১৮০০০ হাজার হজ্জ যাত্রীদের হজ্জ অনিশ্চিত 

প্রকাশ:| বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই , ২০১৭ সময় ১০:৩৩ অপরাহ্ণ

৯১ টি হজ্জ এজেন্সির মোয়াল্লেম পায়নি
মক্কায় ৯১ টি হজ্জ এজেন্সির মালিক মোয়াল্লেম বা মক্তব না পাওয়ায় ১৮০০০ হাজার হজ্জ যাত্রীদের হজ্জ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
মক্কা থেকে মোহাম্মদ ফিরোজ জানান, মোয়াল্লেম না পাওয়ায় হজ্জ এজেন্সির সংকট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনায় সংবাদ সম্মেলন করেছে  ৯১ টি হজ্জ এজেন্সির মালিক প্রতিনিধিগ। এই নিয়ে হজ্জ ট্রেডিং চেয়ারম্যান ড. রাশেদ বদর ও সচিব ওমর আকবরের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেও কোন লাভ না হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছে ৯১ হজ্জ এজেন্সির মালিকগন।
চেয়ারম্যান বারবার বলে আসছে সৌদি সরকারের আইনের বাহিরে গিয়ে তাদের কিছুই করার নেই। তারপরও হজ্জ মন্ত্রালয়ের ধারে ধারে ব্যর্থ হয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত হজ্জ প্যাকেজের আওতায় গত বৎসর মোয়াল্লেম ফি ৫২০ রিয়াল করে মুয়াল্লেম ফি ধার্য ছিল। যার ফলে ওই নির্ধারিত ফিতে হাজিদের সেবা দিতে প্রস্তুতি নিয়ে গ্রামের মানুষের কাছ থেকে কম টাকা নেই হজ্জ এজেন্সির মালিকগন।
কিন্তু সৌদি সরকার গত দুইমাস আগে ই গ্রেট প্রদ্বতি চালু করে আর এই পদ্ধতি অনেক হজ্জ এজেন্সির মালিকগন। এমনকি হজ্জ মন্ত্রালয় ও হজ্জ কাউন্সিল থেকে এই ব্যাপারে কোন ইনফরমেশন দেইনি আগে যার ফলে হজ্জ এজেন্সির এই দূর অবস্থা বলে জানান তারা।
সৌদি সরকার বর্তমানে হজ্জ মোয়াল্লেম 
 ফি ই গ্রেড ভাগ করে আর প্রথম এ গ্রেডে ৩৯৫০ টাকা বি গ্রেডে ১৯০০ টাকা সি গ্রেডে ১৫০০ টাকা ও ডি গ্রেডে ৭২০ টাকা নির্ধারণ করেন।  বাংলাদেশী হজ্জ এজেন্সির গুলো সচরাচর ৭২০ টাকা ডি গ্রেটের হাজী নিয়ে আসেন আর এখন এই গ্রেডে মুয়াল্লেম না পাওয়ায় সি গ্রেডে ১৫০০ রিয়ালের মাধ্যমে মোয়াল্লেম ফি দিয়ে হাজি  নিয়ে আসা সম্বভ নয় বলে জানিয়েছে ৯১ টি হজ্জ এজেন্সি প্রতিনিধি গন। এই সংকটের কারণে ১৮ হাজার হজ্জযাত্রীর হজ্জে যাওয়া অনিচ্ছিত হয়ে পড়েছে প্রায়।
হজ্জ এজেন্সি মালিকগন অভিযোগ করে বলেন, মোয়েল্লেম ই গ্রেট প্রদ্বতি বিষয়ে বাংলাদেশ হজ্জ মিশন ও হজ্জ কাউন্সিল অফিস এই বিষয়ে আমাদের আগে থেকে অবহিত না করায় আমরা এখন হাজীদের হজ্জ নিয়ে চিন্তিত। জনপ্রতি ১৫০০ করে মোয়াল্লেম ফি দিয়ে আমাদের হাজীদের সেবা দেওয়া অসম্বভ। আগামী কয়েকদিনের মধ্য এই সমস্যার সমাধান না হলে ১৮ হাজার হাজীর হজ্জ অনিচ্ছিত হয়ে পড়বে তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপে এই দূর অবস্থা থেকে মুক্ত হতে পারে বলে আশা করছেন হজ্জ এজেন্সির মালিক প্রতিনিধিগন।