৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মাত্রায় কার্বন

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর , ২০১৪ সময় ১১:৪৪ অপরাহ্ণ

Carbonপৃথিবীজুড়ে উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা। বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (ডব্লিউএমও) জানিয়েছে, ১৯৮৪ সালের পর ২০১৩ সালে কার্বনের মাত্রা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। খবর বিবিসির।

ডব্লিউএমও জানায়, সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানো ছাড়াও ১৯৮৪ সালের পর ২০১২-১৩ সালে কার্বনের নিঃসরণের মাত্রা সবচেয়ে দ্রুত গতিতে বেড়েছে।
এ অবস্থায় বিশ্বজুড়ে কার্বনের উপস্থিতির মাত্রা কমাতে নতুন জলবায়ু চুক্তির আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

তবে যুক্তরাজ্যের জ্বালানি সচিব এড ডেভে বলেছেন, এ ধরনের কোনো চুক্তি কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কমাতে পারবে না।

ডব্লিউএমও’র বার্ষিক গ্রিনহাউজ গ্যাস বুলেটিনে শুধু কার্বন নিঃসরণের মাত্রাই নয়, পরিবেশের ওপর এর হুমকি নিয়েও আলোকপাত করা হয়েছে। কিভাবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের অতিরিক্ত মাত্রা বাতাস, ভূমি, গাছ ও সমুদ্রের ক্ষতি করছে তা স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, ২০১৩ সালে বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের পরিমাণ গড়ে ৩৯৬ পিপিএম (প্রতি ১০ লাখের অংশ) এ পৌঁছেছে। এর আগের বছরের তুলনায় তা ৩ পিপিএম বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ১৭৫০ সালে শিল্পবিপ্লবের পর থেকে বিশ্বজুড়ে কার্বন নিঃসরণের মাত্রা ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রসঙ্গত, বিশ্বব্যাপী কার্বন ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টি অনেক আগে থেকেই আলোচিত হচ্ছে। এর ফলে পৃথিবী ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে ধ্বংসের দিকে চলে যাচ্ছে বলে বার বার সতর্ক করেছেন বিজ্ঞানীরা। অতিরিক্ত কার্বনের উপস্থিতি বিশ্বব্যাপী মরুকরণ ও বরফ গলে পানির উচ্চতা বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করছে।

এ নিয়ে জাতিসংঘে বেশ কয়েকবার বিতর্ক হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় শিল্পোন্নত দেশগুলোর বিরোধিতায় কার্বন নিঃসরণের মাত্রা কমানো যাচ্ছে না। এর ফলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক অনুন্নত ও সমুদ্র উপকূলীয় দেশ নিশ্চিহ্ন হওয়ার হুমকির মুখে রয়েছে।