১৩ লাখ ৫ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার

প্রকাশ:| বুধবার, ২৬ আগস্ট , ২০১৫ সময় ১০:৫৬ অপরাহ্ণ

জুলাই-ডিসেম্বর প্রান্তিকের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, কুয়েত ও ফিলিপাইন থেকে ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন’ (বিপিসি) মেয়াদি চুক্তির আওতায় ১৩ লাখ ৫ হাজার টন জ্বালানি তেল আমদানি করবে সরকার।

এর মধ্যে ডিজেল (গ্যাস অয়েল) ৮ লাখ ৭৬ হাজার টন, জেট এ-১ এক লাখ ৬০ হাজার টন, ফার্নেস অয়েল ২ লাখ ৬০ হাজার টন এবং মো-গ্যাস ৯ হাজার টন আমদানি করা হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রনালয়ের এ সংক্রান্ত চারটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য উপস্থাপিত হবে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, জুলাই-ডিসেম্বর প্রান্তিকে সারাদেশে ডিজেলের (গ্যাস অয়েল) চাহিদা হচ্ছে ১৭ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন, জেট এ-১-এর চাহিদা হচ্ছে ১ লাখ ৮৮ হাজার মেট্রিক টন, ফার্নেস অয়েলের চাহিদা হচ্ছে ৫ লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন ও মো-গ্যাস-এর চাহিদা হচ্ছে ৬৭ হাজার মেট্রিক টন।

উল্লেখিত চাহিদার বিপরীতে ইস্টার্ণ রিফাইনারি থেকে অপরিশোধিত তেল প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে সম্ভাব্য ডিজেল (গ্যাস অয়েল) প্রাপ্তির পরিমাণ হচ্ছে ১ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন এবং ফার্নেস অয়েল প্রাপ্তির সম্ভাব্য পরিমাণ হচ্ছে ১ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। অন্যদিকে জেট এ-১ ও মো-গ্যাস চাহিদার পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সার-সংক্ষেপ অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই-ডিসেম্বর প্রান্তিকে ‘কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন’ থেকে ৫ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন জ্বালানি তেল ক্রয় করা হবে। এর জন্য মোট ব্যয় হবে ৩২ কোটি ৪৩ লাখ ডলার বা ২ হাজার ৫৪২ কোটি ৮১ লাখ টাকা।