হার্ডওয়্যার খাতেও ট্যাক্স হলিডে, শিক্ষার্থীদের ফ্রিতে ইন্টারনেট

নিউজচিটাগাং২৪/ এক্স প্রকাশ:| শুক্রবার, ১২ জানুয়ারি , ২০১৮ সময় ১১:২৫ পূর্বাহ্ণ

দেশের হার্ডওয়্যার খাতে ট্যাক্স হলিডে দেয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

‘দেশে তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য উৎপাদন ও বিক্রিতে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ট্যাক্স হলিডে দেয়ার তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলকের প্রস্তাবের বিষয়ে সরকার দ্রুতই সুখবর দিতে পারে’-বলেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে টেকশহর ডটকম স্মার্টফোন ও ট্যাব মেলার উদ্বোধন করেন জব্বার ও পলক।

তথ্যপ্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্মার্টফোন উৎপাদনকারী দেশি-বিদেশী কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তাদের বলেন, ‘প্রতিমন্ত্রীসহ আমি আশ্বস্ত করছি এটি হবে। দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে এই চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা খাতের জন্য আমাদের ট্যাক্স হলিডে আছে। এখন দেশে বা দেশের হাইটেক পার্কে যেসব প্রতিষ্ঠান উৎপাদন করবে এবং তা বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি করবে তাদের জন্য হবে এই ট্যাক্স হলিডে।’

এ সময় বাংলাদেশী কিংবা বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে দ্রুত হাইটেক পার্কে জায়গা নেয়ার আহবান জানান তিনি।

মোস্তাফা জব্বার টেকশহর ডটকমকে জানান, শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে ইন্টারনেট দিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে। এটা হবে। ইন্টারনেটকে সহজলভ্য করতে যৌক্তিকভাবে যা যা করা দরকার তার সবটাই করা হবে।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ওয়াইফাইয়ের মাধ্যমে বিনামূল্যে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দেয়ার শর্তে যেকোনো কোম্পানিকে কম দামে ব্যান্ডউইথ দেয়ার ঘোষণা দেন।

তথ্যপ্রযুক্তি রপ্তানিতে নগদ সহায়তা আরও বাড়ানোর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ঠিক মতো পারফর্ম করতে পারি, আমরা সরকারের কাছে আমাদের দেয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারি, সঠিকভাবে এর ব্যবহার করতে পারি এবং যথাযথ প্রবৃদ্ধি যদি আমরা সরকারের কাছে উপস্থাপন করতে পারি তাহলে আগামী বাজেটে এই রপ্তানি সহায়তা বাড়বে এটি নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো সুযোগ থাকবে না।

জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘২০১৭-২০১৮ অর্থবছর হলো দেশের হার্ডওয়‍্যার খাতের জন‍্য একটি ঐতিহাসিক বছর। কারণ আমরা দীর্ঘদিন ধরে একটি আন্দোলন চালিয়ে আসছিলাম। হার্ডওয়ারের সম্ভবনা যেটা হয়েছে তা হলো ৯৪টি পণ‍্যের ওপর ইমপোর্ট ডিউটি কমিয়ে এক শতাংশ করা হয়েছে। ফ্রিজের বাজারের ৮০ শতাংশ এখন লোকাল কোম্পানির হাতে। গত বছর ১৮ লাখ ফ্রিজ তৈরি হয়েছে ।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে  প্রতি মুহূর্তে ইন্টারনেট ব‍্যবহারকারী বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৯ বছর আগে ৮ লাখের কম ইন্টারনেট ব‍্যবহারকারী ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইন্টারনেটের দাম প্রতি এমবিপিএস ৭৮ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ৬০০ টাকা করেছে। ফলে ৭ লাখ থেকে এখন ইন্টারনেট ব‍্যবহারকারী ৮ কোটিতে।’

স্মার্টফোন ও ট‍্যাব কিন্তু ইন্টারনেট ব‍্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যুক্ত রয়েছে। ইন্টারনেটের গতি বাড়ালে কিন্তু স্মার্টফোন ও ট‍্যাব ব‍্যবহারকারী বৃদ্ধি পাবে-উল্লেখ করেন পলক।


আরোও সংবাদ