হিংসা-বিদ্বেষের পথ ছেড়ে দ্রুত সংসদ নির্বাচন দিন -খালেদা

প্রকাশ:| শুক্রবার, ২৮ আগস্ট , ২০১৫ সময় ১১:১৯ অপরাহ্ণ

আজ শুক্রবার এক বিবৃতিতে খালেদা জিয়া আশঙ্কার কথা জানান। বিবৃতিতে তিনি একটি টেকসই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার জন্য হিংসা-বিদ্বেষের পথ ছেড়ে আগের মতো একসঙ্গে কাজ করতে আওয়ামী লীগের প্রতি আহ্বান জানান।

 

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আশঙ্কা, হিংসাশ্রয়ী রাজনীতি দেশের ‘মৃতপ্রায় গণতন্ত্রকে’ একদিন কফিনে পুরে ফেলবে। সরকার যেন সে কাজটিই করতে বেশি তৎপর হয়ে উঠেছে।
বিএনপির চেয়ারপারসন আবারও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সবার অংশগ্রহণে দ্রুত সংসদ নির্বাচনের দাবি করেন। জনগণের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘জনগণের রায়ের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা-আস্থা আছে। আপনাদের ভয় কীসে?’
জামিনে মুক্তির পর বিএনপির নির্বাহী কমিটির সহ-পল্লী উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক ও জয়পুরহাট জেলার সভাপতি মোজাহার আলী প্রধানকে আবারও আটক করায় ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়ে খালেদা জিয়া এই বিবৃতি দেন।
খালেদা বলেন, উচ্চ আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরও অনেক ক্ষেত্রে আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অনেক রাজনৈতিক বন্দীকে সময়মতো মুক্তি না দিয়ে নানা টালবাহানায় তাঁদের আটকে রাখছে সরকার। এরপরেও কেউ জামিন নিয়ে মুক্তিলাভ করলেও কারাফটক থেকে নিত্য-নতুন সাজানো মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পুনরায় আটক করে তাদের জেলে পুরছে। সরকারের আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এ ধরনের তৎপরতা দেশের আইনের শাসনের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন ছাড়া আর কিছুই নয়।

বিবৃতিতে খালেদা জিয়া বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ সভানেত্রীকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, আমরা এ জন্য দেশ স্বাধীন করিনি। কারণ, এখন যে নীতিতে সরকার দেশ চালাচ্ছে, তা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঙ্গে বেইমানি ছাড়া কিছু নয়।’
খালেদা জিয়া দাবি করেন, বিএনপির পুনর্গঠন ও সাংগঠনিক কাজ বাধাগ্রস্ত করতে সরকার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের ‘মিথ্যা’ মামলায় আটক করছে, পুরোনো মিথ্যা মামলায় চার্জ গঠন করে চার্জশিট প্রদান করছে। তিনি সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করে দীর্ঘ সময় দেশ শাসন করা যাবে না। আশা করি সরকারের বোধোদয় ঘটবে।’