১৫ কোটি টাকার ইয়াবা খালাস গিয়ে পাচারকারী গুলিবিদ্ধ

প্রকাশ:| বুধবার, ২৯ নভেম্বর , ২০১৭ সময় ০৮:৫৫ অপরাহ্ণ

শামসুদ্দিন,টেকনাফ:
টেকনাফের হ্নীলায় কোটি টাকার ইয়াবার চালান খালাসকালে স্বশস্ত্র গ্রুপ লুটপাট চালিয়ে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় চালান খালাসকারী এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছে। টেকনাফ মডেল থানার ওসি (তদন্ত) শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন ‘হ্নীলায় ইয়াবা সংক্রান্ত ঘটনাটি শুনেছি। তবে এপর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি’। তবু ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ২৯ নভেম্বর বুধবার ভোররাতে হ্নীলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রজেক্ট সংলগ্ন নাফ নদী পয়েন্ট দিয়ে রঙ্গীখালী লামার পাড়ার বশির আহমদের বড় একটি ইয়াবার চালান খালাসের দায়িত্ব দেয়া হয় স্থানীয় আবু বক্কর ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের। ইয়াবার চালানটি মিয়ানমার থেকে পাচার হয়ে আসছিল। ইয়াবা খালাসের বিষয়টি জানতে পেরে একই এলাকার এরশাদ হোছন ও সাদেক হোছনের নেতৃত্বে স্থানীয় গাজীপাড়ার আলোচিত একটি স্বশস্ত্র ভাড়াটে গ্রুপ এই বিরাট ইয়াবার চালানটি লুট করার পরিকল্পনা গ্রহন করে। ভোর রাতে ২টি বস্তায় করে আনার সময় ছিনতাইকারী চক্র হানা দিয়ে ইয়াবা একটি বস্তা ছিনিয়ে নেয়। এসময় ছিনতাইকারী চক্রের সদস্যরা আবু বক্করের পায়ে এক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে।
নির্ভরযোগ্য একটি সুত্র জানিয়েছে, এসময় ৫ লাখ ইয়াবা পাচার হচ্ছিল। যার মুল্য কমপক্ষে ১৫ কোটি টাকা। বিষয়টি নিয়ে সকাল থেকে স্থানীয় জনসাধারণের মধ্যে মুখরোচক আলোচনা চলতে থাকে। খবর পেয়ে দুপুর পৌনে ১২টার দিকে টেকনাফ মডেল থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এদিকে এই মাদকের চালান উত্তোলন, খালাস, ছিনতাই ও মালিক পক্ষ ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য পৃথক দালালের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকার মিশন নিয়ে নানা অপতৎপরতা শুরু করেছে বলে জানা গেছে। অপরদিকে সীমান্তে মাদকের চালান অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে নাফ নদী নির্ভর জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ করা হলেও মাদক স¤্রাটদের অপতৎপরতা বন্ধ না হওয়ায় সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে জনমনে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।


আরোও সংবাদ