২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রামপাল লংমার্চ

প্রকাশ:| সোমবার, ২২ জুলাই , ২০১৩ সময় ১১:৪৪ অপরাহ্ণ

রামপাল বিদ্যুৎ প্লান্টসহ সুন্দরবন কেন্দ্রিক সকল প্রকল্প বাতিলের আহ্বান জানিয়েছে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর লংমার্চরক্ষা জাতীয় কমিটি।

রোববার রাজধানীর গ্রীনরোডের জাহানারা গার্ডেনে কমিটির আহ্বায়কের কার্যালয়ে এক সভায় এ দাবি জানানো হয়। কমিটির একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সভায় সুন্দরবন রক্ষা, রেন্টাল ও কুইক-রেন্টাল নামে বাংলাদেশের বাজেটের বৃহৎ অংশ লুণ্ঠন বন্ধ, বঙ্গোপসাগরে জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি বাতিল, ফুলবাড়ী চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নসহ সাত দফা দাবিতে আগামী ২৪ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা-রামপাল লংমার্চের ঘোষণা দিয়েছে কমিটি।

ওই বিজ্ঞপিতে থেকে জানা যায়, কমিটির সদস্য সচিব ‍অধ্যাপক আনু মুহাম্মদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন প্রকৌশলী বিডি রহমতুল্লাহ, প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক, প্রকৌশলী কল্লোল মোস্তফা, রুহিন হোসেন প্রিন্স, বজলুর রশিদ ফিরোজ, রাগিব আহসান মুন্না, জোনায়েদ সাকী, এড. আবদুস সালাম, রাজেকুজ্জামান রতন, নজরুল ইসলাম, মীর মোফাজ্জেল হোসেন মোস্তাক, ফখরুদ্দীন কবির আতিক, সুবল সরকার, মাসুদ খান, সামছুল আলম, জাহাঙ্গির আলম ফজলু, তৈমুর আলম খান অপু প্রমুখ।

সভায় রেন্টাল ও কুইক-রেন্টাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রসমূহের সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বলা হয়, রাষ্ট্রায়ত্ত বিদ্যুৎ প্লান্ট নবায়ন ও মেরামতসহ সুলভে বিদ্যুৎ পাবার বিভিন্ন উপায় থাকা সত্বেও কতিপয় গোষ্ঠীকে ব্যবসা দেয়ার জন্যই এসব কেন্দ্র করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর অসম্ভব বোঝা তৈরি হয়েছে। এগুলোর নবায়ন করে এই বোঝা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

সভায় আরও বলা হয়, দেশের জনগণের ও অর্থনীতির জন্য সুলভে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের সব পথ বন্ধ করে সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা হচ্ছে। ভারতীয় কোম্পানি ও দেশি কতিপয় লুটেরার স্বার্থে। অন্যদিকে জাহাজ ভাঙা শিল্প করে সুন্দরবনের সর্বনাশ নিশ্চিত করতে যাচ্ছে সরকার।