৭ নভেম্বর জাতির জন্য ঐতিহাসিক দিন

প্রকাশ:| বুধবার, ২ নভেম্বর , ২০১৬ সময় ১০:০৫ অপরাহ্ণ

 

কেন্দ্রীয় বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, মহান ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস জাতির জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন। এই দিনে সিপাহী জনতা একত্রিত হয়ে মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে এনে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার রহমান শুধু স্বাধীনতার ঘোষকই ছিলেন না, তিনি একাধারে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে জেড ফোর্স গঠন করে, মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করে ছিলেন এবং দেশ স্বাধীন না হওয়া পর্যন্ত রণাঙ্গণে যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। দেশের ক্রান্তিকালে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলেই আজ বাংলাদেশে মানুষের অন্তরে শহীদ জিয়ার নাম মিশে আছে। ডা. শাহাদাত হোসেন আরও বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আগামী ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসে চট্টগ্রামে বিশাল সমাবেশ করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে আমরা লালদীঘির মাঠে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করব। ডা. শাহাদাত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপির মাস ব্যাপী সংসদ সংগ্রহ কর্মসূচি আগামী ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তাই প্রতিটি ওয়ার্ডের আহ্বায়কদের আগামী ১৫ নভেম্বরের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পন্ন করে বইগুলো জমা দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি অদ্য ২ নভেম্বর বুধবার বিকালে দলীয় কার্যালয় নাসিমন ভবন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্বের বক্তব্যে উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন। প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, দেশ আজ এক ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। দেশের এই ক্রান্তিকালেও বিএনপির নেতাকর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে। দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব আজ হুমকির সম্মুখীন। গোটা জাতি আজ গভীর সংকটে, বাংলাদেশে অস্থিত্ব বিপন্ন, প্রতিটি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্বার্থ বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্র একটি পুলিশী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসকে সামনে রেখে বিএনপি নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। তাই দলের প্রতিটি নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী ৭ নভেম্বর কর্মসূচি সফল করার জন্য আহ্বান জানান।
৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবসের প্রস্তুতি সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির নেতা বিএনপি নেতা মোহাম্মদ মিয়া ভোলা, এম এ আজিজ, মোহাম্মদ আলী, শেখ নুরুল্লাহ বাহার, মোহাম্মদ আলী, এস.এম. সাইফুল আলম, হারুন জামান, আশরাফ চৌধুরী, শফিকুর রহমান স্বপন, ইস্কান্দর মির্জা, ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, আর.ইউ. চৌধুরী শাহীন, আনোয়ার হোসেন লিপু, সবুক্তগীন ছিদ্দিকী মক্কি, সামশুল আলম, ইকবাল চৌধুরী, কমিশনার মাহবুব আলম, জিএম আইয়ুব খান, এস.এম. সালাহ উদ্দিন, কাউন্সিলর আবুল হাশেম, আব্দুল মান্নান, শাহেদ বক্স, শিহাব উদ্দিন মুবিন, বাবু টিংকু দাশ, কামরুল ইসলাম, জেলী চৌধুরী, সৌরভ কোম্পানী, শহীদ মুহাম্মদ চৌধুরী, আব্দুচ সাত্তার সেলিম, ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়কদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মঞ্জুর আলম মঞ্জু, মঞ্জুর রহমান চৌধুরী, আকতার খান, মোশাররফ হোসেন ডিপটি, আলহাজ্ব সামশুল আলম, এস.এম. জি আকবর, হাজী বেলাল হোসেন, আলী আব্বাস খান, দিদারুর রহমান লাভু, হাজী মুহাম্মদ তৈয়ব, আলাউদ্দিন আলী নুর, মোঃ সেকান্দর হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এস.এম. ফরিদুল আলম, জসিম উদ্দিন জিয়া, জামাল উদ্দিন জসিম, মোঃ আবু তাহের প্রমুখ।