২০ জনের দল গড়েছেন মারুফ

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১৮ ডিসেম্বর , ২০১৫ সময় ১১:৩৪ অপরাহ্ণ

কয়েকজন খেলোয়াড়ের চোট আর অসুস্থতায় শেষ ক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করেছেন। কিন্তু তারপরও সাফের জন্য মনের মতো দল গড়তে পারলেন না মারুফুল হক।
জ্বর থেকে সেরে ওঠা জামাল ভুঁইয়াকে দলে রাখতে পারলেও চোটগ্রস্ত জাহিদ হাসান এমিলিকে পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁকে বাইরে রেখেই ২০ জনের দল গড়েছেন মারুফ। সন্ধ্যায় বাফুফে তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিল।
চার গোলরক্ষকের মধ্যে একজন এমনিতেই বাদ পড়তেন। সেই বাদ পড়ার কোপটা গেছে মাজহারুল ইসলামের ওপর দিয়ে। এ ছাড়া কোচের বিবেচনায় আসেননি আরও চারজন—ডিফেন্ডার রেজাউল, মিডফিল্ডার মাসুক মিয়া জনি, উইঙ্গার ফয়সাল মাহমুদ ও স্ট্রাইকার আমিনুর রহমান সজীব।
প্রাথমিক দলের ২৮ জন থেকে আগেই ছিটকে যান ডিফেন্ডার কেষ্ট কুমার। এমিলি আর কোমল চোট নিয়ে বিসিবির ডাক্তার দেবাশীষ চৌধুরীর শরণাপন্ন হলেও শেষ পর্যন্ত আশার খবর পাননি। সপ্তাহখানেক আগেই মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে যায় এই দুজন থাকছেন না সাফের দলে। তবে কোমল বাসায় ফিরে গেলেও এমিলিকে বিকেএসপিতে রেখে কোচ দেখতে চেয়েছিলেন শেষ পর্যন্ত।
এমিলি না থাকা দলের জন্য বড় ক্ষতিই। সাফের মতো মঞ্চে তাঁর অভিজ্ঞতা প্রয়োজন ছিল। ২০ জনের দলে এখন স্ট্রাইকার মাত্র দুজন শাখাওয়াত রনি ও নাবিব নেওয়াজ জীবন। এই দুজনই এখন ভরসা। মারুফের দলে ডিফেন্ডার আট এবং সাতজন মিডফিল্ডার। মারুফ আগেই বলেছেন, মাঝমাঠ নির্ভর ফুটবলই খেলবে তাঁর দল। যেখানে একজন স্ট্রাইকারকে ওপরে রেখে খেলাটা তৈরি করবে মাঝমাঠ। মিডফিল্ডারদের কাছেও তিনি গোল চান।

দেশে অনেক দিন ধরেই জাতীয় দলের চাপ নেওয়ার মতো স্ট্রাইকার তৈরি হচ্ছে না। এমিলি নির্ভরতাই গত কয়েক বছর ধরে দেখে আসছে সবাই, এবার আলোটা পড়ছে নেপালের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচে একমাত্র গোলটি করা শাখাওয়াত ও জীবনের ওপরই। শাখাওয়াতই এবার সম্ভবত এক নম্বর স্ট্রাইকারের ভূমিকায় থাকবেন।
মারুফের দলের ১১ জনই গত সাফে ছিলেন না। তিন গোলরক্ষকের দুজনেরই আশরাফুল রানা, লিটনের এটি প্রথম সাফ। এই প্রথম সাফ খেলছেন তপু, হেমন্ত, জুয়েল রানা, জীবন।
অতৃপ্তি আর আক্ষেপ আছে। তবে বরাবরের মতোই মারুফ আশাবাদী মানুষ। যদিও নেপালের সঙ্গে প্রীতি ম্যাচটা জিতলেও দলের পারফরম্যান্স আশাবাদী হওয়ার মতো ছিল না। কোচ অবশ্য নিরাশ নন। এই সৈনিকদের নিয়েই সাফ নামের যুদ্ধের ময়দানে ওড়াতে চান জয়ের পতাকা।

২০ জনের দল: শহিদুল আলম সোহেল, আশরাফুল রানা, রাসেল মাহমুদ লিটন, ওয়ালি ফয়সাল, আতিকুর রহমান মিশু, নাসির উদ্দিন, নাসিরুল ইসলাম, ইয়ামিন মুন্না, ইয়াসিন খান, রায়হান হাসান, তপু বর্মন, জামাল ভুঁইয়া, হেমন্ত ভিনমেন্ট বিশ্বাস, মোনায়েম খান রাজু, সোহেল রানা, মামুনুল ইসলাম, জাহিদ হোসেন, জুয়েল রানা, নাবিব নেওয়াজ জীবন ও শাখাওয়াত রনি।