৩৩ হাজার কেভি বিদ্যুৎ টাওয়ার হুমকির মুখে

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| রবিবার, ২৪ জুন , ২০১৮ সময় ০৯:০৩ অপরাহ্ণ

খুটাখালী অফিস পাড়ায় ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন
সেলিম উদ্দিন, ঈদগাঁও, কক্সবাজার প্রতিনিধি, চকরিয়া উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ফরেষ্ট অফিস পাড়ার পাশ ঘেষে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে প্রভাবশালীরা। অবৈধভাবে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে এক শ্রেণির অবৈধ বালু ব্যবসায়ী। বালু উত্তোলনের কারণে অফিস পাড়া সড়ক, মহাসড়কের ব্রীজ, ৩৩ হাজার বোল্টের বিদ্যুৎ টাওয়ার হুমকির মুখে পড়েছে। চলতি বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে নেমে আসা পানির ঢলে সড়ক, বসতবাড়ি, টাওয়ার, ব্রীজ বিলীন হয়ে যাবে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ফরেষ্ট অফিস পাড়া লাগোয়া শাহ আলম কোম্পানির ডিপো ঘেষে ড্রেজারের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে দেদারচে। যার কারনে অফিসপাড়া এলাকার মানুষের যোগাযোগের একমাত্র সড়ক লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। যান চলাচল তো দুরে থাক হেটে চলা মুসকিল। ছোট এই সড়ক দেবে যাওয়ায় ঝুকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে কক্সবাজার-চট্রগ্রাম মহাসড়কের খুটাখালী ব্রিজ।
সূত্র মতে, ইউনিয়নের খুটাখালী ছড়ার ইজারাবহির্ভূত বিভিন্ন এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে একটি প্রভাবশালী মহল। বসতবাড়ি-প্রতিষ্টান-সরকারি স্থাপনা থেকে বালু উত্তোলনের বিধান না থাকলেও প্রভাবশালী মহল বালু উত্তোলন করে পাচার করছে দিনরাত। এতে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মাঝে মধ্যে অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসন ও বনবিভাগ নাম মাত্র মাঠে নামলেও তাদের কিছুতেই দমানো যাচ্ছেনা।
এদিকে প্রশাসনের কতিপয় কিছু কর্মকর্তা ও বনবিভাগের কর্মচারীর মাধ্যমে এসব বালু-গাড়ি কর্তাব্যক্তি দ্বারা জব্দ করে পরে পুনরায় অবৈধভাবে উত্তোলনকারীদের নামমাত্র মূল্যে নিলামে বিক্রি করা হয়। এসব খবর অন্য কেহ জানে না।
উত্তোলনকৃত বালু নিলামে নিয়েই মহালদার’রা বলেন, তারা জেলা প্রশাসক, জ্বালানি খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়, বনবিভাগ থেকে অনুমোদন নিয়েই বৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। কতটা বৈধতা রয়েছে তা নিয়ে রয়েই গেছে ধোঁয়াশা। অথচ ২০১০ সালের বালুমহাল আইনে বলা আছে, বিপণনের উদ্দেশ্যে কোনো উন্মুক্ত স্থান, বাগানের ছড়া বা নদীর তলদেশ থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবেনা। এ ছাড়া সেতু, কালভার্ট, ড্যাম, ব্যারাজ, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক, বন, রেললাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা অথবা আবাসিক এলাকা থেকে বালু ও মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুর উদ্দীন মু. শিবলী নোমান জানান, কেউ যদি ছড়া থেকে ডেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে তাহলে আমাকে জানান আমি নিজে সরজমিনে গিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।