প্রবাসীর স্থাপনা নির্মাণে বাধা

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল , ২০১৭ সময় ১১:২২ অপরাহ্ণ

পেকুয়া প্রতিনিধি:
পেকুয়ায় চাঁদার দাবিতে এক প্রবাসীর স্থাপনা নির্মাণ কাজে বাধা দিয়েছে একদল দূবৃর্ত্ত। এর জের ধরে উপজেলার টৈটং ইউনিয়নের ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকা হাজীবাজারে দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে, গতকাল ১১ এপ্রিল মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে টৈটংয়ের হাজীবাজারে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা ও হাজী বাজারের ব্যবসায়ীরা জানায়, টৈটং ইউনিয়নের মাঝেরপাড়া এলাকার মৃত. নুরুল ইসলামের ছেলে সৌদি প্রবাসি রাজা মিয়া হাজ¦ীবাজারে ৬ শতক জায়গা কয়েক বছর আগে ক্রয় করেন। হাজ¦ী বাড়ির আব্দুল মোনাফ ও এনায়েত আলী গং এ জায়গা বিক্রি করেছেন রাজা মিয়াকে। হাজী বাজারের মধ্য ভাগে সড়কের পশ্চিম পাশে জায়গার অবস্থান। মালিকপক্ষ খরিদা সম্পত্তিতে পাকা দোকানঘর নির্মাণ কাজ শুরু করে গত ৬ মাস আগে থেকে। ৬ শতক জায়গার মধ্যে খরিদা মালিক রাজা মিয়া ভোগ করছেন ৪ শতক। অবশিষ্ট ২ শতক জায়গা তার এখনো তিনি দখল বুঝে পাননি। ৪ শতকে দোকান নির্মাণ প্রথম ভাগে এক তৃতীয়াংশ গত ছয় মাস আগে শুরু করেন। অপরদিকে অপর অংশতে গত ১৫দিন আগে থেকে নির্মাণ কাজ অব্যহত রাখেন। অভিযোগ উঠেছে, হাজী বাড়ি এলাকার আহমদ চৌকিদারের ছেলে মো. ইউনুছ বিভিন্ন অজুহাতে প্রবাসির কাছ থেকে চাঁদা দাবি করছিলেন। গতকাল মঙ্গলবার ইউনুছ, তার স্ত্রী আনোয়রা বেগম, ছেলে মো. এনতাজুল সহ ৫/৬জন দূবৃর্ত্তরা রাজা মিয়ার জায়গায় গিয়ে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। তারা ফের টাকা দাবি করে। এনিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডা হয়। এসময় দু’পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে।
জায়গার মালিক রাজা মিয়া মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানায়, জায়গা আমি ক্রয় করেছি মোনাফ গংদের কাছ থেকে। আমি ছয় মাস আগে থেকে দোকান নির্মাণের কাজ আরম্ভ করেছি। হঠাৎ ইউনুছ আমার কাছ থেকে দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করছে। গতকাল সন্ধ্যায় ইউনুছ এসে কাজ না করতে নিষেধ করে শ্রমিকদের। আমি এ বিষয়টি প্রশাসন সহ সর্বত্রে জানিয়েছি।
এব্যাপারে টৈটং ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান হাজী সাহাব উদ্দিন জানায়, জায়গা অবশ্যই রাজা মিয়ার। স্বত্তের বিষয়ে বিরোধ হচ্ছে এমন মনে হচ্ছে না আমার। তারপরও বিষয়টি নিয়ে নমনীয় মনোভাব পোষন করতে আমি ইউনুছকে বলে দিয়েছি।
টৈটং ইউপির চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম চৌধুরী জানায়, বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে। রাজামিয়া জায়গার বৈধ মালিক। তিনি অনেকদিন ধরে এ জায়গা ভোগ করছেন।