‘‘পরামর্শ, মতামত, ও প্রস্তাবনা বিবেচিত হলে বাস্তবায়ন করা হবে’’

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ , ২০১৬ সময় ০৯:৩৮ অপরাহ্ণ

প্লানিং সেলচট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্লানিং সেলের ৪র্থ সভা ২৪ মার্চ বৃহষ্পতিবার রাতে, নগর ভবনের তৃতীয় তলায় সম্মেলন কক্ষে সিটি মেয়র মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন এর সভপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জলাবদ্ধতা‘র কারন ও করনীয় বিষয়ে একটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন আই ই বি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী মো. দেলোয়ার হোসেন। এ বিষয়ের উপর আলোচনা করেন স্থপতি ও দৈনিক পূর্বকোনের সম্পাদক তসলিম উদ্দিন চৌধুরী, প্রকৌশলী এম আলী আশরাফ, প্রকৌশলী মোহাম্মদ হারুন, প্রকৌশলী এম এ রশিদ, প্রকৌশলী সুভাষ চন্দ্র বড়–য়া, স্থপতি আশিক ইমরান, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারন সম্পাদক মহসিন চৌধুরী, রিহ্যাব সভাপতি প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন, স্থপতি সোহেল মোহাম্মদ শাকুর, কাউন্সিল মো.মোরশেদ আলম, চসিক সচিব রশিদ আহমদ, প্রধান প্রকৌশলী লে. কর্ণেল মহিউদ্দিন আহমদ, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি এ কে এম রেজাউল করিম, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো.মাহফুজুল হক, নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল হুদা, সহকারী প্রকৌশলী হারাধন আচার্য,স্থপতি আবদুল্লাহ আল ওমর, সহকারী প্রকৌশলী মঞ্জুরুল হক তালুকদার সহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। সভায় জলাবদ্ধতার কারনের মধ্যে বলা হয়, অস্বাভাবিক জোয়ারের পানি, পাহাড়ের পলি মাটিতে নালা খাল ভরাট হওয়া, খাল নালার ধারন ক্ষমতা কমে যাওয়া, নালা খালে টিএন্ডটি,গ্যাস,ওয়াসা, বিদ্যুৎ ইত্যাদির পাইপ দ্বারা স্বাভাবিক পানি চলাচল রুদ্ধ করা, খাল নালায় অবৈধ স্থাপনা ইত্যাদি এ সকল প্রতিবন্ধকতা নিরসন সহ নতুন নতুন খাল খনন, খালের মুখে সø্যইচ গেইট নির্মান, বিদ্যমান খাল ও নালার ধারন ক্ষমতা বৃদ্ধি, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, ইত্যাদির কথা বলা হয়। সভায় সমস্যা সমাধানের পথ সম্বন্ধে বলা হয়, পরিকল্পনামত প্রকল্প প্রনয়ন, সম্পৃক্ত বিভিন্ন বিভাগের সাথে সমন্বয়, প্রকল্প অনুমোদনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ, প্রকল্প বাস্তবায়নে সম্ভাব্য প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করে মোকাবেলায় প্রস্তুতি রাখা, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক উন্নয়ণ নিয়ন্ত্রন, আচরন পরিবর্তনে উদ্ভুদ্ধ করন ও আইনের কঠোর প্রয়োগ এবং নিষ্কাশন ব্যবস্থা ছাড়া কোন অবকাঠামোর অনুমোদন না দেওয়া ইত্যাদি। সভার সভাপতি সিটি মেয়র আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের ৭ মাসের মধ্যে নগরীর খাল ও নালা থেকে মাটি ও আবর্জনা উত্তোলন করা হচ্ছে। এ প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে। বারইপাড়া থেকে চাক্তাই খাল পর্যন্ত নতুন খাল খননের বিষয়টি প্রশাসনিক অনুমোদন ও অর্থ প্রাপ্তির কারনে দীর্ঘায়িত হচ্ছে। মেয়র বলেন, খাল ও নালা দখলমুক্ত করা হবে। পানি নিষ্কাশনে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা একে একে নিরসন করা হবে। মহেষখালের মুখে সø্যইচ গেইট নির্মানে বন্দর কর্তৃপক্ষ সহায়তা দেবে। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বোর্ড বেড়িবাধ নির্মান সহ নানা বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছে। জনাব আ জ ম নাছির উদ্দিন বলেন, বে টার্মিনাল, টানেল, রিংরোড, ফ্লাইওভার, ওভারপাস নির্মান রাস্তা সংস্কার ও প্রশস্থ করন, পাহাড়ের মাটি ক্ষয়রোধ কমানো ও সিলটেশন পদ্ধতি বের করার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নগরবাসী উপকৃত হবে। মেয়র বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, মতামত, ও প্রস্তাবনা যুক্তিযুক্ত বিবেচিত হলে সবই একে একে বাস্তবায়ন করে নাগরিক প্রত্যাশা পুরণ করা হবে।


আরোও সংবাদ