হালিশহর এলাকার কয়েকটি ওয়ার্ডে জন্ডিস রোগীর সংখ্যা বেড়েছে

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| সোমবার, ৩০ এপ্রিল , ২০১৮ সময় ১১:২৪ অপরাহ্ণ

নগরের হালিশহর এলাকার কয়েকটি ওয়ার্ডে পানিবাহিত জন্ডিস রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। বিষয়টি তদন্তে ঢাকা থেকে পাঁচ সদস্যের একটি দল মঙ্গলবার (১ মে) চট্টগ্রাম আসছে। একই সঙ্গে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিমও বিষয়টি অনুসন্ধান করবে।

চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী  জানান, হালিশহরের কয়েকটি ওয়ার্ডে ইদানীং পানিবাহিত ‘হেপাটাইটিস ই’ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে। যদি এ রোগে কেউ মারা যায় না, তবুও স্বাস্থ্য বিভাগ বিষয়টি নজরদারির মধ্যে রাখছে। রোগের কারণ ও প্রতিকার নির্ণয়ে ঢাকা থেকে রোগতত্ত্ব-রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পাঁচ সদস্যের একটি টিম আসছে। আমরা চসিক, জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগের সমন্বয়ে একটি কো-অর্ডিনেশন সেলও গঠন করেছি।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ ভাইরাসের কারণে মানুষ মারা যায় না। তাই আতঙ্কের কিছু নেই। হয়তো পানি সরবরাহের লাইনের সঙ্গে স্যুয়ারেজ লাইনের সংযোগ হওয়ায় এ ধরনের ভাইরাসের প্রকোপ দেখা গেছে। তবুও গর্ভবতী মা, শিশুসহ সবাইকে বিশেষভাবে সচেতন থাকতে হবে। প্রথমত, বিশুদ্ধ পানি পান করতে হবে। ওয়াসার পানি ভালোভাবে ফুটিয়ে তারপর বাসন, চামচ ধুতে হবে। ওই এলাকার কেউ জন্ডিসে আক্রান্ত হলে যেকোনো সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসতে হবে।

চসিকের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা সেলিম আকতার চৌধুরী বলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে আমরা জানতে পেরেছি হালিশহরের কিছু এলাকায় হেপাটাইটিস-ই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ ব্যাপারে সরেজমিন খোঁজ নিয়ে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

৩৭ নম্বর উত্তর মধ্যম হালিশহর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, আনন্দবাজার এলাকায় ইউসুফ মেম্বারের ছেলে জসিম উদ্দিন সপ্তাহখানেক ধরে জন্ডিসে ভুগছেন। তবে মহামারী আকারে এ রোগের প্রাদুর্ভাব হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। এ ব্যাপারে আমি খোঁজ নেব।

১১ নম্বর দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোরশেদ আকতার চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে বলেন, দু-একজন জন্ডিসে আক্রান্ত হওয়ার খবর আছে। আক্রান্তরা হাসপাতালে রয়েছেন। তবে ব্যাপক প্রাদুর্ভাব হয়েছে এমন কোনো খবর নেই।


আরোও সংবাদ