১০ শিক্ষা বোর্ডে ই-সেবা

প্রকাশ:| সোমবার, ৭ অক্টোবর , ২০১৩ সময় ০৮:৫৫ অপরাহ্ণ

তথ্যপ্রযুক্তির কাক্সিক্ষত সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে দেশের ৮টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ই-সেবা কার্যক্রম রোববার উদ্বোধন করা হয়েছে।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি আয়োজিত রাজধানীর টিচার্স ট্রেনিং কলেজে (টিটিসি) এই ই-সেবার উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। এ সময় তিনি বলেন, এখন থেকে ১০টি বোর্ডের আওতাধীন ৩০ হাজারেরও অধিক নিম্ন বোর্ডে ই-সেবামাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইট তৈরি করে দেয়া হয়েছে। ওইসব প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যক্রম এই সেবার আওতায় অন্তর্ভুক্ত হবে। বিভিন্ন কাজ সরাসরি শিক্ষা বোর্ডে না গিয়ে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে করতে পারবে বলেও জানান তিনি। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর তাছলিমা বেগমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আমিরুল আলম খান, টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক দীপক কুমার নাগ। এছাড়া ই-সেবা কার্যক্রম উদ্বোধন কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাসহ দেশের সব বোর্ডের চেয়ারম্যানরা উপস্থিত ছিলেন। ‘ই-সেবা দেশের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক এবং বৈপ্লবিক ঘটনা’ দাবি করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষা সেবার মাধ্যমে দেশকে একটি আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে তৈরি করতে চাই। এরই অংশ হিসেবে ই-সেবা কার্যত একটি আধুনিক প্রযুক্তি সেবা। মানুষের হাতের নাগালে প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে এ সেবার কার্যক্রম হাতে নিয়েছি আমরা। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে আমরা দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একটা নেটওয়ার্কের আওতায় নিয়ে আসতে পেরেছি। এটা শুধু শিক্ষা ক্ষেত্রেই নয়, ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণেও যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করবে। এটা আমাদের নতুন কিছু জানার সুযোগ করে দেবে। মন্ত্রী বলেন, এই সেবার মাধ্যমে দেশের ৩০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় সব বিষয়ে এখন একটি সার্ভারের মাধ্যমে মনিটরিং করা হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে একটি দুর্নীতিমুক্ত মন্ত্রণালয় হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির ক্ষেত্রে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। নতুন প্রজন্মকে দুর্নীতির প্রভাবমুক্ত রাখতে হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতিমুক্ত হতে হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি নিয়ে টিআইবি’র সম্প্রতি প্রকাশিত রিপোর্টের বরাত দিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুর্নীতি ৩৯ থেকে কমে ১২ শতাংশে নেমে এসেছে। তবে এখনও এই ১২ শতাংশের মধ্যে যারা আছেন তাদের সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, হয় দুর্নীতি ছাড়েন, না হলে শিক্ষা পরিবার থেকে আপনাদের বের হয়ে যেতে হবে। কারণ কারা দুর্নীতি করছে তাদের সম্পর্কে আমাদের কাছে তথ্য আছে।


আরোও সংবাদ