৭ গুনী পেল “বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চারনেতা স্মারক সম্মাননা”

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| শনিবার, ২৬ মে , ২০১৮ সময় ১০:৪৮ অপরাহ্ণ

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র রক্ষায় বুদ্ধিজীবি, আইনজীবি ও সংবাদ কর্মীদের ভূমিকা রাখতে হবে — প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী

শিক্ষায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের প্রফেসর ড. আহমদ সালাউদ্দিন,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের প্রফেসর ড. অলক পাল, আইন পেশায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সাংবাদিকতায় চট্টগ্রাম মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক পরিষদের আহবায়ক মুক্তিযোদ্ধা নাসিরুদ্দিন চৌধুরী, সদস্য সচিব মুক্তিযোদ্ধা পংকজ কুমার দস্তিদার, সদস্য ও দৈনিক পূর্বকোণের চীফ রিপোর্টার মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী খান এবং সদস্য মুক্তিযোদ্ধা মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু সহ ৭ গুনীকে “বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মারক সম্মাননা” প্রদান ও সংবর্ধনা এবং রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল ২৬ মে শনিবার, বিকেলে নগরভবনের কেবি আবদুচ ছত্তার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাচ্যভাষা বিভাগের সভাপতি এবং বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মৃতি পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. জীন বোধি ভিক্ষু। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারন সম্পাদক মো. আবদুর রহিম এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন প্রফেসর ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী। এছাড়ও স্মারক সম্মাননায় ভূষিত প্রফেসর ড. আহমদ সালাউদ্দিন, প্রফেসর ড. অলক পাল, এডভোকেট শেখ ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী,নাসিরুদ্দিন চৌধুরী,পংকজ কুমার দস্তিদার, নওশের আলী খান এবং মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু অনুভুতি ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন মোস্তাক ভাসানী, সরফ উদ্দিন চৌধুর রাজু, সালাউদ্দিন লিটন,ম মাহমুদুর রহমান শাওন, লিপটন, রতন দাশ গুপ্ত, হুমায়ুন কবির আজাদ, নোমান উল্লাহ বাহার, বোরহান উদ্দিন গিফারী, সোহেল মো. ফখরুদ্দিন, এম নুরুল হুদা চৌধুরী, সজল দাশ, সোনিয়া সালাম, সৈয়দ শীবলী সাদিক কফিল, ডা. জামাল উদ্দিন, কামরুজ্জামান কমল, আজিম উদ্দিন, প্রান্তিকসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ । অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র রক্ষায় বুদ্ধিজীবি, আইনজীবি ও সংবাদ কর্মীদের ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বাংলার মানুষের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার সুরক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। বঙ্গবন্ধুর কন্যা ১৯৮১ সনে স্বদেশের মাটিতে পা রেখে বলেছিলেন, “আমি সব হারিয়ে আজ আপনাদের মাঝে ফিরে এসেছি শুধু আমার পিতার অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করে দুখি মানুষের মুখে হাসি ফোটাবার জন্য”।
জননেত্রী তার পিতার সুখি, সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার কাজ নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন তাঁর সফলতার কারণে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী সব ভেদাভেদ ভুলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ ভাবে দেশ গড়ার আহবান জানান। অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীণ আখতার চৌধুরী বলেন, দেশরতœ শেখ হাসিনার দুরদর্শী, সুদক্ষ, সৃজনশীল ও সাহসী নেতৃত্বে বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে সামনে এগুচ্ছে। বিশ্বজুড়ে এই সাফল্য ও অর্জন ধরে রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। অন্যান্য আলোচকগন বলেন, বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই স্বপ্নই বাস্তবায়িত হচ্ছে তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। তারা বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলার মানুষের বিশ্বাস ও আস্থার ঠিকানা। অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত ৭ গুনীকে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা স্মারক সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদ ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী বই তুলে দেন প্রধান অতিথি, প্রধান আলোচক ও অতিথিবৃন্দ। পরে পবিত্র ইফতারে সবাই শরীক হন। ইফতার পূর্ব মুনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করা হয়।