হালদা নদীতে অভিযাণ: ইটের ভাটার ম্যানেজারকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত

প্রকাশ:| শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি , ২০১৪ সময় ০৮:৩৪ অপরাহ্ণ

প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে অভিযাণ চালিয়ে হালদা নদীর তীর থেকে মাটি কেটে ইট তৈরী
একটি ইটের ভাটা বন্ধ ও একটি ইটের ভাটার ম্যানেজারকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত
0 (4)
শফিউল আলম, রাউজান ঃ প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে অভিযাণ চালিয়ে হালদা নদীর তীর থেকে মাটি কেটে ইট তৈয়ারী করায় একটি ইটের ভাটা বন্দ্ব ও একটি ইটের ভাটার ম্যানেজারকে আটক করে ভ্রাম্যমান আদালত । প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে উঠা ইটের ভাটায় হালদা নদীর তীরের মাটি কেটেঁ ও হালদার চর, ছায়ার চর থেকে মাটি কেটেঁ বোট যোগে ইটের ভাটায় এনে হালদা নদীর মাটি দিয়ে ইট তৈয়ারী করছে ইট ভাটার মালিকেরা । হালদা নদীর তীর ও চরকাটা মাটি দিয়ে ইটের ভাটায় ইট তেয়ারীর সংবাদ গত বৃহস্পতিবার দৈনিক সুপ্রভাত বাংলাদেশ পত্রিকায় বিপন্ন হালদা সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় গতকাল শনিবার সকাল দশটার সময় রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুল প্রদীপ চাকমার নেতৃত্বে উপজেলা মৎস অফিসার নাজিম উদ্দিনের নেতৃত্বে রাউজান থানা পুলিশের সহায়তায় হালদা নদীতে অভিযাণ চালিয়ে রাউজানের পশ্চিশ বিণাজুরী এলাকায় হালদা নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে উঠা সি এন্ড ডি নামক হাটহাজারীর গড়দুয়ার আবদুল রহমানের ইটের ভাটা বন্দ্ব করে দেয় ভ্রাম্যমান আদালত । রাউজানের কাগতিয়া কাসেম নগর এলাকায় আবুল হাশেমের এইচ এন ডি নামের ইটের ভাটায় অভিয়াণ চালিয়ে ইটের ভাটার ম্যানেজার নুরুল করিমকে আটক করে রাউজান থানায় নিয়ে আসা হয় । ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যজিষ্টেট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কুল প্রদীপ চাকমার নেতৃত্বে দুপুরে রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের মোকামী পাড়া এলাকার জে,কে, বি ও কে,এম,বি নামক দুইটি ইটের ভাটায় অভিযাণ চালিয়ে ইটের ভাটার মালিক ও ম্যানেজার কে খোজঁ করে না পেয়ে ফিরে চলে আসেন । রাউজানের নোয়াপাড়া ইউনিয়নের মেকামী পাড়া, কচূখাইন, পশ্চিম আবুরখীল, কাগতিয়া কাসেম নগর, পশ্চিম বিণাজুরী, গহিরা কোতোয়ালী ঘোনা এলাকায় হালদা নদীর তীরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র বিহীন গড়ে উঠেছে ইটের ভাটা । এসব ইটের ভাটায় ইট তৈরীতে ব্যবহার করা হচ্ছে হালদা নদীর তীর কাটাঁ ও চরের মাটি । রাউজান উপজেলা নির্বাহী অফিসার কুল প্রদীপ চাকমা বলেন, হালদা নদীর তীরে গড়ে উঠা ইটের ভাটার কোন লাইসেন্স নেই, নেই কোন পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র । এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা অবৈধভাবে হালদা নদীর তীরে ইটের ভাটা করে তোলেছে ।প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর মা মাছের প্রজনন হুমকির মুখে থাকায় ইটের ভাটা গুলির বিরুদ্বে অভিযাণ করা হয়েছে । একটি ইটের ভাটা বন্দ্ব করে দেওয়া হয়েছে । গতকাল হালদা নদীর তীর মোকামী পাড়া এলাকায় ইটের ভাটায় অভিযাণ করার সময়ে মেকামী পাড়া এলাকায় হালদা নদীতে রফিক নামে এক ব্যক্তি নদীতে জাল বসিয়ে মাছ শিকার করার সময়ে ভ্রাম্যমান আদালত রফিককে জাল সহ নদীতে ধরে ফেলে । হালদা নদীতে বসানো জাল তুলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে আগুন লাগিয়ে দিয়ে জাল পুড়িঁয়ে দেয়া হয় । রফিক আর কোন দিন হালদা নদীতে জাল বসিয়ে মাছ শিকার করবেনা বলে অঙ্গিকার করায় তাকে ভ্রাম্যমান আদালত ছেড়ে দেয় ।