২০০৭ সাল থেকে পাহাড় ধসে মৃত্যু হয়েছে ৭শ’ জনের

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২১ জুলাই , ২০১৭ সময় ১০:১০ অপরাহ্ণ

১০ বছরে বৃহত্তর চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭শ’ জনের। এরমধ্যে গত এক মাসে মৃত্যু হয়েছে ১শ’ ৫৫ জনের। অবৈধভাবে পাহাড় কেটে দখলের কারণেই, পাহাড়ে ধস ও মানুষের মৃত্যু ঠেকানো যাচ্ছে না বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু বর্ষাকাল এলেই ঝুকিপূর্ণ বসবাসকারীদের সরিয়ে না দিয়ে, অবিলম্বে তাদের স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

বর্ষা মৌসুমে চট্টগ্রামে এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম পাহাড় ধস। প্রতিবছর বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে পাহাড় ধসে বাড়ছে প্রাণ হানীর সংখ্যা। ২০০৭ সালের পর পাহাড় ধসে চট্টগ্রামে মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭০০ জনের। বৈশিষ্টগত কারণে এখানকার পাহাড় গুলো এমনিতেই ভঙ্গুর। আর এই ভঙ্গুর পাহাড়েই গড়ে তোলা হচ্ছে বসতি।

চট্টগ্রামের ৫০টি পাহাড়ে অন্তত তিন লাখ লোকের বসবাস। এর মধ্যে ৯০ ভাগ মানুষ ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ২০০৭ সালে পাহাড় ধসে ১২৭ জনের মৃত্যুর পর দেওয়া হয়েছিল ৩০ দফা দাবি। এখন পর্যন্ত বাস্তবায়ন হয়নি একটিও। আর এই সব পাহাড়ের অবৈধ দখলদারদের মধ্যে রয়েছে প্রভাবশালী মহল।

নগর বিশেষজ্ঞরা বলছেন যতক্ষণ পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে এই পাহাড়ের ব্যবস্থাপনা করা হবে না ততক্ষণ পর্যন্ত মৃত্যুর মিছিল থামবে না। তারা বলেন, এই পাহাড় কাটা বন্ধ করতে হবে। পাহাড় থেকে সব বসতি সরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া সুরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করে কাটা পাহাড় গুলিকে ঠেকাতে হবে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বৃহত্তর চট্টগ্রামে ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা করে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সেই সঙ্গে এইসব এলাকা থেকে চলে যাবার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।


আরোও সংবাদ