১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল রাউজানের হত্যাযজ্ঞ আজো ভুলতে পারেনি শহীদের স্বজনেরা

প্রকাশ:| শুক্রবার, ১১ এপ্রিল , ২০১৪ সময় ১০:১৩ অপরাহ্ণ

শফিউল আলম, রাউজান ঃ মহান স্বাধনিতা সংগ্রমের সময়ে ১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল পাকহানাদার বাহিনীর সদস্যরা রাজাকার আলবদরদের সহায়তায় রাউজানের গহিরা বিশ্বাস বাড়ী, কুন্ডেশ্বরী ভবন, সুলতানপুর জগৎমল্ল পাড়া, চিকদাইর, সুলতান পুর ছিটিয়াপাড়া, রাউজানের পাহাড়তলী উনসত্তর পাড়া এলাকায় নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে রাউজানের শতাধিক নারী পুরুষকে নির্মম ভাবে হত্যা করে। ঐদিন রাউজানের কুন্ডেশ্বরী ভবনে হানা দিয়ে পাকহানাদার বাহিনীর সদস্যরা রাজাকার আলবদর বাহিনীর সদস্যরা কুন্ডেশ্বরী ঔষধালয়ের প্রতিষ্ঠাতা কুন্ডেশ্বরী বালিকা মহাবিদ্যালয় ও বালিকা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ নতুন চন্দ্র সিংহকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে । অধ্যক্ষ নতুন চন্দ্র সিংহকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করার পর রাউজানের সুলতান পুর জগৎমল্ল পাড়া গ্রামে হানা দিয়ে ৩৫ জন নারী পুরুষকে লাইন করে দাড় করিয়ে গুলি করে হত্যা করেন । একই দিন রাউজানের গহিরা বিশ্বাস বাড়ী, সুলতান পুর ছিটিয়া পাড়া, রাউজানের পাহাড়তলী ইউনিয়নের ঊনসত্তর পাড়া এলাকায় শতাধিক নারী পুরুষকে হত্যা করে পাক হানাদার বাহিনীর সদস্যরা স্থানীয় রাজাকার আলবদরদের সহায়তায় । স্বাধীনতা সংগ্রামের সময়ে এই সব শহীদদের স্মৃতিকে ধরে রাখতে ২০০৮ সালে রাউজান পৌর সভার তৎকালীন মেয়র শফিকুল ইসলাম চৌধুরী রাউজানের সুলতান পুর জগৎমল্ল পাড়া এলাকায় স্মৃতি সৌধ নির্মান করে দেয়। গত ২০১১ সালে রাউজানের উনসত্তর পাড়া এলাকায় এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর প্রচেষ্ঠায় চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের অর্থায়নে একটি স্মৃ¥ৃতি সৌধ নির্মান করা হয় । ১৯৭১ সালের মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হলে । ৭১ সালের মানবতা বিরোধী অপরাধের তদন্ত করেন আন্তজাতিক যুদ্বপরাধ ট্রাইবুনালের সদস্যরা একধিকবার । রাউজানে এসে রাজাকারদের ্হাতে নিহতদের স্বজনদের ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য গ্রহন করেন আন্তজাতিক যুদ্বপরাধ ট্রাইবুনালের সদস্যরা ।