৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে যান চলাচল আবার শুরু

প্রকাশ:| বুধবার, ২০ নভেম্বর , ২০১৩ সময় ০৯:২৫ অপরাহ্ণ

জামায়াতকর্মীদের ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের কারণে পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর বুধবার রাত সোয়া ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে যান চলাচল আবার শুরু হয়েছে।হাইওয়ে পুলিশের বারআউলিয়া ফাঁড়ির সার্জেন্ট জাকির হোসেন বলেন, রাত সোয়া ৮টার দিকে মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে। তিনি আরো জানান, জামায়াতকর্মীরা বেলা ৩টার দিকে মহাসড়কের বাঁশবাড়িয়া এলাকায় দুটি ট্রাক ও একটি কভার্ড ভ্যানে আগুন দেয়। বিভিন্ন স্থানে কয়েকটি গাড়ি ভাংচুর করে।
সীতাকুণ্ড এলাকায় দুটি ট্রাক আগুন
অন্তত ২০টি গাড়ি ভাংচুর করা হয়েছে বলে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

ভাংচুরকারীদের একজন গুলিবিদ্ধ হয়েছে বলেও পুলিশ জানিয়েছে।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপ-পরিদর্শক পংকজ বড়ুয়া জানান, খালেদ বিন মাসুদ (২২) নামে ওই জামায়াতকর্মী হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তবে তিনি কোথায় কিভাবে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তা জানাতে পারেনি পুলিশ।

দুপুরে মহাসড়কের পন্থিছিলা এলাকায় বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন জামায়াতের সেক্রেটারি আমিনুল ইসলামের লাশ পাওয়া যায়।

লাশ উদ্ধারের পর মহাসড়কের যানবাহনে ভাংচুর ও আগুন দেয়া শুরু করে জামায়াতকর্মীরা। এতে দুপুর ৩টা থেকে মহাসড়কের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে বিকালে জামায়াতকর্মীরা আওয়ামী লীগ সমর্থিত বাড়বকুণ্ড ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাদাকাত উল্লাহসহ সরকার সমর্থক কয়েকজনের বাড়িতে আগুন দেয়।

র‌্যাব কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জানান, বিকাল সোয়া ৩টার দিকে সাদাকাতসহ চারজন সরকার সমর্থকের বাড়িতে আগুন দেয় জামায়াতকর্মীরা।

এ সময় সাদাকাতের ছোট ভাই ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা নাছির উদ্দিন ও সাবেক চেয়ারম্যান রহমত উল্ল্যাহর বাড়িতেও হামলা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রহমতের এক প্রতিবেশী জানান, বাড়ির পুরুষরা এলাকা ছেড়ে চলে গেছে। তিনি নিজেও নিরাপদ দূরত্বে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন।

সীতাকুণ্ড থানার ওসি বদিউজ্জামান জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর পর রাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।