হিজরী সন ইসলামের ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের অন্যতম প্রতীক

প্রকাশ:| শনিবার, ১ অক্টোবর , ২০১৬ সময় ০৯:১৬ অপরাহ্ণ

 

হিজরী সন ইসলামের ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের
অন্যতম প্রতীক —–মাওলানা নূরী
বায়তুশ শরফ মজলিসুল ওলামা বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা মামুনুর রশীদ নুরী বলেছেন, হিজরী সনের সাথে পৃথিবীর অস্তিত্ব ও বিবর্তনে বহু উত্তান পতনের ইতিহাস জড়িত। রাসুলে করিম (স:) রিসালত পূর্ব তৎকালীন আরব সমাজেও বসরের প্রথম মাস হিসেবে মুহররম নির্ধারণ ছিল। বর্তমান বিশ্বেও ইসলামী সন হিসেবে হিজরী সন স্বীকৃত ও প্রচলিত।
মাওলানা নূরী আজ কালুরঘাটস্থ ইকরা ইসলামিক পাঠাগার আয়োজিত মুসলিম উম্মাহর ঐতিহ্যের স্মারক হিজরী সন শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন। পাঠাগার সভাপতি আলহাজ্ব ফয়সাল বিন মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় তিনি আরো বলেন, হিজরীসন ইসলামের ঐহিত্য ও আভিজাত্যের অন্যতম প্রতীক, মুসলিম জাতির স্বতন্ত্র জীবন ধারা ও মুল্যবোধের স্মারক। তিনি বলেন, রাসুলে করিম (স:) এর মদিনা হিজরত ও মুসলমানদের ঈমানী স্মারককে চিরস্বরনীয় করে রাখার জন্য গণকল্যাণ মূলক বহুজাতিক ইসলামী রাষ্ট্রের কর্ণধার দ্বিতীয় খলিফা আমিরুল মুমিনিন হযরত ওমর ফারুক (রা:) খিলাফতকালে বিস্তৃত পৃথিবীর অর্থেক শাসন ব্যবস্থাকে সুষ্ঠু ও গতিশীল করার লক্ষ্যে দায়িত্বমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তোলার জন্য ৬৩৯ খৃষ্টাব্দে হিজরী সনের প্রবর্তন করেন। তিনি বলেন, আজ মুসলমানদের হীনমান্যতা, অনৈক্য ও ইসলামের প্রকৃত ইতিহাস জানা না থাকার কারণে ধর্মীয় তাহজীব-তামাদ্দনকে পিছিয়ে ফেলে রাখা হয়েছে। এতে জন্ম নিচ্ছে মুসলিম পারিবারের যুবকদের মাঝে উচ্ছৃংখলতা, ধর্মান্ধতা, জঙ্গিবাদীতা ও সন্ত্রাস। প্রধান অতিথি মুসলিম নামীয় বিপদগামী যুবকদেরকে এসব অপকর্ম থেকে ফিরিয়ে আনার জন্য কোরআন-হাদিস ও ইসলামী সাহিথ্যের ব্যাপক চর্চার বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেন।
বক্তাগণ ১৪৩৮ হিজরী নববর্ষকে স্বাগত জানিয়ে মুসলিম জনগোষ্ঠিকে ইসলামী ভাবধারায় জাগ্রত করে তোলার জন্য রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে হিজরী নববর্ষ পালনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান।
আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ মাওলানা তাজুল ইসলাম, মাওলানা শাহ হারুনুর রশীদ, ইঞ্জিনিয়ার লুৎফুল করিম, ডা: মিনহাজুল ইসলাম, মাওলানা আবদুর রশীদ কাদেরী, মাওলানা ওবাইদুল্লাহ হানাফী, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম সিদ্দিকী প্রমুখ।