শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / প্রাণ-প্রকৃতি ও আবহাওয়া

বিভাগ: প্রাণ-প্রকৃতি ও আবহাওয়া

Feed Subscription

বোয়ালখালীতে রান্না ঘরের চুলায় কালনাগিনী!

বোয়ালখালী প্রতিনিধি:
বোয়ালখালীতে গত দুইদিনের টানা বর্ষণ আর কর্ণফুলীর জোয়ারের ফলে নি¤œাঞ্চল প্লাবিত হওয়ায় সর্পকুল আশ্রয়হীন হয়ে মানুষের বসত ঘরে ঢুকে পড়ছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগে অসাবধানতায় ডেকে আনতে পার বিপদ।

সোমবার (২৪ জুলাই) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার পশ্চিম গোমদন্ডী বড়–য়া পাড়ার বিজন বড়–য়ার ভাতিজা মিলু বড়–য়ার রান্না ঘরের চুলায় ঢুকে পড়ে কালনাগিনী /শঙ্খিনী। এ সাপ এলাকায় কালনাগিনী ডাকে অনেকে  সানাই বা শঙ্খচুর নামেও পরিচিত।

মিলু বড়–য়া জানান, বিকেলে রান্নার জন্য চুলায় আগুন জ্বালতে গেলে এ সময় ফোঁস করে উঠে সানাই সাপ। এরপর তাঁর স্ত্রী চিৎকার দিলে সবাই মিলে রান্না ঘওে ছুটে যান। তবে জ্যান্ত সাপটিকে কৌশলে চুলা থেকে বের করে দেয়া হয়।

এছাড়া সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের খলিলের মেয়ে আয়েশা (১২), পূর্ব গোমদন্ডীর আনু মিয়ার স্ত্রী ফাতেমা (৫০) ও উত্তর গোমদন্ডীর ইকবালের স্ত্রী আকতার (৩০)কে সাপে কাটে। তারা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রযেছে।

 

সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত

লঘুচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় সমুদ্রবন্দরগুলোকে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে আরো দুই দিন দেশে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।

 

বুধবারও বৃষ্টি চলবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা। ২৭ জুলাই থেকে পরিস্থিতি কিছুটা বদলাতে পারে। টানা বৃষ্টি থাকায় চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমি ধসের শঙ্কার কথাও বলেছেন আবহাওয়াবিদরা।

 

মঙ্গলবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে, যা রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্বদিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

 

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় অস্থায়ী দমকাসহ হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। কোথাও কোথাও ভারী বৃষ্টিপাত এবং কোথাও অতি ভারী বৃষ্টিও হতে পারে।

 

এসময় ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমদুদ্রবন্দরকে তিন নম্বর সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সব মাছ ধরা ট্রলার ও নৌকাকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে।

 

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাব ও বাতাসের তারতম্যের কারণে উপকূলীয় এলাকায় সাগর উত্তাল রয়েছে। সেই সঙ্গে ঝোড়ো বাতাস বইছে।

মাঝ সমুদ্রে হাবুডুবু খেল বুনো হাতি

শ্রীলঙ্কার কাছে মাঝ সমুদ্রে শুধুমাত্র শুঁড়টুকু তুলে হাবুডুবু খাচ্ছিল দুটি বুনো হাতি। তবে শেষ পর্যন্ত লঙ্কান নৌবাহিনীর প্রচেষ্টায় তীরে উঠতে পেরেছে হাতি দুটি।

জানা গেছে, সমুদ্রের ধারে টহল দিতে দিতে গিয়ে শ্রীলঙ্কার নৌবাহিনীর সদস্যদের নজরে পড়ে দুটি হাতি সমুদ্রে ভেসে বেড়াচ্ছে।  তৎক্ষণাৎ মোটা দড়ি, স্পিডবোট, লোকজন নিয়ে বুনো হাতি উদ্ধারে রওনা হয় তারা। প্রায় ১২ ঘণ্টার চেষ্টায় কোনোক্রমে হাতি দুটিকে ফিরিয়ে আনে তীরে। ঘটনাটি ঘটে শ্রীলঙ্কার ত্রিনকোমালির রাউন্ড আইল্যান্ড ও ফাউল পয়েন্টের মাঝে।

বিপদ আঁচ করে সঙ্গে সঙ্গে ত্রিনকোমালির বন দপ্তরের কাছে খবর পাঠান তাঁরা। নৌসেনা ও বন কর্মকর্তাদের যৌথ উদ্যোগে শুরু হয় উদ্ধারকাজ। বিরাট হাতি দুটিকে মাঝ সমুদ্রে থেকে টেনে আনা তো মুখের কথা নয়! রীতিমতো প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ডুবুরিদের পাঠানো হয় সেই কাজের জন্য। সঙ্গে যায় একটি ছোট জাহাজও। যদিও শেষমেশ তাতে তুলতে হয়নি হাতি দুটিকে। পায়ে দড়ি বেঁধে ধীরে ধীরে টেনে অল্প পানিতে নিয়ে আসা হয় তাদের। পাশাপাশি পাহারা দিতে দিতে আসে জাহাজটি। নিরাপদ জায়গায় পৌঁছোনোর পর নিজেরাই সাঁতরে পারে উঠে আসে হাতি দুটি।

এ ব্যাপারে বন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উদ্ধারের পর ফাউল পয়েন্ট জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হয় হাতি দুটিকে। তারা মনে করছেন, কোক্কিলাই হ্রদ পার হওয়ার সময়ই সম্ভবত ভেসে যায় তারা।

এক বন কর্মকর্তার কথায়, ‘খুব বিস্ময়কর ভাবে বেঁচে গিয়েছে হাতি দুটি। মনে হচ্ছে অল্প সময়ে সাঁতরে পার হতে গিয়েই ঘটে যায় বিপত্তি। ভাগ্যিস সময়মতো সেগুলোকে দেখতে পায় টহলদারি নৌকাটি। ‘

নাফ নদী থেকে ভেসে আসা মৃত মা হাতি উদ্ধার

শামসু উদ্দিন, টেকনাফ প্রতিনিধি:: নাফ নদী থেকে ভেসে আসা মৃত এক মা হাতি উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।

আজ বিকালে টেকনাফ হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমোরা পাড়া এলাকার নাফ নদী থেকে মৃত অবস্থায় এ হাতীটি উদ্ধার করা হয় বলে জানায় বন বিভাগ। উদ্ধার মা হাতীটি বাধর্ক্যজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করছে সংশ্লিষ্টরা। তবে মা হাতীটি পাশ্ববর্তী দেশ মিয়ানমার থেকে ভেসে এসেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল উদ্দীন জানায়, গত দুইদিন ধরে নাফনদী মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় একটি মৃত হাতি ভাসমান অবস্থায় দেখেছে জানিয়েছেন জেলেরা। এ ভাসমান হাতীটি ভাটার টানে আজ টেকনাফ সীমান্তের হ্নীলা নাটমোরা পাড়া এলাকায় আটকা পড়ে। তবে নাফনদী মৃত অবস্থায় বন্য হাতি আটকা পড়ার খবর বন বিভাগকে দেওয়া হলে বন বিভাগের একটি টিম মৃত মা হাতীটি উদ্ধার করে।

বন বিভাগের টেকনাফ সদর বিট কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন জানান, নাফ নদীতে হাতি আটকা পড়ার খবর পেয়ে মৃত মা হাতিটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচেছ বার্ধক্যজনিত কারণে এ মা হাতিটির মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে স্থানীয়ভাবে তা পুতে ফেলা হবে বলে জানায় তিনি।

লঘু চাপ, পাহাড় ধসের সতর্কতা জারি

বঙ্গোপসাগরে লঘু চাপের কারণে দেশজুড়ে বৃষ্টি হচ্ছে দুই দিন ধরে। তবে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় চট্টগ্রাম অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বেশি। আর সেখানকার পাহাড়ি এলাকাগুলোতে ছোট ছোট ধস নামছে দুই দিন ধরে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করেছে, বৃষ্টি আরও বাড়তে পারে এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে আবার পাহাড় ধস হতে পারে। সিলেট অঞ্চলের জন্যও এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

সোমবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের সতর্ক বার্তায় এই কথা জানানো হয়। এতে বলা হয়, ‘সক্রিয় মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে আজ সকাল ১০টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল চট্রগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী (৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার), অতি ভারী (৮৯ মিলিমিটার বা তার চেয়ে বেশি) বর্ষণ হতে পারে। ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টর কারণে চট্রগ্রাম ও সিলেট বিভাগের পাহাড়ি এলাকায় কোথাও কেথাও ভূমিধসের আশঙ্কাও রয়েছে।’

গত ১২ জুন রাতভর বৃষ্টির পর ভোরে চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, কক্সবাজার, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসে দেড় শতাধিক মৃত্যুর পর থেকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের এই ধরনের সতর্কবার্তাগুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

আবহাওয়া অধিপ্তরের আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, এই সতর্কবার্তা তারা ফ্যাক্সের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোকে পাঠিয়ে দিয়েছেন। আর তারাই স্থানীয় অধিবাসীদেরকে সতর্ক করার উদ্যোগ নেবে।

বান্দরবানে রবিবারও পাহাড় ধসে বেশ কিছু প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে আজ সকাল থেকে আবহাওয়ার এই সতর্কতা প্রচারের ব্যবস্থা নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

আমাদের রাঙ্গামাটি প্রতিনিধি জানান, দুই দিন ধরে বৃষ্টির কারণে সেখানে পাহাড় ধস নিয়ে আগে থেকেই সতর্ক প্রশাসন। পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদেরকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। আর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো থেকে মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে অবস্থানও নিচ্ছে।

আবহাওয়ার নিয়মিত বুলেটিনে জামানো হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। যেটা উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থা বিরাজ করছে। আর এর প্রভাবেই দুই দিন ধরে বৃষ্টি হচ্ছে।

আজ ভোর ৬টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় বৃষ্টিপাত রেকর্ড হয়েছে ২৪ মিলিমিটার। তবে চট্টগ্রাম অঞ্চলে এটা আরও বেশি। এই জেলায় বৃষ্টি হয়েছে ১৩২ মিলি মিটার। চট্টগ্রামেরই পাহাড় অধ্যুষিত সীতাকুন্ডে বৃষ্টি হয়েছে ৬৬, পাহাড়ি জেলা রাঙ্গামাটিতে বৃষ্টি হয়েছে ৯২ মিলি মিটার। এ ছাড়া কক্সবাজারে ১৫৫, কুতুবদিয়ায় ১৮৮ এবং টেকনাফে ৪৮ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক জানান, মঙ্গলবার নাগাদ বৃষ্টি কমে যাবে। তবে বর্ষাকাল বলে বৃষ্টি পুরোপুরি কাটবে না।

এদিকে বৃষ্টির প্রভাবে সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন সড়কের ভাঙা অংশে পানি জমে আছে। এ কারণে যানবাহনগুলো ওই অংশগুলো এড়িয়ে বাকি অংশ দিয়ে চলাচল করছে। ফলে সড়কে দীর্ঘ যানজট দেখা দিয়েছে।

বৃষ্টি জনজীবনে আরও বেশি দুর্ভোগ নিয়ে এসেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। বৃষ্টি আর জলাবদ্ধতা সেখানে পরিপূরক হয়ে গেছে। দুই দিন ধরেই পানিতে তলিয়ে আছে নগরীর নিচু এলাকা। গত দুই মাস ধরেই এই ধরনের দুর্ভোগের শিকার হতে হচ্ছে নগরবাসীকে।

১ আগস্ট থেকে কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকার করা যাবে

রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে মাছ শিকারের ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয়া হচ্ছে। মাছের সুষ্ঠু প্রাকৃতিক প্রজনন, বংশ বিস্তার ও উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষে চলতি মৌসুমে ১ মে থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সর্ববৃহৎ এই কৃত্রিম জলরাশিতে সব ধরনের মাছ শিকার, আহরণ, বাজারজাত ও পরিবহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। প্রজনন মৌসুম শেষ হওয়ায় আগামী ১ আগস্ট তা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সভায় সিদ্ধান্তটি নেয়া হয়। সভায় জেলা প্রশাসক মো. মানজারুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) কাপ্তাই হ্রদের ব্যবস্থাপক কমান্ডার আসাদুজ্জামানসহ অন্য কর্মকর্তা, মাছ ব্যবসায়ী নেতা ও মৎস্যজীবী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ১ আগস্ট মধ্যরাত থেকে হ্রদে পুনরায় উন্মুক্তভাবে মাছ শিকার, আহরণ, বাজারজাত ও পরিবহন করা যাবে। সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, এ মৌসুমে মাছের সুষ্ঠু প্রাকৃতিক প্রজনন, উৎপাদন ও বংশ বিস্তার সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ায় কাপ্তাই হ্রদে মাছ ধরার ওপর জারি করা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ১ আগস্ট মধ্যরাত থেকে কাপ্তাই হ্রদে স্বাভাবিকভাবে আবারও সব ধরনের মাছ শিকার, আহরণ, পরিবহন ও বিপণন করা যাবে।

খাগড়াছড়িতে ৫২৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ

শংকর চৌধুরী,খাগড়াছড়ি:
সবুজ শ্যামলে ভরবে দেশ পাহাড় ধস বন্দে সবুজ বনায়ন গড়ে তোলার অহবানে। জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান সপ্তাহ উপলক্ষে রবিবার ২৩জুলাই খাগড়াছড়ি জেলার সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে করা হয়েছে বৃক্ষরোপণ ।

খাগড়াছড়ি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফাতেমা মেহের ইয়াছমিন জানান, জেলার ৫২৯ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃৃক্ষরোপণ করা হয়েছে।

বৃক্ষরোপণ অভিযানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে নিজ নিজ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা । এসময় রোপণ করা হয় বিভিন্ন রকম ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা ।

বোয়ালখালীতে ইউপি সদস্যের বাড়ীতে অজগর

বোয়ালখালী প্রতিনিধি:
বোয়ালখালীর পশ্চিম শাকপুরা এক ইউপি সদস্যের পরিত্যাক্ত বসত ভিটা থেকে ৯ফুট লম্বা ও ১২ কেজি ওজনের একটি অজগর সাপ ধরা পড়েছে জনতার হাতে।
শনিবার (২২ জুলাই) সকালে উপজেলার শাকপুরা ইউনিয়নের মহিলা সদস্য ভালোবাসা দাশের পরিত্যাক্ত বসত ভিটার ঘেরা দেয়া জালে এ অজগর আটকা পড়ে।
শাকপুরা ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মান্নান মোনাফ জানান, অজগরটি উদ্ধার করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা হয়েছে। বন বিভাগকে খবর দেয়া হয়েছে। তারা তা নিয়ে গিয়ে অবমুক্ত করবেন বলে জানান তিনি।

৬৫টি বিষধর গোখরা পাওয়া গেছে শোয়ার ঘরে

এবার রাজশাহীর মোহনপুরে শোয়ার ঘরে ৬৫টি বিষধর গোখরা পাওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার ধোপাঘাটা পূর্বপাড়ার নছির উদ্দিনের দুই ছেলে শাবিল হোসেন ও বাবুল হোসেনের শোয়ার ঘর থেকে সাপগুলো উদ্ধার করা হয়। পরে আতঙ্কে সাপগুলো মেরে ফেলেছেন তারা।

শাবিল হোসেন ও বাবুল হোসেন জানান, সকালে তারা বিষধর গোখরা সাপের দুটি বাচ্চা দেখতে পান। পরে সেগুলো মেরে ফেলেন। এরপর ঘরজুড়ে সন্ধান চলান। এক পর্যায়ে ইঁদুরের গর্ত দেখতে পান। ওই গর্ত খুঁড়ে পাওয়া যায় ৬৫টি গোখরার বাচ্চা। একে একে সবগুলো মেরে ফেলা হয়েছে। ওই গর্তে পাওয়া ১৭টি ডিমও নষ্ট করে ফেলা হয়।

তারা আরও জানান, ওই গর্তে তারা চারটি প্রাপ্ত বয়স্ক গোখরা দেখতে পেয়েছেন। তবে মারতে পারেননি। তাদের খুঁজে বের করতে কাজ চলছে।

গত ৪ জুলাই থেকে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গত ২০ দিনে রাজশাহী নগরী, পবা, তানোর, দুর্গাপুর, মোহনপুর এবং বাগমারায় ৩৬৫টি বিষধর গোখরা সাপ ধরা পড়েছে। ধ্বংস করা হয়েছে ২৩৫টি ডিম।

চাপিলা

chapila (Underwater photographer Bangladesh) by Underwater photographer Bangladesh (flickr) Tags: bangladeshfish bangladeshriverfish beautiful bangladesh underwater nature kaptai lake karnaphuli river sharif sarwar rangamati hill district Share on: Facebook Twitter Tumblr

Scroll To Top