কক্সবাজারে পর্যটক সেবা ও নিরাপত্তায় নানা উদ্যোগ

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৬ সেপ্টেম্বর , ২০১৬ সময় ০৮:৪৩ অপরাহ্ণ

কক্সবাজারবিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারের সার্বিক পরিবেশ উন্নত করতে পুরোদমে কাজ করছেন প্রশাসন। এখানে পর্যটকদের সেবা ও নিরাপত্তায় নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। যা বাস্তবায়ন হওয়ায় পর্যটকরা মুগ্ধ হচ্ছেন।

শুক্রবার বিকেলে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের মতবিনিময়কালে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন এ তথ্য জানান।

তিনি সমুদ্রসৈকতের লাবণী পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি লাইফ গার্ড কর্মী, ট্যুরিস্ট পুলিশের কর্মকর্তা ও আগত পর্যটকদের সাথে আলাপ করেন।

তিনি বলেন, ঈদের পর থেকে প্রতিদিন গড়ে এক লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে এসেছে। এ তিন দিনে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

যার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, পর্যটকদের সেবা ও নিরাপত্তায় নেওয়া নানা উদ্যোগের কারণে এমনটাই হয়েছে। এখন মধ্যরাতেও সৈকতে পর্যটকরা নিরাপদ। বিশেষ করে সৈকতের শৈশব পয়েন্ট থেকে কলাতলি পর্যন্ত ৩১টি লাইট স্থাপন করা হয়েছে। যেখানে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ৬ লাখ টাকা। এর ফলে রাতে অন্ধকারের পরিবর্তে এখন আলোময় হয়ে উঠেছে সৈকত। বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে সৈকতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছে ট্যুরিস্ট পুলিশ, লাইফ গার্ড ও ডুবুরিরা। একই সঙ্গে সার্বক্ষণিকভাবে সৈকতে দায়িত্ব পালন করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালতও।

জেলা প্রশাসক জানান, পর্যটকদের সচেতন করতে নানা কাজও করা হয়েছে। সৈকতে প্রচারণা, জোয়ার-ভাটার সময়, গোসল করার বিষয়ে বিশেষ লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সৈকতকে ১৬টি জোনে ভাগ করা হয়েছে। সুইমিং, গেইমস, বীচ বাইক, জেড সকী, উন্মুক্ত জোনে ভাগ করে নিরাপত্তাসহ সব সেবা দেওয়া হচ্ছে। আর এসব নিশ্চিত করতে এখন নিজস্ব ফেইসবুক পেজে অভিযোগ গ্রহণ
করে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক জানান, কিছু রিকশা ও টমটমচালকের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত দাম ও কক্ষ ভাড়া আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। এসবের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।

পরিদর্শনের সময় বীচ ম্যানেজম্যান্ট কমিটির সদস্য সিরাজুল মোস্তফা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কাজি মো. আবদুর রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশের এএসপি হোসাইন মো. রায়হান কাজেমী, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোজাম্মেল হক রাসেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।