শিরোনাম
You are here: প্রচ্ছদ / আমাদের চট্টগ্রাম

বিভাগ: আমাদের চট্টগ্রাম

Feed Subscription

কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেনাপ্রধান

কায়সার হামিদ মানিক,উখিয়া::
সেনাপ্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের নিবন্ধন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে তিনি ক্যাম্প এলাকায় চলা নিবন্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাসুদ রেজওয়ান। তিনি বলেন, আগামী তিন-চার মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের ছবিসহ নিবন্ধনের কাজ শেষ হবে।
জেনারেল মাসুদ আরও জানান, ইতোমধ্যে ৩০টি ইউনিট নিবন্ধনের কাজ চলছে। ইউএনএইচসিআর ও আইওম এর সাথে সমন্বয় করেই এই নিবন্ধনের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। কাল থেকে মোট ৫০টি ইউনিট নিবন্ধন কাজ করবে।

ঈদগাঁওর শামশু হত্যা মামলার ২ আসামী গ্রেফতার

সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও (কক্সবাজার) প্রতিনিধি: কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও জালালাবাদের আলোচিত শামশু হত্যার এজাহার নামীয় ও সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২১ সেপ্টেম্বর পৃথক অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হল জালালাবাদ বাহার ছড়া এলাকার মৃত আবদুর রহমানের পুত্র নুরুল হক(৪০),ঈদগাঁও ইউনিয়েনর শিয়াপাড়া এলাকার মোজাফ্ফর আহমদের পুত্র ৬ মাসের সাজাপ্রাপ্ত মাহমুদুল হক।
পুলিশ সুত্র জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই জাহাঙ্গীরর আলম সঙ্গীয় ফোর্স অভিযান চালিয়ে রামু রশিদ নগর নতুন বাজার এলাকার থেকে তাকে গ্রেফতার করে। অপরদিকে এএসআই লিটনুর রহমান জয়, অভিযান চালিয়ে বাসষ্টেশন এলাকা থেকে বন মামলার ছয় মাসের সাজাসহ আরও একটি মামলার আসামী মাহমুদুল হককে গ্রেফতার করে।
এসআই জাহাঙ্গীর আলম জানায়,জালালাবাদের চাঞ্চল্যকর শামশুল আলম হত্যা মামলার এজাহার নামীয় আসামী নুরুল হক ঘটনার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করেছে। তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ মোঃ খাইরুজ্জামান গ্রেফতারের সত্যতা নিশ্চিত করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে বলে জানান।

বাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকুন

পূজায় বাজি-পটকা না ফোটানোর অনুরোধ সিএমপি কমিশনারের

আসছে দুর্গাপূজায় বাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থেকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পালনের জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার ইকবাল বাহার।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিএমপি সদর দপ্তরে চট্টগ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পূজার নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।

সিএমপি কমিশনার বলেন, “ধর্মীয় বিধিবিধান পালন করতে গিয়ে কোনো কিছুতে যেন ঘাটতি না হয়, সেজন্য আপনারা সজাগ থাকবেন। নিরাপত্তা দিয়ে সেগুলো করানো হবে।”

বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে পটকা ও বাজি ফোটানো থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মণ্ডপের আশপাশে কাউকে কোনো পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসতে না দিতেও পূজা কমিটির নেতাদের অনুরোধ করেন সিএমপি কমিশনার।

তিনি জানান, সারা দেশে গতবছরের তুলনায় এবছর ৬৮২টি বেশি পূজামণ্ডপ হচ্ছে। আর চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ২৩৩টি মণ্ডপের মধ্যে এবছর দুইটি নতুন মণ্ডপ হচ্ছে।

নগরীর পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিন হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন জানিয়ে ইকবাল বাহার বলেন, পুলিশের ৯০০ ও আনসারের এক হাজার ৫৫৮ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

এর বাইরে ১৬টি থানা থেকে ৫৬টি মোবাইল টিমের বাইরে অতিরিক্ত আরও ১২টি ও ১৭টি করে মোবাইল টিম করা হয়েছে। পূজার শেষদিন পর্যন্ত তারা নিয়োজিত থাকবে।

পূজায় পুলিশের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে দেওয়া নির্দেশনা পালনের অনুরোধ জানিয়ে তিনি প্রতিটি মণ্ডপে পূজা কমিটির পক্ষ থেকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের কথা বলেন।

পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য নির্ধারিত পোশাক অথবা আর্ম বেল্ট করার পরামর্শ দিয়ে ইকবাল বাহার বলেন, “যদি কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহ হয় তাহলে পুলিশ নয়, স্বেচ্ছাসেবকরা পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের তল্লাশি করবেন।”

এছাড়া সম্ভব হলে পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে নিরাপত্তার স্বার্থে বোরকা পড়া কাউকে মণ্ডপে প্রবেশ করতে না দেওয়ারও পরামর্শ দেন নগর পুলিশ প্রধান ইকবাল বাহার।

তিনি বলেন, “পূজা মণ্ডপে বোরকা পড়ে কেউ যেতে চায় না। যদি কেউ যায় তাহলে তাকে অ্যালাউ করা হবে না। ধর্মীয়ভাবে যিনি নিজেকে ঢেকে রাখেন, আমার বিশ্বাস তিনি প্রতিমা দর্শনে যাবেন না। যদি কেউ যান, তিনি অন্য কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে, অন্য কারণে বোরকা ব্যবহার করতে পারেন।”

এদিকে বিজয়া দশমীতে কোনো মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন না দিলে সেটা পুলিশকে জানিয়ে রাখার কথা বলেন তিনি।

নগরীতে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতসহ নয়টি স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়ে নগর পুলিশ প্রধান ইকবাল বাহার এককভাবে কেউ বিসর্জনে না গিয়ে কয়েকটি মণ্ডপ মিলে একসাথে বিসর্জনে যাওয়া অনুরোধ করেন।

মতবিনিময় সভায় সিএমপি কমিশনার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যার কথাও জেনে নেন।

সভায় চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) দেবদাস ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, বিভিন্ন জোনের উপ-কমিশনার ও থানার ওসি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর, জন্মাষ্ঠমী উদযাপন পরিষদ এবং বিভিন্ন থানার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আসছে দুর্গাপূজায় বাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থেকে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা পালনের জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার ইকবাল বাহার।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিএমপি সদর দপ্তরে চট্টগ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে পূজার নিরাপত্তা নিয়ে মতবিনিময় সভায় এ আহ্বান জানান তিনি।

সিএমপি কমিশনার বলেন, “ধর্মীয় বিধিবিধান পালন করতে গিয়ে কোনো কিছুতে যেন ঘাটতি না হয়, সেজন্য আপনারা সজাগ থাকবেন। নিরাপত্তা দিয়ে সেগুলো করানো হবে।”

বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে পটকা ও বাজি ফোটানো থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি মণ্ডপের আশপাশে কাউকে কোনো পণ্যের পসরা সাজিয়ে বসতে না দিতেও পূজা কমিটির নেতাদের অনুরোধ করেন সিএমপি কমিশনার।

তিনি জানান, সারা দেশে গতবছরের তুলনায় এবছর ৬৮২টি বেশি পূজামণ্ডপ হচ্ছে। আর চট্টগ্রাম নগরীতে মোট ২৩৩টি মণ্ডপের মধ্যে এবছর দুইটি নতুন মণ্ডপ হচ্ছে।

নগরীর পূজা মণ্ডপের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তিন হাজার সদস্য নিয়োজিত থাকবেন জানিয়ে ইকবাল বাহার বলেন, পুলিশের ৯০০ ও আনসারের এক হাজার ৫৫৮ জন সদস্য মোতায়েন করা হবে।

এর বাইরে ১৬টি থানা থেকে ৫৬টি মোবাইল টিমের বাইরে অতিরিক্ত আরও ১২টি ও ১৭টি করে মোবাইল টিম করা হয়েছে। পূজার শেষদিন পর্যন্ত তারা নিয়োজিত থাকবে।

পূজায় পুলিশের পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে দেওয়া নির্দেশনা পালনের অনুরোধ জানিয়ে তিনি প্রতিটি মণ্ডপে পূজা কমিটির পক্ষ থেকে নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের কথা বলেন।

পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য নির্ধারিত পোশাক অথবা আর্ম বেল্ট করার পরামর্শ দিয়ে ইকবাল বাহার বলেন, “যদি কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহ হয় তাহলে পুলিশ নয়, স্বেচ্ছাসেবকরা পুলিশের উপস্থিতিতে তাদের তল্লাশি করবেন।”

এছাড়া সম্ভব হলে পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

এদিকে নিরাপত্তার স্বার্থে বোরকা পড়া কাউকে মণ্ডপে প্রবেশ করতে না দেওয়ারও পরামর্শ দেন নগর পুলিশ প্রধান ইকবাল বাহার।

তিনি বলেন, “পূজা মণ্ডপে বোরকা পড়ে কেউ যেতে চায় না। যদি কেউ যায় তাহলে তাকে অ্যালাউ করা হবে না। ধর্মীয়ভাবে যিনি নিজেকে ঢেকে রাখেন, আমার বিশ্বাস তিনি প্রতিমা দর্শনে যাবেন না। যদি কেউ যান, তিনি অন্য কোনো উদ্দেশ্য নিয়ে, অন্য কারণে বোরকা ব্যবহার করতে পারেন।”

এদিকে বিজয়া দশমীতে কোনো মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন না দিলে সেটা পুলিশকে জানিয়ে রাখার কথা বলেন তিনি।

নগরীতে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতসহ নয়টি স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের ব্যবস্থা রাখার কথা জানিয়ে নগর পুলিশ প্রধান ইকবাল বাহার এককভাবে কেউ বিসর্জনে না গিয়ে কয়েকটি মণ্ডপ মিলে একসাথে বিসর্জনে যাওয়া অনুরোধ করেন।

মতবিনিময় সভায় সিএমপি কমিশনার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতাদের কাছ থেকে বিভিন্ন সমস্যার কথাও জেনে নেন।

সভায় চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) দেবদাস ভট্টাচার্য, অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) সালেহ মোহাম্মদ তানভীর, বিভিন্ন জোনের উপ-কমিশনার ও থানার ওসি, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম মহানগর, জন্মাষ্ঠমী উদযাপন পরিষদ এবং বিভিন্ন থানার পূজা উদযাপন পরিষদ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

চার রোহিঙ্গা অসুস্থ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেলে

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমন অভিযানের মুখে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা এক নারীসহ চার রোহিঙ্গা অসুস্থ হয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

 

এদের মধ্যে একজন জন্ডিসে এবং একজন জ্বরে আক্রান্ত বলে চিকিৎসকের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে।

বুধবার রাতে মাথা ব্যথা নিয়ে হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে ভর্তি হন মো. হোসেন (৫০)। তিনি মিয়ানমারের মংডু থানার হাসুয়াথা গ্রামের মৃত মিয়া হোসেনের ছেলে।

একই সময়ে আসা আরেক রোহিঙ্গা নজির হোসেন (৫০) মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার থাম বাজারের বাসিন্দা।

ফাঁড়ি পুলিশের এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, নজির হোসেন জন্ডিসে আক্রান্ত। তাকে মেডিসিন বিভাগে ভর্তি করানো হয়েছে।

মাথায় আঘাত নিয়ে চমেকে ভর্তি হয়েছেন মো. জকির (২৮)। তিনি মিয়ানমারের আকিয়াব জেলার বাসিন্দা তোফায়েল আহমেদের ছেলে। তাকে হাসপাতালের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে চমেকে ভর্তি হয়েছেন রোহিঙ্গা নারী মোসাম্মৎ রাজিয়া। তার স্বামীর নাম ফয়সাল।

এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, মোসাম্মৎ রাজিয়া জ্বর এবং অন্য শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অগাস্ট মাসের শেষ সপ্তাহে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর গুলি-বোমা হামলা, বাড়িতে আগুন দেয়া এবং সীমান্তে পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় আহতরা চমেক হাসপাতালে আসতে শুরু করে।

শুরুতে গুলিবিদ্ধ, বোমায় দগ্ধ এবং হাত-পা ভাঙ্গা আহত মানুষের সংখ্যা ছিল বেশি। পরে মাইনে দগ্ধ দুজনও এই হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসে।

সব শেষ বুধ ও বৃহস্পতিবার হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ কেউ নেই।

ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির ওরিয়েন্টেশন

 বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির (ইডিইউ) প্রথম বর্ষের ওরিয়েন্টশন অনুষ্ঠানে নবীণ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অতিথিরা এ তাগিদ দেন।

সিআইইউতে এলইডি বাতি নিয়ে আলোচনা

‘ডিসকভারি অব ব্লু এলইডি: কনসিকোয়েন্স অন হোয়াইট লাইট’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার হয় চট্টগ্রাম নগরীর জামালখানে সিআইইউ’র মিলনায়তনে; এর আয়োজক ছিল বেরসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রকৌশল ও কম্পিউটার বিজ্ঞান অনুষদ।

সভার মূল প্রবন্ধে সিআইইউ’র প্রকৌশল অনুষদের ডিন ড. মো. রেজাউল হক খান বলেন, বিশ্ব সম্পদ রক্ষায় এলইডি (লাইট এমিটিং ডায়োড) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে।

“পৃথিবীর এক-চতুর্থাংশ বিদ্যুতই ব্যবহার হয় আলোকায়নের কাজে। সেক্ষেত্রে এলইডি কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে বিশ্বসম্পদ রক্ষায় অবদান রাখছে।”

তিনি বলেন, আগে ব্যবহৃতি ইনক্যানডিসেন্ট বাতি ৯৫ শতাংশ শক্তির অপচয় ঘটাত এবং মাত্র এক হাজার ঘণ্টার মতো সেগুলো টিকে থাকত। সেখানে এলইডি বাতি প্রায় এক লাখ ঘণ্টা টিকে থাকে।

“একই শক্তি ব্যবহার করে এলইডি বাল্ব ফ্লুরোসেন্ট বাল্বের তুলনায় চার গুণ এবং পুরনো মডেলের ইনক্যানডিসেন্ট বাল্বের তুলনায় ২০ গুণ বেশি আলো দেয়। এজন্য একুশ শতককে এলইডি বাতির শতক বলে বিবৃতি দিয়েছে সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্স।”

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিআইইউ’র প্রকৌশল অনুষদের শিক্ষক গোলাপ কান্তি দে, মো. রিজওয়ানুল আরেফিন নিয়ন, হাবীবুর রহমান, মো. রবিউল হোসেন, এ কে এম মাহমুদুল হক, ইরফান মোর্শেদ প্রমুখ।

রেলওয়ের দেড় একর জায়গা উদ্ধার

চট্টগ্রামে জানালি হাট স্টেশনে রেলওয়ের দেড় একর জায়গা অবৈধ দকলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

 

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম-দোহাজারি রেললাইনের জানালি হাট রেলস্টেশন এলাকায় পূর্ব রেলের বিভাগীয় ভূসম্পত্তি কর্মকর্তা ইশরাত রেজা অভিযান চালিয়ে এসব জায়গা উদ্ধার করেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এসব জায়গা অবৈধ দখলে ছিল। অভিযান চালিয়ে আড়াইশটি কাঁচা ও সেমি পাকা স্থাপনা ভেঙ্গে জায়গা উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার করা জমির বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ৮০ কোটি টাকা বলে জানান ইশরাত রেজা।

নিরাপদ ট্রেন চলাচল এবং অবৈধ দখল থেকে জমি উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

হাতকড়া খুলে পালিয়েছে আসামি

আদালতে আনার পর হাতকড়া খুলে পালিয়েছে নাছির উদ্দিন নামে এক আসামি।

 

বৃহস্পতিবার বিকেলে চট্টগ্রাম মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালত ভবনের নিচ তলা থেকে পালায় এই আসামি।

 

পলাতক নাছির চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানার একটি চুরির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিল।

 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের আদালত পরিদর্শক এএইচএম মশিউর রহমান বলেন, হ্যান্ডকাফ খুলে ওই আসামি পালিয়েছে। তাকে ধরার চেষ্টা চলছে। এছাড়া এ ঘটনায় পুলিশ সদস্যদের গাফিলতি ছিল কিনা সেটা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

৮০হাজার বস্তা চাল জব্দ, গুদামটি সীলগালা

বন্দর নগরী চট্টগ্রামের একটি চালের গুদামে অভিযান চালিয়ে ৮০ হাজার বস্তা চাল জব্দ করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় গুদামটি সীলগালা করে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে আটক করা হয়।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর পাহাড়তলী সাগরিকা বিসিক এলাকায় জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালদ এ অভিযান পরিচালনা করেন।

 

বিষয়টি নিশ্চিত করে অভিযানের নেতৃত্বে থাকা ম্যাজিস্ট্রেট মুরাদ আলী বলেন, আহমমেদ ট্রেডিং নামে উক্ত চালের গুদামে অবৈধভাবে মজুদ করা ৮০ হাজার বস্তা চাল জব্দ করা হয়েছে। এসময় গুদামটি সীলগালা করে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজারকে আটক করা হয় বলেও জানান তিনি।

 

উল্লেখ্য, অতিরিক্ত চাল মজুদ ও চালের অযৌক্তিক মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে গত ৩দিন ধরে জেলা প্রশাসন এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা শুরু করেছে।

রাউজানে হিজরী নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে র‌্যালী

নতুন বছরের স্লোগান হোক ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা বলবই আলোচনা সভায় বক্তারা
শফিউল আলম,রাউজানঃ
রাউজানের হলদিয়ায় হিজরী ১৪৩৯ স্বাগত জানিয়ে আলোচনা সভা ও র‌্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টায় দশদিন ব্যাপি শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও র‌্যালীতে নেতৃত্ব দেন রাউজানের প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাংবাদিক মওলানা এম বেলাল উদ্দিন। র‌্যালীটি সর্তা ব্রীজের এবাদতখানা হতে শুরু হয়ে দোস্ত মোহাম্মদ সড়কদিয়ে আমিরহাট বাজার প্রদক্ষিন শেষে এয়াছিন শাহ্ গেইটের সামনে বক্তব্য ও মোনাজাতের মাধ্যমে সমাপ্তি হয়। এর আগে এবাদাতখানায় হিজরী নববর্ষের গুরুত্বের উপর বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক হাবিবুর রহমান। র‌্যালীতে অংশগ্রহন করেন বিশিষ্ঠ আওয়ামীলীগ নেতা এস এম বাবর,হাজী ইদ্রিচ চৌধুরী,আবদুছ সালাম,আলহাজ্ব মওলানা ছোলায়মান চৌধুরী,উত্তর সর্তা গাউছিয়া মাদ্রাসার হাফেজ মুহাম্মদ হারুন,হাফেজ মওলানা ওমর ফারুক,মওলানা হাফেজ মহিউদ্দিন,মওলানা শহীদুল্ল্হা চৌধুরী,মওলানা হাছান আলী,মওলানা আবদুল মালেক,মাওলানা ইউছুফ তৈয়্যবী,মওলানা আবদুল মোতালেব,এনজিও কর্মকর্তা মওলানা মোতাহের,নাজিম উদ্দিন ড্রাইভার মাইজভান্ডারী,মওলানা মোজাম্মেল,মওলানা দিদার নুরী,মওলানা মুহাম্মদ শফি,মওলানা মুহাম্মদ নুরুল আজম,মুহাম্মদ আবু তাহের,হাফেজ মুহাম্মদ রেজাউল করিম,হাফেজ তারেক,হাফেজ মিল্লাত,আবদুর রহমান প্রমুখ। বক্তারা হিজরী নববর্ষের মাধ্যমে সকলকে অনৈসলামীক কর্মকান্ড থেকে বিরত থেকে কোরআন হাদীস ইজমা কিয়াসের ভিত্তিতে জীবন যাপন করার আহব্বান জানান।বক্তারা আরো বলেন নতুন আরবী বছরের স্লোগান হোক ন্যায়ের পক্ষে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমরা বলবই।

 

Scroll To Top