১৫ উপজেলায় নির্বাচন বর্জন, হরতালের ডাক

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৮:২৫ অপরাহ্ণ

[one_third_last]সহিংসতা, কেন্দ্র দখল ও এজেন্ট বের করে দেয়ার অভিযোগে ১৫ উপজেলায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা। বরিশালে নির্বাচন বর্জন করে রোববার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছে স্থানীয় বিএনপি। দুপুরে বিএনপি নেতা মুজিবুর রহমান সারোয়ার সংবাদ সম্মেলন করে দলীয় প্রার্থী বাচ্চুর নির্বাচন বর্জন ও রোববার হরতাল পালনের ঘোষণা দেন। ভোলার বুরহানউদ্দিনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন দুপুরে। বিভিন্ন কেন্দ্রে এজেন্ট বের করে দেয়া ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর লোকজন তার কর্মীদের ওপর হামলার পর তিনি এ ঘোষণা দেন।
এদিকে মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোশাররফ হোসেন। পূনরায় নির্বাচন দাবি করেছেন তিনি। দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, গতকাল বিকাল থেকে র‌্যাব পুলিশ আমার কর্মী এবং নেতাদের বাসায় তল্লাশি চালিয়ে হুমকি দিয়ে বলেছে ভোট কেন্দ্রে গেলে গ্রেপ্তার করা হবে। ভোর পর্যন্ত তা চলে। আটটা থেকে সাড়ে নয়টা পর্যন্ত ভোট চললেও সাড়ে নয়টার পর আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আনিসুজ্জামান আনিসের ক্যাডাররা সব কেন্দ্র দখল করে নেয়। ভোটাররাও ভয়ে ভোট কেন্দ্রে যায়নি। ভোট ডাকাতির প্রতিবাদে শনিবার মুন্সিগঞ্জ সদরে হরতাল আহবান করা হয়েছে। এদিতে মাদারিপুরের শিবচরে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি সমর্র্থিত প্রার্থী। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাটেও নির্বাচন বর্জন করেছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা।
ভোট কেন্দ্র দখল, জোর করে ভোট মেরে নেয়াসহ নির্বাচনের সুষ্ঠ পরিবেশের অভাবের অভিযোগ এনে কুষ্টিয়ার মিরপুরে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল হক নির্বাচন বর্জন করেছেন। বিকেল সাড়ে ৩টার সময় তিনি তার কার্যালয়ে এ ঘোষণা দেন। এর পর পরই জামায়াত সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল গফুরও বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেন। এরপর তারা আগামী শনিবার কুষ্টিয়ার মিরপুরে অর্ধবেলা হরতালের ডাক দেন।
এদিকে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার চোখের সামনে সরকারদলীয় প্রার্থীর লোকজন বিভিন্ন কেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনে ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৩ চেয়ারম্যান প্রার্থী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। দুপুর ১১টার পর থেকে চিংড়ি প্রতীকের এম এ হান্নান, বর্তমান চেয়ারম্যান টেলিফোন প্রতীকের হাজী মোজাম্মেল, আনারস প্রতীকের আব্দুল মালেক বুলবুল উপজেলা প্রেসক্লাবে পরপর সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এ হান্নান বলেন, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার চোখের সামনে সরকারদলীয় প্রার্থীর লোকজন বিভিন্ন কেন্দ্র দখল করে ভোট ডাকাতি করছে। তাই আমি নির্বাচন বর্জন করতে বাধ্য হয়েছি।


আরোও সংবাদ