৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংস্কার কাজ শুরু না হলে লাগাতার পরিবহন ধর্মঘট

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ১০ জুলাই , ২০১৪ সময় ০৩:৪৫ অপরাহ্ণ

আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংস্কার কাজ শুরু না হলে লাগাতার পরিবহন ধর্মঘটের হুমকি দিয়েছেন পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।

বৃহষ্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক বৈঠকে তারা এ ঘোষণা দেন।

বৈঠকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি কফিল উদ্দিন জানান, গত সপ্তাহে যোগাযোগ মন্ত্রী চট্টগ্রামে এসে সড়কের সংস্কার কাজ শুরুর নির্দেশ দিয়ে গেলেও এখনও কাজ শুরু হয়নি।

৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংস্কার কাজ শুরু না হলে লাগাতার পরিবহন ধর্মঘটতিনি জানান, সড়কের যে বেহাল অবস্থা তাতে গাড়ি চলাচল সম্ভব নয়। আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সংস্কার কাজ শুরু না হলে যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হবে।

তিনি জানান, অতি বৃষ্টির কারণে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে খানা-খন্দ সৃষ্টি হয়ে গাড়ি চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। একটি গাড়ি চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা যেতে এখন ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় ব্যয় হচ্ছে। বিশেষ করে ফেনী পর্যন্ত যেতেই ৫/৬ ঘণ্টা বিলম্বিত হয়ে যাচ্ছে। এ ধরণের পরিস্থিতিতে ঈদ মৌসুমে যাত্রী পরিবহন সম্ভব নয়। আর তাই মেরামত কাজ শুরু না হলে আমাদের গাড়ি চালানো বন্ধ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই।

বৈঠকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার এ. কে. এম. হাফিজ আখতার, চট্টগ্রাম জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের মহাসচিব মনজুরুল আলম মঞ্জু, বাংলাদেশ পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব আবুল কালাম আজাদ, বন্দর ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জহিরুল হকসহ বিভিন্ন পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন নেতা, রোডস অ্যান্ড হাইওয়ে ও জেলা পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে পরিবহন নেতারা ঈদের চারদিন আগে এবং পরের চারদিন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ট্রাক ও লরি চলাচল বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন।

এ সময় মহাসড়কে পুলিশি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, তল্লাশির নামে পুলিশি হয়রানি বন্ধ করাসহ পরিবহন মালিক-শ্রমিক নেতারা বিভিন্ন দাবি তুললে সব ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেন জেলা পুলিশ সুপার।


আরোও সংবাদ