে হয়ে থাকে। কেয়া ফল ১৫-১৮ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা। ফল কমলা, পীত বা ধুসর হয়।

অনেকে এই ফল খায়। কেতকী তিতা স্বাদের। এই গাছের ফুল থেকে সুগন্ধী তেল তৈরি করা হয় যা কেওড়া তেল নামে অবিহিত।
কেয়া বৈজ্ঞানিক নাম Pandanus odoratissimus এটি Pandanaceae (screw pine family) পরিবারের একটা উদ্ভিদ। অন্যান্য স্থানীয় নামের মধ্যে Fragrant Screw Pine, Umbrella tree, Screw pine, Screw tree নাম গুলো উল্লেখযোগ্য।

বাংলাদেশের সমতলভূমি এলাকায় এদের দেখা যায়। এ ছাড়াও সুন্দরবন, সেন্টমার্টিন-এ এই গাছ প্রচুর দেখা যায়। কেয়া দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার স্থানীয় গাছ। বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, জাপান প্রভৃতি দেশে প্রচুর জন্মে।

কেয়া ফুল

জানা যায়, প্রায় আড়াই হাজার বছর আগেও হিমালয়ের উঁচু স্থানে কেয়া ছিল। আমাদের প্রাচীন সাহিত্য, হিন্দু-পুরাণ, লোককাহিনীতে কেয়ার কথা আছে। কবি নজরুল কেয়াকে নিয়ে কাব্য রচনা করেছেন – রিমি ঝিম রিমি ঝিম ঐ নামিল দেয়া।

কেয়া পাতার রস ব্রণ, কুষ্ঠ, ডায়াবেটিস রোগে উপকারী। ফুলের তেল পেট ব্যথা কমাতে সহাযতা করে। বিরিয়ানী রান্নায় কেওড়ার ফুলের জল ব্যবহূত হয়ে থাকে। এই ফুল থেকেই বাস্পীভবন প্রক্রিয়াায় তৈরি হয় কেওড়ার জল বিশেষ করে ভারতের রাজস্থানে এর সুগন্ধি বরফী, রসমালাই, রসগোল্লা, পিঠাসহ নানারকমের মিষ্টান্ন তৈরিতে ব্যবহার হয়। কেয়ার গন্ধ গভীর ও মাদকতাপূর্ণ। গন্ধে পাগল হয়ে ভ্রমর দল ছুটে যায়। কিন্তু ফুলে মধু নেই, আছে কাঁটায় ভরা রাশি রাশি লম্বা। এ ছাড়াও কেয়ার কাণ্ড, পুষ্পদণ্ড, দণ্ড, বীজ ও ঝুরি নানান ওষুধে কাজে লাগে। বিশেষত বিষাক্ত পোকার কামড় ও খুশকি কমাতে কেয়া বেশ উপকারী।

পাহাড় কেটে রোহিঙ্গাদের নতুন বস্তি

কায়সার হামিদ মানিক,উখিয়া  ::
 প্রতিদিন সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করছে হাজার হাজার রোহিঙ্গা তারা আশ্রয় নিতে কক্সবাজারের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় কেটে নতুন নতুন বস্তি গড়ে তুলছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগিতায় ইতোমধ্যেই তারা উখিয়া, টেকনাফের বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে বস্তি গড়ে তুলেছে। এসব এলাকায় এখন দিনরাত চলছে পাহাড়, বনজঙ্গল কেটে বাঁশ ও পলিথিন দিয়ে ঘর তোলার কাজ। রোহিঙ্গারা প্রকাশ্যে এ তৎপরতা চালালেও স্থানীয় প্রশাসন বলছে তারা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বলেছেন নতুন আসা রোহিঙ্গারা ইতোমধ্যে বনবিভাগের সাড়ে চারশ একর ভূমি দখল করে ফেলেছে। এর আগে গত বছর রোহিঙ্গারা দখল করেছিল ৬০০ একরের বেশি খাস জমি।
সরেজমিন পরিদর্শন ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালী ঢালার মুখ, তাজনিরমারখোলা, হাকিমপাড়া, টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পুটিবনিয়া, রইক্ষ্যং, থাইংখালী ও নাইক্ষ্যংছড়ি বাঁশবাগান এলাকায় বনাঞ্চল সাবাড় করে গত কয়েকদিনে আসা রোহিঙ্গারা বস্তি গড়ে তুলছে। এসব এলাকায় পাহাড়ি ভূমি দখল করে অন্তত এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাস শুরু করেছে। তারা পাহাড় কেটে, বনজঙ্গল উজাড় করে বাঁশ ও পলিথিন দিয়ে তৈরি করছে নতুন ঘরবাড়ি। নতুন বস্তির খবর পেয়ে এসব এলাকার দিকে ছুটে যাচ্ছে অনুপ্রবেশকারী হাজারও রোহিঙ্গা। এসব এলাকার পথে পথে এখন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের দীর্ঘ সারি। এদের কারও হাতে বস্তা, কুড়াল আবার কারও হাতে পলিথিন ও বাঁশ। অধিকাংশ নারীর কোলেই রয়েছে শিশু।
এক রাতের ব্যবধানে এসব এলাকায় কয়েকটি পাহাড় ন্যাড়া করে ফেলেছে রোহিঙ্গারা। সেখানে বনের গাছপালা উজাড় করে,পাহাড় কেটে সমতল করছে তারা। যত দূর দেখা যায় পাহাড়ের চূড়ায়, পাদদেশে শত শত পলিথিনের ছাউনিযুক্ত ঘর। কেউ ঘর তৈরি করে বিশ্রাম নিচ্ছে, কেউ নতুন ঘর গড়ার কাজ করছে। এসব ভূমি বনবিভাগের হলেও স্থানীয় প্রভাবশালীরা টাকার বিনিময়ে তা বরাদ্দ দিচ্ছে রোহিঙ্গাদের কাছে।
আগে থেকেই উখিয়ার কুতুপালং, বালুখালী, টেকনাফের নয়াপাড়া, লেদা ও শামলাপুর এলাকায় অবস্থিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত মিলে প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা বনবিভাগের জমির ওপর বসবাস করে আসছে।
টেকনাফ হোয়াইক্যং ইউনিয়নের পুটিবনিয়া বন বিভাগের জমিতে পাহাড় কেটে সমতল করে মাটিতে বাঁশ পোঁতার কাজ করছিলেন মিয়ানমারের মংডুর কাচারবিল গ্রাম থেকে আসা ফরিদ মিয়া (৪৫)। তার সঙ্গে পাশেই মাটি সমতল করার কাজ করছিলেন তার পরিবারের আরও চার সদস্য। ফরিদ মিয়া জানান, তিনি পাশের এক চাকমার কাছ থেকে টাকা দিয়ে পলিথিন ও বাঁশ কিনেছেন। ওই বাঁশ ও পলিথিন দিয়ে যে ঘর তৈরি হবে তাতে তার পরিবারের ১৩ সদস্য রাত কাটাতে পারবে। এখানে প্রতিটি ঘর তৈরি হচ্ছে ৮ ফুট বাই ১০ ফুট আয়তনের। জমি দখলে রাখা স্থানীয়রা এমন ঘর তৈরির নির্দেশনা দিয়েছে বলে জানান ফরিদ মিয়া। থাকার অনুমতির জন্য জমির এসব কথিত মালিককে দিতে হয়েছে দুই হাজার টাকা করে।
তিনি জানান, মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসার সময় তিনি জমানো সব অর্থ নিয়ে এসেছিলেন। ওই অর্থ বদলে বাংলাদেশি টাকা নিয়েছেন নৌকার মাঝির কাছ থেকে। আগে মিয়ানমারের মুদ্রা ১৫ হাজার কিয়াটের বিনিময়ে বাংলাদেশের এক হাজার টাকা পাওয়া যেত। এখন বাংলাদেশি এক হাজার টাকা নিতে নৌকার মাঝিকে দিতে হয়েছে ৩৩ হাজার কিয়াট। নাফ নদী পার করে দেওয়ার জন্য প্রতি দুজনের জন্য নেওয়া হয়েছে ১৫ হাজার কিয়াট করে। তারা এক গ্রাম থেকে ৭০ জন পালিয়ে এসেছেন। এপারে এসে আশ্রয়ের সন্ধান পেতে ইতোমধ্যে সঞ্চয়ের সব অর্থই শেষ হয়ে এসেছে।
পাহাড়ের চূড়া সমতল করে ঘর বানাচ্ছিলেন মিয়ানমারের মংডুর খেয়ামং গ্রাম থেকে আসা মো. রফিক (৪০) ও তার পরিবারের সদস্যরা। রফিক জানান, তিনি পরিবারের ১১ সদস্যকে নিয়ে পাঁচদিন আগে টেকনাফের ঝিমংখালী সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকেন। এরপর উখিয়ার বালুখালী অনিবন্ধিত শরণার্থী শিবিরে ছিলেন চারদিন।
উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ব্যবস্থাপনা কমিটির চেয়ারম্যান লালু মাঝি বলেন, ‘বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প ছাড়াও বালুখালী ঢালার মুখ নামক স্থানে নতুন করে আরও একটি বস্তি তৈরি হচ্ছে। এই ক্যাম্পে স্থান সংকুলান না হওয়ায় বর্তমানে ওই নতুন বস্তির দিকে অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের ঢল নেমেছে। ওই বস্তিতে এখন হাজার হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে।’
টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জালাল আহমদ বলেন, ‘সীমান্ত পেরিয়ে গ্রামগুলোতে হাজার হাজার রোহিঙ্গা ঢুকছে। প্রতিদিন অসংখ্য নারী, পুরুষ ও শিশু এলাকার স্কুল, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিচ্ছে। যেদিকে তাকাই সেখানেই রোহিঙ্গা আর রোহিঙ্গা। এসব রোহিঙ্গাদের জন্য ইউনিয়নের পুটিবনিয়া ও রইক্ষ্যং এলাকায় নতুন করে গড়ে উঠেছে বস্তি।’
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোজাফ্ফর আহমদ বলেন, ‘ইউনিয়নের তাজনিমার খোলা, হাকিমপাড়া,  এলাকায় নতুন করে গড়ে উঠছে রোহিঙ্গা বস্তি। স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এসব বস্তিতে উঠার জন্য রোহিঙ্গাদের উৎসাহিত করছেন।’ এর আগে গত বছর বালুখালী পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে কয়েকটি রোহিঙ্গা ক্যাম্প গড়ে তোলা হয়। সেখানে আর কোনও জায়গা না থাকায় নতুন এসব এলাকাকে বেছে নেওয়া হয়েছে।
রোহিঙ্গাদের নতুন করে বস্তি গড়ে তোলা প্রসঙ্গে কক্সবাজারের উখিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাঈন উদ্দিন বলেন, ‘আর কোথাও নতুন করে রোহিঙ্গা ক্যাম্প হতে দেওয়া হবে না। গত এক সপ্তাহ ধরে উখিয়ায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা রোহিঙ্গাদের কুতুপুালং ও বালুখালী ক্যাম্প এলাকায় নিয়ে আসা হবে।’ টেকনাফ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রণয় চাকমা বলেন,‘পুটিবনিয়া বনভূমিতে নতুন করে প্রায় ৪০ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করছি। এখনও এ বিষয়ে দাফতরিকভাবে কোনও কিছু বলা সম্ভব নয়।’
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা আলী কবির বলেন, ‘এবার রোহিঙ্গাদের তৎপরতা একটু বেশি। স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তির সিন্ডিকেট রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের নামে নতুন বস্তি তৈরির চেষ্টা করছে। আমরা অভিযান চালিয়ে দুয়েকটি বস্তি উচ্ছেদও করেছি।

উখিয়ায় হাতির পায়ে পিষ্ট হয়ে দুই শরণার্থীর মৃত্যু, আহত ৩

 

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:

রোববার মধ্য রাতে কুতুপালং মধুরছড়া রোহিঙ্গা বস্তিতে বন্যহাতির পায়ে পৃষ্ট হয়ে শিশুসহ ২ রোহিঙ্গার মৃত্যুর হয়েছে। এরা হলেন সৈয়দুল আজিম (৫৫) ও তার ছেলে সৈয়দুল আমিন (২)। এসময় আহত ৩ মহিলাকে প্রথমে এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন। প্রত্যক্ষদর্শী রোহিঙ্গা নেতা ডা. জাফর আলম জানিয়েছেন, মধুরছড়ায় গড়ে উঠা রোহিঙ্গা বস্তিটি হাতি চলাচলের পথ ছিল। কুতুপালং ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ সাখাওয়াত হোসেন এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

 

 

পদ্ম বিলে …

বিশ্বজিৎ পাল বাবু:

প্রকৃতিতে এই রোদ, এই বৃষ্টি। সকালে মাথায় রোদ নিয়ে বের হলেও পদ্ম বিলে পৌঁছতে না-পৌঁছতেই বৃষ্টির আগমন। এর মধ্যে চারদিকে শোনা গেল সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো এক আওয়াজ। এই বিলের মধ্যে এই আওয়াজ কোথা থেকে এলো? কৌতূহল মনের প্রশ্নের জবাব মিলল খানিক পরেই।

পদ্মের পাতায় মুষলধারে বৃষ্টি পড়ায় এমন শব্দের সৃষ্টি। বৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে বিলপারে থাকা একটি বাড়িতে আশ্রয় নিলাম। অপেক্ষাকৃত উঁচু ওই বাড়ি থেকে পদ্ম বিলে চোখ পড়তেই যেন মন ভরে ওঠে। আহা! প্রকৃতির কী অপরূপ সাজ! বিলে যেন আসন পেতেছে শত শত পদ্ম ফুল। শত একর বিলজুড়ে জলে ভাসছে পদ্ম। কেউ কেউ সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছে, কেউ বা ছবি তুলছে।

কেউ আবার ডিঙি নৌকায় চড়ে গিয়ে তুলে আনছে পদ্ম। এ যেন এক অন্য রকম উন্মাদনা পেয়ে বসেছে প্রকৃতিপ্রেমী মানুষকে। হওয়ারই তো কথা। অনেকের মতে, পদ্মের এত বড় বিলের যে দেখা  মেলা ভার।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রাম ঘাগুটিয়া। আর ওপারেই ভারতের পশ্চিম ত্রিপুরার আমতলী থানার মাধবপুর গ্রাম। বাংলাদেশ-ভারতের এই দুটি গ্রামের মাঝখানেই এই বিশাল পদ্ম বিলের অবস্থান। তবে বিলটার একটা বড় অংশই পড়েছে বাংলাদেশের ঘাগুটিয়া গ্রামে। হিন্দু ধর্মালম্বীদের দুর্গা দেবীর পূজায় কাজে লাগে এই পদ্ম ফুল। সে জন্য আশ্বিন মাসে এ বিল থেকে বাংলাদেশ-ভারতের মানুষ প্রচুরসংখ্যক পদ্ম ফুল সংগ্রহ করে থাকে। ভারতের স্থানীয় বাজারে এসব পদ্ম বিক্রিও হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, কাগজে-কলমে বিলটির নাম ‘বিল ঘাগুটিয়া’। প্রতিবছর আষাঢ় থেকে কার্তিক মাস পর্যন্ত এ বিলে পদ্ম ফুল ফোটে। বিল থেকে পানি নেমে গেলে ধীরে ধীরে পদ্মও এই বিল থেকে উধাও হয়ে যায়। বাকি সময়টুকুতে এখানে বোরো ধানের চাষ হয়।

স্থানীয়দের মতে, গত ৪০-৪৫ বছরের মধ্যে নাকি এ বছরই সবচেয়ে বেশি পদ্ম ফুটেছে বিলটিতে। ওই গ্রামের পাশের মিনারকুটেও রয়েছে আরেকটি ছোট্ট পদ্ম বিল। কার্তিক মাস পর্যন্ত এখানেও ফুল ফুটে থাকে। তবে বিলের আসল সৌন্দর্য দেখতে চাইলে শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে আসাই ভালো।

কথা হলো, ঘাগুটিয়া বিলের পাশের এক বাসিন্দা মো. ইউনুস মিয়ার সঙ্গে। তিনি জানালেন, পদ্ম বিলের টানে এখানে প্রতিবছর প্রকৃতিপ্রেমীরা ছুটে আসে। তাঁর বাড়িতে বাঁশ দিয়ে তৈরি বসার জায়গায় গা এলিয়ে অনেকে পদ্ম বিলের সৌন্দর্য উপভোগ করে। দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন পূজার সময়, বিশেষ করে ভারতের লোকজন এসে ওই বিল থেকে পদ্ম ফুল নিয়ে যায়। ইউনুস মিয়া বলেন, পদ্ম বিলটি সরকারি উদ্যোগে সংরক্ষণ করলে ভালো হতো।

পাশেই ছিলেন মনিয়ন্দ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক মেম্বার মো. আব্দুল্লাহ। তিনি দিলেন একটা মজার তথ্য, ‘২০১৪ সালের দিকে দেশি-বিদেশি একটি গবেষকদল এখানে এসে পদ্মের শিকড় নিয়ে যায়। তবে পরে জানা যায়, ওই শিকড় নিয়ে তারা পদ্ম চাষের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। ’

এত কথা শুনে মন চাইছিল পদ্ম ফুলের ছবি তোলার জন্য বিলের ভেতরে যেতে। কিন্তু যাবই বা কিভাবে? এ সময় চোখে পড়ল এক ছোট্ট ছেলে ডিঙি নৌকা চালিয়ে আমাদেরই দিকে আসছে। কাছে আসতেই জিজ্ঞেস করলাম ওর নাম। বলল, ‘জুনায়েদ। বিলের কাছেই আমাদের বাড়ি। ’ নৌকা নিয়ে বিলে ঘুরতে বেড়িয়েছে ও। আমাদের ইচ্ছার কথা বলতেই এক কথায় রাজি হয়ে গেল। এত ছোট ‘মাঝি’র নৌকায় উঠতে খানিকটা দ্বিধা থাকলেও শেষমেশ জুনায়েদের নৌকাতেই ভেসে পড়লাম। কিছুক্ষণ পরই বুঝলাম ছোট হলেও মাঝি হিসেবে জুনায়েদ বেশ পাকা। বিলের মধ্যে গিয়ে দেখা মিলল আরো দুই কিশোর সাদেক ও রাসেলের সঙ্গে। ওরা এসেছে পদ্ম ফুল তুলতে। এগুলো দিয়ে নাকি ঘর সাজাবে। চাইলে বিল দেখতে আসা লোকজনকেও তারা ফুল তুলে দেয়। ওদের দেখাদেখি আমরাও কয়েকটা পদ্ম সংগ্রহ করি স্মারক হিসেবে। পদ্ম বিলে এসেছি, দু-একটা ফুল বাসায় না নিয়ে গেলে কি হয়!

ছবি: লেখক

কিভাবে যাবেন

ঢাকা থেকে ট্রেনে আখাউড়া রেলওয়ে স্টেশন। ভাড়া ট্রেন ও শ্রেণিভেদে ৬৫ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। স্টেশনে নেমেই সিএনজিচালিত অটোরিকশা রিজার্ভ নিলে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় পৌঁছা যাবে বিল ঘাগুটিয়ায়। অটোরিকশা রিজার্ভ নিয়ে নিলেই ভালো। কেননা ঘাগুটিয়া এলাকায় অটোরিকশা নিয়মিত পাওয়া যায় না

ঘূর্ণিঝড় ইরমা তাণ্ডব : বিলুপ্ত গোটা দ্বীপের মানুষ

এক বিশাল অঞ্চল জুড়ে তাণ্ডব চালিয়েছে ঘূর্ণিঝড় ইরমা। বিশেষ করে বার্মুডা দ্বীপের উপকূলে যে তাণ্ডব চলেছে তা ভয়াবহ।

তবে তার থেকেও ভয়ঙ্কর যে তথ্য উঠে এসেছে তা হল বার্মুডা দ্বীপে নাকি আর একজনও বেঁচে নেই।

এমনটাই জানিয়েছেন, বার্মুডার মার্কিন দূত। তিনি জানিয়েছেন, ইরমা ক্যারিবিয়ান দ্বীপ থেকে ফ্লোরিডার দিকে গিয়েছে। আর সেই ঝড়ে শেষ হয় গিয়েছে বার্মুডা দ্বীপের মানবকুল। অন্তত ৩০০ বছর ধরে মানুষ বাস করছিলেন ওই দ্বীপে। তাঁরা সম্পূর্ণ বিলুপ্ত বলেই উল্লেখ করেছেন তিনি।

বার্মুডায় ইরমার তাণ্ডব চলার পর নাসা বেশ কয়েকটি স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ করে। সেই ছবিতে ঝড়ের আগে ও পরে ক্যারিবিয়ান দ্বীপের ছবি প্রকাশ পায়। আর সেখানেই বোঝা যাচ্ছে কতটা বিধ্বংসী হয়েছে সেই ঝড়। ফ্লোরিডার দিকে যাওয়ার আগে বেশ কয়েকটি দ্বীপ তছনছ করে দিয়েছে ইরমা।

তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করে মার্কিন মুলুকের ফ্লোরিডায় ঢুকে পড়ে এই ইরমা। প্রবল ঝড়ো হওয়ায় সেখানকার জনজীবন বিপর্যস্ত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে আটলান্টিক মহাসাগরে গত ১০০ বছরের ইতিহাসে এটি অন্যতম ভয়ঙ্কর ঝড়। ইরমার আকারে ফ্লোরিডা রাজ্যের থেকেও বড়।

ঝড়ের প্রভাবে এখন ফ্লোরিডার দক্ষিণ-পূর্ব এলাকার উপকূলে দেখা দিয়েছে তীব্র জলোচ্ছ্বাস। অন্তত দু’শো কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ইরমার প্রভাবে সমুদ্রের ঢেউ ফ্লোরিডার উপকূলে ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করবে। ঝড়ের দাপটে কিউবার বহু এলাকা বিপর্যস্ত হয়। চরম বিদ্যুৎ সংকট দেখা দেয়। ভেঙে পড়ে অনেক ঘরবাড়ি। দেখা দেয় বন্যা।

সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

 

রবিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, উত্তর বঙ্গোপসাগর এলাকায় গভীর সঞ্চালনশীল মেঘমালা তৈরি হচ্ছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোর উপর দিয়ে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ শঙ্কায় দেশের সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

 

৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেতের অর্থ- বন্দর ও বন্দরে নোঙর করা জাহাজগুলো দুর্যোগ কবলিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বন্দরে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঘূর্ণি বাতাসের একটানা গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার হতে পারে।

 

এছাড়া, দেশের অভ্যন্তরীণ উপকূলীয় নদী বন্দরগুলোতে দুই নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে এবং অন্য নদী বন্দরগুলোর জন্য রয়েছে এক নম্বর সতর্কতা সংকেত।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় রবিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

 

কারেন্ট জাল উদ্বার জালের দোকান সিলগালা

শফিউল আলম, রাউজান : রাউজানে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান কারেন্ট জাল উদ্বার জালের দোকান সিলগালা । রাউজান ফকির হাট বাজারের রাউজান থানার অদুরে কাজল দাশের জাল বিক্রয়ের দোকানে ১৬ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল ১১ টার সময়ে রাউজান উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি ও নির্বাহী ম্যজিষ্ট্রেট জোনায়েদ কবির সোহাগ, উপজেলা মৎস অফিসার আমিনুল ইসলাম রাউজান থানা পুলিশের সহায়তায় অভিযান চালিয়ে ৩০ হাজার মিটার দৈর্ঘ কারেন্ট জাল উদ্বার করে । উদ্বার করা কারেন্ট জাল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যজিষ্ট্রেট। কারেন্ট জাল বিক্রয় করার অপরাধে জালের দোকানের মালিক কাজল দাশ থেকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয় । কারেন্ট জাল বিক্রয় করার অপরাধে জালের দোকান সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিষ্ট্রেট ।

ব্যতিক্রমী কামরাঙ্গা শিম

মোট ৩৪ Bean-1ধরনের শিম যেমন কার্তিকা শিম, ছোট কার্তিকা শিম, বড় কার্তিকা শিম, সবুজ কার্তিকা শিম, জলকার্তিকা শিম, নলকোষ শিম, ছোট নলকোষ শিম, বড় নলকোষ শিম, সাদা নলকোষ শিম, করমজা শিম, সবুজ করমজা শিম, কামরাঙ্গা শিম, তোড়াশিম, কাকশেল শিশ, জামাইকলুই শিম, ঘিকাঞ্চন শিম, আলিকাঞ্চন শিম, আলতাবাদ শিম, দুধশিম, গুতুমশিম, চিকড়াশিম, পুঁটিশিম, খৈইলা শিম, বউসুন্দরী শিম, কাইক্যা শিম, কুটে শিম, সবুজপাতা শিম, চামুয়া শিম, কোরালিয়া শিম, লালশিম শিম, তোড়াশিম, রেশমিলন শিম, সবুজ ঝুমকা শিম ও দুপা শিম এই প্রায়োগিক গবেষণায় অন্তর্ভূক্ত করা হয়। প্রতিটি বসতভিটায় কৃষাণীদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ও জৈব পদ্ধতির চাষাবাদে পরিচালিত এই পরীক্ষণে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে ১.৫ বর্গফুট আকৃতির পিট তৈরি করে তৃতীয় সপ্তাহে প্রতিটি পিটে ৬ থেকে ৯টি বীজ বপন করা হয়। ৫-৮ দিনের মধ্যে অংকুরোদগদের পর সেখান থেকে প্রতিটি পিটে ২টি সবল চারা রেখে বাকিগুলো নষ্ট করে ফেলা হয়। পরীক্ষণে অন্তর্ভূক্ত প্রতিটি শিমের পাক্ষিকভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণার সাথে যুক্ত কৃষাণী ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠির মতামতকে তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তি হিসাবে ধরা হয়।

লাল কলার পরিচিতি

কলা কমবেশি সবাই খাই। কাঁচা কলাকে সবজি আর পাকা কলাকে ফল হিসেবে খেয়ে অভ্যস্ত আমরা। আচ্ছা বলুন তো, কলার রং কী? খুবই স্বাভাবিক কথা যে কাঁচকলার রং হবে সবুজ আর পাকা কলার হলুদ।

তবে হ্যাঁ, কলাকে যে হলুদ বা সবুজই হতে হবে এমন কিন্তু কোনো কথা নেই। কলা হতে পারে লাল টুকটুকে বউয়ের মতো লাল রঙেরও।

আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। লাল কলা সত্যিই আছে।

সূর্যমুখী কলা/ লাল কলা/ Sun-facing Banana
এই কলার প্রজাতি আমাদের দেশেরই..
পার্বত্যচট্টগ্রামের তিন জেলাতেই পাহাড়ে এই প্রজাতির কলা প্রাকৃতিক ভাবে আছে
তবে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় বান্দরবান জেলায়
সূর্যমুখী নামকরণের কারণ হলো সূর্যমুখী ফুলের মতোই এরা সকাল থেকে সূর্যের গতিপথের দিকে ফিরে থাকে
খেতে যেমন সুস্বাদু, সেই সাথে এর গন্ধও খুব সুন্দর
চট্টগ্রাম শহরে খুবই জনপ্রিয় এই কলা আর দামও অনেক বেশি
এই কলার বিভিন্ন গুনাগুন :
প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোনেট ও ভিটামিন সি আছে। থাকে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টও।
এতে থাকে তিন ধরনের প্রাকৃতিক সুগার— ফ্রুকটোজ, সুক্রোজ এবং গ্লুকোজ। শরীরের মধ্যে এই সুগারগুলি খুব তাড়াতাড়ি ভেঙে যায় এবং প্রচুর পরিমাণে শক্তি উৎপন্ন করতে সাহায্য করে। ফলে সকালের নাস্তায় এটি রাখা খুবই ভালো।
এতে থাকে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থাকলে এটি খাওয়া ভালো। তবে শুধু কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্যই নয়, হজম শক্তি বৃদ্ধি করতেও সাহায্য করে লাল কলা।
হার্টের রোগীদের জন্য লাল কলা ডায়েটে রাখা ভাল। লাল কলায় থাকে পটাসিয়াম। যা শরীরকে সোডিয়ামের খারাপ প্রভাব থেকে রক্ষা করে। পাশাপাশি রক্তচাপও কমায়।
ভিটামিন এ থাকে বলে চোখের জন্য লাল কলা খুবই ভালো।
এতে রয়েছে ভিটামিন বি-৬। যা হিমোগ্লোবিন তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করে। ফলে যাঁরা রক্ত স্বল্পতায় ভুগছেন তাদের জন্য লাল কলা খাওয়া জরুরি।

Image may contain: plant

এশিয়া ও দক্ষিণ আমেরিকায় জন্মে এই কলা। এটিকে ইংরেজিতে Red Banana বলা হয়। অস্ট্রেলিয়ায়

লাল কলার খোসার রং হলুদাভ কমলা, গাঢ় কমলা, লাল এবং লালচে বেগুনি হয়। ভেতরটা হলুদ কলার মতোই ক্রিম রং, তবে কখনো কখনো গোলাপি আভাও থাকে।

লাল কলার রং যত গাঢ় হয়, এতে ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি-এর পরিমাণও তত বেশি হয়।

Scroll To Top