৩২ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ ঘুষ বানিজ্য!

প্রকাশ:| রবিবার, ২ অক্টোবর , ২০১৬ সময় ১০:৪৩ অপরাহ্ণ

পেকুয়ায় ডিএসবি পুলিশ কর্মকর্তার ৮ মাসে ৩২ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ ঘুষ বানিজ্য!
নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার সাত ইউনিয়নের শত শত পাসপোর্ট আবেদনকারীর ভেরিফিকেশন রিপোর্ট কক্সবাজারস্থ পুলিশ সুপার কার্যালয়ের ডিএসবি শাখায় প্রেরণের নামে এএসআই জিয়া গত আট মাসে ৩২ লক্ষাধিক টাকারও বেশি ঘুষ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। গত কয়েক দিন পুর্বে ঘুষ বানিজ্যের চাঞ্চল্যের তথ্য ফাঁস হলে পুরো পেকুয়াজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আর চাঞ্চল্যেকর এ ঘুষ বানিজ্যে ফাঁস হলে তা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে মোটা অংকের মিশন নিয়ে ইতিমধ্যেই দৌঁড়ঝাপ শুরু শুরু করে দিয়েছে পেকুয়ায় কর্মরত ডিএসবি পুলিশের সেই বিতর্কিত ও ঘুষখোর এএসআই জিয়া। পুলিশের স্পেশাল ব্র্যাঞ্চ (ডিএসবির) কক্সবাজার পুলিশ সুপার কার্যালয়ের অধীনে সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক হিসেবে পেকুয়া উপজেলায় গত ৮ মাস ধরে কর্মরত রয়েছে মো. জিয়া।

পাসপোর্ট সংক্রান্ত এক পরিসংখ্যানে জানা গেছে, এএসআই জিয়া প্রতিমাসে কমপক্ষে একশ’র ও বেশি পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন রিপোর্ট কক্সবাজার জেলা ডিএসবি অফিসে প্রেরণ করেন। সেই হিসেবে তিনি গত আটমাসে প্রায় ৮ শতাধিক পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন রিপোর্ট প্রেরণ করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি ভেরিফিকেশন রিপোর্ট জেলা ডিএসবি অফিসে প্রেরণ করার অজুহাতে প্রতিজন পাসপোর্ট আবেদনকারীর কাছ থেকে ৪ হাজার থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত ঘুষ আদায় করেন।

প্রাপ্ত অভিযোগে জানা গেছে, গত সেপ্টেম্বর এএসআই জিয়া পাসপোর্টের ভেরিফিকেশন রিপোর্ট জেলা ডিএসবি অফিসে প্রেরণের জন্য পেকুয়ার পূর্ব মেহেরানা গ্রামের মনছুর আলীর পুত্র আবদুল মান্নান (পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৭৫৫০১), শিলখালী ইউনিয়নের মাঝের ঘোনা গ্রামের শামশুল আলমের পুত্র আবদুল্লাহ আল মামুন (পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৭৫২০৯), টইটং ইউনিয়নের ছনখোলার জুম গ্রামের শামশুল আলমের পুত্র ইয়াসির আরফাত (পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৭৪৬৮২), টইটং ইউনিয়নের পন্ডিত পাড়া গ্রামের এনামুল হকের পুত্র আল আমিন (পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৭৭৬৩৬), পেকুয়া সাবেক গুলদি গ্রামের মুফিজুর রহমানের পুত্র মো. ইসহাক (পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৮০২১৮), পূর্ব টইটংয়ের আবুল কালামের পুত্র শওকত ওসমান (পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৭৯৭৮৬), রাজাখালী পালাকাটা গ্রামের রেজাউল করিমের পুত্র জাহাঙ্গীর আলম (পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৭৩৩৫১), টইটং ইউনিয়নের গর্জনিয়া পাড়া গ্রামের আবদুল খালেকের পুত্র মো. মিনার (পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৮০২২১), টইটং ইউনিয়নের কাটা পাহাড় গ্রামের কবির আহমদের পুত্র আবু হানিফ (যার পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৭৬৮৭২), পেকুয়া বিলাহাসূরা গ্রামের ফরিদুল আলমের পুত্র তৌহিদুল ইসলাম (যার পাসপোর্ট আবেদন বই নং ১৭৬৯৮৮) এদের প্রতিজনের কাছ থেকে ৪ হাজার টাকা করে ৪০হাজার টাকা আদায় করেছেন। যাহা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ সরেজমিনে তদন্ত করলে সত্যতা