৪০টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৫ জুন , ২০১৮ সময় ১২:৫৪ অপরাহ্ণ

দক্ষিণ চট্টগ্রামের কমপক্ষে ৪০টি গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে। শুক্রবার (১৫ জুন) সাতকানিয়ার ১৭টি ইউনিয়ন, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী উপজেলায় বেশ কয়েকটি গ্রামের কিছুসংখ্যক মানুষ সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ উদযাপন করছেন।

সাতকানিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবারক হোসেন জানান, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে প্রতিবছরের ন্যায় এবারও সাতকানিয়ার ১৭টি ইউনিয়নের মানুষ পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছে। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মির্জারখীল দরবার শরীফ ও মাদার্শা ইউনিয়নের ২টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। যেখানে হাজারো মানুষ অংশ ঈদুল ফিতরের নামাজে অংশ নিয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সাতকানিয়ার দরবার শরীফের ভক্তরা রোজাও একদিন আগে থেকে শুরু করেছিলেন বিধায় একদিন আগে ঈদুল ফিতর উদযাপন করেছেন। শুক্রবার সকাল ১০টায় হাজারো মুসল্লী মির্জারখীল দরবার শরীফে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন। দরবার শরীফের পীর হয়রত মাওলানা মোহাম্মদ আরেফুল হাই এর বড় ছেলে মাওলানা মোহাম্মদ মকছুদুর রহমান ঈদের নামাজে ইমামতি করেছেন।

সাতকানিয়ার ১৭টি ইউনিয়ন ও দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মির্জারখীল দরবার শরীফের অনেক মুরিদ ঈদের নামাজে শরীক হয়েছেন। দরবার শরীফ ছাড়াও মাদার্শা ইউনিয়ন ও বিভিন্ন গ্রামে মুরিদরা ঈদ জামাতের আয়োজন করেছেন। সেখানেও হাজারো মুসল্লী অংশ নিয়েছেন।

মির্জারখীল দরবার শরীফের সূত্রমতে, সাতকানিয়ার মির্জাখীল, মাদার্শা গাটিয়া ডেঙ্গা, চন্দনাইশের কাঞ্চননগর, কানাই মাদারি, হারাল, বাইনজুরি, সাতবাড়িয়া, রওশনহাট, বরকল, দোহাজারী, জামিরজুরি, বাঁশখালীর চাম্বল, শেখের খীল, কালিপুর, ছনুয়া, আনোয়ারার বরুমছড়া, তৈলারদ্বীপ, লোহাগাড়ার বড়হাতিয়া, পুটিবিলা, কলাউজান, পটিয়া, বোয়ালখালী, হাটহাজারী, সন্দ্বীপ, রাউজান, ফটিকছড়ির কিছু এলাকাসহ চট্টগ্রামের প্রায় ৪০ গ্রামের কিছু সংখ্যক মানুষ শুক্রবার ঈদ-উল ফিতর উদযাপন করছেন।

এছাড়াও কক্সবাজারের চকরিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও হ্নীলা এবং পার্বত্য জেলা বান্দরবানের লামা, আলীকদম, নাইক্ষ্যংছড়ির বেশ কয়েকটি গ্রামের কিছু লোক একই সময়ে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

প্রায় ২০০ বছর আগে তৎকালীন পীর মাওলানা মুখলেছুর রহমান (রহঃ) একদিন আগে অর্থাৎ পৃথিবীর অন্য যেকোন দেশে চাঁদ দেখা গেলেই রোজা, ঈদ এবং কোরবানী পালনের নিয়ম প্রবর্তন করেন। এরপর থেকে সারাদেশে মির্জাখীল