৫৯তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড

প্রকাশ:| শনিবার, ২৫ জানুয়ারি , ২০১৪ সময় ১০:১৪ অপরাহ্ণ

৫৯তম ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডবলিউডের অস্কার খ্যাত ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডের ৫৯তম আসর জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শেষ হলো গেল শুক্রবার। এবারের অ্যাওয়ার্ডে উপস্থিত ছিলেন খান, কাপুরসহ বলিউডের সব নামী পরিবারের তারকারা। তবে বরাবরের মতোই ছিলেন না আমির খান। অমিতাভ বচ্চন, শাহরুখ ও সালমান খানের উপস্থিতি অনুষ্ঠানটির উজ্জ্বলতা বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। এছাড়াও পুরস্কার দেয়ার পাশাপাশি শীর্ষ থেকে বলিউডের এই প্রজন্মের তারকাদের মনোমুগ্ধকর পারফরমেন্সে জমে উঠেছিলো অনুষ্ঠানটি। তবে বেশ কিছু চমকও ছিল অ্যাওয়ার্ডের ক্ষেত্রে। যেমন শাহরুখ খানকে (চেন্নাই এক্সপ্রেস) টক্কর দিয়ে সেরা অভিনেতার পুরস্কার জেতেন পরিচালক-অভিনেতা ফারহান আক্তার (ভাগ মিকা ভাগ)। ফারহানকে শাহরুখ অভিনন্দন জানালেও অনেকেরই বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। এটিই ছিল এবারের ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডের সবচেয়ে বিতর্কিত পুরস্কার। কারণ, শাহরুখের বাইরেও হৃতিক রোশনও (কৃষ-৩) ছিলেন সেরা অভিনেতার দৌড়ে। কিন্তু এই পুরস্কারটি ঘোষণার পর নিরাশ হয়েছেন অনেকে। তবে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন গত বছরের সবচেয়ে সফল অভিনেত্রী দীপিকা। সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘রামলীলা’ ছবিতে অভিনয়ের জন্য তিনি এই পুরস্কার জেতেন। এদিকে প্রথম গান ‘কোলাভেরি ডি’র মতো করে বলিউডের প্রথম ছবি ‘রানঝানা’তেও সাফল্য পেয়েছেন ধনুশ। জিতে নিয়েছেন সেরা নতুন অভিনেতার পুরস্কার। সেরা নতুন অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন বাণী কাপুর (শুদ্ধ দেশি রোমান্স)। অন্যদিকে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য পুরস্কার পান সুপ্রিয়া পাঠক (রামলীলা) ও নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী (লাঞ্চ বক্স)। অমিতাভ বচ্চনের হাত থেকে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন গুণী অভিনেত্রী তনুজা। এ সময় তার পাশে ছিলেন দুই অভিনেত্রী কন্যা কাজল ও তানিশা। এদিকে এবার সেরা ছবি ‘ভাগ মিকা ভাগ’ এবং একই ছবির জন্য সেরা পরিচালকের পুরস্কার পান রাকেশ ওম প্রকাশ মেহরা, সেরা সমালোচক ছবি ‘দ্য লাঞ্চ বক্স’, সেরা গীতিকার প্রসূন জোশি (ভাগ মিকা ভাগ), সেরা কাহিনীকার সুভাষ কাপুর (জলি এলএলবি), সেরা চিত্রনাট্য ‘কই পোছে’, সেরা স্পেশাল এফেক্টস ‘ধুম থ্রি’ এবং সেরা খলনায়কের পুরস্কার জিতেছেন ঋষি কাপুর (‘ডি-ডে’)। সেরা গায়ক অরিজিত সিং (আশিকি-২), সেরা গায়িকা মোনালি ঠাকুর (লুটেরা) এবং সেরা সংগীত পরিচালকের পুরস্কার পান যৌথভাবে জিত গাঙ্গুলি, মিঠুন ও অঙ্কিত তিওয়ারি (আশিকি-২)।