৯ ঘণ্টার চেষ্টায় নগরীকে প্রায় বর্জ্যমুক্ত করতে সক্ষম হল চসিক

প্রকাশ:| সোমবার, ৬ অক্টোবর , ২০১৪ সময় ০৯:২০ অপরাহ্ণ

টানা ৯ ঘণ্টা ধরে চেষ্টা চালিয়ে প্রায় তিন হাজার কর্মী চট্টগ্রাম নগরীকে সন্ধ্যার মধ্যেই প্রায় কোরবানির বর্জ্যমুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে। নগরীর প্রধান সড়কে কিছু কিছু স্থানে রাতেও আবর্জনা অপসারণের কাজ চললেও অলিগলি প্রায় আবর্জনামুক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

আর আবর্জনা অপসারণ নিয়ে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবার নগরবাসীর অভিযোগও কিছুটা কম। সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

সোমবার বিকেলে সিটি মেয়র এম মনজুর আলম নগরীর বাগমনিরাম, জামালখান ও জালালাবাদ ওয়ার্ডে গিয়ে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। এছাড়া হালিশহরের আনন্দবাজার এবং বায়েজিদের আরেফিন নগরে ডাম্পিং স্টেশনও পরিদর্শন করেন মেয়র। এসময় মেয়র বিভিন্ন অভিযোগ শুনে তাৎক্ষণিকভাবে বর্জ্য দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দেন।

সোমবার সকাল ১০টা থেকে নগরীর ৪১ ওয়ার্ডে আবর্জনা অপসারণের কাজ শুরু হয়। সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নগরীর প্রায় ৮৫ শতাংশ আবর্জনা অপসারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শফিকুল মান্নান সিদ্দিকী।

তিনি বলেন, সন্ধ্যার মধ্যেই আমরা সব আবর্জনা অপসারণ করতে পারতাম। কিন্তু নগরীতে সবাই একই সময়ে কোরবানি দেননি। অনেকে মাগরিবের নামাজের পরও কোরবানি দিয়েছেন। সেজন্য বর্জ্য অপসারণে বেশি সময় লাগছে।

অভিযোগ পাওয়া গেছে কয়েকটি এলাকায় অলিগলিতে বর্জ্য দ্রুততার সাথে সরিয়ে নেয়া হলেও রক্ত তেমনভাবে পরিস্কার করা হয়নি। আবার ডাস্টবিনে নাড়িভুড়ি, রক্তের সঙ্গে গরুর বিষ্ঠা থাকায় সন্ধ্যা থেকে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে।