২৪৪ টি স্থানে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট , ২০১৩ সময় ০২:৪৪ অপরাহ্ণ

ঈদ জামাত
বন্দরনগরী চট্টগ্রামে সিটি কর্পোরেশনের তত্তাবধানে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রথম ও প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সোয়া ৮টায় জমিয়‍াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দানে। দ্বিতীয় জামাত সকাল পৌনে ৯টায়।

এছাড়া জেলা প্রশাসনের তত্তাবধানে সকাল ৯টায় ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়ে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ ময়দানে প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ও জমিয়াতুল ফালাহের খতিব আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ জালালুদ্দিন আল-কাদেরী। দ্বিতীয় জামাতে এই মসজিদের সিনিয়র ইমাম আল্লামা আলহাজ্ব মাওলানা নূর মোহাম্মদ সিদ্দিকী ইমামতি করেন।

চসিকের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রধান জামাত ছাড়াও চসিকের তত্ত্বাবধানে নগরের লালদীঘি ময়দানে আরও একটি বড় জামাত হবে সকাল পৌনে ৯টায়। এছাড়া জালালাবাদ আরেফিন নগর এবং বাকলিয়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন স্টেডিয়ামে ঈদের বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলরদের তত্তাবধানে একটি করে ঈদ জামাতসহ মোট ১৪৭টি স্থানে জামাত অনুষ্ঠিত হয় । এগুলো হলো-হযরত খাজা মুফতি গরীবুল্লাহ শাহ্ (রঃ) মাজার সংলগ্ন ঈদগাহ, খোশাল শাহ্ ঈদগাহ ময়দান, ফতেয়াবাদ ঈদগাহ ময়দান, শেরশাহ কলোনী প্রধান ঈদগাহ ময়দান, বদর পীর ঈদগাহ ময়দান, হযরত সুলতান বায়েজিদ বোস্তামী (রঃ) দরগাহ মসজিদ ময়দান, বায়েজিদ বোস্তামী (রঃ) মাজার মসজিদ, বালুচড়া মসজিদ ঈদগাহ ময়দান এবং কুলগাঁও সিটি কর্পোরেশন স্কুল ও কলেজ ময়দান।

এছাড়া পাঁচলাইশ সিটি কর্পোরেশন বালিকা বিদ্যালয় মাঠ, চালিতাতলী ঈদগাহ ময়দান, ওয়াজেদিয়া মাইজ্যা বিবি শাহী জামে মসজিদ ময়দান, ওয়াজেদিয়া হাই স্কুল মাঠ, সৈয়দনগর প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, হাজীরপুল বায়তুল নুর জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দান, বহদ্দারহাট ওয়াপদা কলোনী ময়দান, নুরজ্জমান নাজির বাড়ী জামে মসজিদ, বায়তুল ইকরাম জামে মসজিদ, আল-আমিন বারীয়া মাদ্রাসা ময়দান, জামেয়া উলুম প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠ, তৈয়বিয়া জামে মসজিদ, কাদেরীয়া জামে মসজিদ, পূর্ব ষোলশহর গাজী শাহ জামে মসজিদ ময়দান, মাইজ পাড়া গাজী জামে মসজিদ, আমিন কলোনী জুট মিলস মসজিদ, আতুরার ডিপো হাশেম বাজার জামে মসজিদ, জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা জামে মসজিদ, খতিবেরহাট জামে মসজিদ, পূর্ব নাসিরাবাদ শাহী জামে মসজিদ, বিবিরহাট ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা ময়দান, মাদানী শাহ মসজিদ এবং নাসিরাবাদ সরকারী স্কুল ময়দান, নগরের মোহাম্মদপুর মুরাদপুর চত্ত্বর, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ ময়দান, মুরাদপুর বিশ্বরোড চত্ত্বর, ভেলুয়ারদীঘি জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দান এবং পশ্চিম ফিরোজ শাহ ঈদগাহ মাঠে জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

চসিকের উদ্যোগে ইস্পাহানি জামে মসজিদ, নেছারিয়া আলিয়া মাদ্রাসা ময়দান, পাহাড়তলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ময়দান, কালুঘাট ইস্পাহানী জুট মিল জুমা মসজিদ ময়দান, উত্তর কাট্টলী মোস্তফা হাকিম কলেজ ময়দান, উত্তর কাট্টলী বিশ্বাসপাড়া জামে মসজিদ, সাগরিকা জামে মসজিদ, বি-ব্লক বায়তুল আজিম জামে মসজিদের পার্শ্বে এক্স ক্লাব ময়দান, ছদু চৌধুরী বাড়ি জামে মসজিদ, মোসেন চৌধুরী বাড়ি জামে মসজিদ, থানা ময়দান ঈদগাহ, পি আমিন একাডেমী স্কুল ময়দান ফইল্যাতলী বাজার, সরদার বাহাদুর নগর ঈদগাহ ময়দান,ওমর গণি এমইএস কলেজ ময়দানে ঈদের নামাজ হবে।

এছাড়া চসিকের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, ওয়ার্লেস কলোনী পুরাতন জামে মসজিদ, চাঁনমারী রোডের কাঁচাবাজার ময়দান, মেহেদীবাগ সিডিএ কলোনী জুমা মসজিদ, রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ড ময়দান, প্যারেড ময়দান, পূর্ব নাসিরাবাদ বিপ্লব উদ্যান জামে মসজিদ, দেওয়ান বাজার সিএন্ডবি কলোনী জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দান, মেডিকেল কলেজ মসজিদ ময়দান, দারুল উলুম আলিয়া মাদ্রাসা ময়দান, সুজারমা জামে মসজিদ চেয়ারম্যান ঘাটা, বায়তুল মামুর জামে মসজিদ, মিয়াখান নগর মোজাহেরুল উলুম মাদ্রাসা ময়দান, মধ্যম বাকলিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা ময়দান, মিয়াখান সদর মসজিদ, বেলাখান সদর মসজিদ, ঘাটফরহাদবেগের আতরজান জামে মসজিদ, ইসহাকের পোল নুর মোহাম্মদ সওদাগর মসজিদ, কোরবাণীগঞ্জ চারতলা জামে মসজিদ, কোরবানীগঞ্জ জামে মসজিদ ও বলুয়ারদীঘির পূর্ব পাড় মোমবাতিগলির এয়াকুব আলী সওদাগর জামে মসজিদ।

মাছুয়া ঝর্ণা লেইন ফকির মোহাম্মদ জামে মসজিদ, রুমঘাটা জামে মসজিদ, খলিফাপট্টি বায়তুন নুর জামে মসজিদ, কাজী সৈয়দ জামে মসজিদ, এনায়েত বাজার জামে মসজিদ, রেলওয়ে হাসপাতাল কলোনী জামে মসজিদ, রহমতগঞ্জ বাংলা কলেজ মাঠ (শিশুবাগ), খান শাহ মসজিদ বায়তুল সড়ক জুমা মসজিদ ময়দান, জুনশাহ জামে মসজিদ, ঈদগাহ কারবালার ময়দান, কাশেম ভান্ডারী জামে মসজিদ, উত্তর হালিশহর হাউজিং বায়তুল আজিম কমপ্লেক্স ময়দান, বেপারী পাড়া ঈদগাহ ময়দান (আলপনা কমিউনিটি সেন্টারের পার্শ্বে), আগ্রাবাদ সরকারী কমার্স কলেজ চত্ত্বর, আমির হোসেন দোভাষ সড়ক চত্ত্বর, মনছুরাবাদ খান সাহেব আবদুল হাকিম মিয়া মসজিদ, পশ্চিম মাদার বাড়ী আবুল খায়ের মসজিদ, মাদারবাড়ী পাম্প হাউস জামে মসজিদ, আগ্রাবাদ জাম্বুরী ময়দান, সদরঘাট মনোহরখালী বন্দর কলোনী ময়দান, সিডিএ আগ্রাবাদ আঞ্চলিক এলাকা ময়দান, উত্তর নালা পাড়া সিটি সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ময়দান, ফকিরহাট শেখ লতিফ চৌধুরী জামে মসজিদ, স্টেশন রোড জুমা মসজিদ ময়দান, কলেজিয়েট হাই স্কুল ময়দান, হযরত শাহ ছুফী আমানত (রঃ) মসজিদ¡ ময়দান, মাঝিরঘাট শাহ বিবি মসজিদ, আলহাজ ছুফী সোবহান সওদাগর জামে মসজিদ ময়দান, পাথরঘাটা বালিকা বিদ্যালয় প্রাঙ্গন, পাথরঘাটা মধু বেপারী জামে মসজিদ, চট্টগ্রাম শাহী জামে মসজিদ, খাতুনগঞ্জ জামে মসজিদ ময়দান, ফিরিঙ্গী বাজার জামে মসজিদ, হালিশহর মুনির নগর সফরনেছা মসজিদ, চাক্তাই নয়া মসজিদ, সুলতান আহমদ জামে মসজিদ চত্ত্বর, খাতুনগঞ্জ শমসের খান ওয়াকফ মসজিদ ঈদ জামাত ময়দান, হযরত মুহাম্মদ আলী শাহ্ (রঃ) কমপ্লেক্স জামে মসজিদ, পূর্ব হোসেন আহমদ পাড়া (উত্তর পতেঙ্গা), খিজির (আঃ) জামে মসজিদের সংলগ্ন পতেঙ্গা ইসলামিয়া আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ, হালিশহর বেগমজান হাই স্কুল মাঠ, দক্ষিণ পতেঙ্গা ওমর ফারুক জুমা মসজিদ ঈদগাহ ময়দান, কাটাখালী আলিশাহ মসজিদ, শেখ আহমদ আলী ফকির বাড়ী মসজিদ, উত্তর পতেঙ্গা হোসেন আহমদ পাড়া জামে মসজিদ, পশ্চিম ফিরোজশাহ ঈদগাহ ময়দান, নুরানী জামে মসজিদ, দক্ষিণ কাট্টলী হামজা চৌধুরী বাড়ী জামে মসজিদ, হাজী চাঁন্দগাজী জামে মসজিদ আবদুল লতিফ হাট, কাপাসগোলা সিটি কর্পোরেশন স্কুল ও কলেজ মাঠ, মধ্যম বাকলিয়া ফোরকানিয়া মাদ্রাসা, হালিশহর জরিনা মফজল সিটি কর্পোরেশন কলেজ ময়দান, সুগন্ধা জামে মসজিদ, চট্টেশ্বরী গায়েবী মসজিদ, জামেয়া উলুম প্রাথমিক বিদ্যালয়, হযরত টাকশাহ মিয়া দরগাহ মসজিদ সংলগ্ন সড়ক ও পূর্ব বাকলিয়া গভর্মেন্ট কমার্শিয়াল ইনস্টিটিউট ময়দানে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

পাঠানটুলী আমীর হোসেন দোভাষ সড়ক চত্বর, কালামিয়া বাজার মোড় আলী বাপের মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, হযরত মুঈনদ্দিন শাহ (রঃ) মাজার জামে মসজিদ, আলকরণ ১নম্বর গলির বেলাল শাহ জামে মসজিদ কমিটির ঈদ জামাত, আলকরণ নুর আহমদ চেয়ারম্যান জামে মসজিদ, আবেদীন কলোনী জামে মসজিদ ঈদগাহ, পশ্চিম বাকলিয়া মদিনা বাজার ডিসি রোড, ধনিয়ালাপাড়া বায়তুশ শরফ, পাঁচলাইশ ইব্রাহিম জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দান এবং উত্তর পতেঙ্গার হযরত মোহাম্মদ আলী শাহ (রাঃ) জামে মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এদিকে বৃহত্তম ঈদ জামাতকে সামনে রেখে সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে প্রায় ৫০ হাজার বর্গফুট আয়তনের জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দান সংস্কার করা হয়েছে। সংস্কার করা পাকা প্যান্ডেলে একসঙ্গে ৫০ হাজার লোক নামাজ আদায় করতে পারবে বলে সূত্র জানিয়েছে।

জেলা প্রশাসনের তত্তাবধানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত কমিটির উদ্যোগে এবার ৯৩টি স্থানে ঈদের জামাতের আয়োজন করা হয়েছিল।

এদিকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নগর ভবনসহ নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা আলোকসজ্জা করা হয়েছে। নগরীর মোড়ে মোড়ে ফেস্টুন লাগানো হয়েছে।
চট্টগ্রামের শীর্ষ রাজনীতিক, জনপ্রতিনিধিদের অধিকাংশই এবার ঈদের নামাজ আদায় করেছেন নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের কৌশল হিসেবে এলাকায়, এলাকায় গেছেন সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থীরা।

তবে ঈদের নামাজ আদায় করতে চট্টগ্রামের জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদ ময়দানে এবারও সমবেত হয়েছিলেন চট্টগ্রামের বেশ কয়েকজন রাজনীতিক ও জনপ্রতিনিধি।

ঈদের মহামিলন চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিযোগিতা কিছুক্ষণের জন্য ভুলিয়ে দিয়েছিল। পারস্পরিক অবস্থানগত বৈপরিত্যের কথা ভুলে শুক্রবার এক কাতারে দাঁড়িয়েছিলেন আওয়ামীলীগ, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।

ঈদের নামাজ আদায় শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা.আফছারুল আমিন বলেন, ‘ধর্ম আর রাজনীতি এক বিষয় নয়। রাজনীতি থাকবে রাজনীতির মাঠে আর ধর্ম থাকবে ধর্মের জায়গায়। আমরা শুধু ঈদের নামাজ না, কেউ মারা গেলে জানাজাও একসঙ্গে পড়ি।’
চট্টগ্রামের মেয়র এম মনজুর আলম নামাজ শেষে সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান।

রাজনীতির প্রসঙ্গ এড়িয়ে গেছেন সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীও। তিনি শুধু চট্টগ্রামবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

তবে রাজনীতির প্রসঙ্গে কথা বলেছেন সাবেক মন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আবদুল্লাহ আল নোমান।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘যে আশা, আকাঙ্খা নিয়ে এবার মানুষের ঈদ পালনের কথা ছিল সেটি তারা পারছেনা। মানুষ জানেনা আগামীতে নির্বাচন হবে কিনা, তারা আদৌ ভোট দিতে পারবে কিনা। মানুষের মধ্যে নানা আশংকা আছে।’

এছাড়া জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যকরী কমিটির সভাপতি ও সাংসদ মঈনউদ্দিন খান বাদল, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি সাংসদ জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, নগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু সুফিয়ান, নগর জাতীয় পার্টির সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠ, আবদুল্লাহ আল নোমানের ছেলে ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির ভাইস চেয়ারম্যান সাঈদ নোমান প্রমুখ।

আওয়ামী লীগের সদ্য মনোনীত প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন মিরসরাইয়ে নিজ নির্বাচনী এলাকায় এবং চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ সালাম হাটহাজারী পূর্ব শিকারপুরে নিজ বাড়ির মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।

এছাড়া নগর বিএনপির সভাপতি আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উত্তর কাট্টলীতে নিজ বাড়িতে এবং সাধারণ সম্পাদক ডা.শাহাদাৎ হোসেনও নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে নামাজ আদায় করেছেন।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ বোয়ালখালী কধুরখীলে তার গ্রামের বাড়িতে নামাজ আদায় করেছেন। আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ শামসুল হক চৌধুরী পটিয়ার শোভনদন্ডীতে বাড়ির পাশের মসজিদে নামাজ পড়েছেন। আওয়ামী লীগ দলীয় সাংসদ ফজলে করিম চৌধুরী, এবিএম আবুল কাশেম মাষ্টার, সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদও নিজ নিজ এলাকায় নামাজ আদায় করেছেন।

প্রতিবছর জমিয়াতুল ফালাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করলেও এবার অসুস্থ থাকায় আসতে পারেননি বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য মীর মো.নাছির উদ্দিন। আর বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম আকবর খোন্দকার নামাজ পড়েছেন রাউজানের গহিরায় নিজ বাড়িতে।

এদিকে প্রতিবছরের মত এবারও নেতাকর্মী, শুভানুধ্যায়ীদের জন্য ঈদের পরদিন নগরীতে মেজবানের আয়োজন করেছেন বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান। প্রতিবছর নোমানের এই মেজবানে হিন্দু, মুসলিম সকলের মিলনমেলা ঘটে।

নোমানের ব্যক্তিগত সহকারী নূরুল আজিম হিরু বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, এবারও মিলনমেলা ও মেজবানে যোগ দেয়ার জন্য আবদুল্লাহ আল নোমান দল, মত নির্বিশেষে তার সকল রাজনৈতিক সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী, পেশাজীবী, ছাত্র, শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ সর্বস্তরের নাগরিকদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

মেজবান কিংবা আপ্যায়ন এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরীর জন্য নতুন কিছু নয়, তবুও এ বছর তিনদিন ধরে নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন তিনি। সাথে সবার জন্য মেজবানসহ নানা খাবারদাবারেরও ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মহিউদ্দিনের ব্যক্তিগত সহকারী মো.ওসমান।

এছাড়া অধিকাংশ রাজনীতিক, সাংসদ নিজ নিজ এলাকায় চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী মেজবানের আয়োজন করেছেন বলে জানা গেছে।
সাংবাদিক নেতা আবু সুফিয়ান,মোস্তাক আহমেদ,আলী আব্বাস,রাশেদ রউফ,কাজী আবুল মনসুর,মহসিন চৌধুরী,রিয়াজ হায়দার চৌধুরী,শামসুল হক হায়দরী,নাজিম উদ্দিন শ্যামল, নিজ নিজ এলাকায় ঈদের জামাতে অংশ নিয়েছেন । নিউজচিটাগাং২৪.কম এর নির্বাহী সম্পাদক মির্জা ইমতিয়াজ শাওন মির্জাপুর ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাতে অংশ নেন ।


আরোও সংবাদ