হাফপ্যান্ট ক্রয়

প্রকাশ:| মঙ্গলবার, ২০ মে , ২০১৪ সময় ১০:২০ অপরাহ্ণ

মুহাম্মদ জিয়াউদ্দীন ফারুক,স্টাফ রিপোর্টারঃ
হাফপ্যান্টকুতুবদিয়া থানা হাজতে পরণের শার্ট গলায় পেঁিচয়ে আসামীর আত্মহত্যার পর পাশ্ববর্তী থানা পুলিশের মাঝে আত্মহত্যা আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। সতর্কতার দিক দিয়ে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন পেকুয়া থানার ওসি মোঃ হাবিবুর রহমান।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে কক্সবাজার সদর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান‘র বিদায় উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে যোগ দিতে এ প্রতিবেদক পেকুয়া থানায় সরেজমিন পৌছলে দেখা মেলে ব্যাতিক্রমী দৃশ্যের। পাশাপাশি মহিলা ও পুরুষের জন্য দুটি হাজত খানারই জানালার ফটক একবারেই ছোট করে দেয়া হয়েছে। পুরুষ আসামীদের জন্য কেনা হয়েছে ৪টি হাফপেন্ট। পরে আরো বেশকটি হাফপেন্ট ক্রয় করা হবে বলেও জানা গেছে। তবে মহিলাদের জন্য গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কি উদ্যোগ নেবেন তা সঠিক করে বলতে পারেননি থানার ওসি হাবিবুর।
ওসি আরো বলেন, আটককৃত পুরুষ আসামীদের হাজতে ঢুকানোর পূর্বে লুঙ্গি,পুলপেন্ট, শার্ট ও গেঞ্জিসহ আত্মহত্যা করতে সহায়ক সব ধরনের কাপড়ই খুলে নিয়ে হাফ পেণ্ট পরিয়ে রাখা হচ্ছে। এতে হাজতী কারো আত্মহত্যার সুযোগ থাকবেনা।
এ ব্যাপারে কক্সবাজার সদর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার(এএসপি)মুহাম্মদ খালেদ-উজ-জামান বলেন, কুতুবদিয়ায় হাজতীর আত্মহত্যার পর পরিবারসহ নানা পক্ষ থেকে কোন প্রমান ছাড়াই পুলিশ কর্তৃক হত্যা করা হয়েছে অভিযোগ উঠায় পেকুয়া থানায় বাড়তি সতর্কতা হিসেবে হাফপেন্ট পরিয়ে হাজতী রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।