হিমাদ্রী মজুমদার হিমু হত্যা মামলা ছয় মাসের জন্য স্থগিত

প্রকাশ:| সোমবার, ৪ আগস্ট , ২০১৪ সময় ১০:২১ অপরাহ্ণ

টগ্রামের চাঞ্চল্যকর হিমাদ্রী মজুমদার হিমু হত্যা মামলা ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। এক আসামির আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলাটি স্থগিত করা হয়।

সোমবার উচ্চ আদালতের এ স্থগিতাদেশ চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতে পৌঁছার পর আদেশটি চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলাটির শুনানির দিন ধার্য ছিল।

অনেক ‘প্রভাবশালী এ মামলার বিচার কাজ বিলম্বিত করতে সক্রিয় অভিযোগ করে মামলা স্থগিতে হতাশা ব্যক্ত করেছেন নিহত হিমুর বাবা।

গত ১৫ জুলাই হিমু হত্যা মামলা চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করা হয়। এরআগে এ মামলা চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শহীদুল ইসলামের আদালতে বিচারাধীন ছিল।

দায়রা জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অনুপম চক্রবর্তী বলেন, আসামি শাহাদাত হোসেন সাজুর পক্ষে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।

“গত ২১ জুলাই হাইকোর্টে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও জাফর আহমদের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদেশটি সোমবার আদালতে পৌঁছেছে। এর ফলে বিচারকাজ ছয় মাস স্থগিত থাকবে।”

৫ আগস্ট এ মামলায় মাদকবিরোধী সংগঠন শিকড়ের সাধারণ সম্পাদক জাওয়াদ আলী চৌধুরী আদালতে সাক্ষ্য দেয়ার দিন ধার্য ছিল।

২০১২ সালের ২৭ এপ্রিল নগরীর পাঁচলাইশ থানা এলাকায় শাহ সেলিম টিপুর বাড়ির ছাদ থেকে হিংস্র কুকুর লেলিয়ে ও ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়া হয় হিমুকে। আহত অবস্থায় ২৬ দিন চিকিৎসা নেয়ার পর ২৩ মে তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় হিমুর মামা শ্রীপ্রকাশ দাশ বাদি হয়ে পাঁচলাইশ থানায় পাঁচজনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১২ সালের ৩০ অক্টোবর পুলিশ পাঁচজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়।

ন্যায় বিচার পাওয়া নিয়ে প্রথম থেকেই সংশয়ে ছিলেন জানিয়ে হিমুর বাবা প্রবীর মজুমদার বলেন, মামলা দ্রুত বিচারে আসার পরপরই স্থগিত হয়ে গেল।

আমার ছেলে হত্যার পর খুনের মামলার আসামি জামিনে আর বিচার স্থগিত। কি আর বলব, এ মামলার পেছনে অনেক প্রভাবশালী সক্রিয়।“ –


আরোও সংবাদ