শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / আমাদের চট্টগ্রাম

বিভাগ: আমাদের চট্টগ্রাম

Feed Subscription

ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া (কক্সবাজার):
উখিয়ার প্রত্যন্ত হতদরিদ্র জনগোষ্ঠি অধ্যুষিত জনপদ রাজাপালং ইউনিয়নের করইবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাদ ছুয়ে পানি পড়ছে। বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করতে গিয়ে বই খাতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপরোন্তু শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গাছ তলায় বসে পাঠদান করতে হচ্ছে। লাইব্রেরীর ছাদের নিচে পলিথিন দিয়ে শিক্ষকেরা দায়িত্ব পালন করলেও শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে বিরাজ করছে ছাদ ধ্বসের আতংক।
সরেজমিন করইবনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘুরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, পরিচালনা কমিটির সাথে কথা বলে জানা যায়, ১৯৮৪ সালে এলজিইডির অর্থায়নে বিদ্যালয় ভবনটি নির্মিত হয়। শিক্ষকদের অভিযোগ গুনগত মান সম্পন্ন উপকরণ ব্যবহৃত না হওয়ার কারণে শ্রেণিকক্ষে ছাদ ছুয়ে পানি পড়ছে।
সহকারি শিক্ষিকা উর্মি সালমা জানায়, শ্রেণি কক্ষে পাঠদান করতে ভয় লাগে। কখন জানি প্রাকৃতিক দূর্যোগে স্কুল ভবনটি ধ্বসে পড়ে। প্রথম শিফটে পঞ্চম শ্রেণি, দ্বিতীয় শ্রেণি ও প্রথম শ্রেণি এ তিনটি শ্রেণিকক্ষে গিয়ে দেখা যায়, শিক্ষার্থীরা বৃষ্টিভেজা বেঞ্চে বসে পড়ালেখা করছে। পঞ্চমশ্রেণির ছাত্র হারুনুর রশিদ জানায়, শ্রেণিকক্ষের প্যালেস্তরা খসে পড়ার আশংকায় পড়ালেখায় মন বসে না।
বিদ্যালয়ের উঠানের সামনে গাছতলায় পাঠদান করাচ্ছে প্যারা শিক্ষক ইয়াছমিন আক্তার। শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গাছতলার মাটিতে বসে পড়াতে হচ্ছে। তবে বৃষ্টি হলে ছুটি দিতে হয় বলে ওই শিক্ষক জানান। বিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে গিয়ে দেখা যায়, ছাদের নিচে পলিথিন দিয়ে শিক্ষক শিক্ষিকারা দায়িত্ব পালন করছে।
প্রধান শিক্ষক মাস্টার জানে আলম জানায়, বিদ্যালয় ভবনটি ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ার পরও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের পাঠদান করাতে হচ্ছে। তিনি জানান, গত কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে শ্রেণির কক্ষের আসবাবপত্র, লাইব্রেরীর আনুসাঙ্গিক সরঞ্জামাদি বৃষ্টিতে ভিজে নষ্ট হয়ে গেছে। বিদ্যালয়ে একটি নতুন ভবন তৈরি প্রস্তাবনা অনুমোদন হলেও বাস্তবায়নের উদ্যোগ বিলম্বিত হচ্ছে বিধায় প্রাকৃতিক দূর্যোগ, দূর্ঘটনার আশংকা নিয়ে স্কুলের দায়িত্ব পালন করে যেতে হচ্ছে।
৫ জন শিক্ষক প্রায় ৪শতাধিক শিক্ষার্থীকে ঝুঁকিনিয়ে পড়ালেখা করতে হচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে উপজেলা শিক্ষা অফিসার বাবু সুব্রত কুমার ধর জানান, তিনি বিদ্যালয়ের নাজুক পরিস্থিতি দেখেছেন। নতুন ভবন নির্মিত না হওয়া পর্যন্ত এভাবে চলতে হবে বলে তিনি তার মতামত ব্যক্ত করেন।
পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইকবাল মনির জানান, বিদ্যালয়টি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে নতুন ভবন নির্মিত না হওয়া পর্যন্ত অন্য কোন নিরাপদ স্থানে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানোর অনুমতি এবং ব্যবস্থা নেওয়া শিক্ষা কর্মকর্তার নৈতিক দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও তিনি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে না।

উখিয়ায় ইয়াবা সহ আটক ৪

কায়সার হামিদ মানিক, উখিয়া:
উখিয়া থানা পুলিশ উপজেলার সোনার পাড়া বাজার এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৩২৫ পিস ইয়াবা সহ ৪ জনকে আটক করেছে। বুধবার ভোরে এ অভিযান পরিচালনা করেন উখিয়া থানা পুলিশের সহকারী উপ-পরিদর্শক মোঃ আমিন উল্লাহর নেতৃত্বে একদল পুলিশ। আটককৃতরা হল মোঃ জসিম উদ্দিন, আরিফুর রহমান, মুবিন উল্লাহ ও মাহমুদুল হক। ধৃত ব্যক্তিরা উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনার পাড়া এলাকার বলে পুলিশ জানিয়েছেন। ধৃতদের সন্ধ্যার দিকে উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে হাজির করা হলে ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অপরজনের বিরুদ্ধে উখিয়া থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয় বলে উখিয়া থানার ওসি আবুল খায়ের এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন।

এলইডিপি প্রজেক্ট বিশাল অবদান রাখছে

‘চট্টগ্রাম জেলার বেকার সমস্যা দূরীকরণে এলইডিপি প্রজেক্ট বিশাল অবদান রাখছে। পৃথিবীর বুকে আউটসোর্সিং সেক্টর দিয়ে আমাদের তরুণরা নিজেদের জায়গা করে নিবে।’

বুধবার চট্টগ্রাম জেলার ‘লানিং অ্যান্ড আর্নিং’ প্রজেক্টের কোর্স সমাপনী ও মেন্টরিং সেন্টারের উদ্বোধনকালে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. হাবিবুর রহমান।

এই পোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার হাসান বিন মুহাম্মদ আলী এবং এলইডিপি প্রজেক্টের চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের প্রধান সমন্বয়ক মো. ইকরাম।

মো. ইকরাম বলেন, ‘চট্টগ্রাম জেলাতে মোট ৬৫০জনকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে ৩১১ জন আর্নিং করতে সম্পন্ন হয়েছে। বাকি যারা আর্নিং করতে পারেনি, তাদের আয় নিশ্চিত করার জন্য ৩মাসের মেন্টরিং সেশন শুরু হয়েছে।’

ইকরাম আরও বলেন, ‘ট্রেনিং সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার পরও যারা এখনও ইনকামে যেতে পারেনি, তাদেরকে এক্সপার্টদের তত্ত্বাবধানে রেখে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সকলের অনলাইন হতে আয় নিশ্চিত করার জন্য ৩মাসের মেন্টরিং ক্লাশের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

এ প্রোগ্রামে এলইডিপিতে ট্রেনিং করে ৫০০০ ডলার আয় করা ৩জনকে বিশেষ শুভেচ্ছা জানানো হয়।

গ্রামে আরো উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার কো-অর্ডিনেটর, আব্দুল মান্নান আসিফ, জ্যাকব নাথ, পদ্ম রায়, সাকলাইন ও তৌহিদুর রহমান।

প্রোগ্রাম শেষে প্রধান অতিথি মেন্টরিং সেশনের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় প্রজেক্টের ট্রেনিংপ্রাপ্ত প্রায় দুই শতাধিক প্রশিক্ষণার্থী অংশ নেন।

ছিনতাইকালে আটক ৪

চট্টগ্রাম নগরীর বাকলিয়া থানাধীন শাহ আমানত সেতু এলাকায় এক যুবকের মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয়ার সময় চার ছিনতাইকারীকে ধরে পুলিশে দিয়েছে জনতা।

 

বুধবার সকালে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন- আক্তার হোসেন ওরফে বালি (২২), ইন্দ্রজিৎ সাহা (৩৫), বাদশা (৩১) ও লিটন (২২)।

 

বাকলিয়া থানার ওসি প্রণব চৌধুরী জানান, বাস থেকে নেমে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে তারেকুল নামের এক যুবককে মারধর করে মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে ছিনতাইকারীরা। এসময তারেকুল চিৎকার করলে স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে তাদের থানায় নিয়ে আসে। এঘটনায় তারেকুল বাদী হয়ে আটকদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

অপহরণের পর খুনের দায়ে তিন জনকে যাবজ্জীবন

চট্টগ্রাম নগরীর চাঁন্দগাও এলাকা থেকে এক যুবককে অপহরণের পর খুনের দায়ে তিন জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

 

বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নুরুল ইসলামের আদালত এ রায় দেন। যাবজ্জীবন প্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিজাম উদ্দিন, মোজাম্মেল হোসেন ও দিদারুল আলম।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে অতিরিক্ত মহানগর পিপি আবু জাফর বলেন, ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। একই সাথে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরোও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দেন। রায় দেয়ার সময় তিন আসামিই আদালতে উপস্থিত ছিলেন বলেও জানান তিনি।

 

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ১০ এপ্রিল পূর্ব শত্রুতার জেরে চট্টগ্রাম নগরীর চাঁন্দগাও থানাধীন খাজা রোড এলাকা থেকে আবু বকর নামের এক যুবককে অপহরণ করে আসামিরা। ঘটনার দুইদিন পর পুলিশ ওই এলাকার একটি পুকুর থেকে অপহৃত আবু বকরের মরদেহ উদ্ধার করে। এঘটনায় আবুল বকরের বাবা আবুল হাশেম বাদি হয়ে চাঁন্দগাও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

হাইব্রিড নয়, বঙ্গবন্ধুর আদি আওয়ামী লীগ চাই

নির্মূল কমিটির গো. আযম প্রতিরোধ দিবসে শহীদদের স্মরণায়োজনে শওকত বাঙালি

রাজাকারকূল শিরোমণি নরঘাতক গো. আযম প্রতিরোধ দিবসে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির উদ্যোগে ২৬ জুলাই বুধবার বিকেল ৫টায় শহীদদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং নগরীর চেরাগী পাহাড়স্থ বঙ্গবন্ধু ভবনের ৩য় তলায় চট্টলবন্ধু এস.এম জামাল উদ্দিন মিলনায়তনে “আওয়ামী রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তির সংযুক্তি বিনাশে পক্ষ শক্তির করণীয়” শীর্ষক আলোচনা সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমন্বয়ক লেখক-সাংবাদিক শওকত বাঙালি প্রকৃত আওয়ামী লীগারদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, দিনে দিনে বেড়েছে দেনা। যারা জীবনে আওয়ামী লীগকে সমর্থন করা দূরের কথা, আওয়ামী বিরোধীতায় নিজেদের জীবন-যৌবন বিকিয়েছেন সেই তাদের যখন এমপি বানানো হয়, নেতা সাজানো হয় সেসময় প্রকৃত আওয়ামী লীগাররা কোথায় ছিলেন? কই কখনো তো শুনিনি কেউ পদত্যাগ করেছেন। প্রতিবাদে আওয়ামী লীগ ছেড়েছেন!
আজ যখন রিজিয়া রেজা মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রী তখনই অনেকের চোখে পড়ে কিন্তু কেনো সে আসার জন্য যখন পথ তৈরী করছিলো সে পথ রুদ্ধ করা হয়নি। দলের সাধারণ সম্পাদক কিভাবে নির্লজ্জ্ব বেহায়ার মতো রাজাকার কন্যা কিংবা গো. আযমের শিষ্যের সাথে ছবি তোলেন?
সভাপতির বক্তব্যে তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুর আদি ও অকৃত্রিম আওয়ামী লীগকে ফেরত পেতে শুধু হাইব্রিডদের বিদায় করলে হবে না তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দাতাদেরও ঝেটিয়ে বিদায় করতে হবে, চিহ্নিত করতে হবে। তবেই গোলাম আযম প্রতিরোধ আন্দোলনে শহীদদের আত্মা শান্তি পাবে নতুবা আওয়ামী লীগ অভিশপ্ত দলে পরিগণিত হবে।
জেলা নির্মূল কমিটি নেতা মাউসুফ উদ্দিন মাসুমের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে আলোচনায় অংশ নেন-সাতকানিয়া পৌরসভা মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, ১৪ দলীয় জোট নেতা রাজনীতিক স্বপন সেন, সাবেক ছাত্রনেতা ও জেলা নির্মূল কমিটি নেতা মো. অলিদ চৌধুরী, মোহাম্মদ এসকান্দার আলী, আবুল হাসনাত মো. বেলাল, রাশেদ খান মেনন, মোহাম্মদ রাশেদ, শেখ মহিউদ্দিন বাবু, এম.এ নেওয়াজ, চৌধুরী জসীনুল হক, মো. শওকত আলী, অ্যাডভোকেট মো. সাহাবুদ্দিন, মোমিনুল হক চৌধুরী মিঠু, সাজিদুল ইসলাম, বেলাল নুরী, বাবুল আচার্য্য শ্রাবণ, দীপু বড়–য়া, তৈয়বুর রহমান সাগর, সুষ্ময় রুদ্র, প্রণব দাশ প্রমুখ।
সভার শুরুতে ২৬ জুলাই শহীদের স্মরণে ১ মিনিট নীরবতা পালন ও তাদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়।

 

 

চট্টলাবাসী একজন আদর্শবান অভিভাবক হারালো

জননেতা মরহুম মোহাম্মদ ইসহাক মিয়া স্মৃতি স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কালে সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা গণপরিষদ ও সংসদ সদস্য, দেশের বর্ষীয়ান ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ মরহুম জননেতা ইসহাক মিয়া স্মরণে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদ এবং চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত স্মৃতির পাতায়, শ্রদ্ধার শ্রেষ্ঠ জায়গায় প্রিয় নেতা প্রিয় অভিভাবক জননেতা ইসহাক মিয়া স্মৃতি স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন গত ২৫ জুলাই ২০১৭ খ্রি. সন্ধ্যা ৭ টায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উক্ত গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন। এতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আবদুর রহিম, চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগ সদস্য বেলাল আহমদ, দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. তৈয়ব সিদ্দিকী, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য আব্দুল মান্নান ফেরদৌস, দেওয়ান বাজার ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল বরাত রনি, চট্টগ্রাম সাহিত্য পাঠচক্রের সাধারণ সম্পাদক মো. আসিফ ইসবাল, দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সালাউদ্দিন লিটন, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সদস্য বোরহান উদ্দিন গিফারী, লেখক হাসান পারভেজ ও রাশেদ মাহমুদ পিয়াস প্রমুখ। মোড়ক উন্মোচনে প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জননেতা আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, চট্টগ্রামের রাজনীতিতে জননেতা ইসহাক মিয়া ছিলেন এক জীবন্ত কিংবদন্তী তুল্য অভিভাবক। মৃত্যুর শেষ দিন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে এবং দেশের মানুষের জন্য নিজের সাধ্য অনুযায়ী ভূমিকা রেখে গেছেন। দেশের গণতান্ত্রিক সকল আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথে সামনে থেকে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন। কোন রকম লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষ যার রাজনীতিতে ছিল না। একজন স্পষ্টবাদী এক সাহসী রাজনীতিবিদ সব সময় অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। জীবনে কয়েকবার ক্ষমতায় থেকেও ব্যক্তিগত জীবনে বলতে গেলে তেমন কোন অর্থ-বিত্ত বা বাড়ী গাড়ী রেখে যায়নি। আমার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয় অভিভাবক রাজনীতির প্রতিটি বিষয়ে আমাকে হাতে কলমে শিক্ষা দিয়েছেন। আমাকে আজকের অবস্থানে প্রতিষ্ঠা করার পেছনে এই মহান নেতার ভূমিকা আমি কখনো ভুলবনা। চট্টগ্রামে সকল উন্নয়নে যিনি নিজ থেকে সাধ্যানুযায়ী এগিয়ে আসতেন। শারীরিক অসুস্থতা স্বত্ত্বেও এই গুণী রাজনীতিবিদ স্বাধীনতা স্বপক্ষের তথা আওয়ামী রাজনীতির সকল কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতেন। সরকারের উন্নয়ন কর্মকন্ডে তিনি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী ভূমিকা রাখতেন। মৃত্যুর ২দিন আগেও তাঁকে বাসায় দেখতে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল। কিন্তু এখনো মনে হয়নি আমাদের এই প্রিয় অভিভাবক আমাদের থেকে চলে গেছেন। তিনি আরো বলেন, আদর্শ স্বচ্ছতায় রাজনীতিতে জননেতা ইসহাক মিয়া এ প্রজন্মের সকলের কাছে খুবই জনপ্রিয় এবং বিশ্বস্ত ছিল। ত্যাগী এই রাজনীতিবিদের শূণ্যতা চট্টলাবাসী কখনো পূরণ করতে পারবেনা। চট্টলাবাসী একজন আদর্শবান অভিভাবক হারালো। জাতির একজন শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধা জননেতা ইসহাক মিয়ার জীবন কর্ম থেকে আমরা প্রত্যেকে মানবীয় মানুষ হওয়ার শিক্ষা গ্রহণ করতে পারি। দেশপ্রেম এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ফেরিওয়ালা জননেতা ইসহাক মিয়ার শারীরিক মৃত্যু হলেও আদর্শিক ইসহাক মিয়া চিরঞ্জীব। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন এই মহান নেতার সম্মানে কয়েক ঘন্টা সময়ের মধ্যে এরনামে একটি স্মৃতি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করার জন্য নেতৃবৃন্দদের ধন্যবাদ জানান। সভা শেষে মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন জননেতা মরহুম ইসহাক মিয়া স্মরনে রচিত স্মৃতি স্মারক গ্রন্থের মোড়ক উম্মোচন করেন।

পানিতে তলিয়ে গেছে রাউজানের নিম্মাঞ্চল

শফিউল আলম, রাউজান : কাপ্তাই বাধের পানি জোয়ারের সময়ে এসে রাউজানের নিম্মাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে । বিনাজুরী ইউনিয়ন, উরকিরচর, পুর্ব গুজরা, পশ্চিম গুজরা, নোয়াপাড়া গহিরা, নোয়াজিশপুর ইউনিয়নের সড়ক, ঘরবাড়ী, ফসলী জমি পানিতে ডুবে গেছে । গতকাল ২৩ জুলাই সকাল থেকে তিনদিনের প্রবল বর্ষন ও কাপ্তাই হৃদের পানি কর্ণফুলী নদী,হালদা নদী ও সর্তা খাল সহ বিভিন্ন খাল দিয়ে জোয়ারের সময়ে প্রবেশ করে রাউজানের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে এলাকার মানুষ পানিবন্দ্বি হয়ে পড়েছে । কাপ্তাই বাধের পানি জেয়ারের সময়ে এসে রাউজানে বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়ে এলাকার সড়ক, ঘরবাড়ী পানিতে ডুবে গিয়ে এলাকার মানুষের চরম দুভোর্গের সৃষ্টি হয়েছে । রাউজানের নিচু এলাকার আমন ধানের বীজতলা ও আমন ধানের চারা পানিতে ডুবে গিয়ে ব্যাপক ক্ষতির আশংকা রয়েছে । নিচু এলাকার অনেক মানুষ তাদের চলাচলের রাস্তা পানিতে ডুবে যাওয়ায় নৌকা দিয়ে চলাচল করছে । রাউজানের মোবরকখীল, দক্ষিন গহিরা, পশ্চিম গহিরা, পুর্ব গহিরা, দক্ষিন সর্তা, সুলতান পুর কাজী পাড়া, ঢেউয়া পাড়া, লেলাঙ্গারা, ইদিলপুর, ছিটিয়া পাড়া, কাগতিয়া, ডোমখালী, মগদাই, আধার মানিক, বড়ঠাকুর পাড়া, উরকিরচর, মীরা পাড়া, পশ্চিম কদলপুর, পটিয়া পাড়া, কচুখাইন, সামমহালদার পাড়া, বদু পাড়া, গশ্চি, পাচখাইন, ফতেহ নগর, নদীম পুর, কোতোয়ালী ঘোনা, পশ্চিম বিনাজুরী, উত্তর গুজরা এলাকার সড়ক ঘর বাড়ী, ফসলী জমি পানিতে ডুবে গেছে । বন্যা কবলিত এলাকার লোকজন জানান, পুর্ব গুজরা, পশ্চিম গুজরা, বাগোয়ান, বিনাজুরী, নোয়াপাড়া, উরকির চর ইউনিয়নের শতাধিক মাছ চাষের পুকুরের মাছ পানিতে ভাসিয়ে নিয়ে গেছে । রাউজান উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার নিয়াজ মোরশেদ জানান উপজেলা যে সব এলাকা নিচু ঐ সব এলাকায় কাপ্তাই বাধের পানি কর্ণফুলী নদী ও হালদা নদী দিয়ে এসে বিভিন্ন খালের মধ্যে এলাকায় প্রবেশ করে নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে ।

সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান’র পদোন্নতি

চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ আজিজুর রহমান সিদ্দিকী গত ১০.৮.২০১৫ খ্রিঃ হতে সিভিল সার্জন (চলতি দায়িত্ব) পদে চট্টগ্রামে কর্মরত আছেন। গত ২৫.৭.২০১৭ খ্রিঃ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির সুপারিশক্রমে তিনি ‘সহকারী পরিচালক’ সমমান পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত হন। উক্ত দিবসেই মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় যুগ্মসচিব (পার-২) জনাব এ কে এম ফজলুল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাঁকে চট্টগ্রাম জেলার ‘সিভিল সার্জন ’ নিয়মিত পদে নতুন করে পদায়িত করা হয়।

মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার বন্ধ করতে হবে

হাটহাজারীতে মাদকদ্রব্য বিরোধী দিবসের আলোচনা সভায় পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা
মোঃ মহিন উদ্দিন, হাটহাজারী প্রতিনিধি:
হাটহাজারীতে মাদকদ্রব্য বিরোধী দিবস পালিতহাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন ও জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের যৌথ উদ্যোগে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচার বিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০১৭ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান পালন করা হয়েছে। ২৬শে জুলাই বুধবার সকাল দশঘটিকার সময় উপজেলা হলরুমে নির্বাহী অফিসার আকতারুন নেছা শিউলীর সভাপতিত্বে এবং প্রকল্প কর্মকর্তা নিয়াজ মোরশেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার নুরে আলম মিনা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক একেএম শওকত ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা চেয়ারম্যান মাহাবুবুল আলম চৌধুরী,সার্কেল অফিসার আব্দুল্লাহ আল মাসুম,মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ডাঃ মনোয়ারা বেগম,সাংবাদিক কেশব কুমার বড়ুয়া প্রমুখ।

Scroll To Top